Tuesday, October 13, 2020

নিশ্চিত পরাধীনতার পথে ধাবমান বাংলাদেশ (পর্ব-৩)

 নিশ্চিত পরাধীনতার পথে ধাবমান বাংলাদেশ (পর্ব-৩)



প্রিয় পাঠক! লেখাটি একটি ধারাবাহিক যা ১০টি পর্বে সমাপ্ত হবে ইনশাআল্লাহ। 

আপনারা নিশ্চয় মুসলিম অধ্যুষিত বসনিয়াতে মুসলিম গণহত্যার কথা জানেন। এই একবিংশ শতাব্দীতে ইউরোপের একটি উন্নত দেশ বসনিয়ার লক্ষাধিক মুসলমান মা-বোনেরা যদি ধর্ষিতা হতে পারে, তাহলে ভারতীয় কাফিররা বাংলাদেশ দখলের পর আপনাদের মা-বোন-মেয়েদের সাথে কেমন আচরণ করবে সেটা হয়তো সহজেই অনুমান করতে পারছেন। মুসলমান মেয়েদের পেটে কাফিরের বাচ্চা তাদের যুগ যুগান্তরের আকাঙ্খা।


ইতিহাস স্বাক্ষী কাফিরদের এই আকাঙ্খা পূরণে তথাকথিত মুসলমান নামধারী মুনাফিকরাই বরাবর সাহায্য করেছে। বসনিয়ার মুনাফিকরা কিন্তু বাঁচে নি কাফিরদের অত্যাচারের হাত থেকে, যেমন বাঁচে নি মীর জাফর গং। বসনিয়ান মুনাফিকদের মা/বোনেরাও কিন্তু রক্ষা পায়নি সার্ব খ্রিস্টান ধর্ষকদের হাত থেকে।


সেই একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের সম্পূর্ণ সহযোগিতার মাধ্যমে।


বসনিয়াতে মুসলিম গণহত্যার পর জাতিসংঘ বলেছিল, সার্ব খ্রিস্টানরা ৩০ হাজার মুসলমান নারীদের ধর্ষণ করেছে, যদিও প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশী। বাংলাদেশের অনেক সেনা অফিসার বসনিয়া গণহত্যার সময় জাতিসংঘ শান্তি মিশনে গিয়েছিল। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী এক একটি ইউ এন পোষ্ট এ ৩০/৩৫ হাজার মুসলমান নারী ধর্ষিতা, সেরকম ইউ এন পোষ্ট ছিল প্রায় ১৯টি। এখন হিসাব করুন আমাদের কত অসহায় মা-বোন ধর্ষিতা হয়েছিল বসনিয়ায়।


বাংলাদেশে কি আপনারা সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখতে চান?


বসনিয়া গণহত্যা ছিল মুসলমান ধ্বংসে ইহুদী ও খ্রিস্টানদের যৌথ উদ্যোগ, তারা ইউরোপের বুকে সম্ভ্রান্ত ও অভিজাত মুসলিমদের দেখতে চায় নি। হুবহু একইরকম চক্রান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ পরাধীনতার দিকে ধাবমান, তবে এবার উদ্যোগটি হচ্ছে ইহুদী-হিন্দুদের যৌথভাবে। এই যৌথ উদ্যোগের ফলাফলটা হবে বসনিয়ার চেয়ে আরো অনেক বেশী ভয়ংকর। কারণ পবিত্র কুরআন শরীফে আল্লাহ পাক বলেছেন,


(হে আমার হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) “আপনি মু’মিনদের জন্য মানুষদের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদীদেরকে, অতঃপর মুশরিকদেরকে।” (সূরা মায়িদা : ৮২)


প্রিয় পাঠক! তাহলে সহজেই বুঝতে পারছেন যে এই ইহুদী ও হিন্দুদের যৌথ উদ্যোগ কতটা ভয়ঙ্কর হবে।


১৯৪৭ সালের পর থেকেই ভারতে চলছে মুসলিমদের উপর অকথ্য নির্যাতন। একের পর এক গণহত্যার মাধ্যমে ভারতে শহীদ করা হয়েছে কয়েক লক্ষ মুসলিম, তেমনি ধর্ষিতা হয়েছেন কয়েক লক্ষাধিক মুসলিম নারী। ১৯৪৮ সালে ভারত গায়ের জোরে হায়দরাবাদ দখল করে ২ লাখেরও বেশী মুসলিমদের গণহত্যা ও গণধর্ষণের মাধ্যমে!


