Sunday, June 28, 2020

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ফায়সালা কাফির মুশরিকদেরকে দান করা যাবে না।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ফায়সালা কাফির মুশরিকদেরকে দান করা যাবে না।
_____________________________

হযরত সা‘দ রদ্বিয়াল্লাহু তাআলা আনহু উনার থেকে বর্ণিতঃ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একদিন একদল লোককে কিছু দান করলেন। হযরত সা‘দ রদ্বিয়াল্লাহু তাআলা আনহু সেথায় উপস্থিত ছিলেন। হযরত সা‘দ রদ্বিয়াল্লাহু তাআলা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের এক ব্যক্তিকে কিছু দিলেন না। সে ব্যক্তি আমার নিকট তাদের চেয়ে অধিক পছন্দের ছিল। তাই আমি আরয করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! অমুক ব্যক্তিকে আপনি বাদ দিলেন কেন? মহান আল্লাহ পাক উনার শপথ! আমি তো তাকে মু’মিন বলেই জানি। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইরশাদ মুবারক ফরমান, না, সে মুসলিম নয়। তখন আমি কিছুক্ষণ নীরব থাকলাম। অতঃপর আমি তার সম্পর্কে যা জানি, তা (ব্যক্ত করার) প্রবল ইচ্ছে হলো। তাই আমি আমার বক্তব্য আবার বললাম, আপনি অমুককে দান থেকে বাদ রাখলেন? মহান আল্লাহ পাক উনার শপথ! আমি তো তাকে মু‘মিন বলেই জানি। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইরশাদ মুবারক ফরমান, না, সে মুসলিম নয়। তখন আমি কিছুক্ষণ নীরব থাকলাম। তারপর আমি তার সম্পর্কে যা জানি তা (ব্যক্ত করার) প্রবল ইচ্ছা হলো। তাই আমি আবার বললাম, আপনি অমুককে দান হতে বাদ রাখলেন? মহান আল্লাহ পাক উনার শপথ! আমি তো তাকে মু‘মিন বলেই জানি। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইরশাদ মুবারক ফরমান, না, সে মুসলিম নয়। তখন আমি কিছুক্ষণ চুপ থাকলাম। তারপর আমি তার সম্পর্কে যা জানি তা (ব্যক্ত করার) প্রবল ইচ্ছা হলো। তাই আমি আমার বক্তব্য আবার বললাম। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পুনরায় সেই একই জবাব দিলেন। তারপর বললেন, ‘সা’দ! আমি কখনো ব্যক্তি বিশেষকে দান করি, অথচ অন্যলোক আমার নিকট তার চেয়ে অধিক প্রিয়। তা এ আশঙ্কায় যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে অধঃমুখে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত করবেন।
এ হাদীস শরীফ হযরত ইউনুস রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত সালিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত মা‘মার রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং হযরত যুহরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ভ্রাতুষ্পুত্র হযরত যুহরী রহমতুল্লাহি আলাইহি হতে বর্ণনা করেছেন।
(পবিত্র মুসলিম শরীফ)
অথচ আজকাল দেখা যায়, অনেকে পবিত্র যাকাত, পবিত্র ফিতরা, পবিত্র কুরবানীর চামড়া কাফির মুশরিকদেরকে এবং কাফির মুশরিকদেরকে সহযোগীতা করে এমন প্রতিষ্ঠানকে যেমন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে দান করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। আফসোস তাদের জন্যে।

🔷পানির মশক ব্যবহার করা খাছ সুন্নত। 🔷

🔷পানির মশক ব্যবহার করা খাছ সুন্নত। 🔷

💢পানির মশক কাউকে হাদিয়া দেয়াও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত।

✅পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ عَلِيٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَتٰى حَضْرَتْ عَلِيًّا عَلَيْهِ السَّلَامُ وَحَضْرَتْ فَاطِمَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ وَهُـمَا فِىْ خَـمِيْلٍ لَـهُمَا وَالْـخَمِيْلُ الْقَطِيْفَةُ الْبَيْضَاءُ مِنَ الصُّوْفِ قَدْ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَهَّزَهُـمَا بِـهَا وَوِسَادَةٍ مَـحْشُوَّةٍ اِذْخِرًا وَقِرْبَةٍ‏.‏

“সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুর রবিয়াহ যাহরা আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের নিকট তাশরীফ আনলেন। তখন উনারা উনাদের একটি সাদা পশমী চাদরে আবৃত ছিলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তা উনাদেরকে পবিত্র নিসবাতুল আযীমাহ উপলক্ষ্যে হাদিয়া মুবারক করেছিলেন। তিনি আরও হাদিয়া মুবারক করেছিলেন ইযখির ঘাস ভর্তি একটি বালিশ এবং পানির একটি মশক।” (ইবনে মাজাহ শরীফ: ৪১৫২)

🌐অনলাইনে অর্ডার করতে ভিজিট করুন: https://bit.ly/মশক

🌎সুন্নতী খাবার দেখুন এখানেঃ https://bit.ly/সুন্নতী_খাবার

⭕️আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য আমাদের হোম ডেলিভারী সার্ভিস রয়েছে।

⭕️আর পেমেন্ট এখন আমাদের ওয়েব সাইটের https://sunnat.info এর মাধ্যমেই আপনি পরিশোধ করতে পারেন।

অর্ডার করতে যোগাযোগ করুনঃ
📮 যোগাযোগের ঠিকানাঃ
আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র।
৫/১ আউটার সার্কুলার রোড রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা।
📲 যোগাযোগ নাম্বার:
📞+8801711 27 27 73,
📞+8801717 36 94 94
📞+8801782 255 244
📞+8801302 94 58 20
📞+8801711 27 27 86
🌐 ভিজিট করুন: https://sunnat.info

অতিরিক্ত জনসংখ্যা কোনো সমস্যা নয়, বরং মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত।

অতিরিক্ত জনসংখ্যা কোনো সমস্যা নয়, বরং মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত।
_________________________________________
বর্তমান বাংলাদেশে ২৫ কোটিরও বেশি লোকের বসবাস। অন্যান্য দেশের তুলনায় এদেশের জন্মহার বেশি তাই জনসংখ্যাও বেশি। যা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে এদেশের জন্য অশেষ রহমতস্বরূপ। কিন্তু ইহুদী-খ্রিস্টানদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এই জনসমাজে এই নিয়ামতকে বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হিসেবে এদেশের জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ!

এটি হলো মুসলমানদের জনসংখ্যা হ্রাস করতে কাফির-মুশরিকদের দ্বারা গৃহীত এক গভীর ষড়যন্ত্র। একটু সূক্ষ্মভাবে চিন্তা করলে বিষয়টি উপলব্ধি করা সহজ, পৃথিবীর বুকে যেসব দেশ কাফির-মুশরিকদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তন্মধ্যে বেশিরভাগ দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রায় শূন্যের কাছাকাছি। কিছু কিছু দেশে এ বৃদ্ধির হার মাইনাসে উপনীত হয়েছে। তাই ওইসব ইহুদী-খ্রিস্টানদের দেশে তারা তাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য সেদেশের নাগরিকদের উদ্বুদ্ধ করছে এবং ক্ষেত্র বিশেষে পুরস্কারও ঘোষণা করছে। অথচ মুসলমান দেশগুলোকে তার জনসংখ্যা কমানোর জন্য পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে, যা ইহুদী প্রটোকলের একটি অংশ। 

আমাদের দেশের বিষয়টি যদি আমরা চিন্তা করি তাহলে দেখা যাবে যে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে এদেশের কোনোরূপ সমস্যা তো হচ্ছেই না, বরং প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতি করছে। এদেশে যে পরিমাণ খাদ্য উৎপন্ন হয় তা এদেশের মানুষদের জন্য যথেষ্ট, বরং চাহিদার কয়েকগুণ বেশি খাদ্য উৎপন্ন হয়ে থাকে। কিন্তু এ অতিরিক্ত খাদ্যের বেশিরভাগই অবৈধভাবে পাচার হয়ে যাচ্ছে পাশ্ববর্তী দেশগুলোতে। পৃথিবীজুড়ে যখন অর্থনৈতিক মন্দার জোয়ারে সমগ্র ইউরোপ আমেরিকার অর্থনীতিতে ধস নেমেছে তখন বাংলাদেশের অর্থনীতি আজ সারাবিশ্বকে চমক লাগিয়ে দিচ্ছে। এসব মূলত এদেশের জনসংখ্যারই অবদান। কারণ বাড়তি জনবল দ্বারা বাড়তি উৎপাদন হচ্ছে, বৈদেশিক রেমিটেন্সের পরিমাণ বাড়ছে, বাড়ছে শিল্প প্রতিষ্ঠান, কলকারখানার পরিমাণও। 

