Monday, June 28, 2021

৭০ টি কবিরা গুনাহ কি কি? সব মুসলমানদের জেনে রাখা উচিৎ।

৭০ টি কবিরা গুনাহ কি কি? সব মুসলমানদের
জেনে রাখা উচিৎ। .
★ ১. শিরক করা ৷
★২. মানুষ হত্যা করা ৷
★৩. জাদুটোনা করা ৷
★৪. নামাজে অবহেলা করা ৷
★৫. যাকাত না দেয়া ৷
★৬. বিনা ওজরে রমজানের রোযা ভঙ্গ করা৷
★৭.সামর্থ থাকা সত্ত্বেও হজ্ব না করা ৷
★ ৮.পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া ৷ 
★৯. রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়তা ছিন্ন করা ৷ 
★১০. যিনা-ব্যভিচার করা ৷
★১১. লাওয়াতাত বা সমকামিতা করা ৷ 
★১২.সুদের আদান-প্রদান ৷
★১৩. ইয়াতিমের মাল আত্মসাৎ করা এবং
তাদের ওপর জুলুম করা৷
★১৪. আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি মিথ্যারোপ
করা৷
★১৫. ধর্মযুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন৷ 
★১৬.শাসক কর্তৃক জনগণের ওপর জুলুম৷ 
★১৭. গর্ব-অহংকার৷
★১৮. মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া৷ ★১৯. মদ্যপান৷ 
★২০.
জুয়া খেলা৷
★২১. সতী-সাধ্বী নারীকে ব্যভিচারের অপবাদ
দেয়া৷
★২২. গনীমতের মাল আত্মসাৎ করা৷ 
★২৩. চুরি করা৷
★২৪. ডাকাতি করা৷
★২৫. মিথ্যা শপথ করা ও আল্লাহ ছাড়া অন্য
কারো নামে শপথ করা৷
★২৬. জুলুম বা অত্যাচার করা৷ ★২৭. জোর পূর্বক
চাঁদা আদায় করা৷ ★২৮. হারাম খাওয়া ও
যেকোন হারাম পন্থায় সম্পদ উপার্জন ও
ভোগদখল করা৷★ ২৯. আত্মহত্যা করা৷
★৩০. কথায় কথায় মিথ্যা বলা৷★ ৩১.
বিচারকার্যে দুর্নীতির আশ্রয় নেয়া৷★ ৩২. ঘুষ
খাওয়া৷
★৩৩. পোশাক-পরিচ্ছদে নারী-পুরুষের
সাদৃশ্যপূর্ণ বেশভূষা৷
★৩৪. নিজ পরিবারের মধ্যে অশ্লীলতা ও
পাপাচারের প্রশ্রয়দান৷ ★৩৫. তালাকপ্রাপ্তা
মহিলাকে চুক্তিভিত্তিক হিলা বিয়ে করা৷
★৩৬. প্রস্রাব থেকে পবিত্র না থাকা৷ ★৩৭.
রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে সৎ কাজ
করা৷
★৩৮. দুনিয়াবী উদ্দেশ্যে ইলম বা জ্ঞান অর্জন
করা এবং সত্য গোপন করা৷ ★৩৯. আমানতের
খেয়ানত বা বিশ্বাস ঘাতকতা৷ ★৪০. দান-
খয়রাতের খোটা দেয়া৷ ★৪১. তকদিরকে
অবিশ্বাস করা৷★ ৪২. কান পেতে অন্য লোকের
গোপন কথা শোনা৷
★৪৩. চোগলখুরি করা৷
★৪৪. বিনা অপরাধে কোন মুসলমানকে অভিশাপ
ও গালি দেয়া৷
★৪৫. ওয়াদা খেলাফ করা৷
★৪৬. গণকের কথায় বিশ্বাস করা৷ ★৪৭. স্বামীর
অবাধ্য হওয়া৷ ★৪৮. প্রাণীর প্রতিকৃতি আঁকা৷
★৪৯. বিপদে উচ্চঃস্বরে বিলাপ করা৷ ★৫০.
বিদ্রোহ, দম্ভ ও অহংকার প্রকাশ৷ ★৫১. দাস-
দাসী দুর্বল শ্রেণীর মানুষ এবং জীবজন্তুর
সাথে নিষ্ঠুর আচরণ করা৷ ★৫২. প্রতিবেশীকে
কষ্ট দেয়া৷ ★৫৩. মুসলমানদের কষ্ট ও গালি
দেয়া৷ ★৫৪. আল্লাহর বান্দাদের কষ্ট দেয়া৷
★৫৫. অহংকার ও গৌরব প্রকাশে টাখনুর নিচে
পোশাক পরা৷
★৫৬. পুরুষের স্বর্ণ ও রেশমী কাপড় পরিধান
করা৷
★৫৭. মনিবের কাছ থেকে গোলামের পলায়ন
বা বৈধ কর্তৃপক্ষকে অস্বীকার করা৷ ★৫৮.
আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে পশু- পাখি
যবেহ করা৷
★৫৯. যে পিতা নয়, তাকে জেনে- শুনে পিতা
বলে পরিচয় দেয়া৷ ★৬০. ঝগড়া ও বাদানুবাদ
করা৷ ★৬১. প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি
অন্যকে না দেয়া৷ ★৬২. মাপে এবং ওজনে কম
দেয়া৷ ★৬৩. আল্লাহর আজাব ও গজব সম্পর্কে
উদাসীন হওয়া৷
★৬৪. আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হওয়া৷ ★৬৫.
বিনা ওজরে জামায়াত ত্যাগ করা এবং
একাকী নামাজ পড়া৷
★৬৬. ওজর ছাড়া জুমআ এবং জামায়াত ত্যাগ
করার ওপর অটল থাকা৷ ★৬৭.
উত্তরাধিকারীদের মধ্যে শরীয়ত বিরোধী
ওসিয়ত করা৷
★৬৮. ধোঁকাবাজি, ছলচাতুরি, প্রতারণা করে
মানুষ ঠকান৷
★৬৯. মুসলমানদের ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে
গোয়েন্দাগিরি করা এবং তাদের গোপনীয়
বিষয় অন্যদের কাছে প্রকাশ করে দেয়া৷ 
★৭০.রাসূলের সাহাবাদের কাউকে গালি দেয়া৷ .
হে আল্লাহ আপনি আমাদেরকে এই সকল
কবিরা গুনাহ থেকে হেফাজত করুন....আ'মীন।

