Sunday, July 5, 2020

পবিত্র হজ্ব পালনে অন্যান্য দেশকে নিষিদ্ধ করায় সৌদি সরকারকে ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফের পক্ষ থেকে ১শত বিশিষ্ট নাগরিকের প্রতিবাদলিপি:

পবিত্র হজ্ব পালনে অন্যান্য দেশকে নিষিদ্ধ করায় সৌদি সরকারকে ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফের পক্ষ থেকে ১শত বিশিষ্ট নাগরিকের প্রতিবাদলিপি:
-------------------
নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনার অজুহাত দেখিয়ে চলতি বছর সৌদি আরবের বাইরের মুসলিমদের পবিত্র হজে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করায় সৌদি সরকারের কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট ১শত নাগরিক। গত রোববার (২৮ জুন) ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসে একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর ও ডাকযোগে সৌদি সরকারের হজ্ব ও উমরা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবাদলিপি প্রেরণের মাধ্যমে এই প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
.
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, পবিত্র হজ্ব সামর্থ্যবান মুসলিমদের জন্য একটি ফরজ ইবাদত এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম একটি স্তম্ভ। সৌদি কর্তৃপক্ষ এই বছর করোনার অজুহাত দিয়ে সৌদি আরবে অবস্থানরত মাত্র হাজারখানেক মুসলিমকে হজ্ব পালনের সুযোগ দিবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অথচ সহীহ বুখারী শরীফ ও সহীহ মুসলিম শরীফে উদ্ধৃত হাদীস শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু নেই। যেহেতু পবিত্র দ্বীন ইসলাম, উনার মধ্যে কোনো রোগকে ছোঁয়াচে রোগ বলে চিন্তা করতে নিষেধ করা হয়েছে, 

সুতরাং তথাকথিত করোনার অজুহাতে সুস্থ ও সামর্থ্যবান মুসলিমদের পবিত্র হজ্ব পালনের সুযোগ বন্ধ করা সম্পূর্ণই দ্বীন ইসলামপরিপন্থী। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সৌদি সরকার এই বছর মুসলিমদেরকে একটি ফরজ ইবাদত পালনে বাধা দিচ্ছে। পবিত্র হারামাইন শরীফের খাদেম হিসেবে সৌদি কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হলো হাজীগণকে হজ্ব পালনে সহযোগিতা করা। সুস্থ ও সামর্থ্যবান মুসলিমদেরকে পবিত্র হজ্ব পালনে বাধা দেওয়ার কোনো অধিকার সৌদি সরকারের নেই।
.
স্মারকলিপিতে বাংলাদেশের মুসলিমদের পক্ষ থেকে সৌদি সরকারের উক্ত সিদ্ধান্তে তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং অবিলম্বে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল করে বিশ্বের সকল সামর্থ্যবান মুসলিমের জন্য হজের সুযোগ দেওয়ার আহবান জানানো হয়। (is.gd/KsiVaG)

প্রসঙ্গ: পবিত্র কুরবানি নিয়ে ষড়যন্ত্র। সরকারের ভেতর থাকা ইসলামবিদ্বেষী মহলগুলো কি সরকারকে বিপাকে ফেলে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়?

প্রসঙ্গ: পবিত্র কুরবানি নিয়ে ষড়যন্ত্র। সরকারের ভেতর থাকা ইসলামবিদ্বেষী মহলগুলো কি সরকারকে বিপাকে ফেলে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়?
===============================

সম্প্রতি দেশে কিছু ইসলামবিদ্বেষী মহল ইসলামবিরোধী অপতৎপরতা জোড়ালোভাবেই চালিয়ে যাচ্ছে। যা দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমান জনগোষ্ঠীকে উত্তেজিত করে দেয়ার জন্য ও সরকারবিরোধী বিক্ষোভ সৃষ্টির করার জন্য যথেষ্ট। রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের দেশে পরিবেশ দূষণ ও যানজটের মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে পবিত্র কুরবানির পশু জবাই ও পশুর হাট স্থানান্তর নিয়ে ষড়যন্ত্রের বিষয়টি।

রাজধানিতে যানজট নিত্যদিনের চিত্র, নানা কারণে পরিবেশ দূষণও প্রতিদিনই হচ্ছে। তথাপি মুসলমানদের কুরবানির পশু জবাইয়ের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার নামে বিশৃঙ্খলা ও হাজারো সমস্যা সৃষ্টি করে ‘কুরবানি সমস্যা’ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে খোদ সরকারের ভেতর থেকেই। এছাড়া যানজটের অজুহাতে পবিত্র কুরবানির পশুর হাট স্থানান্তর করার ষড়যন্ত্র করছে যেন, মুসলমানগণ দূর-দুরান্ত থেকে পশু কিনে আনতে সমস্যায় পড়েন এবং পশু সঙ্কটে পড়ে উচ্চমূল্যে পশু কিনতে হয়। নাউযুবিল্লাহ! এসব ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করলে সরকার শুধু জনগণের রোষাণলেই পড়বে না; বরং বৃহজ্জ জনগোষ্ঠী উত্তেজিত হয়ে বিক্ষোভে নামলে সরকার চরম বেকায়দায় পড়বে এবং সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সুযোগ বুঝে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকার পতনের ডাক দিবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিক্ষুদ্ধ মুসলমানদের সমর্থনে তারা সফলতাও অর্জন করতে পারে। 