গত এক বছরের বেশী সময় ধরে কাশ্মীরে বন্ধ করে রাখা হয়েছে ইন্টারনেট, গোটা কাশ্মীর পরিণত হয়েছে একটি খোলা জেল খানায়, সেখানে ধর্ষিতা হয়েছেন লক্ষাধিক মুসলিম নারী, যার কোন বিচার হয় না, হবেও না। এই জঘন্য অমানবিক অপরাধ বিশ্বের মানুষের দৃষ্টির আড়ালে রাখার জন্য কোন সাংবাদিককে কাশ্মীর যেতে দেয়া হচ্ছে না গত এক বছর ধরে।


একই ধরনের ধর্ষণ-নির্যাতন চালু আছে আরাকানের রোহিংগা মুসলমানদের উপরও। এর আগে আমি একটি পোস্ট লিখেছিলাম মায়ানমারের উপর সেখানে আমি প্রমাণ করার চেষ্টা করেছি মায়ানমারে ইহুদীদের ইনভল্ভমেন্ট।


বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে, সরকার গঠন করা হয় গায়ের জোরে ভারতীয় গোয়েন্দা "র" এর প্রত্যক্ষ মদতে, কেড়ে নেয়া হয়েছে মানুষের বাক স্বাধীনতা। গনতন্ত্রের আড়ালে চালু করা হয়েছে কঠিন স্বৈরতন্ত্র, সেনাবাহিনীকে ব্যাপক টাকা পয়সা আর ঘুষ খাওয়ার সুযোগ দিয়ে করে ফেলা হয়েছে পেশাগত ভাবে অযোগ্য আর দুর্নীতিবাজ। সীমান্তের এপার থেকে হুমকি দিলে সেনানিবাসে থেকেই তারা অস্ত্র সমর্পণ করবে। তাহলে বাকী রইলো কি?


বাংলাদেশের মুসলমানদের এখন কোন নেতার দিকে তাকিয়ে থাকলে লাভ হবে না। দেশের এই চরম সংকটের সময় প্রত্যেককে যার যার কর্তব্য পালন করতে হবে। কেয়ামতের ময়দানে কিন্তু নেতার দোষ দিয়ে পার পাওয়া যাবেনা, নিজের দ্বারা যতটুকু সম্ভব তাই করতে হবে। মুসলমানদের ইজ্জত ও সম্ভ্রম নিয়ে বাঁচতে হলে ঈমানী জজবা নিয়েই বাঁচতে হবে।


যেহেতু মুসলমানদের ঈমানী জজবাই হচ্ছে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাই সেই ঈমানী জজবা ধ্বংস করার জন্য সেকুলারিজম তথা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে


শিশু-কিশোরদের জন্য চালু করা হয়েছে ধর্মহীন শিক্ষা যা তাদেরকে গড়ে তুলবে মূল্যবোধহীন ও ভোঁতা একটি প্রজন্ম হিসাবে। গত ১০ বৎসর স্বঘোষিত নাস্তিক শিক্ষা মন্ত্রী নাহিদের পর এবার শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়ীত্ব পেয়েছেন নওফেল, যে নিজেকে হিন্দু সন্ত্রাসী সংগঠন ইসকনের সদস্য হিসাবে দাবী করে। এই ধরণের শিক্ষামন্ত্রীরা দেশকে কোথায় নিয়ে যাবে ?


