Saturday, August 22, 2020

পবিত্র আশুরা শরীফ উনার আরেকটি উত্তম আমল; মুসলমানদের জন্য খাছভাবে দোয়া করা আর কাফিরদের জন্য কঠিন বদদোয়া করা।

 পবিত্র আশুরা শরীফ উনার আরেকটি উত্তম আমল; মুসলমানদের জন্য খাছভাবে দোয়া করা আর কাফিরদের জন্য কঠিন বদদোয়া করা।

___________________________________


আশুরা শরীফ উনার রাতে মুসলমানদের মুক্তির জন্য এবং বিপদ থেকে হিফায়েতর জন্য বিশেষ দোয়া করা মুসলমানদের কর্তব্য। আর সেসকল সন্ত্রাসী কাফির মুশরিকদের বিরুদ্ধে কঠিন বদদোয়া করা এখন ঈমানের দাবী।

বর্তমান সময়ে আলোচিত একটি বিষয় হলো মুসলমানদেরকে নিয়ে কাফির মুশরকিদের ষড়যন্ত্র। কাফির মুশরিকরা চায় সমস্ত মুসলমানদের ক্ষতি করতে, যুলুম নির্যাতন করতে। তারা যেন কোনরূপ ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য সারা বিশ্বের সকল মুসলমানদের জন্য দোয়া করতে হবে, এটা মুসলমানদের একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য। সকলকে বলতে হবে-

اللهم أغفر لي وللمؤمنين والمؤمنآت والمسلمين والمسلمآت

অর্থ: আয় বারে এলাহী মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমার ও সমস্ত মু’মিন নর-নারীর এবং সমস্ত মুসলমান পুরুষ ও মহিলাদের পাপসমূহ মোচন করে দিন।

আবার কাফিরদের বিরুদ্ধে বিজয়ী হওয়ার দোয়া করতে হবে:

رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَإِسْرَافَنَا فِي أَمْرِنَا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

অর্থ: আয় বারে এলাহী মহান আল্লাহ পাক আমাদের গুনাহ এবং কোন কাজের সীমালঙ্ঘনকে আপনি ক্ষমা করুন, আমাদের ঈমান দৃঢ় রাখুন এবং কাফিরদের বিরুদ্ধে আমাদের বিজয়ী করুন। (পবিত্র সূরা ইমরান শরীফ; ১৪৭) 

আরো দোয়া করতে হবে এভাবে-

رَّبَّنَا عَلَيْكَ تَوَكَّلْنَا وَإِلَيْكَ أَنَبْنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ - رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلَّذِينَ كَفَرُوا وَاغْفِرْ لَنَا رَبَّنَا ۖ إِنَّكَ أَنتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ 

অর্থ: হে! আমাদের রব তায়ালা! আমরা আপনারই ওপর নির্ভর করছি, আপনারই অভিমুখী হয়েছি এবং প্রত্যাবর্তন তো আপনারই কাছে। হে আমাদের মালিক! আপনি আমাদেরকে কাফিরদের নিপীড়নের পাত্র করবেন না। হে আমাদের রব তায়ালা! আপনি আমাদের ক্ষমা করুন; আপনি তো পরাক্রমশালী ও মহান প্রজ্ঞাময়। (পবিত্র সুরা মুমতাহিনা শরীফ: ৪-৫) 

যেহেতু কাফির মুশরিককরা মুসলমানদেরকে নির্যাতন ও যুলুম করছে। তাই প্রথমে তাদের জন্য হিদায়েত চাইতে হবে তারপর কঠিন বদদোয়া করতে হবে। অথচ তারা মুসলমান না হলে তাদের থাকারই কোন অধিকার নেই? কারণ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-

أَخْرِجُوا الْمُشْرِكِينَ مِنْ جَزِيرَةِ الْعَرَبِ

অর্থ: তোমরা আরব যমীন থেকে কাফির মুশরিকদের বের করে দাও। (বুখারী শরীফ)

ক্বইয়্যুমুয যামান, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, নূরে মুকাররম, হাবীবুল্লাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কূল মাখলুকাতের ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার লক্ষ্যস্থল আহলে বাইত ওলীআল্লাহ, যামানার লক্ষ্যস্থল আওলাদে রসূল, যামানার শ্রেষ্ঠতম ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি তাজদীদ মুবারক করে আরো ইরশাদ মুবারক করেছেন-

أَخْرِجُوا الْمُشْرِكِينَ مِنْ جَزِيرَةِ الْعَرَبِ وَالْعَزَمِ

অর্থ: তোমরা আরব এবং অনারব তথা সমস্ত দুনিয়ার যমীন থেকে কাফির মুশরিকদের বের করে দাও।