সুতরাং অবশ্যই সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য হবে মুসলমানদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।

পবিত্র কুরবানীর পশু নিয়ে ব্যাঙ্গ চিত্র করে ঠাট্টা বিদ্র”প করা মিডিয়ার ষড়যন্ত্র।

পবিত্র কুরবানীর পশু নিয়ে ব্যাঙ্গ চিত্র করে ঠাট্টা বিদ্র”প করা মিডিয়ার ষড়যন্ত্র।
==============================
মহান আল্লাহ পাক কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ্র নিদর্শনসমূহ লঙ্ঘন করো না, আর পবিত্র মাসেরও না, আর কুরবানীর পশুদেরও না।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২)

এ আয়াত শরীফে স্পষ্ট করে মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দশনসমূহ লঙ্ঘন বা অবমাননা করতে নিষেধ করা হয়েছে। এবং ঐ নিদর্শনের উদাহরণ দিতে গিয়ে পবিত্র কুরবানীর পশুর কথাও সরাসরি এসেছে এবং সতর্কতা উচ্চারণ করা হয়েছে যেন উক্ত পশুর অবমাননা বা অবজ্ঞা না হয় করা।
অথচ দেখা যায়, পবিত্র কুরবানী ঈদ আসলেই কুরবানীর পশু ঠাট্টা-বিদ্র”প করার একটা উপাদেয় বস্তুতে পরিনত হয়। বরাবরের মতো এবারের ঈদেও পবিত্র কুরবানী পশু নিয়ে ব্যাঙ্গ চিত্র প্রকাশ করেছে অনেক গণমাধ্যম ও কিছু মোবাইল কোম্পানি; যেন সম্মানিত ও পবিত্র কুরবানীর বিষয়টি হাস্যরসে পরিণত হয়। এছাড়া প্রথম আলোসহ প্রত্যেক পত্রিকা ও তাদের ম্যাগাজিনগুলো কোরবানী পশু নিয়ে নানান কৌতুক ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন ছেপেছে। টিভিতেও অনেক হাসি-ঠাট্টা তামাসা করা হয়েছে কুরবানীর পশুকে নিয়ে। নাউযুবিল্লাহ! 

অথচ, এ পশু কুরবানী হচ্ছে নিজ পুত্র সন্তানের বদলে কুরবানী। কেউ যদি তার পুত্র সন্তানকে কুরবানী দিতে নিয়ে যেতো তবে কি তার পুত্রের সাথে হাসি-ঠাট্টা তামাসা করতো? নিশ্চয় করতোনা। মিডিয়ার চুলকানি কেবল মুসলমানদের ধর্মীয় রীতি নিয়ে অথচ হিন্দুরা যখন তাদের কথিত দেবীর মূর্তী বিসর্জন দিতে যায় তখন কিন্তু কোনো মিডিয়া বা কোনো ম্যাগাজিনে এটা নিয়ে হাস্যরস কিংবা কৌতুক রচিত হয় না, এটা নিয়ে কার্টুন অংকিত হয়না, কেউ সেলফি তুলে প্রকাশ করেনা। তাহলে পবিত্র কুরবানীর পশু নিয়ে কেন এতো ঠাট্টা বিদ্র”প?
আসলে কুরবানী’র মত একটি ভাব-গাম্ভীর্যপূর্ণ ধর্মীয় ইবাদত নিয়ে আগে কখনই ঠাট্টা-ফাজলামি হতো না। কিন্তু কিছু ইসলাম বিদ্বেষী মিডিয়া এ শয়তানিটা অতি কৌশলে মুসলমানদের মধ্যে চালু করে দিয়েছে। আর জ্ঞানশূণ্য মুসলমানও সেই ফাঁদে পা দিয়েছে। এসব গুণাহর কাজ করে মুসলমানদের ঈমান বরবাদ ও কুরবানী নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কাজেই এবার যারা এসব করেছে তাদের উচিত বেশি করে তওবা ইস্তেগফার করা ও সামনের বছর নিজে বিরত থেকে সবাইকে এ ব্যাপারে সচেতন করে দেয়া।

এত কম সংখ্যক হাট থেকে পবিত্র কুরবানির পশু কেনা সম্ভব নয়।

এত কম সংখ্যক হাট থেকে পবিত্র কুরবানির পশু কেনা সম্ভব নয়।
=================================

এবার পবিত্র কুরবানিতে সরকারিভাবে রাজধানিতে পশুর হাট কমানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। নিরাপত্তা, যানজট ইত্যাদির অজুহাতে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ও বড় বড় হাটগুলো ঢাকার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা চলছে। এসব পরিকল্পনা মূলত ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই নয়। 