মনে রাখতে হবে যে দেশ রক্ষার দায়িত্ব কোন দল বা সরকারের নয় বা কোন নেতার নয়, দেশের সকলের। ১৯৭১ বাংলাদেশের জনগণ সবাই মিলেই স্বাধীনতা অর্জন করেছে। দেশের সরকার যদি শক্তিশালী গোয়েন্দা কার্যক্রমের কারণে বিদেশী শক্তির কাছে জিম্মি হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে জনগণ সহায়তা করবে সরকারকে উদ্ধার করতে।


শ্যামলী ট্রান্সপোর্টের হিন্দু মালিক বাংলাদেশকে পরাধীন করে অখন্ড ভারতের অন্তর্ভুক্ত করতে চায়! সে বাংলাদেশের নাগরিক, বাংলাদেশেই ব্যবসা করে হাজার কোটি টাকা বানিয়েছে।


ভারত সরকারের নির্দেশে বাংলাদেশ সরকার তার বিরুদ্ধে কিছু করতে পারছেনা, বিষয়টি বোধগম্য। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ তো আর মোদীর কাছে নাকে খৎ দেয় নি যে একজন প্রকাশ্য দেশদ্রোহীকে ছেড়ে দেবে! বাংলাদেশের মানুষদের উচিত সমস্ত রকম প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করে শ্যামলী ট্রান্সপোর্টের ব্যবসা বন্ধ করাতে বাধ্য করতে। যদি অন্তত এইটুকু না করতে পারেন তবে প্রস্তুত থাকুন কিছুদিন পর ভারতীয় নাগরিক হয়ে নতুন পাশপোর্ট করার জন্য, যদি বেঁচে থাকেন। সেইসাথে প্রস্তুত থাকুন নিজ মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষা করার প্রচেষ্টা না করে আল্লাহ পাকের উপর ছেড়ে দিয়ে হা হুতাশ করতে।


ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী হলো ঠাণ্ডা মাথায় মুসলিমদের গণহত্যাকারী। সে ২০০২ সালে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মুসলিমদের গণহত্যা করেছিল বলে ভারতীয় হিন্দুরা তাকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছে যাতে গোটা দেশে মুসলিমদের গণহত্যা করা যায়। সে কিন্তু হিন্দুদের এই আখাঙ্খা পূরণ করেছে, ক্ষমতায় আসার পর ভারতে শুরু হয়েছে মুসলিমদের পিটিয়ে মারার উৎসব! কাশ্মীরে শুরু হয়েছে আরও বেশী নির্যাতন।


ভারতে মুসলিম নিধনের এই সাফল্যের তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে তুলতে ভারতীয় সেনা বাংলাদেশে প্রবেশ করলে কী অবস্থা হবে তা কি কল্পনা করতে পারছেন?


মুসলমানদের গণহত্যা ও গণধর্ষণ গুজরাতে হাজারে, কাশ্মীরে লাখে, বাংলাদেশে পৌঁছাবে কোটিতে!


মোদী বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকারকে মনে করে গোলামের গোলাম যারা ফুঁ দিলেই ক্ষমতাচ্যুত হয়ে যাবে। যে কোন ধরনের সাজানো নাটকের (ফল্‌স ফ্ল্যাগ অপারেশন) মাধ্যমে বাংলাদেশ আক্রমণ করা কোন সমস্য নয় তার জন্য। আর সেটা হলে কি হবে তার পরিণতি আপনাদের জানাই আছে !

মু’মিন-মুত্তাক্বী উনারাই লাভ করেন ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ উনার নিয়ামত মুবারক

 মু’মিন-মুত্তাক্বী উনারাই লাভ করেন ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ উনার নিয়ামত মুবারক


------------------------------------------------------

মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে সন্তুষ্ট করার জন্য মু’মিন-মুত্তাক্বী উনারা সর্বদা উদগ্রীব থাকেন। সবসময় তালাশ করেন কিভাবে সেই শ্রেষ্ঠতম নিয়ামত মুবারক লাভ করা যায়, কোথায় পাওয়া যায়, কখন পাওয়া যায়? এ চিন্তায় সর্বদা বিভোর থাকেন উনারা। সুবহানাল্লাহ!

 হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার নিয়ামত মুবারক লাভ করেছিলেন। আর উনাদের অনুসরণে পরবর্তী মু’মিন-মুত্তাক্বী উনারাও সেই দিন ও সময় তালাশ করেন। বছর ঘুরে যখন পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ অর্থাৎ শেষ আরবিয়া (বুধবার) আসে তখন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুকরণে উনারাও সাধ্য-সামর্থ্য অনুযায়ী হাদিয়া মুবারক পেশ করেন এবং দান-ছদক্বা করে ভালো খাবারের ব্যবস্থা করেন। গোসল মুবারক করে পাক-সাফ হয়ে ভালো কাপড় মুবারক পরিধান করেন। পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ উনার মজলিস করতঃ আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক আলোচনা করে ছানা-ছিফত মুবারক করতঃ খুশি প্রকাশ করেন।

 তবে কাফির-মুশরিক, মুনাফিকরা গাফিল (উদাসীন) হওয়ার কারণে সেই নিয়ামত মুবারক থেকে তারা বঞ্চিত থাকে। ধর্মব্যবসায়ী মালানা তথা উলামায়ে ‘সূ’দের দৌরাত্ম্যের কারণে অনেক মু’মিনও তা থেকে মাহরূম হয়। নাঊযুবিল্লাহ!

এজন্য বলা হয়- ধর্মব্যবসায়ী মালানা তথা উলামায়ে ‘সূ’রা মুসলমানদের শত্রু, দেশের শত্রু, সমাজের শত্রু, মানুষের শত্রু। এদের হীন ষড়যন্ত্র থেকে মুসলমানদেরকে সতর্ক থাকা দরকার।

নিশ্চিত পরাধীনতার পথে ধাবমান বাংলাদেশ (পর্ব-২)

 নিশ্চিত পরাধীনতার পথে ধাবমান বাংলাদেশ


(পর্ব-২)



প্রিয় পাঠক! লেখাটি একটি ধারাবাহিক যা ১০টি পর্বে সমাপ্ত হবে ইনশাআল্লাহ। 

মানুষ যখন অপরাধ ও পাপের দ্বারা নিজের কর্তব্যকে ভুলে থাকে তখন ভোগবাদের স্বপ্নিল জগতে নিজেকে ভাসিয়ে দিতে মোটেই কুন্ঠাবোধ করেনা।


পাপাচার ও মদের বিস্ময়কর কার্যকারিতা হলো, এগুলো মানুষের আত্মসংযমকে নিঃশেষ করে দেয়। অমুসলমানেরা শত শত বছর পূর্বে মুসলমানদের বিভ্রান্ত করতে যে স্বপ্নময় পাপাচার দ্বারা আকৃষ্ট করতো, তার কৌশল, মাধ্যম এবং ধরণের পরিবর্তন হলেও সেই প্রক্রিয়া কিন্তু আজ অবধি অব্যাহত রয়েছে। 


আজ বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রায় সকল সামরিক / বেসামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, রাতের আঁধারে মদ ও পরনারী ভোগে লিপ্ত। দেশ জুড়ে সুপরিচিত ঘুষখোর এবং ৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর ভাই আজিজকে মোদীর নির্দেশে দেয়া হয়েছে সেনা প্রধানের দায়িত্ব। যদি জাতি সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয় এই আজিজই সম্ভবত হবে স্বাধীন বাংলাদেশের সর্বশেষ সেনাপ্রধান।


বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ এর অবস্থান আরো শক্তিশালী করতে ১৫৬ টি লীগ এর পর আরো ২টি লীগ প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে: একটি হচ্ছে ’ধর্ষণকারী লীগ’। কমবয়সী মেয়েতে আসক্ত আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এই ধর্ষণকারী লীগ এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন। এই বয়সে কার্যক্ষমতার অভাব থাকলেও অভিজ্ঞতার অভাব হবেনা।


প্রস্তাবিত দ্বিতীয় লীগটি হচ্ছে 'ক্যাসিনো লীগ'। এরা সরকারী লাইসেন্স নিয়ে ক্যাসিনো চালাবে। দেশের মানুষকে ধোঁকা দেয়ার জন্য মাঝে মধ্যে সরকার ধরপাকড়ের নাটক করবে, আবার দিনের শেষে রাতের আঁধারে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হবে। তবে ওরা উপরের কাকে কত টাকা মাসোহারা দেবে তা গোপন রাখা হবে। 


প্রসঙ্গ বদলে এবার একটু অন্যদিকে তাকানো যাক। ভারত তাদের তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতার নামে দেশের মুসলমানদের উপর চালাচ্ছে চরম নিপীড়ন, নির্যাতন, আর বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতার নামে চলছে কঠিন হিন্দু চোষণ আর সন্ত্রাসী হিন্দুদের পদলেহন। 


