Thursday, July 30, 2020

পবিত্র ঈদের নামাযের পর বা যেকোন সময় মুছাফাহা তথা হাতে হাত মিলানো এবং মুয়ানাকা তথা কোলাকুলি করা খাছ সুন্নত।

পবিত্র ঈদের নামাযের পর বা যেকোন সময় মুছাফাহা তথা হাতে হাত মিলানো এবং মুয়ানাকা তথা কোলাকুলি করা খাছ সুন্নত।
_____________________________________________
মুছাফাহা বা হাতে হাত মিলানো:
একজন মুসলমান অপর মুসলমানের সাথে সাক্ষাতান্তে সালাম বিনিময়ের পর সৌহার্দ ও মুহব্বত প্রকাশের মাধ্যমটির নাম হল মুছাফাহা। দেখা হলে মুছাফাহা বা করমর্দন করা একটি ইসলামী শরীয়ত উনার আইন ও উত্তম চরিত্র। এটি মুছাফাহাকারী ব্যক্তিদ্বয়ের মাঝে মুহব্বত-ভালবাসা ও হৃদ্যতার বহিঃপ্রকাশ। অন্যদিকে এটি মুসলমানদের পারস্পারিক হিংসা-বিদ্বেষ ও কলহ দূর করে দেয়। দুই হাতে মুছাফাহা করা খাছ সুন্নত মুবারক এবং এটা ছিল মুসলমানদের মাঝে ও হযরত ছাহাবায়ে কেরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের মাঝে সাধারণ অভ্যাসগত সুন্নত।
মুছাফাহা করা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আমল মুবারক দ্বারা প্রমাণিত। আর এটি গুনাহ মাফ হওয়ার মাধ্যমও বটে। হযরত বারা ইবনে আযেব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যখন দু’জন মুসলমান পরস্পরে সাক্ষাৎকালে মুছাফাহা করে তখন তাদের পৃথক হওয়ার পূর্বেই উভয়ের পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয়’। (তিরমিযী শরীফ-২৭২৭ ‘অনুমতি প্রার্থনা’ অধ্যায় ‘মুছাফাহার বর্ণনা’ অনুচ্ছেদ, সুনানে আবু দাউদ শরীফ -৫২১২) 
হযরত ইবনে বাত্তাল রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন: “সর্বস্তরের আলেমদের মতে, মুছাফাহা একটি নেক কাজ। ইমাম নববী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন: সাক্ষাতের সময় মুছাফাহা করা সুন্নত মর্মে ইজমা বা আলেমদের ঐক্যমত্য সংঘটিত হয়েছে।” (যেমনটি রয়েছে ‘ফাতহুল বারী’ ১১/৫৫)
মুয়ানাকা বা কোলাকুলি:
মুয়ানাকা (معانَقَه) শব্দের অর্থ কোলাকুলি করা, বুকে বুক মিলানো। দীর্ঘদিন পর একে অন্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে পরস্পরে মুয়ানাকা বা কোলাকুলি করা সুন্নত। কেউ সফর থেকে এলে দীর্ঘদিন পর দেখা-সাক্ষাৎ হওয়ায় হযরত ছাহাবায়ে-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা মুয়ানাকা বা কোলাকুলি করতেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশোদ মুবারক হয়েছে- উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত, হযরত যায়েদ ইবনে হারিছা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি যখন পবিত্র মদিনা শরীফে এলেন তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমার ঘরে ছিলেন। হযরত যায়েদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আমার ঘরে এলেন এবং দরজায় টোকা দিলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজের কাপড় অর্থাৎ চাদর সামলাতে সামলাতে উঠে গেলেন এবং হযরত যায়েদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সঙ্গে মুয়ানাকা কোলাকুলি করলেন এবং বুছা দিলেন।’ (তিরমিযী শরীফ : ২৭৩২) 
মুয়ানাকা বা কোলাকুলী করার সঠিক পদ্ধতি হচ্ছে- প্রথমে ডান গলা মিলাবে, অতঃপর বাম গলা মিলাবে অতঃপর পুনঃরায় ডান গলা মিলাবে। অর্থাৎ মুয়ানাকা তিনবার আলাদা করাই আফযল বা উত্তম। অনেকে একবার মুয়ানাকার কথা বলে থাকে তা সঠিক নয়।
উপরোক্ত দলীল ভিত্তিক আলোচনা দ্বারা অকাট্ট্যভাবেই প্রমাণিত হয়েছে যে, মুছাফাহা ও মুয়ানাক্বা করা খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। যারা ছোঁয়াচে বিশ্বাস করে পবিত্র ঈদের দিন বা অন্য যে কোনো সময় মুছাফাহা ও মুয়ানাক্বা করতে নিষেধ করবে বা উক্ত আমল থেকে বিরত থাকবে তারা কুফরী করে মুরতাদে পরিণত হবে। তাছাড়া আমভাবে কোনো সুন্নতকে অবজ্ঞা বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে আক্বাইদের কিতাবে উল্লেখ আছে,
اهانة السنة كقر
অর্থ: পবিত্র সুন্নত উনাকে ইহানত বা অবজ্ঞা করা কুফরী।
মহান আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে উপরোক্ত কুফরী আক্বীদা থেকে হিফাজত করে পবিত্র সুন্নত মুতাবিক আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন!

