Wednesday, June 23, 2021

বাল্যবিবাহ বন্ধ করার দায়ে ম্যাজিস্ট্রেটকে সতর্ক করে আইনী নোটিশ

 বাল্যবিবাহ বন্ধ করার দায়ে ম্যাজিস্ট্রেটকে সতর্ক করে আইনী নোটিশ


-----------------------

খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহ বন্ধ করার দায়ে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি থানার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমানকে সতর্ক করে আইনী নোটিশ পাঠিয়েছেন মুসলিম রাইটস ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক মুহম্মদ মাহবুব আলম।

গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার, ২২ জুন) এই আইনী নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে ‘বেলকুচিতে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে ১১ মাসে ১০০ টি বাল্যবিবাহ বন্ধ’ শিরোনামের একটি সংবাদে বাল্যবিবাহ বিদ্বেষী বক্তব্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, এ রকম বক্তব্য দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে দ্বীনি অনুভূতিতে আঘাত করবার অভিপ্রায়ে উপরোক্ত মতামত প্রচার করা হয়েছে।

যার কারণে আমরা সহ অগণিত দ্বীন ইসলাম পালনকারীদের দ্বীনি অনুভূতিতে আঘাত হয়েছে, কেননা মুসলমানগণের যিনি সম্মানিত নবী ও রাসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজে বাল্যবিবাহ মুবারক করেছেন। যা সকল ছিহাহ সিত্তাহসহ (পবিত্র বোখারী শরীফ, পবিত্র মুসলিম শরীফ, পবিত্র তিরমিযী শরীফ ও পবিত্র ইবনে মাযহা শরীফ, পবিত্র আবু দাউদ শরীফ, পবিত্র নাসায়ী শরীফ) প্রায় সকল পবিত্র হাদীছ শরীফে উল্লেখ রয়েছে।

পবিত্র দ্বীন ইসলামে বিবাহের জন্য স্বামী বা স্ত্রীর বয়স নির্দিষ্ট করা হয়নি।

আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ করেন, “তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যারা মাজুর হওয়ার কাল অতিক্রম করে গেছে, তাদের ইদ্দত সম্পর্কে তোমরা যদি সংশয়ে থাক তাহলে তাদের ইদ্দতকাল হবে তিন মাস। এবং যারা এখনও বালিগা হওয়ার বয়সে পৌছেনি (নাবালিগা) তাদেরও একই হুকুম। " [সূরা ত্বলাক শরীফ: আয়াত শরীফ: ৪]

পবিত্র সূরা নিসা শরীফ ৩নং পবিত্র আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “আর যদি তোমরা ভয় কর যে, ইয়াতীম মেয়েদের হক্ব যথাযথভাবে পূরণ করতে পারবে না, তবে সেসব মেয়েদের মধ্য থেকে যাদের ভালো লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারজন পর্যন্ত।” [সূরা নিসা শরীফ: আয়াত শরীফ: ৩]

লিসানুল আরব অভিধানে ইয়াতীমের সংজ্ঞায় বর্ণিত আছে- “ইয়াতিম এমন সন্তানকে বলা হয়, যার পিতা মারা গিয়েছে, বালিগ হওয়া অবধি সে ইয়াতীম হিসেবে গণ্য হবে, বালিগা হওয়ার পর ইয়াতীম নামটি তার থেকে বিছিন্ন হয়ে যাবে। আর মেয়ে সন্তান বিয়ের পূর্ব পযর্ন্ত ইয়াতীম বলে গণ্য হবে, বিয়ের পর তাকে আর ইয়াতীম বলা হবে না।” [লিসানুল আরব ১২/৬৪৫]

আর পবিত্র হাদিস শরীফে বাল্যবিবাহ শুধু বৈধই নং বরং সুন্নত বলে প্রমাণিত। ছিহাহ সিত্তাহসহ সকল হাদিস শরীফে উল্লেখ রয়েছে- “নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আয়েশা সিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনার আক্বদ বা বিবাহ সম্পন্ন হয় যখন উনার বয়স ছিল ৬ বছর। তিনি ৯ বছর বয়সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হুজরা শরীফে তাশরীফ গ্রহণ করেন এবং ৯ বছর উনার সাথে একত্রে অবস্থান করেন।” (ছহীহুল বুখারী শরীফ)

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই বাল্যবিবাহ দিয়েছেন। হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার দুই মেয়ে উনাদের আক্বদ বা বিবাহ বাল্য বয়সেই করিয়েছিলেন।

যার ফলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম পালনকারী যে কোন মুসলমান মাত্রই বিশ্বাস করেন, বাল্যবিবাহ করা হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, একমাত্র দ্বীন ইসলামেই মেয়েদের সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছেন। আর সেই দ্বীন ইসলামে বিবাহের জন্য বয়স নির্দিষ্ট করা হয়নি।

আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কোন সম্মানিত সুন্নত মুবারকের প্রতি বিদ্বেষ দেখানো অবশ্যই মুসলমানদের দ্বীনি অনুভূতিতে আঘাত করার শামিল এবং এই কারণে উহা প্রচার করা অবশ্যই বাংলাদেশ দ-বিধির ২৯৫-ক ধারা মতে অপরাধ বটে।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে স্বয়ং যে বাল্যবিবাহ করেছেন, বাল্যবিবাহ দিয়েছেন সে সম্পর্কে আপনি অত্র নোটিশ গ্রহীতা ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্বেষাত্মক বিরোধীতা দেখিয়ে উহার প্রচার করেছে। যা আমরাসহ অগণিত দ্বীন ইসলাম পালনকারী মুসলমানগণের অনুভূতিতে আঘাত করেছে।

বেড়েই চলছে কুলাঙ্গারদের অপপ্রচার।

 বেড়েই চলছে কুলাঙ্গারদের অপপ্রচার। অনলাইনে-অফলাইনে কোথায় তারা নেই। সবখানেই প্রতিনিয়ত তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ধারক-বাহক সুমহান ব্যক্তিত্বগণ উনাদের নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে। পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে, মিথ্যা ইতিহাস রচনা করে তারা গাফিল ও অজ্ঞ মুসলমানদের বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে।

মুসলমানগণ যে এসব অপপ্রচার দেখছে না- তা কিন্তু নয়। তারা দেখেও কিছু বলছে না, না দেখার ভান করে পাশ কেটে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!

কিন্তু এই মুসলমানরাই তাদের রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী, শিক্ষক-উস্তাদদের বিরুদ্ধে বললে ঝাঁপিয়ে পড়ে, তীব্র প্রতিবাদ করে, রাস্তা-ঘাট মাঠ গরম করে। কাফির-মুশরিক, ইহুদী, নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, নাস্তিক মুনাফিকরাতো এটাই চায়।

কিন্তু মুসলমানরা যদি আজ অন্তত একটি বাক্য, একটি কথা দ্বারাও প্রতিবাদ করতো, নিজেদের মধ্যে এসবের প্রতিবাদে আলোচনা করতো, তাহলে অবশ্যই কস্মিনকালেও ওইসব কুলাঙ্গার অপপ্রচারকারীরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাদের মহান ব্যক্তিত্বগণ উনাদের নিয়ে কোনোরকম বিভ্রান্তি ছড়াতে পারতো না।

মুসলমানগণের উচিত যে যেখানেই আছে, যেভাবেই আছে- সেখান থেকে, সেভাবেই যেন এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে মুখ দিয়ে হোক, কলম দিয়ে হোক, ইন্টারনেটে লেখনীর মাধ্যমে হোক প্রতিবাদ জানানো। ফোটা ফোটা বৃষ্টির পানিতে যদি বন্যা হতে পারে, তাহলে কোটি কোটি মুসলমানদের এক দুটি ছোট ছোট প্রতিবাদে কি সে সকল অপপ্রচারকারীরা ভেসে যাবে না? অবশ্যই সেটা হবে, হতেই হবে। ইনশাআল্লা


হ!

আজ সুমহান ও বরকতময় মহাপবিত্র ১১ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

 মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তাদেরকে ‘আইয়্যামুল্লাহ শরীফ’ বা মহান আল্লাহ পাক উনার দিনসমূহ স্মরণ করিয়ে দিন।’


আজ সুমহান ও বরকতময় মহাপবিত্র ১১ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! 



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং আহলে বাইতে হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! অতএব, সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস উনাদের সম্মানার্থে খুশি প্রকাশ করা এবং উনাদের যথাযথ খিদমত মুবারকের আঞ্জাম দেয়া।


আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মাহফিলের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনাদের পবিত্র জীবনী মুবারক শিশুশ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা।


ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আল ওয়াসীলাতু ইলাল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুলত্বানুন নাছীর, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বইয়ুমুয্যামান, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, যিকরানে ক্বিবলায়ে জামীয়ে আহলিল ইসলাম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১৪৮ হিজরী সনের পবিত্র ১১ই যিলক্বদ শরীফ ইয়াওমুল আহাদ পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। আর এটাই হচ্ছে মু’তাবার বা নির্ভরযোগ্য মত। সুবহানাল্লাহ!


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আহলু বাইত শরীফ উনাদের অষ্টম ইমাম। সুবহানাল্লাহ! উনার মুবারক নাম আলী। কুনিয়াত আবুল হাসান। রিদ্বা উনার অন্যতম লক্বব বা উপাধি মুবারক। উনার সম্মানিত পিতা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, আমি আমার কুনিয়াত মুবারক উনাকে দিয়েছি। উনার মুবারক নাম উনার পিতা ‘মামুনুর রিদ্বা’ রেখেছিলেন এবং উনাকে বেলায়েত পদেরও ওছিয়ত করেছিলেন। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার নাম ‘আর রিদ্বা’ রাখেন। কেননা, তিনি আকাশে মহান আল্লাহ পাক উনার রিদ্বা (সন্তুষ্টি) এবং পৃথিবীতে রসূলে মকবুল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রিদ্বা ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি এরূপ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ছিলেন যে, তিনি আপন মিত্রদের ন্যায় শত্রুদের প্রতিও সন্তুষ্ট থাকতেন। সুবহানাল্লাহ! 


