Wednesday, June 24, 2020

বর্তমান সঙ্কট থেকে মুসলিম জাতির পরিত্রাণের একমাত্র উপায়।

বর্তমান সঙ্কট থেকে মুসলিম জাতির পরিত্রাণের একমাত্র উপায়।

সারা বিশ্বে আজ মুসলমানরা নির্যাতিত ও পর্যুদস্ত, এর কারণ-মুসলমানরা রহমত থেকে দূরে সরে গেছে। “ওমা আরসালনাকা ইল্লা রাহমাতুল্লিল আলামিন”–অর্থ–“আমি (আল্লাহ) আপনাকে (নবীজিকে) সমগ্র জগতের জন্য রহমত স্বরুপ প্রেরণ করেছি”। আমরা বর্তমান জামানার উম্মতরা নবীজির সেই রহমতকে গ্রহণ করতে পারিনি। অথচ ইতিহাস ঘাটলে পাওয়া যাবে, পূর্ববর্তী মুসলমানরা সেই রহমত গ্রহণ করার কারণেই সফলতা অর্জন করেছিলো।

আপনারা সবাই নিশ্চয়ই হযরত সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি’র নাম জানেন। তিনি একাই সকল খ্রিস্টান ক্রসেডারদের নাকানি-চুবানিয়ে দিয়েছিলেন। মহান আল্লাহ তায়ালা’র পক্ষ থেকে অবশ্যই হযরত সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি’র উপর বিশেষ রহমত এসেছিলো। কিন্তু ইতিহাস বলে, সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি’র সেই রহমতের উৎস হচ্ছে: তিনি পুরো মুসলিম সালতানাতে ঈদে মীলাদুন নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যাপকভাবে চালু করেছিলেন। সুবহানাল্লাহ।

এবং ঐ সাইয়্যিদুল আইয়াদ তথা ঈদে মীলাদুন নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার কারণে উনার প্রতি নবীজির খাস রহমত তথা গায়েবী মদদ নাজিল হতো। সুবহানাল্লাহ।

বর্তমানে সাইয়িদুল আইয়াদ তথা ঈদে মীলাদুন নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের বিরোধীতার মূল হচ্ছে সউদী ওহাবীরা। যারা বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে রহমতপ্রাপ্তির এ দিনটি বন্ধ করতে চাইছে। কিন্তু এটা তো সত্যিই এ সউদীদের সৃষ্টিকর্তা হচ্ছে ব্রিটিশ খ্রিস্টানা। আর ব্রিটিশদের পূর্ব পুরুষ সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি’র সাথে ক্রুসেড যুদ্ধে নিস্তানাবুদ হয়েছিলো, তখন তারা গবেষণা করে দেখে মুসলমানদের নৈতিক শক্তির রহস্যগুলো কি । পরবর্তীকালে সেই নৈতিক শক্তির মূলতত্ত্বগুলোই এ সউদীদের মাধ্যমে ভেঙ্গে দেয় ব্রিটিশরা।

তাই মুসলমানদের সেই সোনালী অতীত ফিরিয়ে আনতে হলে পুনরায় রহমতের দ্বার উন্মুক্ত করতে হবে তাদেরকে। সবাইকে মন-প্রাণ উজার করে সাইয়্যিদুল আইয়াদ তথা ঈদে মীলাদুন নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করতে হবে,পালন করতে। তবেই বর্তমান সঙ্কট থেকে একমাত্র পরিত্রাণ পাবে মুসলমানরা।