আগামীকাল ইয়াওমুল জুমা হচ্ছে ০৯ জ্বিলহজ্জ্ব তথা ইয়াওমুল আরাফা। তাই আজ সেহেরী খেয়ে আগামীকাল রোজা রাখতে হবে।

আগামীকাল ইয়াওমুল জুমা হচ্ছে ০৯ জ্বিলহজ্জ্ব তথা ইয়াওমুল আরাফা। তাই আজ সেহেরী খেয়ে আগামীকাল রোজা রাখতে হবে।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “পবিত্র আরাফা উনার (৯ই যিলহজ্জ শরীফ) রোযা বান্দার এক বৎসর পূর্বের ও এক বৎসর পরের গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেয়।” সুবহানাল্লাহ

মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনার আমল ব্যতীত মুখেমুখে মুহব্বত করলে কখনো কামিয়াবী অর্জন করা সম্ভব নয়।

মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনার আমল ব্যতীত মুখেমুখে মুহব্বত করলে কখনো কামিয়াবী অর্জন করা সম্ভব নয়।
__________________________________________
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত-মা’রিফত ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রেযামন্দি সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের প্রধান ও একমাত্র মহান মাধ্যম হচ্ছেন সম্মানিত সুন্নত মুবারক।
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এ সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ 
 অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো বা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও, তবে তোমরা আমার অনুসরণ করো। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের মুহব্বত করবেন এবং তোমাদের গুনাহখাতা ক্ষমা করে দিবেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যধিক ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩১)
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ 
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা নিয়ে এসেছেন তা আঁকড়িয়ে ধরো এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন তা থেকে বিরত থাকো।” (পবিত্র সূরা হাশর শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৭)
আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- 
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "مَا مِنْ نَبِيٍّ بَعَثَهُ اللَّهُ فِي أُمَّةٍ قَبْلِي إِلَّا كَانَ لَهُ مِنْ أُمَتِهِ حَوَارِيُّونَ وَأَصْحَابٌ يَأْخُذُونَ بِسُنَّتِهِ وَيَقْتَدُونَ بِأَمْرِهِ, ثُمَّ إِنَّهَا تَخْلُفُ مِنْ بَعْدِهِمْ خُلُوفٌ يَقُولُونَ مَا لَا يَفْعَلُونَ وَيَفْعَلُونَ مَا لَا يُؤْمَرُونَ, فَمَنْ جَاهَدَهُمْ بِيَدِهِ فَهُوَ مُؤْمِنٌ, وَمَنْ جَاهَدَهُمْ بِلِسَانِهِ فَهُوَ مُؤْمِنٌ, وَمَنْ جَاهَدَهُمْ بِقَلْبِهِ فَهُوَ مُؤْمِنٌ, وَلَيْسَ وَرَاءَ ذَلِكَ مِنَ الْإِيمَانِ حَبَّةُ خَرْدَلٍ"
হযরত আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন নিশ্চয় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন মহান আল্লাহ পাক তিনি আমার পুর্বে যখনই কোন জাতির মাঝে হযরত নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে প্রেরণ করেছেন তখনই উম্মাতের মধ্যে উনাদের এমন হাওয়ারী ও সাথী দিয়েছেন, যারা উনাদের সুন্নত মুবারক অনুসরণ করে চলতেন, নির্দেশ মুবারক অক্ষরে অক্ষরে পালন করতেন। অনন্তর তাদের পরে এমন সব লোক তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে, যারা মুখে যা বলে বেড়াত কাজে তা পরিণত করত না, আর সেসব কর্ম সস্পাদন করত যেগুলোর জন্য তারা আদিষ্ট ছিল না। এদের বিরুদ্ধে যারা হাত দ্বারা জিহাদ করবে, তারা মুমিন; যারা এদের বিরুদ্ধে মুখের কথা দ্বারা জিহাদ করবে, তারাও মুমিন এবং যারা এদের বিরুদ্ধে অন্তরে (ঘূণা পোষণদ্বারা) জিহাদ করবে তারাও মুমিন। এর বাইরে সরিষার দানার পরিমাণেও ঈমান নেই। (পবিত্র মুসলিম শরীফ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- 
