Sunday, September 20, 2020

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই হচ্ছেন পবিত্র ঈমান; তাই উনার শান মুবারকে বিন্দুতম চু-চেরা করে কেউ ঈমানদার থাকতে পারে না

 নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই হচ্ছেন পবিত্র ঈমান; তাই উনার শান মুবারকে বিন্দুতম চু-চেরা করে কেউ ঈমানদার থাকতে পারে না


===================================

পবিত্র ঈমান উনার মূলই হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। উনার প্রতি পরিপূর্ণ পবিত্র ঈমান না আনা পর্যন্ত, পরিপূর্ণ হুসনে যন বা সুধারণা পোষণ না করা পর্যন্ত, উনাকে সবচেয়ে মুহব্বত না করা পর্যন্ত, উনার আদেশ-নিষেধগুলো মনে প্রাণে না মানা পর্যন্ত এবং উনাকে অনুসরণ-অনুকরণ না করা পর্যন্ত কেউ মুসলমান হতে পারে না। 

এটাই যদি সত্য হয়, তাহলে উনার সীমাহীন পবিত্রতম শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা, খুছুছিয়ত-বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে যারা চু-চেরা করে, (নাঊযুবিল্লাহ!) এবং প্রশ্ন উত্থাপন করে বলে যে, তিনি নূর মুবারক উনার বা উনার থেকে সৃষ্টি নন, (নাঊযুবিল্লাহ!) তিনি গইবের ইলম সম্পর্কে জানেন না, (নাঊযুবিল্লাহ!) তিনি তাদের মতো রক্ত-গোশতে গড়া সাধারণ মানুষ ইত্যাদি ইত্যাদি। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! তারা কখনোই মুসলমান হতে পারে না।

কাজেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম মর্যাদা-মর্তবা, শান-মান মুবারক সম্পর্কে সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের যে আক্বীদা বা বিশ্বাস, সেই আক্বীদা বা বিশ্বাস প্রতিটি মুসলমানকে রাখতে হবে। সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদা বা বিশ্বাস হলো- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নূর মুবারক উনার সৃষ্টি, তিনি ইলমে গইব উনার অধিকারী, তিনি তাদের মতো সাধারণ মানুষ নন।

সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদা বা বিশ্বাসের বিপরীত যাদের আক্বীদা বা বিশ্বাস, তারা মুসলমান দাবি করলেও হাক্বীক্বত তারা মুসলমানের অন্তর্ভুক্ত নয়। বরং তারা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত ৭২টি বাতিল ও জাহান্নামী ফিরক্বারই অন্তর্ভুক্ত।

চেহারা-ছুরতেও মুসলমানিত্ব প্রকাশ করতে হবে।

 চেহারা-ছুরতেও মুসলমানিত্ব প্রকাশ করতে হবে।



পবিত্র কা’বা শরীফের দিকে ফিরে নামায পড়তে হয়। অন্য কোনো দিকে ফিরে হাজার হাজার রাকায়াত নামায পড়লেও নামায আদায় হবে না। বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ অনেক কিছুতে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছে, ডিগ্রি নিচ্ছে, পিএইচডি করছে, গবেষণা করছে। কিন্তু সরে যাচ্ছে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার হুকুম-আহকাম থেকে। আজ মুসলমানরা সুন্নতী পোশাকের বদলে অমুসলিমদের স্যুট-কোর্ট, প্যন্ট, টাই পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ক্লিনশেভ করছে, হিন্দুদের পূজায় যাচ্ছে, তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে, পূজার প্রসাদ খাচ্ছে। ইহুদী, খ্রিস্টান মুশরিকদের কালচারকে আধুনিক বলে গ্রহণ করছে। মুসলমানদের চেহারা-ছুরত আচার আচরণ দেখে কোনোভাবেই বুঝার উপায় নেই- সে কি আসলেই মুসলমান, নাকি বিধর্মী।

মুসলমানদের এই অবস্থার কারণ তাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তথা ক্বিবলা পরিবর্তন হয়ে গেছে, তারা এখন আর দ্বীন ইসলাম চায় না, অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ মুতাবেক চলতে চায় না, বরং চায় কাফির-মুশরিকদের মত দুনিয়াদারী, চায় কথিত সেলিব্রেটিদের মতো নাম-ধাম কামাই করতে। প্রকৃত পক্ষে ইসলাম আর মুসলমান এখন আলাদা হয়ে গেছে। মুসলমান এখন তাদের পরিচিতিতেই শুধু ‘ইসলাম’ শব্দটি রাখে...বাকি সকল কিছু থেকেই ইসলামকে তারা আলাদা করে ফেলেছে। মুসলমান পরিচয় দিতেও তারা হীনম্মন্যতায় ভোগে। নাউযুবিল্লাহ!

মুসলমানদের অন্তরের ক্বিবলাকে পরিবর্তন করা ছাড়া মুসলমানদের এ অবস্থা পরিবর্তন হবে না। মুসলিম উম্মাহকে পরিপূর্ণভাবে অর্থাৎ পোশাক-আশাক, চালচলন, কথা-বার্তা, লেনদেন সবকিছুতেই দ্বীন ইসলাম উনার হুকুম-আহকাম মেনে চলতে হবে। তবেই মুসলমানদের কামিয়াবী।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...