Thursday, July 9, 2020

মোহাম্মদপুরের জাপান গার্ডেন সিটিতে এবার কুরবানি নিষিদ্ধ হয়েছে। আমাদের প্রতিবাদ কোথায়?

মোহাম্মদপুরের জাপান গার্ডেন সিটিতে এবার কুরবানি নিষিদ্ধ হয়েছে। আমাদের প্রতিবাদ কোথায়? 

প্রতিবাদ তো করতেই হবে। কারণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, "তোমাদের সামনে কোন অন্যায় কাজ হতে দেখলে এবং হাত দিয়ে তা প্রতিহত করার সামর্থ্য থাকলে হাত দিয়ে প্রতিহত করবে। হাত দিয়ে প্রতিহত করার সামর্থ্য না থাকলে মুখ দিয়ে তার প্রতিবাদ করবে। যদি সেই সামর্থ্যও না থাকে তবে অন্তর দিয়ে প্রতিহত করবে। অর্থাৎ অন্তর থেকে ঘৃণা করতে হবে। তবে অন্তর থেকে ঘৃণা হলো ঈমানের দুর্বলতর স্তর।"
(বুখারী ৯৫৬, মুসলিম ৪৯, তিরমিযী ২১৭২, নাসায়ী ৫০০৮-৯, আবূ দাঊদ ১১৪০, ৪৩৪০; আহমাদ ১০৬৮৯, ১০৭৬৬, ১১০৬৮, ১১১০০, ১১১২২, ১১৪৬৬; ইবনু মাজাহ ৪০১৩)

তবে আসুন একবার জেনে নেয়া যাক। কুরবানির জায়গা নিষিদ্ধ করা যায় কি না? পবিত্র হাদীছ শরীফ আমাদের কি শিক্ষা দেয়।

একবার একজন মহিলা সাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দরবার শরীফে এসে আরজ করলো, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি একটি নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানি করার মানত করেছি। কিন্তু জাহেলি যুগে সেখানে কুরবানি করা হতো।

এ কথা শুনে দয়ার নবী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি মহিলা সাহাবি রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনার এই কুরবানি কি কোন মূর্তির জন্য?
মহিলা সাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি বললেন, না। আমার কুরবানি মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। অতঃপর হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আপনার মানত পূর্ণ করুন। (সুনানে আবু দাঊদ ৩৩১২)

সুতরাং এ থেকে স্পষ্ট যে, কুরবানির জন্য নির্দিষ্ট স্থান তো নিষিদ্ধ করা যাবে না। ইহা কুফরি। বরং কুরবানির হাঁট, জায়গা বর্ধিত করতে হবে। 

তাই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হচ্ছে যে, মোহাম্মাদপুরের জাপান গার্ডেন সিটিতে কুরবানির নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে তুলে নিতে হবে এবং মুসলমানদের জন্য কুরবানির হাঁট বর্ধিত করতে হবে। কুরবানির জায়গা বর্ধিত করে দিতে হবে। দেশের গোটা জমিন কুরবানি এবং কুরবানির হাঁটের জন্য উৎসর্গ করে দিতে হবে।

“হজ্জ-কুরবানী-মসজিদে নামাজ বন্ধ করলে 'করোনা থেকে বাঁচা যাবে”

“হজ্জ-কুরবানী-মসজিদে নামাজ বন্ধ করলে 'করোনা থেকে বাঁচা যাবে”

এত জঘন্য আকিদ্বা নিয়ে মানুষ নিজেকে মুসলমান দাবী করে কিভাবে??

কুরবানি’ই ইসলামবিদ্বেষী মহলের মূল সমস্যা; তাদের দৃষ্টিতে পহেলা বৈশাখের কারণে বা পূজার কারণে এমনকি সারাবছর লেগে থাকা যানজটও কোনো সমস্যা নয়!

