Sunday, June 21, 2020

🔷পানির মশক ব্যবহার করা খাছ সুন্নত। 🔷

🔷পানির মশক ব্যবহার করা খাছ সুন্নত। 🔷

💢পানির মশক কাউকে হাদিয়া দেয়াও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত।

✅পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ عَلِيٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَتٰى حَضْرَتْ عَلِيًّا عَلَيْهِ السَّلَامُ وَحَضْرَتْ فَاطِمَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ وَهُـمَا فِىْ خَـمِيْلٍ لَـهُمَا وَالْـخَمِيْلُ الْقَطِيْفَةُ الْبَيْضَاءُ مِنَ الصُّوْفِ قَدْ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَهَّزَهُـمَا بِـهَا وَوِسَادَةٍ مَـحْشُوَّةٍ اِذْخِرًا وَقِرْبَةٍ‏.‏

“সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুর রবিয়াহ যাহরা আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের নিকট তাশরীফ আনলেন। তখন উনারা উনাদের একটি সাদা পশমী চাদরে আবৃত ছিলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তা উনাদেরকে পবিত্র নিসবাতুল আযীমাহ উপলক্ষ্যে হাদিয়া মুবারক করেছিলেন। তিনি আরও হাদিয়া মুবারক করেছিলেন ইযখির ঘাস ভর্তি একটি বালিশ এবং পানির একটি মশক।” (ইবনে মাজাহ শরীফ: ৪১৫২)

🌐অনলাইনে অর্ডার করতে ভিজিট করুন: https://bit.ly/মশক

🌎সুন্নতী খাবার দেখুন এখানেঃ https://bit.ly/সুন্নতী_খাবার

⭕️আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য আমাদের হোম ডেলিভারী সার্ভিস রয়েছে।

⭕️আর পেমেন্ট এখন আমাদের ওয়েব সাইটের https://sunnat.info এর মাধ্যমেই আপনি পরিশোধ করতে পারেন।

অর্ডার করতে যোগাযোগ করুনঃ
📮 যোগাযোগের ঠিকানাঃ
আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র।
৫/১ আউটার সার্কুলার রোড রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা।
📲 যোগাযোগ নাম্বার:
📞+8801711 27 27 73,
📞+8801717 36 94 94
📞+8801782 255 244
📞+8801302 94 58 20
📞+8801711 27 27 86
🌐 ভিজিট করুন: https://sunnat.info

যুগের সাথে তাল মিলানো, নাকি শয়তানের সাথে তাল মিলানো?

যুগের সাথে তাল মিলানো, নাকি শয়তানের সাথে তাল মিলানো?

🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘

মহান আল্লাহ পাক তিনি মু’মিন মুসলমানদেরকে সতর্ক করে দিয়ে ইরশাদ মুবারক করেন, “অবশ্যই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী ও মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)

প্রাচীনকাল তথা অন্ধকার যুগের অসভ্যতা থেকে আমরা ক্রমেই সভ্য হচ্ছি, এটা অধুনাবাদীদের ভাষ্য। পশ্চিমা বিশ্বের অনুকরণ আমাদেরকে আধুনিক আর সভ্য করছে- এটাও সভ্য মানুষের ভাষ্য, “যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয়”। এই কথা “যুগের” স্থলে “শয়তানের” বললে মন্দ কি? কে কত সভ্য আর সম্মানিত তা নির্ণয় করা হয় কে কত পশ্চিমা অর্থাৎ ইহুদী-মুশরিকও নাছারাদের অনুসারী। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! 

কিন্তু সত্যিকার অর্থে ইত্যকার ভাষ্যগুলো তথাকথিত গুণীজনের ভাষ্য। এ কথাগুলো প্রকৃত জ্ঞানী-গুণীজনের ভাষ্য নয়, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনারও ভাষ্য নয়।
এসবের পিছনে তাকালে শয়তানের ছলনার হাসি ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ে না। অর্থাৎ যারা ইহুদী মুশরিক নাছারা তারা শয়তান দ্বারা পরিচালিত। তাদের ঝলমলে সাজ-পোশাক, গান-বাজনা, আনন্দ-উৎসব, বেহায়া-বেলেল্লাপনা, শৌখিন জীবন এসবের ঢাক-ঢোল আজ চারদিকে। সভ্যতার অন্তরালে আজ তারা অসভ্যতার শীর্ষে পৌঁছেছে। কিন্তু শয়তানের কারসাজিতে, ধোকায়, প্ররোচনায় যে তারা এসব কাজ করছে সেটা মুসলমানরা এখনো উপলব্ধি করতে পারছে না। 

তাই মুসলমানদের বুঝতে হবে, ইহুদী মুশরিক নাছারা, মজূসী, মুশরিকরা মুসলমানদের শত্রু। তাদের তর্জ তরীক্বা, নিয়ম-কানুন, আচার-আচরণ কোনো কিছুকেই অনুসরণ করা যাবে না। মুসলমানগণ তাদের নিজেদের ঈমানকে হিফাযতের লক্ষ্যে সর্বাস্থায় তাদের থেকে বেঁচে থাকতে হবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানার্থে আমাদেরকে তাদের ফিতনা থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন।

কাটাতারের লাঠি দিয়ে পিটানোতে অনেকের কলিজা জ্বলে যাচ্ছে।

কাটাতারের লাঠি দিয়ে পিটানোতে অনেকের কলিজা জ্বলে যাচ্ছে।

তারা শান্তি শান্তি করে চেচিয়ে মারা যাচ্ছে। 

অথচ এই ভদ্রলোকেরা এইতো সেদিনকার দিল্লি দাঙ্গার সময়েও চুপটি মেরে বসেছিল। নিরীহ মুসলমানদের হত্যা উপভোগ করছিল।

কে খয়রাতি ভারত না বাংলাদেশ !!

