Wednesday, September 15, 2021

অনন্তকালব্যাপী মাহফিল উনার বিশেষ শান ৬৩ দিনব্যাপী মাহফিল উনার প্রতিষ্ঠাতা এবং পৃষ্ঠপোষকতায় সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল ইমাম আলাইহিস সালাম

 অনন্তকালব্যাপী মাহফিল উনার বিশেষ শান ৬৩ দিনব্যাপী মাহফিল উনার প্রতিষ্ঠাতা এবং পৃষ্ঠপোষকতায় সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল ইমাম আলাইহিস সালাম


=====================

খায়রুল কুরনে পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালনের আরও কিছু দলীল

============================


খলীফা হারুনুর রশীদের যামানায় পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করার জন্য এক ব্যক্তি ওলী আল্লাহ হিসাবে আখ্যায়িত হলেন। সুবহানাল্লাহ। আল্লামা সাইয়্যিদ আবু বকর মক্কী আদ দিময়াতী আশ শাফেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ১৩০২ হিজরী) উনার বিখ্যাত “ইয়নাতুল ত্বলেবীন” কিতাবে বর্ণনা করেন,

أنه كان في زمان أمير المؤمنين هارون الرشيد شاب في البصرة مسرف على نفسه وكان أهل البلد ينظرون إليه بعين التحقير لاجل أفعاله الخبيثة، غير أنه كان إذا قدم شهر ربيع الاول غسل ثيابه وتعطر وتجمل وعمل وليمة واستقرأ فيها مولد النبي ودام على هذا الحال زمانا طويلا، ثم لما مات سمع أهل البلد هاتفا يقول: احضروا يا أهل البصرة واشهدوا جنازة ولي من أولياء الله فإنه عزيز عندي، فحضر أهل البلد جنازته ودفنوه، فرأوه في المنام وهو يرفل في حلل سندس واستبرق، فقيل له بم نلت هذه الفضيلة ؟ قال بتعظيم مولد النبي صلى الله عليه وسلم

অর্থ: বর্ণিত রয়েছে, খলীফা হারুনুর রশীদের যামানায় (১৪৮-১৯৩ হিজরী) বছরা শহরের এক যুবক সে নফসের অনুসরন করে চলতো। শহরের লোকেরা নিন্দনীয় আমলের জন্য তাকে নিন্দার চোখে দেখতো। তবে যখন পবিত্র রবিউল আউয়াল শরীফ মাস আসতো, এই যুবক কাপড় ধৌত করতেন, সুগন্ধি ব্যবহার করতেন ও খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকতেন। সেই সাথে ভালো খাবারের ব্যবস্থাও করতেন এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার মাসে এ আমল লম্বা সময়ব্যাপী করতেন। অতপর যখন তিনি ইন্তেকাল করেন তখন শহরবাসীগণ গায়েবী আহ্বান শুনতে পান। সেখানে বলা হচ্ছিলো, হে বসরাবাসী! আপনারা আল্লাহ পাক উনার ওলীদের মধ্যে অর্ন্তভুক্ত একজন ওলীর জানাজায় শরীক হন। নিশ্চয়ই তিনি আমার কাছে খুবই প্রিয়। অতপর শহরবাসী উনার জানাজায় উপস্থিত হলেন এবং দাফন সম্পন্ন করলেন। উনারা (শহরবাসী) স্বপ্নে দেখলেন, উক্ত যুবক কারুকার্যপূর্ণ রেশমী কাপড় পরিহিত অবস্থায় ঘোরাফেরা করছেন। উনাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, এ ফযিলত আপনি কি করে লাভ করলেন? তিনি বললেন, পবিত্র মীলাদ শরীফ উনাকে তাযীম করার কারনে।” (ইয়নাতুল ত্বলেবীন ৩য় খন্ড ৬১৩ পৃষ্ঠা ; প্রকাশনা: দারুল হাদীছ , কাহেরা, মিশর)