‘কুরবানি’ই ইসলামবিদ্বেষী মহলের মূল সমস্যা; তাদের দৃষ্টিতে পহেলা বৈশাখের কারণে বা পূজার কারণে এমনকি সারাবছর লেগে থাকা যানজটও কোনো সমস্যা নয়!
=========≠=============================

যানজট ও মানুষের চলাচলে সমস্যার বিভ্রান্তিকর অজুহাত দেখিয়ে রাজধানিতে পবিত্র কুরবানির পশুর হাট কমানোর পক্ষে জোর প্রচারণা চালাচ্ছে কিছু ইসলামবিদ্বেষী মহল ও মিডিয়া। যদিও পশুর হাট ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনে। বরং পর্যাপ্ত বা নিকটস্থ এলাকায় পশুর হাট না থাকলে এই জনগণেরই ভোগান্তি পোহাতে হয়। এই অতিব প্রয়োজনিয় হাটকে বাঁকা চোখের লোকগুলো ‘সমস্যা’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রচার করছে। আসলে এটি সমস্যা হতে পারে কেবল কুরবানিবিদ্বেষী মহলের জন্যই। যেহেতু এটা ‘কুরবানি’। 

বলাবাহুল্য, যখন পহেলা বৈশাখের কারণে ঢাকার বড় বড় হাসপাতালগুলোর (ঢামেক, পিজি, বারডেম) গেট বন্ধ হয়ে যায় তখন এসব যানজট সচেতন(!) মহলগুলোর কোথায় থাকে। যখন হিন্দুদের দুর্গাপূজা-জন্মাষ্টমী-রথযাত্রার হিন্দুরা ঢাকা শহরে যানজট বাঁধিয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য মিছিল করে তার আগে এসব মহলের যানজট অনুভূতি কোথায় থাকে? রাজনৈতিক দলগুলো যখন সারা বছর তাদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে রাস্তা আটকে মিটিং-মিছিল করে, তখন তাদের জনদুর্ভোগের কথা কোথায় থাকে? শাহবাগ আন্দোলনের নামে যখন ৩-৪ মাসব্যাপী লাখ লাখ মানুষের ভোগান্তি হয়েছিলো, হাসপাতালের রাস্তা বন্ধ হয়ে থাকায় হাজার হাজার রোগীর কষ্ট-যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছিলো, তখন এরা কোথায় ছিলো? মূল বিষয়টা হচ্ছে, হাট নিয়ে এসব চুলকানির উৎস যানজট নয়, বরং যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্যদের দেয়া খুদ-কুড়া খেয়ে দালালি করাই হচ্ছে মূল কারণ। 

সুতরাং বামপন্থী নাস্তিকদের কুরবানির হাট বিরোধী অপপ্রচারের বিপরীতে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের প্রয়োজন উপলব্ধি করে মুসলমানদের প্রতিনিধি হিসেবে সরকারের উচিত হচ্ছে প্রত্যেক এলাকায় এলাকায় মহল্লায় মহল্লায় পশুর হাটের লাইসেন্স দেয়া। যেন মানুষ নিজ এলাকা থেকেই কুরবানির পশু কিনতে পারে। বরং এতে যানজট না হওয়ার নিশ্চয়তা আছে। আর যদি সরকার আবেদনকারীদের হাট বসানোর লাইসেন্স না দেয়, তবে আবেদনকারীদের উচিত এলাকাবাসীদের সাথে নিয়ে মিলে মিশে কাজটি সেরে ফেলা।

কুরবানীর চামড়া দান প্রসঙ্গে: না-হক্ব কখনো হক্বদার হতে পারে না।

কুরবানীর চামড়া দান প্রসঙ্গে: না-হক্ব কখনো হক্বদার হতে পারে না।
==================================
না-হক্ব তথা বাতিল ফিরক্বার অন্তর্ভূক্ত কথিত ইসলামী দলগুলো কোন দান ছদকা, যাকাত, পবিত্র কুরবানীর চামড়া বা তার মূল্য পাওয়ার হক্বদার হতে পারেনা। কেননা, তারা হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান নিয়ে চু-চেরা কিলকাল করার কারণে মহান আল্লাহ পাক তাদের প্রতি লা’নত বর্ষন করেছেন; যার ফলে তাদের কুফরী আক্বিদার কারণে বাতিল তথা জাহান্নামী হয়ে গেছে। তাদের কিছু কুফরী আক্বিদা হচ্ছে এমন যে, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের মতো সাধারণ মানুষ, তিনি মাটির তৈরী, তিনি হাজির নাজির নন, তিনি ইলমে গইব জানেন না, তিনি মরে পঁচে মাটির সাথে মিশে গেছেন। নাউযুবিল্লাহ! তাদের আরো কুফরী আক্বিদা হচ্ছে- মিলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ বিদয়াত, পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা বিদয়াত, পবিত্র শবে বরাত পালন করা বিদয়াত ইত্যাদি। নাউযুবিল্লাহ!

