Tuesday, September 8, 2020

মুসলমানদের চলা-ফেরা, উঠা-বসা শরীয়ত মুতাবিক হতে হবে।

 মুসলমানদের চলা-ফেরা, উঠা-বসা শরীয়ত মুতাবিক হতে হবে।



পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “দুনিয়া হচ্ছে মুসলমানদের জন্য কারাগার, আর কাফিরদের জন্য হচ্ছে বালাখানা।”

অর্থাৎ কাফির-মুশরিক ইহুদী নাছারা হিন্দু, বৌদ্ধ, নাস্তিকরা যা ইচ্ছা তাই করতে পারে, তাদের যা মনে হয়, যা ইচ্ছা হয়, সেটাই তারা করতে পারে। তাদের কোনো বাঁধাধরা নিয়ম নেই। কোনো আইন-কানুন নেই তাদের। মৃত্যুর পরে তারা সরাসরি জাহান্নামে কঠিন আযাব গযবে নিপতিত হবে অনন্তকালের জন্য। আর মুসলমানগণ তাদের নিজের মনমত কোন কাজ করতে পারবে না। প্রত্যেকটা কাজে মহান আল্লাহ পাক উনার মতে মত হতে হবে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে পথ হতে হবে, তাহলে তার জন্য কামিয়াবী হাছিল করা সহজ ও সম্ভব। যেমন কারাগারে যে বন্দী থাকে, তাকে যেমন অন্য ব্যক্তির কথা মুতাবিক চলতে হয়। সেরকম, মুসলমান যমীনের মধ্যে থাকবে- মহান আল্লাহ পাক উনার মতে মত হয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে পথ হয়ে। তার ব্যতিক্রম চলার কোনো ক্ষমতা তার নেই। যদি কেউ চলে তাহলে তার জন্য পরকালে কঠিন শাস্তি এবং আযাব-গযব রয়েছে। আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার মতে মত চলবে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে পথ চলবে, তার জন্য রয়েছে কামিয়াবী।

তবে দুনিয়ার মহব্বত, দুনিয়ার শান-শওকত, চাকচিক্য অবশ্যই মানুষকে তথা ঈমানদার মুসলমানদেরকে ধোঁকা দিবে। সেই ধোঁকাকে অতিক্রম করে সেই ধোঁকাকে ডিঙ্গিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত এবং মহান আল্লাহ পাক উনর রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বতে থাকতে হবে মহান আল্লাহ পাক তিনি আনুগত্যশীল বান্দাদেরকে সুসংবাদ জানিয়ে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে ও আমলে সালেহ্ বা নেক কাজ করেছে, তাদের জন্যে জান্নাতুল ফেরদাউসে মেহ্মানদারীর ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে, তারা সেখান থেকে কখনো বের হতে চাইবে না।” সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ: ১০৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ)

মসজিদের জমির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নজরুল হামিদ বিপু, আগে এ মিথ্যার ফয়সালা চাই।

 মসজিদের জমির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নজরুল হামিদ বিপু, আগে এ মিথ্যার ফয়সালা চাই। 



রাষ্ট্রীয় কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কথা বললে যদি আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয় তাহলে 

ইসলাম ধর্মীয় কোনো বিষয়ে মিথ্যাচার করলে তার জন্যেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া অপরিহার্য। 


আর তিনি কাদের হয়ে কথা বলেছেন সেটাও খতিয়ে দেখার বিষয়।

যারা পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার করবেন, উনাদেরকে সবসময় গায়িবী মদদ করা হবে।

 যারা পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার করবেন, উনাদেরকে সবসময় গায়িবী মদদ করা হবে।



আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, মুজাদিদ্দে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ০৭ই যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতুল আরবিয়া শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফালইয়াফরহূ শরীফ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “সময় তো সীমিত। একটা নির্দিষ্ট সময়ে মানুষকে যেতে হবে। এটাতো স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি নিজেই বলেছেন যে, এই আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক কেন্দ্রটা ব্যাপক প্রচারের জন্য একটা পরিকল্পনা করতে হবে এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে হবে। এটা সময়ের ব্যাপার না? সারা দুনিয়ায় ছড়াতে হবে, সময় লাগবে। তাহলে তাড়াতাড়ি পরিকল্পনা করতে হবে। সারা বিশে^ ছড়িয়ে দিতে হবে। উনিতো বলেননি, শুধু ঐ এলাকায় ছড়াও, বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেও। না; সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে হবে। এখন সুসংবাদ অনেক আছে। যে যতটুক গ্রহণ করতে পারে। আর গ্রহণ না করলেতো কিছুই নেই। বুঝলে অনেক কিছু।। আর যারা বুঝে না, তাদের জন্য কিছুই নেই।”

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, মুজাদিদ্দে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই মুহররমুল হারাম শরীফ লাইলাতুছ ছুলাছা শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফালইয়াফরহূ শরীফ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র সুন্নত মুবারক ব্যাপক প্রচার করতে হবে। এটা ফরযে আইন এখন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি নিজে বলছেন। তাহলে ব্যাপক প্রচার করতে হবে। রুহানীভাবে লোক নিয়োগ করা হচ্ছে। মানুষ এটা বুঝবে কিভাবে? আজকে দিনের বেলাও (১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার ১১ই মুহররমুল হারাম শরীফ ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ দিনেও) যাত্রাবাড়ীর পীর সাহেব আমার মহাসম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার যিয়ারত মুবারক-এ উনি এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন এবং বলেছেন, এখন মানুষকে সুন্নতী দ্রব্যগুলি খাওয়ানো উচিৎ বেশি বেশি। আমি বলেছি- হ্যাঁ; খাওয়াতে হবে। উনি নাবীয, তালবীনা আরো অনেকগুলি সুন্নতী খাবার মুবারক উনাদের নাম মুবারক বললেন যে, এগুলি বেশি বেশি প্রচার করা দরকার। 