কাজেই বর্তমানে কাফির মুশরিকরা সারা বিশ্বে মুসলমানদের উপর যে যুলুম নির্যাতন করছে তাতে এখনো তাদের থাকার অধিকার নেই। তাদেরকে আরব অনারব তথা পৃথিবী থেকে বের করে দিতে হবে। যেহেতু সরাসরি জিহাদ করা ও বের করে দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা সেহেতু তাদের বিরুদ্ধে কঠিন বদদোয়া করতে হবে। আর এজন্য আর উচ্চ ও শক্ত আওয়াজে উচ্চকন্ঠে বলতে হবে:-

اَلَّهُمَّ اَهْلِكِ الْكَفَرَةَ وَالْفَسَقَةَ وَالْفَجَرَةَ وَالْمُبْتَدِعَةَ وَالْمُشْرِكِيْنَ اَلَّهُمَّ شَتِّتْ شَمْلَهُمْ اَلَّهُمَّ مَزِّغْ جَمْعَهُمْ اَلَّهُمَّ دَمِّرْ دِيَارَهُمْ وَخْذُلْ مَنْ خَذَلَ الْمُسْلِمِيْنَ وَخْذُلْ مَنْ خَذَلَ الدِّيْنَ صَلَّى اللهٌ عَلَيْهِ وَسَلَّمْ

“আল্লাহুম্মা আহলিকিল কাফারাতা ওয়াল ফাসাক্বাতা ওয়াল মুবতাদ্বিয়াতা ওয়াল মুশরিকীন। আল্লাহুম্মা শাত্তিত শামলাহুম, আল্লাহুম্মা মায়িযক্ব যাময়াহুম, আল্লাহুম্মা দ্বাম্মির দ্বিয়া রাহুম। ওয়াখ যুলমান খাজালাল মুসলিমীন, ওয়াখ যুলমান খাজালা দ্বীনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।”

মহান আল্লাহ পাক তিনি সবাইকে সেই তাওফীক দান করুন।

হিদায়েত পেতে হলে মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে অনুসরণ করতে হবে।

 হিদায়েত পেতে হলে মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে অনুসরণ করতে হবে।


আপনি নিজেকে মুসলমান মনে করছেন, মুসলমান দাবি করছেন, নিজেকে হিদায়েতপ্রাপ্ত মনে করছেন, খালিছ মু’মিন মুসলমান মনে করছেন, মুত্তাক্বী মনে করছেন, কিন্তু সঠিকভাবে ফিকির করে দেখুন যে, উপরোক্ত গুণাবলীর একটিও আপনার মধ্যে নেই। আপনার পিতা মুসলমান, মাতা মুসলমান, দাদাও মুসলমান সেই সূত্র ধরে মুসলমানের ঘরে জন্মগ্রহণ করেছেন বলেই আপনি মুসলমান। কিন্তু কোনো বিধর্মীর ঘরে জন্ম নিলে, আপনি বিধর্মীই থাকতেন।

হাক্বীক্বত মুসলমান হওয়ার জন্য যেই আদর্শ আহকাম মেনে চলা উচিত- তা না মানা পর্যন্ত বা অনুসরণ না করা পর্যন্ত কেউ মু’মিন, মুসলমান মুত্তাক্বী ইত্যাদি কোনটিই দাবি করতে পারে না।

মোটকথা, আখিরী রসূল, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পরিপূর্ণরূপে অনুসরণ করার কোশেশ না করা পর্যন্ত কেউ মুসলমান হিসেবে গণ্য হবে না। 

 এ মর্মে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

وان تطيعوه تهتدوا

অর্থ: “তোমরা যদি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ করো, তবেই তোমরা হিদায়েতপ্রাপ্ত হবে।” অর্থাৎ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মান্যকারী হিসেবে তথা মুসলমান হিসেবে সাব্যস্ত হবে।

মহান আল্লাহ পাক তিনি না করুন, যদি ব্যতিক্রম হয় অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ করা না হয়, তাহলে কখনোই মুসলমান হওয়া যাবে না, তখন মুসলমান নামধারী মুনাফিক বিবেচিত হবে। নাউযুবিল্লাহ!

বাহ্যিকভাবে দু’-একটি আমল যাচাই করুন, যা আপনি করছেন তা কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কখনোই করেননি। আপনি শার্ট পরছেন, প্যান্ট পরছেন, কোট পরছেন, টাই পরছেন, জালি টুপি পরছেন, পাঁচ কল্লি টুপি পরছেন, নকশা করা টুপি পরছেন, রঙিন কাপড়ের টুপি পরছেন, লাল রুমাল পরছেন, কোণা ফাড়া পাঞ্জাবী পরছেন- এসবের একটি পোশাকও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিধেয় পোশাকের অন্তর্ভুক্ত নয়।


তাহলে আপনিই বলুন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদর্শ মুবারক, সুন্নাহ মুবারক উনার বিপরীত চলে কিসের ভিত্তিতে আপনি নিজেকে মুসলমান দাবি করেন? আপনার দাবি মিথ্যা নয় কি?