স্মরণ রাখতে হবে, পশুর হাট অন্যত্র সরিয়ে নিলে বা হাটের সংখ্যা কমিয়ে দিলে মানুষের ভোগান্তি বাড়বে, যানজট আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করবে, নিরাপত্তা জনিত হুমকি আরো বাড়বে বৈ কমবে না। এটা একটা সাধারণ সমঝদার মানুষের পক্ষেও উপলব্ধি করা কঠিন নয়। 

এসব ছাড়াও কুরবানির হাটের সংখ্যা কমে গেলে সেখানে চাহিদার তুলনায় পশু সঙ্কট দেখা দিবে। ফলে ছোট পশুও অনেক দাম দিয়ে কিনতে হবে, পছন্দমতো সুন্দর পশু পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। সুতরাং কুরবানির হাট না কমিয়ে, বরং প্রতিটি ওয়ার্ডে পশুর হাট করতে হবে। রাজধানির প্রতিটি মাঠে হাট স্থাপন করতে হবে। তাহলে মানুষের চলাচলের পথ কমে আসবে, যানজট কমবে, পশুর দাম সহনিয় পর্যায়ে থাকবে সর্বোপরি কুরবানির পশু কিনতে গিয়ে মানুষের ভোগান্তি কমে আসবে।

ঈদ মুবারক

ঈদ মুবারক

ঈদে মীলাদে শাফিউল উমাম আলাইহিস সালাম 
মুবারক হো

আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৪ যিলক্বদ শরীফ শাফিউল উমাম হযরত শাহ দামাদ আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদত শরীফ

আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৪ যিলক্বদ শরীফ শাফিউল উমাম হযরত শাহ দামাদ আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদত শরীফ
       🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালাম মুবারক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, 
أَلَا إِنَّ أَوْلِيَاءَ اللهِ لَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ. الَّذِيْنَ آمَنُوْا وَكَانُوْا يَتَّقُوْنَ. لَهُمُ الْبُشْرى فِى الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِى الْآخِرَةِ لَا تَبْدِيْلَ لِكَلِمَاتِ اللهِ ذلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيْمُ.
অর্থ: “সাবধান! নিশ্চয়ই যাঁরা যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী রয়েছেন উনাদের কোন ভয় নেই, চিন্তা নেই, পেরেশানী নেই। যাঁরা ঈমান এনেছেন এবং তাক্বওয়া অবলম্বন করেছেন। উনাদের জন্য ইহকাল ও পরকালে সুসংবাদ রয়েছে। এটা উনাদের জন্য মহান সফলতা, চরম কামিয়াবী।” (সম্মানিত সূরা ইউনূস শরীফ : সম্মানিত আয়াত শরীফ : ৬২-৬৪)
আর যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ওলীউল্লাহ উনাদেরকে মুহব্বত করো, কেননা উনারা হচ্ছেন মক্ববূল। আর তোমরা উনাদের বিরোধীতা করো না কেননা উনারা সাহায্যপ্রাপ্ত।” সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছে কুদছী শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমার ওলীগণ উনারা আমার কুদরী জুব্বা মুবারক উনার নীচে অবস্থান মুবারক করেন। উনাদের হাক্বীক্বী পরিচয় আমি এবং আমার মাহবূব ওলীউল্লাহ উনারা ব্যতীত আর কেউ জানেন না।” সুবহানাল্লাহ!
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের পরিপূর্ণ মিছদাক্ব হচ্ছেন, বাবুল ইলম ওয়াল হিকাম, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, হাবীবুল্লাহ, কায়িম মাক্বামে হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, শাফিউল উমাম হযরত শাহ দামাদ আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার আখাচ্ছুল ওলীউল্লাহতো অবশ্যই; তার পাশাপাশি উনার অন্যতম আরো একখানা মুবারক বৈশিষ্ট্য হচ্ছেন, তিনি হচ্ছেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তুর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! আর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক সম্পর্কে যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালাম মুবারক মহাসম্মানিত ও মহপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, 
قُلْ لَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا إِلَّا الْمَوَدَّةَ فِى الْقُرْبى وَمَنْ يَّقْتَرِفْ حَسَنَةً نَّزِدْ لَهُ فِيْهَا حُسْنًا إِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ شَكُوْرٌ.
অর্থ: “(আমার মাহবূব হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি আপনার সম্মানিত ইলম মুবারক থেকে বান্দাদেরকে, উম্মতদেরকে) জানিয়ে দিন, তোমাদের নিকট কোন বিনিময় চাওয়া হচ্ছে, প্রতিদান চাওয়া হচ্ছে না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। বরং তোমাদের জন্য এটা চিন্তা করাটাও কুফরী হবে। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে চাও, যিনি খালিক, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মাহবূব হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের হাক্বীক্বী সন্তুষ্টি রেযামন্দি লাভ করতে চাও, তাহলে তোমাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে আমার নিকট আত্মীয়-স্বজন তথা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তাযীম-তাকরীম মুবারক করা, উনাদের সম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়া। আর যে ব্যক্তি কোন নেক কাজ করে আমি তার নেকি বৃদ্ধি করে থাকি। নিশ্চিয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ ক্ষমাশীল এবং উত্তম প্রতিদানদানকারী।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা শূরা শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)
আর যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
 عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رضى الله تعالى عنه قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحِبُّوا اللهَ لِمَا يَغْذُوكُمْ مِنْ نِعَمِةٍ وَأَحِبُّوْنِىْ لِحُبِّ اللهِ وَأَحِبُّوْا أَهْلَ بَيْتِىْ لِحُبِّىْগ্ধ . 
অর্থ: “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো। কেননা তিনি তোমাদেরকে খাদ্যসামগ্রীর মাধ্যমে অনুগ্রহ করে থাকেন। আর তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত-মারিফাত মুবারক পেতে হলে, সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক পেতে হলে আমাকে মুহব্বত করো। আর তোমরা আমার মুহব্বত-মারিফাত মুবারক পেতে হলে, সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক পেতে হলে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো।” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফ, আল মু’জামুল কাবীর শরীফ, শু‘য়াবুল ঈমান শরীফ)
        এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের থেকে সুস্পষ্টভাবে বুঝা গেলো যে, যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের মা’রিফাত-মুহব্বত, সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক পেতে হলে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য ফরয উনার উপরও ফরয। সুবহানাল্লাহ! 
মূলত উনাদের মুহব্বত মুবারকই হচ্ছেন সম্মানিত ঈমান। যাঁরা উনাদেরকে মুহব্বত করে উনারাই ঈমানদার। সুবহানাল্লাহ! আর যারা উনাদেরকে মুহব্বত করেনা তারা ঈমানদার নয়; বরং মুনাফিক্ব ও কাফির। না‘ঊযুবিল্লাহ! 
সেটাই বলা হয়েছে, 
حُبُّ اَهْلِ بَيْتِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِيْمَانٌ.
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা হচ্ছে ঈমান। সুবহানাল্লাহ!
বাবুল ইলম ওয়াল হিকাম, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, হাবীবুল্লাহ, কায়িম মাক্বামে হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম, শাফিউল উমাম হযরত শাহ দামাদ আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের পরিপূর্ণ মিছদাক্ব। সুবহানাল্লাহ! তাই উনাকে মুহব্বত করা, সম্মানিত তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, উনার সম্মনিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়া প্রত্যেকের জন্য ফরয উনার উপরও ফরয। সুবহানাল্লাহ!  
বাবুল ইলম ওয়াল হিকাম, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, হাবীবুল্লাহ, কায়িম মাক্বামে হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম, শাফিউল উমাম হযরত শাহ দামাদ আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার আরো একখানা অন্যতম আখাচ্ছুল খাছ বিশেষ খুছূছিয়াত মুবারক হচ্ছেন, তিনি হচ্ছেন, যিনি সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, আল জাব্বারিউল আওউয়াল ওয়াল ক্ববিউল আওউয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার মহাসম্মানিত দামাদ। অর্থাৎ তিনি হচ্ছেন যিনি সাইয়্যিদাতু নিসাই আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, উম্মু আবীহা নাক্বীবাতুল উমাম হযরত শাহযাদী ঊলা ক্বিবলা কা’বা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত যাওজুম মুকাররাম আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! অন্যদিকে তিনি হচ্ছেন আসাদুল্লাহিল গালিব, বাবুল ইলম, খলীফাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার পরিপূর্ণ কায়িম-মাক্বাম। সুবহানাল্লাহ! তাহলে উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কত বেমেছাল তা এখান থেকেই অতি সহজে অনুমেয়। সুবহানাল্লাহ! আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৪ যিলক্বদ শরীফ হচ্ছেন উনারই আযীমুশ শান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই প্রত্যেকের জন্য ফরযে আইন হচ্ছে সর্বশক্তি দিয়ে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক উপলক্ষে ঈদ পালন করা, খুশি প্রকাশ করা এবং এর মাধ্যম দিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মাহবূব হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের হাক্বীক্বী সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক লাভ করা। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে কবূল করুন। আমীন!

পবিত্র কুরবানির পশুর উচ্ছিষ্ট রপ্তানি করেও দেশ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে।

পবিত্র কুরবানির পশুর উচ্ছিষ্ট রপ্তানি করেও দেশ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে।
===================================

আমরা অনেকেই জানি না পশুর উচ্ছিষ্ট কী এবং এসব উচ্ছিষ্ট কী কী কাজে লাগে। মূলত, পশুর উচ্ছিষ্ট হলো গরুর চামড়া, হাড়, শিং, নাড়িভুঁড়ি, মূত্রথলি, রক্ত, চর্বি, পিত্ত ইত্যাদি। জবাইয়ের পর একটি মাঝারি আকারের গরু থেকে ১৫ থেকে ২০ কেজি হাড় ফেলে দেয়া হয়। আর এই হাড় সংগ্রহ করে প্রতিদিন ব্যবসা হয় অন্ততঃ ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নাড়িভুঁড়ি বিক্রি হয় আরো অন্ততঃ ১২ লাখ টাকার। এসব তথ্য উচ্ছিষ্ট ব্যবসায়ীদের। 