গান-বাজনার ক্ষতি হতে মুসলিম সমাজকে রক্ষা করা জরুরী।


বর্তমানে সমাজ পরিবারকে প্রচলিত গান বাজনা এমন এক কঠিন ব্যাধী হিসেবে আক্রান্ত করেছে যে, এর থেকে মুক্ত কে বা কারা তা নির্ণয় করা মুশকিল হয়ে পড়েছে। কেউ গান করছে, কেউবা গান শুনছে, কেউবা গানের শো আয়োজন করছে, আবার কেউ গানের ব্যবসা করছে। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! অর্থাৎ গান শুনাটা বর্তমান সমাজে অন্যতম একটি বিনোদনের তথাকথিত মাধ্যম হয়েছে। অথচ গান বাজনা সম্পর্কে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কঠোর হুশিয়ার বানী এসেছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-’ আমি গান বাদ্য ও মূর্তি ছবি ধ্বংস করার জন্য প্রেরীত হয়েছি।’ সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ যিনি রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার তাশরীফি শান মুবারক প্রকাশ করেছেন যে কারনে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, গান বাজনার মূলোৎপাটন করা। 
 অথচ, আজ কিনা নিজেকে মুসলমান দাবি করে, মুসল্লী দাবি করে, মুসলিম পরিবার মুসলিম সমাজ দাবী করে সেখানে গান বাজনার বীজ বপন করা হচ্ছে। গান বাজনা ক্রয় বিক্রয় করা হচ্ছে। গান বাজনা করা হচ্ছে, শুনা হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! এমতাবস্থায় মরার পর কি পরিণতি হতে পারে? কিভাবে সুপারিশ মুবারক উনার আশা করা যেতে পারে? এ কারনেই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এবং হযরত সালফে সালেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম গান বাজনার ইহ পরকালীন ক্ষতিকর দিকগুলো বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। উনারা গান-বাজনাকে বহু বহু গুনাহ তথা পাপের সমষ্টি বলে বর্ননা করেছেন। যেমন- ১. নিফাক এর উৎসধারা
 ২. বাভিচারের কুমন্ত্রণা জাগ্রতকারী
 ৩. সুস্থ মস্তিষ্ক বিকৃতিকারী
 ৪. পবিত্র কুরআন শরীফ তিলয়াতে অনীহা সৃষ্টিকারী
 ৫. আখিরাতের চিন্তা নির্মূলকারী
 ৬. গুনাহের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টিকারী
 ৭. পবিত্র জিহাদী চেতনা বিনষ্টকারী। নাউযুবিল্লাহ! 
 বুঝা গেলো গান বাজনার মাধ্যমে মুসলমান উনাদের ঈমান আমল যেমন বিনষ্ট হয় তদ্রুপ সামাজিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়ে ফেতনা ফাসাদের জন্ম হয়। আর এমন ফেতনা ফাসাদগ্রস্ত সমাজ পরিবার থেকে ইহ-পরকালীন কল্যাণ বয়ে আনা কখনোই সম্ভব নয়।

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সীমাহীন ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা সম্পর্কে জানা প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সীমাহীন ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা সম্পর্কে জানা প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ!

পাশাপাশি উনার সম্পর্কে সঠিক আক্বীদা পোষণ করে উনাকে পরিপূর্ণরূপে মুহব্বত ও অনুসরণ-অনুকরণ করে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ মুহব্বত ও সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করাও প্রত্যেকের জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ!

- ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম

 --------------------------------------------------------------
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আমি আপনার সম্মানিত যিকির বা মর্যাদাকে সমুন্নত করেছি।’ সুবহানাল্লাহ! তাই প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরয হলো, তাদের যিনি নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সীমাহীন ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা সম্পর্কে জানা।”

মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, একদা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কতিপয় ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এক স্থানে বসে (অতীতের হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মর্যাদা-মর্তবা সম্পর্কে) আলোচনা করছিলেন। এ সময় সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদের নিকটবর্তী স্থানে পৌঁছে (আড়াল থেকে) উনাদের কথাবার্তা-আলোচনাগুলি শুনলেন। উনাদের একজন বললেন, নিশ্চয়ই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম উনাকে খলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আরেকজন বললেন, হযরত মূসা কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি এমন ছিলেন যে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সাথে সরাসরি কথা বলেছেন। অপর একজন বললেন, হযরত ঈসা রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন কালীমাতুল্লাহ ও রূহুল্লাহ এবং আরেকজন বললেন, হযরত আদম ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ছফীউল্লাহ বানিয়েছেন অর্থাৎ উনাকে কুদরতী হাত মুবারক-এ সৃষ্টি করেছেন। সুবহানাল্লাহ! 

 মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এ সময় সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদের সম্মুখে উপস্থিত হয়ে বললেন: আমি আপনাদের কথাবার্তা-আলোচনা শুনেছি এবং আপনারা যে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তাও আমি জেনেছি। নিশ্চয়ই হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তিনি যে খলীলুল্লাহ ছিলেন ইহা সত্যই। হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি যে সরাসরি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে কথা বলেছেন ইহাও সত্য কথা। হযরত রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি যে রূহুল্লাহ ও কালীমাতুল্লাহ ছিলেন ইহাও সত্য। এবং হযরত আবূল বাশার ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি যে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত ছিলেন অর্থাৎ উনাকে কুদরতী হাত মুবারক-এ সৃষ্টি করেছেন ইহাও সম্পূর্ণ সত্য। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এ সময় সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদের সম্মুখে উপস্থিত হয়ে বললেন: তবে সাবধান! আমার সম্পর্কে আপনারা জেনে রাখুন, আমি হলাম খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, এতে আমার কোনো ফখর নেই। সুবহানাল্লাহ! ক্বিয়ামতের দিন প্রশংসার পতাকা আমার হাত মুবারক-এ থাকবে আর উক্ত পতাকার নিচে হযরত আবুল বাশার আলাইহিস সালাম তিনিসহ অন্যান্য সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা অবস্থান করবেন, এতেও আমার কোনো ফখর নেই। সুবহানাল্লাহ! ক্বিয়ামতের দিন আমিই হবো সর্বপ্রথম শাফায়াতকারী এবং সর্বপ্রথম আমার সুপারিশই কবুল করা হবে। এতে আমার কোনো ফখর নেই। সুবহানাল্লাহ! এছাড়া আমিই সর্বপ্রথম জান্নাতের দরজায় কড়া নাড়া দিবো, স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমার জন্য তা খুলে দিবেন এবং আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আর আমার সাথে থাকবেন কতিপয় আল্লাহওয়ালা মু’মিন-মুসলমান। এতে আমার কোনো ফখর নেই। সর্বোপরি আমিই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের চেয়ে সম্মানিত, এতেও আমার কোনো ফখর নেই।” সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অপর এক রিওয়াতে হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ক্বিয়ামতের দিন আমিই হবো সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ক্বায়িদ (পরিচালক), এতেও আমার কোনো ফখর নেই এবং আমিই হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের আগমনের সিলসিলা সমাপ্তকারী, এতেও আমার কোনো ফখর নেই।” সুবহানাল্লাহ! 

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরয হলো, তাদের যিনি নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সীমাহীন ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা সম্পর্কে জানা। পাশাপাশি উনার সম্পর্কে সঠিক আক্বীদা পোষণ করে উনাকে পরিপূর্ণরূপে মুহব্বত ও অনুসরণ-অনুকরণ করে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুহব্বত ও সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করা। কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘যদি তারা (বান্দা-বান্দি ও উম্মত) মু’মিন হয়ে থাকে, তাহলে তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো, তারা যেনো খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে ও উনার রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে সন্তুষ্ট করে। উনারাই সন্তুষ্টি পাওয়ার সমাধিক হকদার।’ সুবহানাল্লাহ!
-০-

করোনা মুসলমানদের জন্য কোনো সমস্যা নয়; বরং কাফিরদের উপর নিপতিত এক মহা গযব

করোনা হলো ইসলামবিদ্বেষী ও মুসলিমবিদ্বেষী চীন থেকে শুরু করে বিশ্বের সকল কাফিরগোষ্ঠীর উপর নাযিল হওয়া অত্যন্ত কঠিন এক গযব। এই গযবে পড়ে হাঁকডাক দেয়া বিশ্বের সকল কুফরী শক্তিগুলো আজ কুপোকাত। তারা আজ নিজেদের অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। মূলত মুজাদ্দিদে আযম রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি যে কাফিরদের ধ্বংসের জন্য প্রতিনিয়ত যে বদদোয়া করে যাচ্ছেন, তারই ফলাফল এই করোনা গযব।
যে চীন থেকে এই গযবের উৎপত্তি সেই চীন এক সময় ঘোষণা দিয়েছিলো, তারা মহাপবিত্র কুরআন শরীফ পরিবর্তন করে দিবে, মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দেশ থেকে মিটিয়ে দিবে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু মহান আল্লাহপাক উনার এক মহা কুদরতে করোনা ভাইরাস নামক গযবে পড়ে তারাই আজ তাদের দেশসহ ধ্বংস ও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্য, চলাফেরা সব বন্ধ করে ঘরের মধ্যে আবদ্ধ হয়েও রক্ষা পাচ্ছে না। এই গযবে পড়ে তাদের মৃতের সংখ্যা এতই বেশি যে, লাশ মাটিচাপা দেয়ারও সুযোগ না পেয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ভস্ম করে দিতে হচ্ছে।
ইতালি, ফ্রান্স, স্পেন, সুইডেন, আমেরিকা, ব্রিটেনসহ অন্যান্য দেশগুলো এতদিন মুসলমান নারীদের বোরকা নিয়ে চু-চেরা করেছিলো, বোরকা নিষিদ্ধ করেছিলো, নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু মহান আল্লাহপাক উনার অসীম কুদরতে তারাই আজ স্বেচ্ছায় মাস্ক পরে, মুখ ঢেকে গৃহবন্দি হয়ে আছে। এরপরও গযব থেকে রক্ষা মিলছে না, গৃহবন্দি হয়েও করোনা গযবে আক্রান্ত হয়ে একে একে মারা যাচ্ছে, জাহান্নামী হচ্ছে এবং হতেই থাকবে। ইনশাআল্লাহ!
মূলত এই করোনা ভাইরাস যে ইসলামবিদ্বেষী, মুসলিমবিদ্বেষীদের উপর এক কঠিন গযব তার আরও প্রমাণ হচ্ছে, এরাই প্রায়সময়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ব্যঙ্গচিত্র এঁকেছে, প্রদর্শনী করেছে এবং প্রায়ই করতো। প্রতিযোগিতার আয়োজনও করেছে এবং করতো। সাথে সাথে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মান মুবারক সম্পর্কেও নানা অশ্লীল ও অশালীন মন্তব্য প্রকাশ করেছে, বলেছে, লেখেছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! তাই এই কাফিরগুলো এখন করোনা গযবে পড়ে রোগী, ডাক্তারসহ সবগুলো ২৪ ঘন্টা মাস্কসহ বিভিন্ন ধরণের পোশাকে নিজেদেরকে আবদ্ধ করে রাখার কারনে তাদের চেহারাগুলোই বিকৃত হয়ে গেছে ও যাচ্ছে। আর এ বিকৃত চেহারা নিয়েই তারা একে একে মারা যাচ্ছে, জাহান্নামী হচ্ছে এবং হতেই থাকবে। ইনশাআল্লাহ!
করোনা ভাইরাস যে কাফিরগোষ্ঠীর উপর নিপতিত এক মহা গযব সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। কাফিরগোষ্ঠী এভাবেই একে একে গযবে পড়ে নিশ্চিহ্ন ও ধ্বংস হবে এটাই মহাসত্য ও বাস্তবসম্মত। ইনশাআল্লাহ! -প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