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামুল আউলিয়া, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমামুছ ছামিন আলাইহিস্ সালাম তিনি ২০৮ হিজরী সনের পবিত্র ২১শে রমাদ্বান শরীফ জুমুয়াহ বার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তিনি ৫৯ বছর ১০ মাস ১০ দিন দুনিয়াবী হায়াত মুবারক লাভ করেছেন। আর এটাই হচ্ছে বিশুদ্ধ মত। সুবহানাল্লাহ! ‘ইকতিবাসুল আনওয়ার’ নামক কিতাবে উল্লেখ আছে- ইমামুল আউলিয়া, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন আলাইহিস সালাম উনার পাঁচজন ছেলে এবং একজন মেয়ে ছিলেন। অন্য বর্ণনায় রয়েছে- চারজন ছেলে এবং একজন মেয়ে ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!


 আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পাশাপাশি পবিত্র ১১ই যিলক্বদ শরীফ আরেকটি কারণে বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত। কারণ আহলে বাইতে রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ও আহলে বাইতে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনাদের সম্মানিত আওলাদ হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম যিনি আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত ও আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এই পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস উনার ১১ তারিখ পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত পিতা এবং সম্মানিত মাতা উভয় দিক থেকেই তিনি আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ বংশধর। অর্থাৎ খাছ আহলু বাইত শরীফ ও খাছ হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুবহানাল্লাহ!


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূল কথা হলো- সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ্ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ও আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনারা উম্মতগণের জন্য সুমহান নিয়ামত, বরকত, সাকীনা এবং নাজাত লাভের উসীলা। অতএব, সকলের জন্যই দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবসটি অত্যন্ত জওক্ব-শওক্ব ও শান-শওক্বত উনার সাথে উদযাপন করা। পাশাপাশি দায়িমীভাবে উনাদেরকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনাদের যথাযথ খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম মুবারক দেয়া। যা সকলের জন্যই রহমত, বরকত, নিয়ামত, সাকীনা ও নাজাত লাভের কারণ হবে। সুবহানাল্লাহ!

-০-

কুল-মুসলিম উম্মাহ উনাদের জন্য সবচেয়ে বড় ঈদ বা খুশির দিন

 কুল-মুসলিম উম্মাহ উনাদের জন্য সবচেয়ে বড় ঈদ বা খুশির দিন



মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে কুল-কায়িনাতবাসী তোমরা জেনে রেখ, শুনে রেখ, মনে রেখ যদি তোমরা আমার খাছ মুহব্বত, মা’রিফাত, রেযামন্দি, সন্তুষ্টি মুবারক পেতে চাও তাহলে আমার পবিত্রতম আহলে বাইত শরীফ তথা আমার পবিত্রতম আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে তোমরা মুহব্বত করো, ইজ্জত করো, তা’যীম করো, তাকরীম করো।” সুবহানাল্লাহ! 


কাজেই এই মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানাই প্রমাণ করে যে, হযরত আহলু বাইত শরীফ তথা আওলাদুর রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করাই হচ্ছে পবিত্র ঈমান। যার অন্তরে হযরত আওলাদুর রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত নেই তারা কস্মিনকালেও মুসলমান নয়। সুবহানাল্লাহ! কেননা উনাদের মুহব্বতই হচ্ছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম মুহব্বত উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ যেমন মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে আলাদা করা যায় না, ঠিক অনুরূপভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নূর মুবারক থেকে প্রবাহিত আওলাদুর রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে আলাদা নন। সুবহানাল্লাহ! একই পবিত্রতম নূর মুবারক উনার সাথেই সম্পৃক্ত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেমন কুল-কায়িানতবাসীর জন্য সবচেয়ে বড় রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত ও নাজাত। ঠিক একইভাবে উনার পবিত্রতম আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারাও সমগ্র কুল-কায়িনাতবাসীর জন্য সবচেয়ে বড় রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত ও নাজাত। সুবহানাল্লাহ!

 

এই ধারাবাহিকতায় আওলাদুর রসূল হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার পবিত্রতম বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস হচ্ছে ঐতিহাসিক ও অবিস্মরণীয় পবিত্রতম ১১ই যিলক্বদ শরীফ। যা কুল-কায়িনাতবাসীদের জন্য সবচেয়ে বড় ঈদ বা খুশির দিন। সুবহানাল্লাহ!


তাই কুল-কায়িনাত-এর সকল জিন-ইনসান উনাদের একমাত্র পবিত্র ঈমানী দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে আওলাদুর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের পবিত্রতম বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবসটি অত্যন্ত শান-শওকতের সাথে সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ বা খুশির দিন হিসেবে পালন করা।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...