আর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য হচ্ছে, রাজধানিতে প্রতিদিন জবাইকৃত পশুর এসব উচ্ছিষ্ট বিক্রি হয় অন্ততঃ ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকায়। আর এক কুরবানির ঈদে যে পরিমাণ পশু কুরবানি হয় তার উচ্ছিষ্ট বিক্রি করে হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব।” 

বাংলাদেশ গোশত ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মর্তুজা বলেন, ‘এসব উচ্ছিষ্টের শতভাগ রপ্তানিযোগ্য। সাধারণ মানুষ এসব উচ্ছিষ্ট সম্পর্কে সচেতন না থাকার কারণে শত শত কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন থেকে দেশ বঞ্চিত হচ্ছে। বাংলাদেশ হারাচ্ছে রপ্তানি বাজার।’

উল্লেখ্য, গরুর হাঁড় দিয়ে তৈরি হয় জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ক্যাপসুলের কাভার, গরুর নাড়ি দিয়ে অপারেশনের সুতা, রক্ত দিয়ে পাখির খাদ্য, চর্বি দিয়ে সাবান, পায়ের খুর দিয়ে অডিও ভিডিওর ক্লিপ, ইত্যাদি। এভাবে পশুর সব অংশই মানুষের কোনো না কোনো কাজে ব্যবহৃত হয়। (তথ্যসূত্র: অর্থসূচক, ৭/১০/১৪ঈ)
বলার অপেক্ষা রাখে না, কুরবানির পশুর উচ্ছিষ্টও যদি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে তাহলে বুঝতে হবে পবিত্র কুরবানি শুধু মুসলমানদের ঈদ উৎসবই নয়, বরং গোটা দেশ ও জাতির জন্য রহমতস্বরূপ। সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র কুরবানির জন্য স্পট নির্ধারণ কেন? সরকার কি মুসলমানদের কুরবানিতে বাধা সৃষ্টি করতে ভারতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে?

পবিত্র কুরবানির জন্য স্পট নির্ধারণ কেন? সরকার কি মুসলমানদের কুরবানিতে বাধা সৃষ্টি করতে ভারতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে?
=================================

প্রতি বছরই পবিত্র কুরবানির সময় নানা অযুহাতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করে কিছু ইসলাম বিদ্বেষী মহল। বিশেষ করে সরকার ও প্রশাসনের মধ্যে অবাধ বিচরণকারী রাঘব বোয়ালদের কুপ্ররোচণায় সরকার এসব ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়। কিন্তু এদেশে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান এবং তাদের সমর্থন নিয়েই শাসকগোষ্ঠীদের টিকে থাকতে হয়, একথাটি হয়তো তারা ভুলে যায়। তাই প্রতি বছরের মতো এবারে পবিত্র কুরবানিতে বাধা সৃষ্টি করতে কিছু ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে পড়েছে প্রশাসন। সরকারিভাবে এবার পশু কুরবানির জন্য জায়গা নির্দিষ্ট করে দেয়া হচ্ছে। অর্থাৎ আমার বাড়িতে আমি কুরবানি দিতে পারবোনা, দিতে হবে সরকারের নির্ধারিত জায়গায়। এটা সবাই জানে যে, উগ্র সাম্প্রদায়িক ভারতের হিন্দুরা সেখানে মুসলমানদের কুরবানি করতে দেয়না। কিন্তু বাংলাদেশেতো ৯৮ ভাগ মুসলমান, এদেশে কেন মুসলমানদের পশু কুরবানিতে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে? 

অনেক অথর্ব মুসলমান কোনো ফিকির না করেই এটাকে সমর্থন জানাচ্ছে। অথচ এই ব্যবস্থায় কুরবানি দিলে প্রতিটি স্পটে একটি-দুটি নয়, বরং বহু ধরনের ফিতনা-ফাসাদ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। যেমন- সরকারি ক্যাডারদের দৌরাত্ম্য, মারামারি, পরস্পর দ্বন্দ্ব-সংঘাত, যার যার পশুর গোশত নিয়ে কোন্দল, অব্যবস্থাপনা, কসাই নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি, পশু নিয়ম মাফিক জবাই হবে না। ফলে ফিতনা সৃষ্টি হবে, যেহেতু একেকটি স্পটে হাজার হাজার পশু কুরবানি হবে সেহেতু সেখানে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। 
সুতরাং পরিবেশ রক্ষার নামে ভারতীয় ষড়যন্ত্র এদেশে চলবে না। সিটি কর্পোরেশনের এসব ষড়যন্ত্রমূলক ঘোষণা তুলে নিতে হবে। প্রত্যেক মুসলমান যার যার বাড়ির আঙ্গিনায় কুরবানি করবে।