এসমস্ত আলেম নামধারী জাহান্নামীরা পবিত্র কুরবানীর ঈদে পশু জবাই করতে ও চামড়া সংগ্রহ করতে ঈদের নামায না পড়েই ছুরি নিয়ে বের হয়ে পড়ে। অনেকে পশুর চামড়া দেয়ার ক্ষেত্রে প্রতারণা মূলক কথার ফাঁদে পড়ে চামড়া দিয়ে দেয়। তারা বুঝিয়ে থাকে যে, ‘এলাকার মাদরাসা হিসেবে আমরাই আপনার পশু জবাই করার হক্বদার, পশুর চামড়া পাওয়ার হক্বদার। আমাদেরকেই দিতে হবে।’ নাউযুবিল্লাহ! তাদের এরূপ বক্তব্য ছলচাতুরি, মিথ্যা ও ধোকা ছাড়া আর কিছুই নয়। এরা বাতিল ফিরক্বার অন্তর্ভূক্ত হওয়ার কারণে এদেরকে দিলে মূলত আল্লাহ পাক অশন্তুষ্ট হবেন এবং দানকারীর দান কবুল করবেননা। সূতরাং নাহক্ব বাতিল জাহান্নামীদের কোন হক্ব নেই। হক্বদার কেবল আহলু সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার বিশুদ্ধ আক্বিদা যারা পোষণ করেন এবং আমল করেন সেসকল হক্কানী রব্বানী আল্লাহ ওয়ালাগণ উনারাই।

পবিত্র কুরবানীর পশু হাটে গিয়ে দেখে শুনে ক্রয় করাই খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “আপনি ছলাত পড়ুন ও কুরবানী করুন।” নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র, তিনি পবিত্রতা বা হালালকেই পছন্দ করেন।”

পবিত্র কুরবানীর পশু হাটে গিয়ে দেখে শুনে ক্রয় করাই খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। অনলাইনের মাধ্যমে পবিত্র কুরবানীর পশু ক্রয় করলে তাতে পবিত্র কুরবানী ছহীহ হবে না। অনলাইন ভিত্তিক পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট শরীয়তসম্মত নয়। কেননা, অনলাইন হাট ছবি সম্বলিত। আর ছবি তোলা, আঁকা হারাম। তাই সেখানে হারামের সংমিশ্রণ ও আক্বীদাগত ত্রুটির বিষয় বিদ্যমান। মোটাতাজা ও সুস্থ্য পশু কুরবানী করতে হবে এবং হারাম পন্থায় উপার্জিত সম্পদ ওয়ালার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে না এবং হারাম পন্থায় ক্রয় করলেও কুরবানী ক্ববুল হবে না।

কাজেই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- অনলাইন হাটের এই ফিতনা হতে হাক্বীক্বীভাবে দূরে থেকে সরাসরি বাজার থেকে পবিত্র কুরবানীর পশু ক্রয়ের ব্যবস্থা করা ও ঈমান ও আমলের উপর ইস্তিকামত থেকে বিরাট সফলতা লাভ করে সন্তুষ্টি মুবারক অর্জন করা।

:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
- ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম
১৭ মাহে যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪১
:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অনলাইন ভিত্তিক পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট শরীয়তসম্মত নয়। কেননা অনলাইনে পবিত্র কুরবানীর পশু বেচা-কেনা করার অর্থ হচ্ছে পবিত্র কুরবানীর পশুর ছবি দেখিয়ে বেচা-কেনা করা। অথচ সম্মানিত শরীয়ত তথা দ্বীন ইসলামে প্রাণীর ছবি তোলা, তোলানো, দেখা ও দেখানো সবই হারাম। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি ঐ সকল মানুষকে ক্বিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তি দিবেন যারা ছবি তোলে বা আঁকে। নাউযুবিল্লাহ!