অতএব, আপনার দাবি সত্যে পরিণত করতে চাইলে অবশ্যই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম, সম্মানিত সুন্নত মুবারক অনুসরণের কোশেশে নিয়োজিত হতে হবে। আর তাই বর্তমান যামানায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যিনি স্থলাভিষিক্ত খলীফা বা প্রতিনিধি, ক্বায়িম-মক্বামে রসূল, আওলাদ ও আহলে বাইতে রসূল, নূরে মুকাররম সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে অনুসরণ করতে হবে। উনার আমলগুলিই সুন্নতী আমল হিসেবে স্বীকৃত। সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র আশুরা শরীফ উনার উত্তম আমল হলো সুন্নতী আমল, সর্বশ্রেষ্ঠ খাবার সুন্নতী খাবার, সর্বোত্তম পোশাক সুন্নতী পোশাক।

 পবিত্র আশুরা শরীফ উনার উত্তম আমল হলো সুন্নতী আমল, সর্বশ্রেষ্ঠ খাবার সুন্নতী খাবার, সর্বোত্তম পোশাক সুন্নতী পোশাক।

==================================


পবিত্র আশূরা শরীফ উনার ফযীলত সম্পর্কিত পরিবারবর্গকে ভাল খাওয়ানো ও ভালো পরানো সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-

عَنْ حَضَرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُوْدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالىٰ عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ وَسَّعَ عَلىٰ عِيَالِه فِىْ النَّفَقَةِ يَوْمَ عَاشُوْرَاءَ وَسَّعَ اللهُ عَلَيْهِ سَائِرَا سَنَتِه.

অর্থ : “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করে, যে ব্যক্তি পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন তার পরিবারবর্গকে ভাল খাওয়াবে-পরাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি সারা বছর তাকে স্বচ্ছলতা দান করবেন।” (তিবরানী শরীফ, শুয়াবুল ঈমান, মা-ছাবাতা-বিস্সুন্নাহ্, মুমিন কে মাহে ওয়া সাল ইত্যাদি)

এখন প্রশ্ন হলো ভালো খাওয়া ও ভালো পরার মধ্যে কোনটি উত্তম?

এককথায় বলতে গেলে উত্তর আসবে, সর্বশ্রেষ্ঠ খাবার সুন্নতী খাবার, সর্বোত্তম পোশাক সুন্নতী পোশাক। সুবহানাল্লাহ!

যিনি শাহিদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হাযির নাযীর,মুত্তালা’ আলাল গইব, মুবাশশির, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের জন্য সম্মানিত আদর্শ মুবারক। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ

অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছেন আপনাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২১)

অর্থাৎ একজন মুসলমান উনার মাথার তালু থেকে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মওত, এমনকি হায়াতের পূর্ব থেকে মওতের পর পর্যন্ত, তিনি কি খাবেন, কি পরবেন, কিভাবে চলবেন, এক কথায় উনার যাবতীয় করণীয়-কর্তব্য সম্পর্কে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম পরিপূর্ণ বর্ণনা মুবারক করেছেন। সুতরাং মনগড়া ভাবে কোন কিছু করার সুযোগ নেই। সুতরাং যারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করবেন অর্থাৎ যারা মুসলমান হবেন, পুরুষ কিংবা মহিলা, উনারা কি খাবেন এবং কি ধরণের পোশাক পরিধান করবেন সেটাও শিখতে হবে এবং দেখতে হবে যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কি পোশাক-পরিচ্ছদ পরিধান করেছেন, প্রত্যেকটাই আমাদের জন্য আদর্শ মুবারক। তথা পায়ের তলা থেকে মাথার তালু, হায়াত থেকে ইন্তেকাল পর্যন্ত একজন মানুষ কি খাবেন, কি পরবেন, কি ব্যবহার করবেন সেসবগুলি উত্তম আদর্শ মুবারক থেকেই অনুসরন অনুকরন করতে হবে।

কাজেই নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, পবিত্র আশুরা শরীফ উনার উত্তম আমল হলো সুন্নতী আমল, সর্বশ্রেষ্ঠ খাবার সুন্নতী খাবার, সর্বোত্তম পোশাক সুন্নতী পোশাক। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা আমাদেরকে উক্ত সুন্নতী খাবার খাওয়া ও সুন্নতী পোশাক পরিধান করার মাধ্যমে পবিত্র আশুরা শরীফকে সম্মান করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...