Tuesday, February 15, 2022

খাবার খাওয়ার সুন্নতী তরিকা সমূহ

 ০১. খয়েরি রং এর দস্তর খানায় খাবার রেখে খাওয়া সুন্নত।


০২. কাঠের প্লেটে খাওয়া সুন্নত ।


০৩. খাবারের শুরুতে বিসমিল্লাহ শরীফ বলা সুন্নত ।


০৪. খাবারের শুরুতে লবন খাওয়া সুন্নত। ০৫. ডান হাত দিয়ে খাবার খাওয়া সুন্নত।


০৬. নামাজের ছুরতে বসে খাবার খাওয়া ।


০৭. মাথায় টুপি বা যে কোন কাপড় মাথায় দিয়ে খাওয়া ।


০৮. খাবার খাওয়ার সময় পায়ে স্যান্ডেল থাকলে খুলে খাওয়া ।


০৯. খাবারের পূর্বে ও পরে হাত ধৌত করা সুন্নত ১০, প্লেটের ডান দিক থেকে খাবার খাওয়া সুন্নত।


১১. শুরুতে খাবারের লোকমা মুখের ডান দিক দেয়া এবং ডান দিক দিয়ে চিবানো শুরু করা ।


১২. খাবারের লোকমা অনেক বড় বা ছোট সুন্নতের খিলাফ তাই মাঝারি ধরনের খাওয়া ।


১৩. খাবার খাওয়ার মাঝে প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করা ।


১৪. কাঠের পেয়ালায় পানি পান করা সুন্নত ।


১৫. তিন ঢোকে পানি পান করা ও ছোট ছোট ঢোকে পানি পান করা ।


১৬. খাবারের শেষে সাথে সাথে পানি পান না করা আধা ঘন্টা পর প্রয়োজন অনুযায়ী পান করা ।


১৭. খাবারে শেষে প্লেট এবং হাতের আঙ্গুল চেটে খাওয়া সুন্নত ।


১৮. খাবার শেষে লবণ খাওয়া


১৯. দস্তরখানায় পরে থাকা খাদ্য তুলে খাওয়া সুন্নত।


২০. দস্তর খানার উপর খাবারের ময়লা ফেলা সুন্নত উনার খিলাফ তাই পরিষ্কার রাখা। ২১. দস্তরখানা উঠানোর পর নিজে উঠা ।


২২. পেটের তিন ভাগের এক ভাগ অংশ খালি রেখে খাওয়া সুন্নত।


২৩. যে প্লেটে খাবার খাওয়া সেই প্লেটে হাত না ধুয়ে অন্য প্লেটে হাত ধোয়া সুন্নত।


২৪. খাবার খাওয়ার পর আলহামদু


লিল্লাহ বলে শুকরিয়া আদায় করা সুন্নত।

মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সম্মানিত মুহব্বত মুবারক করা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর জন্য ফরযে আইন।

 মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সম্মানিত মুহব্বত মুবারক করা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর জন্য ফরযে আইন।



সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে,

عَنْ حَضْرَتْ اَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ صَعِدَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ على الْـمِنْبَرِ فَحَمِدَ الله تَعَالـٰى وَاَثْنٰـى عَلَيْهِ ثُـمَّ قَالَ مَالِـىَ اَرَاكُمْ تَـخْتَلِفُوْنَ فِـىْ اَصْحَابِـىْ اَمَا عَلِمْتُمْ اَنَّ حُبِّـىْ وَحُبَّ اَهْل بَيْتِـىْ وَحُبَّ اَصْحَابِـىْ فَرَضَهُ اللهُ تَعَالـٰى عَلـٰى اُمَّتِـىْ اِلـٰى يَوْمِ الْقِيَامَةِ

অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একনিদ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত মিম্বর শরীফ উনার উপর সম্মানিত তাশরীফ মুবারক রাখলেন। অতঃপর তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার হামদ ও ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা মুবারক করলেন। তারপর তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, কি আশ্চার্য বিষয়! আমি তোমাদেরকে দেখতে পাচ্ছি, তোমরা আমার হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে ইখতিলাফ করো। সাবধান! তোমরা জেনে রাখ, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি আমার সম্মানিত মুহব্বত মুবারক, আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত মুহব্বত মুবারক এবং আমার হযরত ছাহাবা-ই কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের সম্মানিত মুহব্বত মুবারক ক্বিয়ামত পর্যন্ত তথা অনন্তকাল যাবৎ আমার উম্মতের উপর অর্থাৎ সমস্ত কায়িনাতের উপর ফরয করে দিয়েছেন।” সুবহানাল্লাহ! (রিয়াদ্বুন নাদ্বরহ)

সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, 

عَنْ حَضْرَتْ اَلْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ عَلَيْهِمَا السَّلَامُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا بَالُ اَقْوَامٍ اِذَا جَلَسَ اِلَيْهِمْ اَحَدٌ مِّنْ اَهْلِ بَيْتِـىْ قَطَعُوْا حَدِيْثَهُمْ وَالَّذِىْ نَفسِىْ بِيَدِهٖ لَا يَدْخُلُ قَلْبَ امْرَىء الْاِيْـمَانُ حَتّٰى يُـحِبَّهُمْ لِلّٰهِ وَلِقَرَابَتِـىْ

অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্ত্বলিব আলাইহিমাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, লোকদের কি অবস্থা! যে, তারা আলোচনারত থাকে, যখন আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্য থেকে কাউকে দেখে, তখন তাদের আলোচনা বন্ধ করে দেয়! যেই মহান সত্তা উনার সম্মানিত কুদরতী হাত মুবারক-এ আমার সম্মানিত প্রাণ মুবারক উনার শপথ! কোন লোকের অন্তরে ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমান প্রবেশ করবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তারা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টির জন্য এবং আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম হওয়ার কারণে উনাদেরকে মুহব্বত না করবে।” সুবহানাল্লাহ! (আল ফাতহুল কাবীর ৩/৮০, জামি‘উল আহাদীছ ৩৫/২৮১) 

সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে,

عَنْ حَضْرَتْ دُرَّةَ بِنْتِ اَبِـىْ سَهْبٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهَا قَالَتْ خَرَجَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُغْضِبًا حَتَّى اسْتَوٰى عَلَى الْـمِنْبَرِ فَحَمِدَ الله وَاَثْنٰـى عَلَيْهِ ثُـمَّ قَالَ مَا بَالُ الرِّجَالِ يُؤْذُوْنَنِـىْ فِـىْ اَهْلِىْ وَالَّذِىْ نَفْسِىْ بِيَدِهٖ لَا يُؤْمِنُ عَبْدٌ حَتّٰى يُـحِبَّنِـىْ وَلَا يُـحِبُّنِـىْ حَتّٰى يُـحِبَّ ذَوِىْ.

অর্থ: “হযরত র্দুরা বিনতে আবী সাহব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত জালালী শান মুবারক প্রকাশ করা অবস্থায় (সম্মানিত হুজরা শরীফ থেকে) বের হয়ে সম্মানিত মিম্বর শরীফ উনার মধ্যে সম্মানিত তাশরীফ মুবারক রাখলেন। অতঃপর তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার হামদ ও ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা মুবারক করলেন। তারপর তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, লোকদের কি অবস্থা! যে, তারা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ব্যাপারে আমাকে কষ্ট দেয়? যেই মহান সত্তা উনার সম্মানিত কুদরতী হাত মুবারক-এ আমার প্রাণ মুবারক উনার শপথ! কোন বান্দা-বান্দী কখনও ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা আমাকে মুহব্বত না করবে এবং কখনও তারা আমাকে মুহব্বত করতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত না করবে।” সুবহানাল্লাহ! (সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ শরীফ ১১/৯)

উপরোক্ত দলীলভিত্তিক বর্ণনা দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো যে, মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সম্মানিত মুহব্বত মুবারক করা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর জন্য ফরযে আইন। উনাদেরকে মুহব্বত করা ব্যতীত কেউ কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না। সুবহানাল্লাহ! উনাদেরকে সম্মানিত মুহব্বত মুবারক করা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর জন্য ফরযে আইন। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে হাক্বীক্বীভাবে সম্মানিত মুহব্বত মুবারক করার তাওফীক্ব দান করুন।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...