বাংলাদেশের শিশু/কিশোরদের বই থেকে ইসলামিক চেতনা মুছে সেখানে অধিকাংশ হিন্দু এবং নাস্তিকদের গল্প/প্রবন্ধ আর কবিতা পড়ানো হচ্ছে। গত ১০ বৎসরে স্বঘোষিত নাস্তিক শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের এই সর্বনাশটি করেছে। 


আর বর্তমান শিক্ষাপ্রতি মন্ত্রী নওফেল তো সরাসরি চরম ইসলাম বিদ্বেষী ও উগ্র হিন্দুসন্ত্রাসী ইসকন সদস্য হিসাবে নিজেকে দাবী করে। 


বর্তমান বাংলাদেশের সরকারের মাধ্যমে অবধারিত পরাধীনতার অন্যান্য লক্ষণগুলো হচ্ছে:


১. বর্তমান সরকার ৪০ জন মৃত্যুদণ্ডের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীদেরকে প্রেসিডেন্টের ক্ষমার মাধ্যমে রাতের আঁধারে বিদেশে পাঠিয়েছে। এর ভিতরে এক জন হচ্ছে বর্তমান সেনাপ্রধান আজিজ জেনারেলের আপন ভাই শীর্ষ সন্ত্রাসী যোসেফ। 


হায় সেলুকাস, কি বিচিত্র এই বাংলাদেশ। ৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ভাই সেনাপ্রধান! 


২. ৭১ সালে এই আওয়ামীলীগ নেতারাই পূর্ব পাকিস্তানের ব্যাংক সমূহ লুট করে ৯মাস কোলকাতার বেশ্যাপাড়া আর মদের দোকান গুলোকে জমজমাট করে রাখে। এবার তারা ১০ বৎসরের অধিক ক্ষমতায় তাই তারা পুরো দেশটাকেই বেশ্যাপাড়া আর ধর্ষণ পাড়ায় রূপান্তর করেছে। ব্যাখ্যা করা নিষ্প্রয়োজন! আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন সবই, প্রতিদিনই। 


৩. যে দল টি দেশ স্বাধীন করেছে বলে দাবী করে, তারা আজ পর্যন্ত ভারতের অন্যায় আচরণের বিরূদ্ধে একটি বারের জন্য ও শক্ত ভাষায় প্রতিবাদ করেনি। 


যে যুবসমাজ বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে, সেই যুবসমাজ তাদের মাতৃভূমিকে অন্ধের মত পরাধীনতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে হীন ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থে। 


যে কারনেই হোক মুসলমানদের মধ্যে দুটো দল যখন যুদ্ধের জন্য মুখোমুখি হয়, তখন কাফেররা সেই দলকেই সহযোগিতা করে যারা বিজয়ী হলে ইসলামের সবচেয়ে বেশী ক্ষতি হবে। 


ইতিহাস স্বাক্ষী এ ক্ষেত্রে কাফেররা কখনই কোন ভুল করেনি। সেই সুদান, লিবিয়া থেকে সিরিয়া পর্যন্ত ইসলাম ধ্বংসের একই ধারা। 


যে মুসলিম দেশের সরকার ইসলামের যত বেশী ক্ষতি করবে, কাফিররা তাকে ক্ষমতায় রাখার জন্য তত বেশী সহযোগিতা করবে। 


চরম হিন্দুত্ববাদী ও উগ্র ইসলাম বিদ্বেষী ভারত কর্তৃক বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারকে সহযোগিতার মূল কারণটি হচ্ছে এটাই, তারা মুসলিমদের সবচেয়ে বেশী ক্ষতি করতে সক্ষম হবে।  


নিশ্চিত থাকুন ভারতীয় আগ্রাসনের বিপরীতে বাংলাদেশের বর্তমান সেনাবাহিনী প্রধান যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়ে, সেনানিবাসে বসেই তার সেনাবাহিনীকে আত্মসমর্পণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।


 তবে মনে রাখতে হবে, ভারতীয় সেনাবাহিনী এবার বাংলাদেশে প্রবেশ করলে কে ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগ আর কে যে ছাত্রদল তা তারা যাচাই করবে না। তাদের কাছে কিন্তু সবাই মুসলমান! 