مَنْ أَحْيَا سُنَّتِي فَقَدْ أَحَبَّنِي وَمَنْ أَحَبَّنِي كَانَ مَعِي فِي الْجَنَّةِ
অর্থ: “যে ব্যক্তি আমার সুন্নত মুবারক উনাকে মুহব্বত করলো, সে যেন আমাকেই মুহব্বত করলো আর যে ব্যক্তি আমাকে মুহব্বত করলো, সে আমার সাথে জান্নাতে থাকবে।” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
এখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদেশ-নিষেধ মুবারকগুলি সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম পালন করতে হবে। আর উনার সুন্নত মুবারক যে আঁকড়িয়ে ধরবে তার জন্য বিশেষ মর্যাদা রয়ে গেছে। এ প্রসঙ্গে একটি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَنْ تَمَسَّكَ بِسُنَّتِي عِنْدَ فَسَادِ أُمَّتِي فَلَهُ أَجْرِ مِائَةُ شَهِيد-
”অর্থ: “আমার উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তি ফিতনা-ফাসাদের যামানায় একটিমাত্র সুন্নত মুবারক উনাকে আঁকড়ে ধরবে, সে একশত শহীদ উনার ছাওয়াব লাভ করবে।” সুবহানাল্লাহ!
এখন আমরা জানি, একজন শহীদ উনার ছাওয়াব অনেক। তাহলে একশত শহীদ উনাদের সওয়াব তো আরো অধিক। এখন আমরা যদি একশত শহীদ উনাদের ছাওয়াব পেতে চাই, তাহলে আমাদেরকে পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাকে দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করতে হবে। আর সুন্নত মুবারক উনাকে অনুসরণের দ্বারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে জান্নাতে অবস্থানের সৌভাগ্য লাভ করা যায়। সুবহানাল্লাহ! আর সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণে আমল করলে সেই আমলের অনেক ফযীলত রয়ে গেছে। সুবহানাল্লাহ!
 সমস্ত ক্বায়িনাতের আমল যদি এক পাল্লায় রাখা হয় আর পবিত্র সুন্নত মুবারক যদি অপর পাল্লায় রাখা হয়, তাহলে সুন্নত মুবারক উনার পাল্লা ওজনে বেশি ভারী হবে। সুবহানাল্লাহ!
শুধু তাই নয়, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে সুন্নত মুবারক উনাদের অনেক ফাযায়িল-ফযীলত বর্ণিত রয়েছে সুন্নত মুবারক উনাদেরকে অনুসরণের ফলে
(১) রহমত লাভ করা যায়। 
(২) হিদায়েত লাভ করা যায়।
(৩) সবকাজে সফলতা অর্জন করা যায়।
(৪) একশত শহীদ উনাদের ছাওয়াব লাভ করা যায়।
(৫) সুমহান জান্নাত নসীব হয়।
(৬) মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি-রেযামন্দি হাছিল করা যায়। সুবহানাল্লাহ!
 কাজেই মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত-মা’রিফত ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রেযামন্দি সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের প্রধান ও একমাত্র মহান মাধ্যম হচ্ছেন সম্মানিত সুন্নত মুবারক। অর্থাৎ সুন্নত উনাকে আদায় করা মানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুকরণ অনুসরণ করা, মূলত, সুন্নত উনাকে পালন করার নামই সুন্নত মুবারক উনাকে মুহব্বত করা। আর যে ব্যক্তি সুন্নত উনাকে মুহব্বত করতে পারবে সে অবশ্যই যিনি মুহব্বতের কেন্দ্রস্থল, যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনাকে মুহব্বত করতে পারবে।
অতএব, একজন বান্দা-বান্দীর জন্য দুনিয়ার সকল আমলের চেয়ে একটি সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত লক্ষ-কোটি গুণেরও বেশি। পাশাপাশি নিয়ামত লাভের অন্যতম মহান মাধ্যম। তাই সুন্নত মুবারক উনার আমল ব্যতীত মুখেমুখে মুহব্বত করলে কখনো কামিয়াবী অর্জন করা সম্ভব নয়।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...