  উল্লেখ্য যে খলীফা হারুনুর রশীদের যামানা ছিলো খায়রুল কুরুনে। উপরোক্ত ঘটনায় বোঝা যায় সে সময় পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠের রীতি ছিলো। তাই এক ব্যক্তি তার আমল কিছুটা মন্দ হলেও পবিত্র মীলাদ শরীফ উনাকে তাযীম করাকে মহান আল্লাহ পাক তার মর্যাদার কারণ হিসাবে প্রকাশ করলেন। এবং সম্মানিত ওলী আল্লাহ হিসাবে গ্রহন করলেন। সুবহানাল্লাহ।

  সুতরাং উপরোক্ত ঘটনা ও সময়কাল থেকে জ্ঞানী মাত্রই যা বোঝার কথা সেটা হলো, উক্ত ঘটনা খায়রুল কুরনের। আর মীলাদ শরীফ নতুন কোন আমল নয়। বরং পবিত্র ইসলাম উনার প্রথম থেকেই এ আমল চলে আসছে। আর সে কারনে সম্মানিত খায়রুল কুরুনে মীলাদ শরীফ উনার ফযীলত সংশ্লিষ্ট অনেক ক্বওল শরীফ কিতাবে পাওয়া যায়। যেমন সে সময়কার বিখ্যাত ফক্বীহ, শাফেয়ী মাযহাব উনার ইমাম হযরত ইমাম শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নিজেই বলেন,

قَالَ اَلاِمَامُ الشَّافِعِىُّ رَحِمَهُ اللهُ مَنْ جَمَعَ لِمَوْلِدِ النَّبِىِّ صَلّٰى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ اِخْوَانًا وَهَيَّاَ طَعَامًا وَاَخْلٰى مَكَانًا وَعَمَلَ اِحْسَانًا وَصَارَ سَبَبًا لِقِرَائَتِهٖ بَعَثَهُ اللهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَعَ الصِّدِّيْقِيْنَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِيْنَ وَيَكُوْنُ فِىْ جَنَّاتِ النَّعِيْمِ.

অর্থ: ‘যে ব্যক্তি পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবীল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন উপলক্ষে লোকজন একত্রিত করলো, খাদ্য তৈরি করলো, জায়গা নির্দিষ্ট করলো এবং এ জন্য উত্তমভাবে তথা সুন্নাহ ভিত্তিক আমল করলো তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ পাক সম্মানিত হাশরের দিন ছিদ্দীক্ব, শহীদ ছলিহীনগণ উনাদের সাথে উঠাবেন এবং উনার ঠিকানা হবে জান্নাতে নায়ীমে।’ সুবহানাল্লাহ। (আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম ১০ পৃষ্ঠা, মাদরেজুজ সউদ ১৫ পৃষ্ঠা, নাফহতুল আম্বারিয়া ৮ পৃষ্ঠা, ইয়নাতুল ত্বলেবীন ৩য় খন্ড ৬১৩ পৃষ্ঠা)

  

সুতরাং যারা বলে পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবীল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আমল খায়রুল কুরুনে ছিলো না তারা গন্ডমূর্খ, ইলিমশূন্য। 


#12shareef #Saiyidul_Aayaad_Shareef #সাইয়্যিদুল_আইয়াদ_শরীফ


সুন্নতি সামগ্রী সংগ্রহ করুনঃ https://sunnat.info https://fb.com/ispc12 https://fb.com/12ispc 

সরাসরি আজিমুশ শান ৬৩দিনব্যাপী মাহফিল শুনতে ভিজিট করুনঃ http://al-hikmah.net/

অনন্তকালব্যাপী মাহফিল উনার বিশেষ শান ৬৩ দিনব্যাপী মাহফিল উনার প্রতিষ্ঠাতা এবং পৃষ্ঠপোষকতায় সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল ইমাম আলাইহিস সালাম

 অনন্তকালব্যাপী মাহফিল উনার বিশেষ শান ৬৩ দিনব্যাপী মাহফিল উনার প্রতিষ্ঠাতা এবং পৃষ্ঠপোষকতায় সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল ইমাম আলাইহিস সালাম


=====================

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ‘হায়াতুন নবী’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

=======================


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ‘হায়াতুন নবী’। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যারা মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় শহীদ হয়েছেন, তোমরা উনাদেরকে মৃত বলো না, বরং উনারা জীবিত। অথচ তোমরা তা উপলব্ধি করতে পারছো না। (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১৫৪)

অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার মতে ও পথে থাকতে গিয়ে তথা দ্বীন ইসলাম বিজয়ের লক্ষ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টির জন্য যারা জীবন দিয়েছেন বা শহীদ হয়েছেন স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদেরকে জীবিত বলেছেন। সুবহানাল্লাহ!

