Thursday, October 28, 2021

হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনে খুশী প্রকাশ করলে কাফেরকেও আল্লাহ পাক তার বদলা দেন।

 হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনে খুশী প্রকাশ করলে কাফেরকেও আল্লাহ পাক তার বদলা দেন।


=========================================

১) নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন উপলক্ষে সবচেয়ে বেশি দুঃখ প্রকাশ করেছিলো ইবলিশ শয়তান। সে কি ক্ষতিগ্রস্তের অন্তর্ভূক্ত??

উত্তর- হ্যা, সে ক্ষতিগ্রস্তের অন্তর্ভূক্ত। সে মালউন, জাহান্নামী।


২) নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন উপলক্ষে আনন্দ প্রকাশ করেছিলো আবু লাহাব। এর দ্বারা কি সে উপকৃত হয়েছিলো ??

উত্তর- উপকৃত হয়েছিলো, এবং এখনো হচ্ছে। জাহান্নামে গিয়েও সে জান্নাতের নিয়ামত লাভ করে। অথচ জাহান্নামে জান্নাতের সকল নিয়ামত নিষিদ্ধ, তারপরও নিয়ম ভেঙ্গে তাকে তা দেয়া হয়। (√ সহীহ বুখারী শরীফ – কিতাবুন নিকাহ- ২য় খন্ড ৭৬৪ পৃষ্ঠা)


উপরের দুটো দলিল যথেষ্ট নবীজির আগমন উপলক্ষে খুশি করলে মুসলমানরা উপকৃত হবে নাকি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যদি মুসলমানরা উপকৃতই হয়, তবে কেন মুসলমানদের সেই মহান কাজে বাধা দেয়া হচ্ছে ??


#12shareef 

#Saiyidul_Aayaad_Shareef 

#সাইয়্যিদুল_আইয়াদ_শরীফ

সত্যিকার আলিম বা ওলীআল্লাহ উনাদের পরিচয়

 সত্যিকার আলিম বা ওলীআল্লাহ উনাদের পরিচয়



পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই বান্দাদের মধ্য থেকে কেবল আলিমগণই মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করেন।”


পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় উল্লেখ রয়েছে, যার ভিতরে যতোবেশি আল্লাহভীতি থাকবে তিনি ততবড় আলিম।” (পবিত্র সূরা ফাতির শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮)


অন্যত্র ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সাবধান! জেনে রাখ, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার যারা ওলী উনাদের কোনোরূপ ভয় ও চিন্তা নেই। উনাদের পরিচয় হচ্ছে, উনারা পরিপূর্ণ ঈমানদার এবং পরিপূর্ণ তাক্বওয়া অবলম্বনকারী।” (পবিত্র সূরা ইউনূস শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬২)

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, “আলিম হচ্ছেন ওই ব্যক্তি যিনি ইলম অনুযায়ী আমল করেন।” (মিশকাত শরীফ)

প্রতিভাত হলো, যার ঈমান-আক্বীদা পরিশুদ্ধ, যার ভিতরে আল্লাহভীতি রয়েছে, যিনি তাক্বওয়া অবলম্বন করেন, যিনি পবিত্র সুন্নত উনার পরিপূর্ণ অনুসরণ করেন, পবিত্র ইলম অনুযায়ী আমল করেন অর্থাৎ যিনি পবিত্র শরীয়ত তথা পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদেরকে মেনে পরিপূর্ণরূপে চলেন তিনি হচ্ছেন সত্যিকার আলিম বা ওলীআল্লাহ। উনারই আদেশ-নিষেধ মানতে হবে এবং উনারই আনুগত্য বা অনুসরণ করতে হবে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং উলিল-আমর উনাদেরকে অনুসরণ করো।” (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ)


আলোচ্য পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উলিল-আমর বলতে সত্যিকার আলিম বা ওলীআল্লাহ উনাদেরকেই বুঝানো হয়েছে।

আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “উনার কথাই শ্রবণ করো, মানো এবং উনাকেই অনুসরণ করো, যদিও তিনি হাবশী কৃতদাস হোন না কেন।”


কাজেই উপরে আলিম বা ওলীআল্লাহ উনার পরিচয় সম্পর্কে যে বর্ণনা উল্লেখ করা হলো এমন আলিম বা ওলীআল্লাহ উনাকে চিনে উনাকে অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, যিনি সত্যিকার আলিম বা ওলীআল্লাহ হবেন তিনি কখনোই হারাম, শরীয়ত ও সুন্নতবিরোধী কোনো কাজ করতে পারেন না।