পবিত্র কুরবানি নিয়ে ষড়যন্ত্র কঠোর হস্তে বন্ধ না করলে সরকারের সহযোগিতা প্রমাণিত হবে।

পবিত্র কুরবানি নিয়ে ষড়যন্ত্র কঠোর হস্তে বন্ধ না করলে সরকারের সহযোগিতা প্রমাণিত হবে।
=============================
পবিত্র কুরবানি মুসলমানদের ঈমানের সাথে অর্থাৎ মুসলমানিত্বের সাথে সম্পৃক্ত, যা গোটা দেশের জন্য শুধু বরকতের কারণই নয়; বরং অর্থনৈতিকভাবেও ব্যাপক সমৃদ্ধির কারণ। এই বরকতময় কুরবানিতে যেন মুসলমানগণ বাধাগ্রস্ত হয়, কুরবানির সংখ্যা যেন ধীরে ধীরে কমে আসে, কুরবানিতে যেন বিশৃংঙ্খল সৃষ্টি হয় এবং এ অজুহাতে কুরবানি যাতে বন্ধ করে দেয়া যায় এজন্য বছরের পর বছর কুরবানি নিয়ে ষড়যন্ত্র করে আসছে কিছু ইসলামবিদ্বেষী মহল। 

এবছর দেখা যাচ্ছে, নানা অজুহাতে রাজধানিতে কুরবানির পশুর হাট কমিয়ে দিতে চাচ্ছে। পশু জবাইয়ের জন্য স্পট নির্ধারিত করে দিচ্ছে। অ্যানথ্রাক্স, মোটাতাজাকরণ ইনজেকশন ইত্যাদি অপপ্রচার করে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্র বন্ধ না করতে পারলে তা শুধু সরকারের ব্যর্থতাই প্রমাণিত হবে না; বরং এটাও স্পষ্ট হবে যে এসব ষড়যন্ত্রে সরকারও সহযোগী।

সাবধান! গরুর গোশত খাওয়া নিয়ে ভীতি ছড়াচ্ছে ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো।

সাবধান! গরুর গোশত খাওয়া নিয়ে ভীতি ছড়াচ্ছে ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো।
=========================
মুসলমানদের গরুর গোশত খাওয়ার প্রতি হিন্দুদের যারপরনাই বিদ্বেষ। গরু জবাই, গরুর গোশত রাখা ও খাওয়া এসবের প্রতি ভীতি ছড়ানো হিন্দুদের জাতিগত এজেন্ডা। এসব এজেন্ডা জোরপূর্বক বাস্তবায়ন করতে গিয়ে তারা ভারতে অনেক দাঙ্গা-হাঙ্গামা, যুলুম নির্যাতনের ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। সর্বশেষ গরুর গোশত রাখার অপবাদ দিয়ে আসামে আখলাক নামক এক বৃদ্ধ ব্যক্তিকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। এ সবই সম্ভব হচ্ছে দেশটি হিন্দু নিয়ন্ত্রিত ও অতিসাম্প্রদায়িক ভারত বলে। কিন্তু বাংলাদেশের মতো ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত মুসলিম দেশে কী প্রকাশ্যে গরু জবাই করা কিংবা মুসলমানদের গরুর গোশত খাওয়া নিষিদ্ধ করানো সম্ভব? চিন্তাই করা যায় না। তারপরেও গো-চনাভোজী যবন হিন্দুরা কিন্তু হাল ছাড়েনি। তারা দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের কার্যক্রমের ফলাফল এখন না হলেও আগামী দশ বছর পর দেখা যাবে। এই সময়ে মধ্যে তারা গরুর গোশতের প্রতি ভীতি ছড়ানোর নিয়মিত প্রচারণা কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারে টাকা-পয়শা, মুসলিম নামধারী চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া ইত্যাদি। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২০১৬ ঈসায়ী সালে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলানিউজ২৪ডটকমে স্বাস্থ্য বিষয়ক পেইজে একটি প্রচারণা চালাচ্ছে এই শিরোনামে ‘সাবধান! জলদি ছাড়–ন মাংশপ্রীতি’। ধারাবাহিক ৩টি পর্বে এই শিরোনামে গোশত নিয়ে ভীতিকর আর্টিকেল প্রকাশ করেছে সংবাদসংস্থাটি। 

উল্লেখ্য, প্রতি বছর পবিত্র কুরবানীর আগে এ্যানথ্রাক্স ভীতি, ইনজেকশন দিয়ে গরু মোটাতাজাকরণের খবর ভয়ঙ্কর রূপ দিয়ে তৈরি করে গরুর গোশত ভীতি ছড়ানোর কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে এসব ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো।

পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা।

পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা।
=====================

প্রতি বছর পবিত্র কুরবানির সময় শুরু হয় নানা ধরণের ষড়যন্ত্র। ইতিপূর্বে পবিত্র কুরবানির আগে গরুর মধ্যে ‘এ্যানথ্রাক্স’ ভাইরাসের নামে এক ধরণের ফোবিয়া (কুরবানির পশু ভীতি) ছড়ানো হয়েছিলো। সেই এ্যানথ্রাক্সের এখন কোন নামগন্ধও পাওয়া যায়না। এরপর শুরু হয়েছে, গরু মোটা তাজাকরণের ইনজেকশন ভীতি। এসব খবর গত বছরও মিডিয়া ব্যপক প্রচার করেছে। এই ট্রিক্সের দ্বারা ষড়যন্ত্রকারীরা তারা দু’ধরণের ফায়দা লুটেছিলো। মানুষের মনে বড় গরুর প্রতি ভীতি ছড়ানো এবং দেশী গরুর খামারগুলোর ব্যবসায় ধস নামানো। এসব ছাড়াও গত বছর কুরবানির পশু বহনকারী গাড়িগুলো ঢাকায় আসতে খুব সমস্যা সৃষ্টি করেছিলো। আবার যেসব গাড়ি ঢাকায় এসে পৌঁছেছে সেসব গাড়ি থেকে গরু নামাতে দেয়া হয়নি অনেক হাটে। অনেক হাটে ঈদের দুইদিন আগে হাটে গরু উঠানোর নোটিশ এসেছিলো। এসব ছাড়াও পরিবেশ রক্ষার নামে গৃহিত হয়েছিলো নির্দিষ্ট একটি জায়গায় সব গরু কুরবানি করার পরিকল্পনা। কয়েক বছর আগে কুরবানি না করে সে টাকা গবিবদের দান করে দেয়ার জোর প্রচারণাও চালানো হয়েছিলো অনলাইনে। 
বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় এবছরও পবিত্র কুরবানি নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এবার কথিত জনদুর্ভোগের কথা বলে রাজধানির ব্যস্ত স্থানে পবিত্র কুরবানির পশুর হাট না বসানোর জন্য গত ২৫ জুলাই (২০১৫) ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রদের চিঠি দিয়েছে পুলিশ। (খবর: প্রথম আলো, ২৯ জুলাই, ২০১৫) 

প্রকৃতপক্ষে পশুর হাট সরানো হলে কিংবা কোন হাট বন্ধ করে দিলে জনদুর্ভোগ আরো বহুগুণে বাড়বে। মানুষকে দুর দূরান্ত থেকে পশু কিনে আনতে হলে পশু ক্রেতাদের, পথচারীদের ও গাড়ি চলাচলে আরো বেশি বিঘ্ন ঘটবে। মানুষ দুরদুরান্ত থেকে পশু কিনতে টাকা বেশি খরচ হবে। 
বলার অপেক্ষা রাখেনা, এই পশুর হাট সরানোর উদ্যোগটি প্রশাসনের বিষফোঁড়া ইসলাম বিদ্বেষী হিন্দুদের একটি ষড়যন্ত্র, যা সরকারকেও বেকায়দা ফেলানোর ফন্দি। আর সরকার যদি এসব হিন্দু মালউন, নাস্তিকদের ইসলাম বিরোধী উদ্দ্যেগকে সমর্থন দেয় তবে এর জন্য কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।

পবিত্র কুরবানি ‘ব্যবস্থাপনা’র নামে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে দেশে গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে।

পবিত্র কুরবানি ‘ব্যবস্থাপনা’র নামে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে দেশে গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে।
=============================