দখলদার কাফির সেনাদলের হাজার বছরের ইতিহাস অনুযায়ী মুসলমান মা/বোনদের সাথে যে আচরণ তার করেছে, ঠিক তাই করবে এখানেও।


প্রিয় পাঠক! আপনাদের জানা আছে বসনিয়ায় মুসলিম গণহত্যার ইতিহাস! শুধুমাত্র বসনিয়াতেই লক্ষাধিক মুসলমান মা/বোন ধর্ষিতা হয়েছিল তাদের প্রতিবেশী কাফিরদের দ্বারা, যাদেরকে তারা ভাই বন্ধুদের মতো মনে করতো। 


আপনাদের নিশ্চিত মনে আছে গুজরাটের গণহত্যার কথা! প্রতিবেশী হিন্দুদের দ্বারা খুন ও ধর্ষিতা হয়েছিল হাজার হাজার মুসলমান যাদেরকে ওই মুসলমানরা তাদের ভাই বন্ধু বলে মনে করতো। 


আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে সদ্য ঘটে যাওয়া দিল্লীর মুসলিমদের গণহত্যার কথা! সেখানেও মুসলিমদের বিশ্বস্ত হিন্দুদের দ্বারাই মুসলিমরা খুন ও ধর্ষিতা হয়েছে। 


তাই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন এবং বাংলাদেশকে ভারতীয় কাফিরদের নিকট হস্তান্তর করা থেকে বিরত থাকুন। 


বুয়েট এর ছাত্র আবরারের শাহাদাতের মধ্য দিয়ে যে স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ শুরু হয়েছে, শ্যামলী ট্রান্সপোর্ট এর চলাচল বাংলাদেশের মাটিতে বন্ধ করার মাধ্যমে সেই যুদ্ধ আপনারা চলমান রাখুন। ঈমানী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হোন।


আর যদি নিজেকে কেয়ামতের ময়দানে বেঈমান হিসাবে উপস্থাপন করতে চান তাহলে ঘুমিয়ে থাকুন!

সম্মানিত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহ তায়ালা আনহুম উনারা পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালন করেছেন।

 সম্মানিত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহ তায়ালা আনহুম উনারা পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালন করেছেন।


________________________________________

আখির অর্থ শেষ, আর চাহার শোম্বাহ অর্থ আরবিয়া বা বুধবার। এক কথায় আখিরী চাহার শোম্বাহ অর্থ শেষ আরবিয়া (বুধবার)। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ আরবিয়া (বুধবার)কে পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ বলা হয়।

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১১ হিজরী সনের পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে মারীদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করেন। এরপর ছিহহাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। আবার পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার তৃতীয় সপ্তাহে মারীদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করেন। এবং ছফর মাসের শেষ আরবিয়া (বুধবার) ছিহ্হাতী শান মুবারক গ্রহণ করেন। ইতিহাসে এই দিনটি পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ নামে পরিচিত।

 নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছিহহাতী শান মুবারক গ্রহণ করে গোসল মুবারক করেন। তিনি হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে নিয়ে নাস্তা মুবারক গ্রহণ করে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের খোঁজ খবর নেন, মসজিদে নববী শরীফ উনার মধ্যে তাশরীফ মুবারক নেন এবং ইমামতি মুবারক করেন এবং খুশি প্রকাশ করেন। এই খুশিতে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাও খুশি প্রকাশ করেন। যার যার সাধ্য-সামর্থ্য অনুযায়ী হাদিয়া মুবারক পেশ করেন। এবং দান-ছদকাও করেন। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি ৭ হাজার দিনার,

সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি ৫ হাজার দিনার,

সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি ১০ হাজার দিনার,

সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি ৩ হাজার দিনার এবং

হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ১০০ উট ও ১০০ ঘোড়া হাদিয়া মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমাদের জন্য আমার সুন্নত মুবারক এবং হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন তথা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম উনাদের সুন্নত মুবারক অবশ্য পালনীয়।” সুবহানাল্লাহ! যেহেতু পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা পালন করেছেন তাই প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা উনাদের জন্য উচিত- পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালন করা ও এই দিনে বেশি বেশি হাদিয়া করা, দান-ছদকা করা।