কাজেই যদি দেখা যায়, আলিম বা ওলীআল্লাহ পরিচয়ধারী কোনো ব্যক্তি বেগানা মহিলার সাথে দেখা করছে, ছবি তুলছে, পেপার পত্রিকায় উনার চবি আসছে, টিভিতে প্রোগ্রাম করছে, সমর্থন দিচ্ছে তাহলে বুঝতে হবে সে প্রকৃত আলিম বা ওলীআল্লাহ নয়। কাজেই ফাছিককে অনুসরণ করা জায়িয নেই।

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতা কারীদেপবিত্রর প্রতি সতর্কবাণী

  সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতা কারীদেপবিত্রর প্রতি সতর্কবাণী


=================================================

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা কারীদের প্রতি সতর্কবাণী, এখনো তওবা না করলে আবু লাহাবে মতো পচে-গলে আকৃতি বিকৃত হয়ে মরতে হবে.


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, “আবু লাহাব ও তার দুই হাত ধ্বংস হোক। তার ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি কোনো কাজে আসবে না। আবু লাহাব ও তার স্ত্রী অতি শীঘ্রই প্রজ্বলিত অগ্নিকুণ্ডে (জাহান্নামে) প্রবেশ করবে।” (পবিত্র সূরা লাহাব).

বর্তমানেও যারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক জাত পাক উনার সাথে সম্পর্কিত পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করছে তাদের আবু লাহাবের কথা স্মরণ রাখা উচিত। আবু লাহাব যেমন পচে-গলে আকৃতি বিকৃতি হয়ে মারা গিয়েছিল, ঠিক তেমনি তারাও লানতপ্রাপ্ত হয়ে পচে-গলে আকৃতি বিকৃতি হয়ে মারা যাবে।.

ইতোমধ্যে এ ধরনের বহু দলিল পাওয়া গেছে। যেমন:


১) বায়তুল মোকাররম মসজিদের সাবেক খতিব উবায়দুল হক, যে প্রতি বছর পবিত্র সাইয়িদুল আইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করতো। তার মৃত্যুর সাথে সাথে তার লাশে পচন ধরে যায় এবং তা ধারণ করে বিকট আকৃতি। বহু ফরমালিন আর চারপাশে বরফের আস্তরণ দিয়েও তার লাশের পচন থামানো যায়নি।


২) বাংলাদেশে দেওবন্দীদের গুরু শায়খুল হদস আজিজুল হক। সে মারা যাওয়ার আগে তার এক ধরনের চর্মরোগ হয় এবং সেখান থেকে পচন সৃষ্টি হয়; যা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। উল্লেখ্য আবু লাহাবেরও একইভাবে চর্মরোগ থেকে সারা শরীরে পচন ছড়িয়ে পড়েছিল। হদসের ছেলে এই ঘটনা নিজ মুখেই স্বীকার করেছে। হদসের ছেলে এ সম্পর্কে বলেছে, “ইন্তেকালের ৬/৭ মাস আগে আব্বার শরীরে চর্ম রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। শরীরে বিভিন্ন অঙ্গে চামড়ার মধ্যে পানির মতো জমাট বেঁধে ফোস্কা পড়ত। অতঃপর সেই ফোস্কা ফুটে গিয়ে দগদগে ক্ষত সৃষ্টি হতো। ক্ষতগুলো এতটাই প্রকট আকারের হতো যে, পরিবারের সদস্যদের জন্য তা সহ্য করা সম্ভব হতো না।)


৩) মুফতে আমিনী ওরফে কমিনী ২০০২ সালের ১৫ই আগস্ট লালবাগের বড় কাটরা মাদরাসায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে সবাইকে গরু জবাই করে খাওয়ায়। যে খবরটি পরদিন ১৬ই আগস্ট দৈনিক ইনকিলাবে ছাপা হয়। অথচ এই ধর্মব্যবসায়ী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বিলাদত শরীফ বা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতা করত। (নাউযুবিল্লাহ) যার কারণে কমিনীর দেহ মৃত্যুর সাথে সাথে পচে যায় এবং বিকট আকৃতি ধারণ করে।

তাই এখনো যে সমস্ত কুলাঙ্গার পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করে যাচ্ছে তাদের উচিত তাদের ওস্তাদদের কঠিন পরিণতি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা। কারণ যখন গযব শুরু হয়ে যাবে তখন তা ঠেকানোর কোনো উপায় থাকবে না, দুনিয়া-আখিরাত দুইটিই পরিণত হবে কঠিন জাহান্নামে। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক).


#12shareef 

#Saiyidul_Aayaad_Shareef 

#সাইয়্যিদুল_আইয়াদ_শরীফ

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...