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, ঐ ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম বা অত্যাচারী কে রয়েছে, যে আমার সৃষ্টির সাদৃশ্য কোন প্রাণীর ছূরত তৈরী করে। নাউযুবিল্লাহ!

ছহীহ মুসলিম শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে ছবি তোলনেওয়ালা, আঁকনেওয়ালা প্রত্যেকেই জাহান্নামে যাবে। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতিটি ছবিকে প্রাণ দিবেন এবং সেগুলো তাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি দিতে থাকবে। অনুরূপ আরো অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনার মাধ্যমে ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা, দেখানো ইত্যাদি হারাম ঘোষণা করা করা হয়েছে। এবং ছবি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরকে বড় যালিম, কাফির ও জাহান্নামী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, দ্বিতীয়তঃ অনলাইন ভিত্তিক পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট করা তথা পবিত্র কুরবানীর পশু বেচা-কেনা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে, করোনা ভাইরাসকে সংক্রামক বা ছোঁয়াচে বলে মনে করা। অথচ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিধান মতে সংক্রামক বা ছোঁয়াচে, কুলক্ষণ ইত্যাদি বিশ্বাস করা কুফরী। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- ছোঁয়াচে বা সংক্রামক কোন রোগ নেই এবং কুলক্ষণ বলেও কিছু নেই।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তৃতীয়তঃ অনলাইনে পবিত্র কুরবানীর পশু বেচা-কেনা করা হলে পবিত্র কুরবানীর পশু নিখুঁত ও উপযুক্ত হওয়ার জন্য যে সমস্ত গুণ থাকা জরুরী তা সনাক্ত করা কখনোই সম্ভব নয়। ফলে উক্ত পশু পবিত্র কুরবানীর পশু হিসেবে অনুপযুক্ত হওয়ার কারণে তা দ্বারা পবিত্র কুরবানী করলে কুরবানী মোটেও শুদ্ধ হবে না। 

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সর্বোপরি পবিত্র কুরবানী ওয়াজিব ইবাদত। এই ইবাদত পালন করার জন্যে ঈমানদার বা মুসলমান হওয়া শর্ত। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, অনলাইনে পশু বেচা-কেনা করার কারণে পশু বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ে করোনা ভাইরাসকে ছোঁয়াচে বিশ্বাস করে ঈমান নষ্ট করে ঈমানহারা হয়ে যাবে অর্থাৎ ঈমানদার বা মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে যাবে। আর প্রাণীর ছবির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার কারণে বড় যালিম ও জাহান্নামী হিসেবে গণ্য হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ফিক্হের কিতাবে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে দুই পক্ষের পূর্ণ সম্মতিক্রমে মুদ্রা কিংবা বৈধ পণ্যের বিনিময়ে বৈধ পণ্যের হস্তান্তরকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে বেচা-কেনা বলে। (হিদায়া-শরীফ ৩/১৮) সুতরাং বেচা-কেনা শরীয়ত সম্মত উপায়ে সংঘটিত হওয়ার জন্য শরীয়তসম্মত বিষয় ও বিধান থাকতে হবে যা অনলাইনের মাধ্যমে ক্রয় বিক্রয় হলে শরীয়তের বিষয়সমূহ ঠিকঠাক মতে হবে না এবং অসম্ভব। কাজেই অনলাইন ভিত্তিক পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট থেকে বিরত থাকা সকলের ঈমানী দায়িত্ব। আরো দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে হাক্বীক্বীভাবে অনলাইনের এই ফিতনা থেকে দূরে থেকে সরাসরি বাজার থেকে পবিত্র কুরবানীর পশু ক্রয়ের ব্যবস্থা করা ও ঈমান ও আমলের উপর ইস্তিকামত থেকে বিরাট সফলতা লাভ করে সন্তুষ্টি মুবারক অর্জন করা। সুবহানাল্লাহ!
-০-

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...