উপজাতি নেতারা শুরু থেকেই দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিলো

স্বাধীনতাবিরোধী উপজাতি নেতা ত্রিদিব মুক্তিযুদ্ধের প্রথম থেকে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছে। বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বের হওয়া হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র’ (সশস্ত্র সংগ্রাম-১) নবম খ-ের (জুন ২০০৯) ৯৩ পৃষ্ঠায় মে. জে. মীর শওকত আলী (বীর উত্তম) লেখেন : ‘চাকমা উপজাতিদের হয়ত আমাদের সাহায্যে পেতাম। কিন্তু রাজা ত্রিদিবের বিরোধিতার জন্য তারা আমাদের বিপক্ষে চলে যায়।’ অন্যদিকে ১৯৭১ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক বর্তমান উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম তার বই ‘বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১’-এর (মার্চ ২০০৪) ২৬০ পৃষ্ঠায় লেখেন : ‘চাকমা রাজা ত্রিদিব প্রথম থেকেই নির্লিপ্ত এবং গোপনে পাকিস্তানিদের সাথে যোগাগোগ রাখছে।’

চাকমা শাসক ত্রিদিবের স্বাধীনতাবিরোধিতার আরো নমুনা আমরা পাই বাংলা একাডেমী থেকে বের হওয়া লে. কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহিরের (বীর প্রতীক) বই ‘মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাব কাদের বীর উত্তম’-এ (ডিসে. ২০০৮)। বইটির ৬৩ পৃষ্ঠায় তিনি লেখেন : ‘মার্চ মাসের প্রথম থেকেই ত্রিদিব এবং মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা কোনো কারণে মুক্তিকামী বাঙালিদের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলতো।’ আফসান চৌধুরী তার বই ‘বাংলাদেশ ১৯৭১ : প্রথম খ-’-এর ৪১৩ পৃষ্ঠায় (ফেব্রু. ২০০৭, মাওলা ব্রাদার্স) লেখেন : ‘পূর্বপাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬২টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ময়মনসিংহের একটি আসন ছাড়া বাকি ১৬০টি আসনই লাভ করে। ময়মনসিংহ-৮ আসনে পিডিপি নেতা নুরুল আমিন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থী চাকমা ত্রিদিব আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়।’

সুমহান মহাপবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস উনার ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৬ তারিখ সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভূক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই, এই মহাসম্মানিত দিবসসমূহ যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করার জন্য এখন থেকেই সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য।

- সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার ক্বওল শরীফ
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ!সুমহান মহাপবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস উনার ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৬ তারিখ সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভূক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই, এই মহাসম্মানিত দিবসসমূহ যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করার জন্য এখন থেকেই সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- এই মহাসম্মানিত দিবসসমূহে পবিত্র মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে এ পবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ সংশ্লিষ্ট আলোচনা মুবারক শিশুশ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...