কুরবানী’ শব্দের অর্থ

 কুরবানী’ শব্দের অর্থ



‘কুরবানী’ শব্দটি আরবী قُرْبَانٌ ‘কুরবান’ শব্দ হতে উদ্ভূত যার শাব্দিক অর্থ নৈকট্য, যা শব্দমূল قُرْب ‘র্কুব’ শব্দ থেকে উদ্গত। নিকটবর্তী হওয়া বা নৈকট্য লাভ করা, বিলীন হওয়া, উৎসর্গ করা অর্থে قُرْبَانٌ ‘কুরবান’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়।


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে قُرْبَانٌ ‘কুরবান’ শব্দটি মোট তিন জায়গায় ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ১৮৩ নং আয়াত শরীফ, পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ উনার ২৭ নং আয়াত শরীফ এবং পবিত্র সূরা আহক্বাফ শরীফ উনার ২৮ নং আয়াত শরীফ। এছাড়া পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে কুরবানী অর্থে نَحَرٌ, نُسُكِىْ ও مَنْسَكًا শব্দ মুবারক ব্যবহৃত হয়েছে। অনুরূপভাবে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কুরবানী অর্থে


 اُضْحِيَّةٌ, اُضْحِيَةٌ, اِضْحِيَّةٌ, اِضْحِيَةٌ, اَضَاحِىُّ, اَضْحَاةٌ, اَضْحٰى, ضَحْيَةٌ, ضَحَيَّةٌ, ضَحَايَا 


শব্দ মুবারক ব্যবহৃত হয়েছে।

পবিত্র কুরবানী উনার দিনসমূহে মহান আল্লাহ পাক উনার সান্নিধ্য লাভের উদ্দেশ্যে যবেহযোগ্য উট, গরু, ছাগল বা ভেড়াকে اُضْحِيَّةٌ ‘উদ্বহিয়্যাহ’ বলা হয়। এ শব্দটি ضُحٰي ‘দ্বুহা’ শব্দ থেকে গৃহীত যার অর্থ ‘পূর্বাহ্ন’। 


যেহেতু কুরবানী যবেহ করার উত্তম সময় হলো ১০ যিলহজ্জ শরীফ উনার (ঈদের দিনের) পূর্বাহ্নকাল, তাই ওই সামঞ্জস্যের জন্য ‘উদ্বহিয়্যাহ’ বলা হয়েছে। এটিকে আবার ضَحِيَّةٌ ‘দ্বাহিয়্যাহ’ বা اَضْحٰي ‘আদ্বহা’ও বলা হয়। আর ‘আদ্বহাহ’ এর বহুবচন হলো ‘আদ্বহা’, যার সাথে সম্পর্ক জুড়ে ঈদের নাম হয়েছে عِيْدُ الْاَضْحٰي ‘ঈদুল আদ্বহা’।


মূলত সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় খ¦লিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার নামে নির্দিষ্ট তারিখে অর্থাৎ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ১০, ১১ ও ১২ তারিখের যে কোন দিনে নির্দিষ্ট নিয়মে নির্দিষ্ট প্রাণী অর্থাৎ দুম্বা, মেষ, ভেড়া, খাসী, ছাগল, উট, গরু, মহিষ প্রভৃতি গৃহপালিত হালাল চতুষ্পদ প্রাণীসমূহকে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে যবেহ করাকে কুরবানী বলে।


মূলত পবিত্র কুরবানী হচ্ছে আবুল মুসলিমীন হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সুন্নত। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-


عَنْ حَضْرَتْ زَيِدِ بْنِ اَرْقَمَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ اَصْحَابُ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ! مَا هذِهِ الْاَضَاحِىْ؟ قَالَ سُنَّةُ اَبِيْكُمْ اِبْرَاهِيْمَ عَلَيْهِ الـسَّلاَمُ.


অর্থ : “হযরত যায়িদ ইবনে আরকাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এই কুরবানী কি? তিনি জাওয়াবে ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনাদের পিতা হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম উনার সুন্নত।” (মুসনাদে আহমদ শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ)

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...