সর্বোপরি বলতে হয়, বেপরোয়া দুর্নীতি, অস্থিতিশীল রাজনীতি, অতিরিক্ত আমদানী ব্যয় ইত্যাদি শত প্রতিকূলতার পরও এদেশের ঈর্ষনীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের পিছনে জনসংখ্যার অবদানই বেশি। তাই এদেশের জনসংখ্যা এদেশের জন্য কোনোরূপ সমস্যা নয়, বরং মহান আল্লাহ পাক উনার এক মহান ও অমূল্য নিয়ামত।

#সুওয়ালঃ

#সুওয়ালঃ- এক মহিলার দুই সন্তান। সে যেই সন্তানের কাছে থাকে সে মায়ের যথাসাধ্য দেখাশোনা করার চেষ্টা করে। কিন্তু অপর সন্তান মায়ের খোঁজ খবর নেয় না।এতে একজনের উপর চাপ পড়ে।এতে কি ঐ অপর সন্তান গুনাহগার হবে?

#জওয়াবঃ- অবশ্যই গুনাহগার হবে। বাবা-মার খিদমত করা সন্তানের জন্য ফরজে আইন। পিতা-মাতার সন্তুষ্টিই মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক। নতুবা কবীরা গুনাহ হবে।


#সুওয়ালঃ- এক পরিবারে বড় দুই ভাই আর্থিকভাবে সংসার সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করে।কিন্তু ছোট ভাই পরিপূর্ণ উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়া স্বত্তেও আয় রোজগারের ব্যাপারে সম্পূর্ণ উদাসীন থাকে এবং বিলাসী জীবন যাপনের প্রতি আগ্রহী থাকে।অথচ,ছোট ভাইকে কার্যক্ষম করে তোলার জন্য বড় ভাইয়েরা লাখ লাখ টাকা খরচ করে ফেলেছে। তারা এভাবে আর কতদিন তার জন্য খরচ করবে?

#জওয়াবঃ- সে অপচয় করতেই থাকবে, আর তার জন্য অন্যরা খরচ করতেই থাকবে এটা হতে পারে না। অপচয়কারী শয়তানের ভাই।পরিবারের সবাই মিলে বসে তার ওয়ারিশত্ব তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে।আর বলে দিতে হবে,এর থেকে বেশি তাকে আর কোনো কিছু দেয়া সম্ভব নয়।সে যেন এবার নিজের বুঝ মতো সিদ্ধান্ত নেয় এবং সেখান থেকে খরচ করে। আর যদি সে এ ব্যাপারে অপারগ হয়, তাহলে তার সম্পদটুকু বড় ভাইয়েরা তাদের কাছে রেখে, তাকে সেখান থেকে একটা মাসিক খরচ নিয়মিত দিতে পারে,যাতে সে অপচয় করতে না পারে এবং স্বাভাবিক ভাবে খেয়ে পরে বাঁচতে পারে।

আজ পবিত্রতম ৭ই শরীফ- মাশুকায়ে মাওলা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক তাশরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ

আজ পবিত্রতম ৭ই  শরীফ- মাশুকায়ে মাওলা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক তাশরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ
_______________________________________
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে মানুষেরা! তোমাদের জন্য তোমাদের রব তায়ালা তিনি উনার পক্ষ থেকে নিয়ামত, রহমত, অন্তরের শেফা, ও হিদায়েত পাঠিয়েছেন। সেজন্য তোমরা খুশি প্রকাশ করো নিশ্চয়ই এটা তোমাদের অন্যান্য সব আমল থেকে সর্বাপেক্ষা উত্তম।” বলার অপেক্ষাই রাখে না যে, যিনি সাইয়্যিদাতুন নিসা, বাহরুল আলীমা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক এই আখিরী যামানায় কত বড় নিয়ামত হিসেবে পাঠিয়েছেন হিদায়েতের আলোকবর্তিকা হিসেবে কুফরী শিরকীর মূল উৎপাটনকারিণী। উলামায়ে ‘সূ’ তথা নারীবাদীদের মুখোশ উন্মোচনকারী হিসেবে পাঠিয়েছেন। যেই কারণে আজকে আমরা নারী জাতি থেকে শুরু করে সমস্ত কায়িনাত, কুফরী, শিরকী বিদয়াত, বেশরার কালো থাবা থেকে বাঁচতে পারছি। নিজেদের পবিত্র ঈমান-আমল রক্ষা করতে পারছি। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “সত্য এসেছে, মিথ্যা দূরীভূত হয়েছে, মিথ্যা দূরীভূত হওয়ারই যোগ্য।” 
সত্যের জোয়ার বহিয়ে নিয়ে এলেন যিনি, মিথ্যার প্রাসাদ ভেঙে চুরমার করলেন যিনি। যিনি বেহায়াপনার শৃঙ্খল থেকে টেনে আনলেন মহিলাদের এবং পরিণত করছেন পর্দানশীন নারী। যাঁর বিজয় ধ্বনি গুঞ্জরিত হচ্ছে আজ। সারা কায়িনাতে সেই মহান ব্যক্তিত্ব তাশরীফ আনলেন পবিত্র থেকে পবিত্রতম মাস সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার ৭ তারিখে। (সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী)!
যেখানে হযরত ঈসা রূহীল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সেই খাদ্যসহ খাঞ্চা নাযিলের দিনটিতে খুশি প্রকাশ করা ফরয সেখানে যিনি হাবীবাতুল্লাহ, মাশুকায়ে রসুলিল্লাহ হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা ফরযের উপর ফরয, ইয়া বারে ইলাহী! হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক ছায়া তলে সকল নারীদের সমবেত হওয়ার তাওফীক দান করুন। প্রত্যেকটি নারীকে হাক্বীক্বী মুসলিমা হওয়ার তাওফীক দান করুন। হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের আদর্শ মুবারকে আদর্শবান হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমিন!
“হক্ব নাহক্ব একাকার
বন্ধ আজ সত্যের দ্বার
বহালেন হক্বের জোয়ার
আম্মাজী মাহবুবা খোদা তায়ালা উনার”

পবিত্র হজ্জ মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম ভিত্তি।

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ উনার ২১৭নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “মসজিদে হারাম শরীফে প্রবেশে বাধা দেয়া, মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে অনেক বড় অন্যায়।”

পবিত্র হজ্জ মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম ভিত্তি। মুসলমানদেরকে পবিত্র হজ্জে বাধা দেয়ার অধিকার দুনিয়ার কারো নেই।
সউদী ইহুদী সরকার অনেক বছর ধরে চাঁদের তারিখ পরিবর্তন এবং ছবির মাধ্যমে মুসলমানদের হজ্জ নষ্ট করছে। এবার করোনার অজুহাতে বর্হিবিশ্বের মুসলমানদের হজ্জে তারা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাদের এ সিদ্ধান্ত হারাম, কুফরী, শিরকী এবং কঠিন লা’নতগ্রস্থ হওয়ার কারণ। সউদী ইহুদী সরকারের জন্য ফরজ হলো- পবিত্র হজ্জ কেন্দ্রীক সর্বপ্রকার বিধি-নিষেধ বাতিল করে ছবি ও বেপর্দামুক্ত এবং সম্মানিত শরীয়ত উনার নির্দেশিত তর্জ-তরীকা মুতাবিক পবিত্র হজ্জ করার সার্বিক ইন্তিজাম করা।

বিশ্বের সমস্ত মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে- পবিত্র হজ্জ বিরোধী সউদী ইহুদী সরকারের সব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ করা।

- ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মসজিদে হারাম শরীফে প্রবেশে বাধা দেয়া, মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে অনেক বড় অন্যায়।” পবিত্র হজ্জে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বাধা দেয়া এবং যে কোন উপায়ে নিরুৎসাহিত করা সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী সুস্পষ্ট হারাম, কুফরী, শিরকী এবং শক্ত কবীরা গুণাহ। যা কঠিনভাবে লা’নতগ্রস্থ হওয়ারও কারণ।
করোনার অজুহাতে বর্হিবিশ্বের মুসলমানদের হজ্জে সউদী ইহুদী সরকারের নিষেধাজ্ঞা আরোপ বিষয়ে নসীহত মুবারককালে তিনি এ ক্বওল শরীফ ব্যক্ত করেন।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হজ্জ মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম ভিত্তি। মুসলমানদেরকে পবিত্র হজ্জে বাধা দেয়ার অধিকার দুনিয়ার কারো নেই। সউদী ইহুদী সরকার অনেক বছর ধরে চাঁদের তারিখ পরিবর্তন এবং ছবির মাধ্যমে মুসলমানদের হজ্জ নষ্ট করছে। এবার করোনার অজুহাতে বর্হিবিশ্বের মুসলমানদের হজ্জে তারা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাদের এ সিদ্ধান্ত হারাম, কুফরী, শিরকী এবং লা’নতগ্রস্থ হওয়ার কারণ।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত আছে, “ছোঁয়াচে বলতে কোনো কিছু নেই।” তাই, সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সংক্রামক বা ছোঁয়াচে বিশ্বাস করা কুফরী ও শিরকের অন্তর্ভুক্ত। 

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সংক্রামক বা ছোঁয়াচের মত একটি কুফরী বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে পবিত্র হজ্জে আসতে তারা বাধা দিচ্ছে। মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফায়সালা অনুযায়ী তারা কাট্টা কুফরী করছে। তাদের পরিণতি হবে খুবই কঠিন ও ভয়াবহ। নাউযুবিল্লাহ! কারণ ছোঁয়াচের অজুহাতে মুসলমানদেরকে পবিত্র হজ্জে আসতে বাধা দেয়া, নিরুৎসাহিত করা, শর্ত আরোপ করা, লোক সংখ্যা নির্ধারণ করে দেয়ার অর্থ হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের বিরোধীতা করা এবং উনাদের আদেশ-নির্দেশ মুবারক অস্বীকার ও অমান্য করা।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হজ্জে বাধা দেয়ার উদ্দেশ্যে পবিত্র কা’বা শরীফ ধ্বংসের অপচেষ্ট করার কারণে আবরাহা ধ্বংস হয়েছে। যুগে যুগে যারাই পবিত্র হজ্জ উনার বিরোধী ষড়যন্ত্র করেছে, তারা সবাই ধ্বংস হয়েছে। সউদী ইহুদী সরকার যদি পবিত্র হজ্জ বিরোধী যাবতীয় ষড়যন্ত্র হতে বিরত না হয়, তাহলে তাদেরও ধ্বংস অনিবার্য।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারকে বারবার সতর্ক করার পরও তারা ছবি ও সিসি ক্যামেরা বন্ধ করছে না। এবার করোনার অজুহাতে বর্হিবিশ্বের মুসলমানদের হজ্জে তারা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাদেরকে আবারো সতর্ক করা হচ্ছে, তারা যেন অতিসত্বর পবিত্র হজ্জ, পবিত্র উমরাহ ও পবিত্র যিয়ারত উনার ক্ষেত্রে  ছবি নিষিদ্ধ করে এবং সিসি ক্যামেরাগুলো সরিয়ে নেয় এবং মহাসম্মানিত ও পবিত্র শরীয়তবিরোধী সর্বপ্রকার বিধি-নিষেধ বাতিল করে সম্মানিত শরীয়ত উনার নির্দেশিত তর্জ-তরীকা মুতাবেক পবিত্র হজ্জ করার সার্বিক ইন্তিজাম করে। নচেৎ তাদেরকে কঠিন কাফফারা আদায় করতে হবে। অর্থাৎ গুমরাহীর কারণে গযবে পড়ে ক্ষমতাহীন হয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া ব্যতীত কোনো ব্যবস্থা থাকবে না। তাই, বিশ্বের সমস্ত মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে- পবিত্র হজ্জ বিরোধী সউদী ইহুদী সরকারের সব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ করা।  
-০-

কুরবানির চামড়া নিয়ে যে কারণে শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা।