তাহলে পবিত্র সুন্নত মুবারক আরো বেশি প্রচার দরকার। একখানা পবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করলে একশ শহীদের বেশি ফযীলত পাওয়া যাবে। তাহলে এটা কি সোজা জিনিস? মূর্খ, মুনাফিক্ব আর কাফেরেরা জীবনে এগুলি বুঝবে না। আর যেখানে হাজার হাজার সুন্নত মুবারক, তাহলে সেখানে ফযীলত কতো? কাজেই এখন এটা ব্যাপক প্রচার-প্রসারের জন্য কোশেশ করতে হবে। আর যেই বিষয়গুলি দ্বারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মানটা প্রকাশ পায় সেটাই বেশি করা উচিৎ। (সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!)

এ পর্যন্ত যাত্রাবাড়ী পীর সাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনি পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচারের বিষয়ে আমাকে ৩ বার তাকীদ করলেন। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি প্রথম ১ বার বলেছেন। উনাদের পক্ষ থেকে যাত্রাবাড়ী পীর সাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনি কাজ করাচ্ছেন। রুহানীভাবে লোক নিয়োগ করা হচ্ছে। যাঁরা পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার করবে, তাঁদের গায়িবী মদদ হবে, সাহায্য হবে। কাফির, মুশরিক, মুনাফিক্ব তো আছে ফেতনা করার জন্য, কিছু করতে পারবে না। হেফাযত করা হবে। (সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!)

এখন এ সমস্ত বিষয়ে যারা গাফলতী করে, এদের নামগুলি বাদ দিয়ে দিলেই হয়। এদের দরকার নেই। আর যারা চূ-চেরা, ক্বীলও ক্বাল করে এরা মুনাফিক্ব, এদেরকে বাদ দিয়ে দিলেই হয়। এখন আমাদের মূল যে বিষয়টা হচ্ছে যে, যিনি মালিক যিনি খ¦লিক্ব যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনি এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি অর্থাৎ উনারা যদি কবুল করেন, তাহলে আর কারো কোনো প্রয়োজন নেই। কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই। কারো টাকা-পয়সারও দরকার নেই, কারো খিদমতেরও প্রয়োজন নেই। কুদরতী ফায়ছালা হবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি রেজালুল গায়েব দিয়ে, হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের দিয়ে কাজ করাতে পারেন। অনেক রকম হতে পারে। মানুষের ছূরতে এসে কাজ করে দিয়ে যান, কেউ বুঝতে পারে না। কতো জিন, রেজালুল গায়েব ও ফেরেশতা আছেন মানুষের ছূরতে কাজ করেন, অনেকেই চিনে না। সে মনে করে অমুক, আসলে তো সে না। অন্য কেউ অর্থাৎ জিন, রেজালুল গায়েব, ফেরেশতা। কতো রকম হতে পারে। (সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!)

ঐ যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বলা হচ্ছে-

اَنَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُوْلُ نَـحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ طَهَّرَهُمُ اللهُ مِنْ شَجَرَةِ النُّبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَـةِ وَمُـخْتَلِفِ الْمَلَائِكَةِ وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدِنِ الْعِلْمِ.

অর্থ: “নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবসময় ইরশাদ মুবারক করতেন, আমরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের (আমাদেরকে) সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার বৃক্ষ, সম্মানিত রিসালাত মুবারক উনার স্থান, বিভিন্ন হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের, উনাদের দ্বারা সম্মানিত খিদমত মুবারক, সম্মানিত রহমত মুবারক উনার ঘর মুবারক এবং সম্মানিত ইলম মুবারক উনার খনি মুবারক (ইত্যাদি সমস্ত কিছু) থেকে পবিত্র রেখেছেন, ছমাদ তথা বেনিয়ায (অমুখাপেক্ষী) করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে দুররে মানছূর ৬/৬০৬, ইবনে আবী হাতিম ৯/৩১৩৩)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শান মুবারক-এ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক-এ বলা হয়েছে, উনারা সবকিছু থেকে পবিত্র। নুবুওয়াতের বৃক্ষ, রিসালতের মূল হোক, হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের খেদমত হোক, রহমত মুবারক উনার ঘর হোক, ইলমের খনি সবকিছু থেকে পবিত্র। তার অর্থটা কী? অর্থাৎ যিনি মালিক যিনি খলিক্ব মহান আল্লাহ পাক উনি কুদরতীভাবে ফায়ছালা করবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনি ফায়ছালা করবেন। অসুবিধার কি আছে? এগুলি চিন্তার কোনো কারণ নেই। কুদরতী ফায়ছালা তো হচ্ছে। হয়নি? হচ্ছে তো। বন্ধ থাকলো কোন্টা? কোনোটা বন্ধ থাকেনি। এখন আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, খালিছ নিয়তে আন্জাম দেয়া, খুলুছিয়াতের সাথে। তাহলে কুদরতী ফায়ছালা হবে। বিষয়গুলি ফিক্বির করতে হবে। ফিক্বির করলে বুঝতে সহজ হবে।” (সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!)

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...