নিশ্চিত পরাধীনতার পথে ধাবমান বাংলাদেশ (পর্ব-১)

 নিশ্চিত পরাধীনতার পথে ধাবমান বাংলাদেশ


(পর্ব-১)



প্রিয় পাঠক! লেখাটি একটি ধারাবাহিক যা ১০টি পর্বে সমাপ্ত হবে ইনশাআল্লাহ। 


প্রথমে মনে রাখতে হবে যে একটি যুদ্ধ যখন ঘটে তখন দেশের সমস্ত প্রান্তে একই ভাবে, একই ফর্মেশনে, একই কৌশলে ঘটে না। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কৌশলে যুদ্ধ করে শত্রুভূমিকে কব্জা করা হয়।


অজগর সাপ যখন কোন শিকার ধরে, প্রথমে মাথা থেকে তাকে খেতে শুরু করে। মাথাটা খেতে পারলে বাকী শরীর সম্মোহিতের মত স্বয়ংক্রিয় ভাবেই তার পেটে ধীরে ধীরে প্রবেশ করে। ভারত নামের অজগর সাপটি বাংলাদেশের মাথা কিন্তু তার মুখে ঢুকিয়ে ফেলেছে, এখন গোটা বাংলাদেশকে গিলে ফেলা সময়ের ব্যাপার মাত্র। 


অতি সংক্ষেপে আমি বিষয়টি প্রমাণ করবো এবং সেই সাথে কি করতে হবে তার দিক নির্দেশনাও পর্যায়ক্রমে দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। 


প্রমাণসমূহ : 


১. ভারতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় জাতির সাথে চরম বেইমানী করে ভোটহীন নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ক্ষমতা দখল। 


২. ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনীর সহায়তায় পরিকল্পিত ভাবে ৫৭ জন নিরস্ত্র সেনা কর্মকর্তা হত্যা।


৩. বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গেলে প্রধানমন্ত্রী মোদীতো নয়ই, কোন দপ্তরবিহীন মন্ত্রী কিংবা সচিব পর্যায়ের ব্যক্তি পর্যন্ত বিমান বন্দরে অভ্যর্থনা করতে আসে না। আসে সেকশন অফিসার পর্যায়ের কোন মহিলা কর্মকর্তা। বাংলাদেশের জন্য এটি চরম অপমান।


৪. পরিকল্পিত ভাবে সীমান্তে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশী মুসলমান শহীদ করা হচ্ছে। বাংলাদেশের (অ)নির্বাচিত প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশ, পত্র পত্রিকায় যাতে সেই খবরগুলো ছাপা না হয়।


৫. র‍্যাব সদস্যদেরকে সূক্ষ্ম পরিকল্পনার মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় নিয়ে পরবর্তীতে ধরে নিয়ে যাওয়া এবং সব শেষে জামাকাপড় খুলে বেধড়ক পিটুনি, কানে ধরে উঠ-বস এবং সকল প্রকার শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করার পর ছেড়ে দেয়া। বাংলাদেশের প্রবল ক্ষমতাধর প্রধানমন্ত্রী কিন্তু টুঁ শব্দও করেন না।


৬. সীমান্ত হত্যা ও র‍্যাব সদস্যদেরকে নির্যাতন, সবই করা হয় এক বিশেষ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে তা হচ্ছে, বাংলাদেশীদের দেশপ্রেমের চেতনা ও জাতীয়তাবোধের যে শক্তি তাকে পর্যায়ক্রমে শেষ করে দেয়া। 


একটি দেশকে পরাধীন করতে হলে সর্বপ্রথম কাজটি হচ্ছে সেই দেশের জনগনের স্বাধীনতার চেতনাকে গুড়িয়ে দেয়া, সকলের অন্তরে ভীতির সৃষ্টি করা, যা ভারত বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে করে যাচ্ছে। 


৭. এয়ারর্পোট করার বাহানায় ভারত কুমিল্লা জিলার সীমান্ত থেকে প্রায় ১৫০ একর জমি দখল করে নেয়। এটা ছিল বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর প্রকাশ্য চপেটাঘাত। 