কুরবানির চামড়া নিয়ে যে কারণে শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা।
_____________________________________
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
পবিত্র কুরবানির পশুর চামড়া নিয়ে এবার নানামুখী সংকট তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন এই খাতের ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন-এবার ৬ কারণে কুরবানির পশুর চামড়ারক্ষার জটিলতা তৈরি হতে পারে। কারণগুলো হলো- নগদ অর্থের সংকট, পশু কুরবানি কম হওয়ার আশঙ্কা, চামড়ার দাম কম হওয়া, মাঠপর্যায়ে সংগ্রহে বিলম্ব, প্রক্রিয়াজাতকরণের সংকট ও ব্যাংকঋণ প্রাপ্তিতে অনিশ্চয়তা।
চামড়াখাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ বছর দেশে পবিত্র কুরবানির পরিমাণ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে কম হবে। কারণ লকডাউনের কারণে কুরবানিদাতার আয়-সক্ষমতা কমে গেছে। অনেকে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। আর্থিক সংকটের কারণে কুরবানির পরিমাণও ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। কুরবানি কম হলে চামড়া সংগ্রহও কম হবে। লক্ষ্যমাত্রার চামড়া সংগ্রহ না হলে ট্যানারিগুলোর সারা বছরের কাঁচামালের মজুদ কমে যাবে। 
ব্যবসায়ীরা বলছেন, সারাবছরের চামড়ার ৬০ শতাংশ আসে কুরবানির পশু থেকেই। কিন্তু এবার বিনিয়োগের মূলধন জোগানো কঠিন হয়ে পড়বে। সরকার এক্ষেত্রে কুরবানির আগেই চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের ব্যবসায়ীদের ঋণ দেওয়ার কথা বলেছে। কিন্তু এ খাতের ব্যবসায়ীদের অনেকেই ব্যাংক-ঋণখেলাপি। ফলে তাদের ব্যাংকঋণ পাওয়ার সম্ভাবনাও কম। মূলধনের অভাবে তারাও বেপারিদের কাছ থেকে চামড়া কিনতে পারবেন না। আবার যারা ঋণ পাবেন, তারা চামড়া ব্যবসায়ীদের আগের বকেয়া পাওনা পরিশোধ করবেন, না চামড়া কেনায় বিনিয়োগ করবেন, তা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে। কারণ লকডাউন পরিস্থিতিতে সবপর্যায়ের ব্যবসায়ীকেই আর্থিকভাবে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে।
এদিকে, মাঠপর্যায়ে যেসব মৌসুমি ব্যবসায়ী ও ফড়িয়া কুরবানির চামড়া সংগ্রহ করতেন, এবার তাদের হাতেও নগদ টাকার সংকট। ফলে এই ব্যবসায়ীদের বেশিরভাগই এবার এবার নিষ্ক্রিয় থাকবেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সমস্যার মূলে রয়েছে চামড়ার মূল্যনির্ধারণ প্রক্রিয়ায়ও। সরকার নির্ধারণ করে দেয় এক রকম, মাঠপর্যায়ের চিত্র দেখা যায় অন্যরকম। এবার আন্তর্জাতিক বাজারেও চামড়ার দাম কম। আর দেশেও অনেক আগ থেকেই দাম পাওয়া যাচ্ছে না। ১৮-২২ বর্গফুটের পুরো একটি চামড়া বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৩০০-৪০০ টাকায়। সেখানে কুরবানির চামড়া এই অল্প দামে কেনা যাবে কি না, তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস ফুটওয়্যার অ্যান্ড এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএলএফইএ) সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মাহিন বলেন, এ রকম অস্থির পরিস্থিতিতেই এবার চামড়া সংগ্রহের প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। সবাই আর্থিক সংকটে আছে। পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, বোঝা যাচ্ছে না।
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিযেশন (বিটিএ)-এর সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেন, সংকট উত্তরণে সরকারের নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে দু’দফা বৈঠক করেছি। তারা এসব সমস্যা সম্পর্কে জানেন। আমরা মনে করি, অর্থসংকটই হচ্ছে সব সমস্যার মূল কারণ। ফলে কুরবানি ও চামড়া সংগ্রহের হারও কম হবে। 
লকডাউন পরিস্থিতির কারণে মাঠপর্যায়ে চামড়া সংগ্রহে ধীরগতি থাকবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ গোশত ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম। তিনি বলেন,  চামড়ার দাম পড়ে যাওয়ায় অনেকে সময়মতো বিক্রি করতে চাইবেন না। ফলে সঠিক সময়ে লবণ, পরিবহণ ও প্রক্রিয়াজাতও করা যাবে না। এ কারণে কুরবানির পশুর ২৫ শতাংশ চামড়া নষ্ট হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা করছেন।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...