Monday, December 6, 2021

বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক শত্রুর নামানুসারে তার পৈতৃক জেলার নাম হতে পারে না, তাই ‘গোপালগঞ্জ’র নামটি পরিবর্তন করে সম্ভ্রান্ত শেখ বংশের নামে ‘শেখগঞ্জ’ করা হোক “

 রাজারবাগ দরাবর শরীফের লেখনীতে বিভিন্ন জেলার নাম পরিবর্তনের চিন্তাধারা এসেছে ব্রিটিশ বিরোধী চেতনা থেকে। 


এ সম্পর্কে রাজারবাগ দরবার শরীফের দৈনিক পত্রিকা দৈনিক আল ইহসানে ১৮ মার্চ, ২০১৫ তারিখে একটি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়। যার শিরোনাম ছিলো- “গোপালগঞ্জ’ জেলার নামকরণ হয়েছিল জমিদার রাসমণির নাতি ‘নবগোপাল’-এর নামানুসারে ॥ অথচ এই ‘রাসমণি’-ই ছিল বঙ্গবন্ধুর পূর্বপুরুষদের পারিবারিক শত্রু, যার চক্রান্তেই জমি ও ধনসম্পদ হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছিল শেখ পরিবার ॥ বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক শত্রুর নামানুসারে তার পৈতৃক জেলার নাম হতে পারে না, তাই ‘গোপালগঞ্জ’র নামটি পরিবর্তন করে সম্ভ্রান্ত শেখ বংশের নামে ‘শেখগঞ্জ’ করা হোক “



একইভাবে নারায়নগঞ্জ, ঠাকুরগাও, লক্ষীপুর জেলার নাম পরিবর্তনের চিন্তাধারা এসেছে ব্রিটিশবিরোধী চেতনা থেকে। যেমন-


নারায়গঞ্জ জেলার নামকরণ হয়ছিলো ১৭৬৬ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির লিজ দেয়া লক্ষীনায়ায়ণ নামক এক ব্যক্তির নাম অনুসারে।

 

ঠাকুরগাও জেলার নামকরণ হয়েছে, ব্রিটিশ ঘনিষ্ঠ নারায়ণ চক্রবর্তী ঠাকুর ও সতীশ চক্রবর্তী ঠাকুরের নাম অনুসারে। 


লক্ষীপুর জেলার নামকরণ হয়েছে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি থেকে রাজা উপাধি পাওয়া জমিদার রাজা গৌর কিশোর রায় চৌধুরীর পূর্ব পুরুষ লক্ষ্মী নারায়ণ রায়ের নাম অনুসারে।


এ প্রতিটি নাম ব্রিটিশ দালালির চেতনাযুক্ত। ব্রিটিশবিরোধী চেতনা থেকেই এ নামগুলো পরিবর্তনের দাবী উঠেছে। 


আমরা জানি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং তার কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও ব্রিটিশ বিরোধী চেতনা লালন করেন। সুতরাং সেই ব্রিটিশ বিরোধী চেতনার অংশ হিসেবে জনমত তৈরী করতে জেলার নাম পরিবর্তন বিষয়ক এ লেখনি। 


আমরা জনগণ হিসেবে এ দাবী তুলতে পারি, তবে তার বাস্তবায়ন করতে হবে খোদ সরকারকেই। তাই সরকারের কাছে আমরা লেখনীর মাধ্যমে ব্রিটিশবিরোধী চেতনার সম্বলিত নামগুলো পরিবর্তনের দাবী সব সময় জানিয়ে থাকি।

কোনদিন কোন পীর সাহেব নিয়ে ব্যাপকহারে লেখালেখি,মতামত,মন্তব্য-সমালোচনা কোন পত্রিকা-মিডিয়াতে করতে দেখিনি।

কোনদিন কোন পীর সাহেব নিয়ে ব্যাপকহারে লেখালেখি,মতামত,মন্তব্য-সমালোচনা কোন পত্রিকা-মিডিয়াতে করতে দেখিনি।

উদাহরনস্বরুপ- দেওয়ানবাগী নামের একজন কথিত পীর নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা মন্তব্য থাকলেও তাকে নিয়ে-

কোনদিন মিডিয়াগুলো তৎপরতা দেখায়নি !!

কিন্তু হঠাৎ করে-

বিগত কয়মাস যাবত রাজারবাগ শরীফ নিয়ে যে যেমনে পারছে, যা মুখে বা অন্তরে আসছে সেটাই লিখে যাচ্ছে।

কিন্তু কারন কি? কি এমন অপরাধ রাজারবাগ শরীফ হতে করা হচ্ছে? যার কারনে তারা সদলবলে রাজারবাগ শরীফের পিছনে লেগেছে??

কারন কি এটাই-

রাজারবাগ শরীফ সর্বাবস্থায় দ্বীন ইসলামী নিয়মনীতিকে আকড়ে ধরে রাখতে চায় !

রাজারবাগ শরীফ পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার ব্যাপক প্রচার প্রসার করতে চায় !

রাজারবাগ শরীফ ধর্মব্যবসায়ীদের মুখোশ খুলে দিতে চায়!

রাজারবাগ শরীফ ইসলামী তাহযীব তামুদ্দুন জাগাতে চায় !

রাজারবাগ শরীফ দেশের তামাম যুব সমাজকে মদ গাজা ইয়াবা বেহায়াপনা হতে ফিরিয়ে সভ্যতার ধারক বাহক বানিয়ে সুনাগরিক বানাতে চায় !

রাজারবাগ শরীফ কুল কায়িনাতে অনন্তকালব্যাপী সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ জারী করে রহমতের বারিধারা কায়েম রাখতে চায়!

রাজারবাগ শরীফ ধর্মের নামে বেনামে যাবতীয় সন্ত্রাসবাদের মূলোৎপাটন করতে চায় !

রাজারবাগ শরীফ বিশ্বদরবারে হিম্মতওয়ালা জাতি উপহার দিতে চায়!

মূলত-

এতসব চিন্তা চেতনা যাদের পছন্দ নয়, যারা এগুলো মানতে চায় না, যারা এগুলোর পক্ষে না, তারাই একযোগে রাজারবাগ শরীফ উনার বিরুদ্ধে চরম মিথ্যা প্রপাগন্ডায় লিপ্ত হয়েছে।

কিন্তু তাদের মনে রাখা উচিত-

”ফায়সালা হয় আসমানে, নড়াচড়া যদিও জমিনে”

সাথে সাথে মহাসত্য ইরশাদবানী সকলের জেনে রাখা উচিত-

وَقُلْ جَاء الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا

“আপনি বলে দিন- হক্ব সত্য এসেছেন এবং নাহক্ব বাতিল মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় নিশ্চয়ই মিথ্যা-নাহক্ব বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল। [১৭:৮১]

সুবহানাল্লাহ !!!

আমরা সেই মহাসত্যবানীর অনুসরনকারী মাত্র !!!

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...