৮. বর্তমান বাংলাদেশ সরকার অবৈধ ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে গত ১০ বৎসরে স্কুল, কলেজ এবং ইউনিভারসিটি গুলোতে ব্যাপক হারে মুসলমান মেয়েরা হিন্দু শিক্ষক কর্তৃক ধর্ষিতা হয়। শাস্তি তো অনেক পরের কথা অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিচারই হয়নি।


৯. প্রশাসনকে ব্যাপক ভাবে হিন্দুআয়ন করা হয়েছে, দেশের ২% হিন্দু এখন প্রশাসনের ৮০% গুরুত্বপূর্ন পদ দখল করে আছে।


১০. গত ১০ বছরে ছাত্রলীগের জন্য এই চাঁদাবাজী মানবাধিকারে পরিনত হয়েছে। শোভন/রাব্বানীর ঘটনা ছিলো সাজানো, মূল কারনটা হচ্ছে ছাত্রলীগের সর্বোচ্চ আসনে হিন্দু নিয়োগ দিতে হবে, তাই শোভন/রাব্বানীকে একটি বাহানা দেখিয়ে বিতাড়িত করে ইসকন সন্ত্রাসী লেখক ভট্টাচার্য্কে লীগের নেতৃত্বে নিয়ে আসা। লেখক শুধু ইসকনের সন্ত্রাসী নয়, তাকে ঢাকা ইউনিভারসিটিতে খোলা ময়দানে ৩ ফুট লম্বা রামদা নিয়ে শোডাউন করতে ফেসবুকে দেখা যায়। রেফারেন্স- http://bit.ly/2Qrkof8


সে মুসলমান ছাত্র/ছাত্রীদেরকে যারপর নাই নির্যাতন করেছে, তারপর ও সে আজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। 


১১. প্রশাসন, গোয়েন্দা বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর ক্ষমতা হিন্দুদেরকে হস্তান্তর করার পর, ছাত্রলীগ এ করা হলো লেখক ভট্টাচার্য্ এর ক্ষমতায়ন।


১২. শেখ হাসিনা ছাত্র লীগকে বানিয়েছে – কুত্তালীগ, আর যুবলীগকে বানিয়েছে – জানোয়ার লীগ হিসাবে। চাঁদাবাজী, জুয়া, খুন, ধর্ষণ এদের জন্য কোন অপরাধ নয়। যে যত বেশী সন্ত্রাসী কর্মকান্ড প্রদর্শন করতে পারবে, তার পদবী তত উপরে।


১৩. বুয়েটের মত প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা যদি ছাত্রলীগ (কুত্তালীগ) হওয়ার কারণে দলগত ভাবে ঠান্ডা মাথায় নিজ ভাইকে হত্যা করতে পারে, সে ক্ষেত্রে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কুত্তালীগ এর ছাত্ররা কোন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে?


১৪. বাংলাদেশী মুসলমানদের ধর্মীয় চেতনাকে ভোঁতা করে দেয়ার জন্য কিছুদিন পরপরই বাংলাদেশী হিন্দুরা ধর্ম ইসলামকে চরম ভাবে আঘাত করে ফেসবুকে পোষ্ট দেয়। হাসিনা সরকার তখন ন্যাক্কারজনক ভাবে মিথ্যা বিবৃতি সহ দৌড় ঝাঁপ শুরু করে তাকে জনরোষ থেকে রক্ষা করার জন্য। শেখ হায়েনার কাছে সকল ক্ষমতার মালিক মহান আল্লাহ পাক নন, মোদীই সকল ক্ষমতার উৎস, নাউজুবিল্লাহ।


বাংলাদেশ যে পরাধীনতার দিকে ধাবমান তা এখন জেগে নয়, ঘুমিয়ে থেকেও বোঝা যায়। মূল বিষয় হচ্ছে এহেন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মানুষের কি করণীয়? 


কি ভাবে গোমূত্র খাওয়া অজগর ভারত ও তার সেবাদাস আওয়ামী লীগ সরকার থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে? 


আলোচনা শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব থেকে!

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...