বাংলাদেশে গরু জবাই নিয়ে বিশেষ করে পবিত্র কুরবানি ঈদের সময় ষড়যন্ত্র নতুন কোনো বিষয় না। ষড়যন্ত্র বিগত বছরগুলোতে পবিত্র কুরবানি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে কুচক্রী মহলের অপতৎপরতায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলো সাধারণ মুসলমানগণ। এবছরও নিরাপত্তা, যানজট, চলাচলে বিঘœসৃষ্টি, পরিবেশ ইত্যাদি অজুহাতে পশুর হাট বন্ধের/স্থানান্তরের এবং যত্রতত্র(!) পশু জবাইয়ের বিরুদ্ধে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত থেকে লেলিয়ে দেয়া সেই একই কুচক্রী মহল। এবার তারা দাবি করছে- যত্রতত্র(!) পশু জবাই করা যাবে না, রাজধানি থেকে পশুর হাট সরিয়ে ঢাকার পাশ্ববর্তী এলাকায় স্থানান্তর করতে হবে। তারা রাজধানিতে সারাবছর লেগে থাকা চিরাচরিত যানজটকেই তারা খোঁড়া যুক্তি হিসেবে দাঁড় করাচ্ছে। একজন স্বাভাবিক বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তিও বুঝে যে, পার্শ্ববর্তী এলাকায় পশুর হাট না থাকলে দূরে গিয়ে কুরবানির পশু কিনতে হলে বরং যানজট আরো বাড়বে। কুরবানির পশুকে হাটিয়ে নিয়ে আসতে গেলে পশু অসুস্থ হয়ে পড়বে। রোগা হলে পথেই মারা যেতে পারে। পশু যারা নিয়ে আসবে তাদেরও ঈদের দিন বিছানায় কাটাতে হতে পারে। কয়জন লোকের তিন-চার হাজার টাকা দিয়ে গাড়ি ভাড়া করে কুরবানির পশু আনার সামর্থ্য আছে? এছাড়া লম্বা রাস্তা পাড়ি দিয়ে পশু আনতে গিয়ে ছিনতাইকারীসহ নানা ঝাক্কি-ঝামেলাতো আসতেই পারে। বিষয়টা উপলব্ধি করতে হলে, ঈদের আগে শপিং সেন্টারের কারণে মানুষের ভীড়, ছিনতাই, স্মরণকালের ভয়াবহ যানজটগুলোর চিত্র স্মরণ করলেও হয়। বাড়ির পাশে মার্কেট রেখে শখের বসে দূরবর্তী শপিংমলে কেনাকাটা করতে গিয়ে সৃষ্টি হয় এসব সমস্যা। সুতরাং আমাদের দাবি: প্রতিটি মহল্লায়-মহল্লায় কুরবানির হাট গড়ে তুলতে হবে। নাগরিকদের যেখানে সুবিধা সেখানেই পশু জবাই করবে -এ স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা যাবে না। বর্জ্য পরিষ্কার করার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের। নিরাপত্তা, যানজট নিরসনের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা করবে প্রশাসন। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জন্যই এ দেশের গণমানুষ এ সরকারকে ভোট দিয়েছে। সরকারের ছত্রছায়ায় থাকা ইসলামীবিদ্বেষী কুচক্রী মহলের কোনো প্রকার ষড়যন্ত্র জনগণ মেনে নিবে না। বরং এর জন্য সরকারকে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভবনা রয়ে যায়। দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে সরকারকে সচেতন থাকার পরামর্শ রইলো।

পবিত্র কুরবানির উসীলায় চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি।

পবিত্র কুরবানির উসীলায় চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি।
================================

এক কুরবানির ঈদের বরকতে চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি। হবে না কেন? এর সাথে জড়িত রয়েছে হাজার হাজার ব্যবসা আর হাজার হাজার টাকার লেনদেন। যেমন- ২০১৩ সালের একটি সমীক্ষা নিয়ে পর্যালোচনা করলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। ওই বছর ১ কোটি পশু কুরবানি হয়েছে যা টাকার অঙ্কে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। সেপ্টেম্বর থেকে কুরবানির ঈদ আসার পূর্ব পর্যন্ত বিদেশ থেকে পাঠানো টাকার রেমিটেন্স এসেছে ১৫২ কোটি ডলার। দেশের চামড়া শিল্প টিকে থাকে এই কুরবানির উপর। ২০১৩ সালে চামড়া ব্যবসায়ীদের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ২ হাজার কোটি টাকার চামড়া রপ্তানি করার। এ সম্পর্কে যুগান্তর পত্রিকায় (২০ অক্টোবর ২০১৩) সংবাদ এসেছিলো যে, চামড়া রফতানির আয় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। এসব ছাড়াও কুরবানিকে কেন্দ্র করে হাজার হাজার ব্যবসা চাঙ্গা হয়ে উঠে। যেমন- গোশত সংরক্ষণের জন্য ফ্রীজের প্রচুর চাহিদা সৃষ্টি হয়; ছুড়ি, দা, চাপাতিসহ লৌজাত দ্রব্যের কোটি কোটি টাকার ব্যবসা হয়; মশলাজাত দ্রব্য ও লবণের ব্যবসা চাঙ্গা হয়, ভোগ্যপণ্য সামগ্রীর ব্যবসাও জমজমাট হয়ে উঠে। 
অর্থনিতিবিদরা বলছেন, গত পাঁচ বছরে গড়ে ৬ শতাংশের উপরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি এবং ক্রয় ক্ষমতা বাড়ার পেছনে রেমিটেন্স, রফতানি আয় ও রিজার্ভ বিশেষ অবদান রেখেছে। আর রেমিটেন্স সবচেয়ে বেশি আসে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও কুরবানির ঈদে। এছাড়া রফতানিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে চামড়া শিল্প। কুরবানির উপর ভর করে টিকে আছে দেশের সম্ভাবনাময় এ রফতানি খাতটি। (তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৫ অক্টোবর ২০১৩ ঈসায়ী) 

মোদ্দাকথা, কুরবানি অত্যন্ত বরকতময় এবং পবিত্র, যার সাথে সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার সস্তুষ্টি জড়িত। সেই কুরবানি যথাযথভাবে পালন করলে যেমন লাভ, তদ্রƒপ ষড়যন্ত্র করলে ক্ষতির অঙ্কটাও তার চেয়ে বেশি হবে। সুতরাং পবিত্র কুরবানি নিয়ে যেসব মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তারা শুধু দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানের শত্রু নয়, বরং তারা দেশ ও জাতির শত্রু। সরকারের উচিত এসব কুচক্রীদের দেশ থেকে বিতাড়িত করে দেয়া।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...