আর ওলীআল্লাহ উনাদের শানেও বলা হয়েছে, “ওলীআল্লাহগণ মৃত্যুবরণ করেন না, বরং উনারা অস্থায়ী জগত থেকে স্থায়ীজগতের দিকে প্রত্যাবর্তন করেন। (মিরকাত শরীফ ৩য় খ-: ২৪১ পৃ:)

কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত কালিমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে উনার রওযা মুবারকে দাঁড়িয়ে নামাযরত অবস্থায় দেখেছেন। অনুরূপভাবে হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকেও দেখেছেন। সুবহানাল্লাহ! (মিরকাত শরীফ ৩য় খ-: ২৪১ পৃ:)

হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা স্বীয় রওযা শরীফে জীবিত থাকেন। সুবহানাল্লাহ! (ফয়জুল ক্বাদীর ৩/১৮৪, তারিখে ইস্তাহান ২/৮৩, দায়লামী/৪০৪, আবু ইয়ালা)

হযরত আউস রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান পাক তিনি যমীনের জন্য হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের শরীর মুবারককে ভক্ষণ করা (নষ্ট করা) হারাম করে দিয়েছেন। (নাসাঈ শরীফ, আবু দাউদ শরীফ, ইবনে মাযাহ শরীফ, মিশকাত শরীফ, মিরকাত শরীফ)

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনারা স্বীয় রওযা মুবারকে জীবিত রয়েছেন এবং উনারা খাদ্যও খেয়ে থাকেন। সুবহানাল্লাহ! (ইবনে মাযাহ শরীফ, মিশকাত শরীফ, মিরকাত শরীফ ৩/২৪১ পৃ:)

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার পবিত্র রওযা মুবারক উনার নিকটে এসে আমার প্রতি ছলাত-সালাম পেশ করবে আমি তা শুনতে পাই। (বাইহাক্বী শরীফ, মিশকাত শরীফ/৮৭)

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে আমার ছাহাবীগণ! হে আমার উম্মতগণ! আপনারা আমার প্রতি প্রত্যেক ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) ও ইয়াওমুল জুমুয়াহ (জুমুয়াবার) পবিত্র দূরূদ শরীফ পাঠ করুন। নিশ্চয়ই আপনাদের সেই পবিত্র দূরূদ শরীফ আমি বিনা মধ্যস্থতায় শুনতে পাই।

উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যায় কিতাবে এসেছে (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন) আমি হাক্বীক্বীভাবে বিনামধ্যস্থতায় তা শুনতে পাই। সুবহানাল্লাহ! (মিরকাত শরীফ ২য় খ-/৩৪৭)

নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রওযা মুবারকে জীবিত অবস্থায়ই আছেন। সুবহানাল্লাহ! (মিরকাত শরীফ ২য়/২২৩পৃ:)

উপরোক্ত দলীল ভিত্তিক আলোচনায় এটাই ছাবিত হলো যে, ক্বিয়ামত পর্যন্তই মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রওযা মুবারকে সেই নুরুল জিসিম মুবারকেই অক্ষত অবস্থায় জীবিত থাকবেন; যে নুরুল জিসিম মুবারকে পবিত্র রওযা শরীফে তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!


#12shareef #Saiyidul_Aayaad_Shareef #সাইয়্যিদুল_আইয়াদ_শরীফ


সুন্নতি সামগ্রী সংগ্রহ করুনঃ https://sunnat.info https://fb.com/ispc12 https://fb.com/12ispc 

সরাসরি আজিমুশ শান ৬৩দিনব্যাপী মাহফিল শুনতে ভিজিট করুনঃ http://al-hikmah.net/

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...