বাংলাদেশের প্রায় ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্ক ছাড় দিয়েছে চীন। কিন্তু সম্প্রতি ভারতের বেশ কিছু গণমাধ্যম বাংলাদেশের এই সুবিধাকে পাওয়াকে ‘খয়রাতি’ হিসেবে উল্লেখ করে খবর প্রকাশ করেছে। এ সংবাদ প্রকাশের পর বেশ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে বাংলাদেশের নাগরিকরা। অনেকের অভিমত বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের গণমাধ্যম থেকে এমন ব্যবহার আশা করেনি বাংলাদেশের জনগণ।

ভারতের সংবাদ মাধ্যম জি নিউজ শিরোনাম করেছে “ভারতকে চাপে ফেলতে বাংলাদেশকে ‘খয়রাতি’ চীনের!” এছাড়া পশ্চিম বঙ্গের আরেক জনপ্রিয় পত্রিকা আনন্দবাজার শিরোনামে এমন শব্দচয়ন না করলেও খবরের ভেতরে লিখেছে, ‘বাণিজ্যিক লগ্নি আর খয়রাতির টাকা ছড়িয়ে বাংলাদেশকে পাশে পাওয়ার চেষ্টা নতুন নয় চীনের’।

তবে তুলনা করে দেখা গেছে, বাংলাদেশ শুল্ক সুবিধা পেয়েছে। কিন্তু ভারত নিজেই ঋণ বা খয়রাতিতে জর্জরিত।

ভারতের বিদেশ থেকে নেয়া মোট খয়রাতির বা বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৩১ মার্চ, ২০২০ পর্যন্ত ৫৬৩.৯ বিলিয়ন ডলার। এই পরিমাণ খয়রাতি দেশটির মোট জিডিপির প্রায় ২০% এর বেশি।

এই ঋণগুলো ভারত নিয়েছে বিভিন্ন মাল্টিল্যাটারাল, বাইল্যাটারাল উৎস থেকে- যার মধ্যে রয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, আইডিএ, আইবিআরডি, আইএফআইডি এবং অন্যান্য জায়গা থেকে।

মাল্টিল্যাটারাল উৎস থেকে ভারতের নেয়া খয়রাতি বা ঋণের পরিমাণ প্রায় ৬০.২২ বিলিয়ন ডলার। এর বাইরে বাইল্যাটারাল উৎসের ভেতর ভারত ঋণ করেছে জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র এমনকি চীন থেকেও। এসব উৎস থেকে পাওয়া ভারতের মোট ঋণ এখন ২৬.৩৩ বিলিয়ন ডলার।

ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ড রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের পাবলিক ঋণ ২০২১ অর্থবছরে ৪০.১২% হতে পারে। ফিস্কাল মনিটরের এপ্রিল ২০২০ অনুযায়ী আইএমএফ শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া, পাকিস্তান এবং নেপালের গ্রস ঋণ প্রকাশ করেছে। আইএমএফের রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের মোট ঋণ এখন তাদের জিডিপির ৭৩.৮০%। এই হিসাব অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক ঋণ মিলিয়ে।

এত ঋণ বা খয়রাতির বিপরীতে ভারতের রিজার্ভ আছে ১২ জুন, ২০২০ পর্যন্ত ৫০৭.৬৪৪ বিলিয়ন ডলার যেখানে বিদেশ থেকে নেয়া তাদের ঋণের পরিমাণ ৫৬৩.৯ বিলিয়ন। এখানে উল্লেখ্য ভারতের এই রিজার্ভ তাদের স্বর্ণ রিজার্ভসহ। আরো নির্দিষ্ট করে বললে তাদের ৫০৭.৬৪৪ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভের ভেতর Foreign Exchange Assets (FCA) এর পরিমাণ ৪৬৮.৭৩৭ বিলিয়ন, স্বর্ণের রিজার্ভের বাজার মূল্য ৩৩.১৭৩ বিলিয়ন, SDRs (Special Drawing Rights with the IMF) ১.৪৫৪ বিলিয়ন এবং বাকি ৪.২৮০ বিলিয়ন রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কাছে।

এদিকে বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণও ভারতের থেকে অনেক কম। শতাংশের হিসাবে অর্ধেক। এখন প্রশ্ন থেকে যায় বাংলাদেশ সুবিধা পেলে ভারতের মিডিয়ায় যদি তা খয়রাতি বলে আখ্যায়িত হয় তবে ভারতের ঋণ কেন খয়রাতি হবে না? ভারত তো আরো বড় খয়রাতি!

সূত্র: ডিফেন্স রিসার্চ ফোরাম

আনন্দবাজার পত্রিকার যে রিপোর্টে  বাংলাদেশকে খয়রাতি রাষ্ট্র বলেছে সেই রিপোর্টটি যদি ভালো করে লক্ষ্য করেন,তাহলে দেখবেন তাতে উল্লেখ আছে এই রিপোর্ট পাঠিয়েছে তাদের ঢাকার প্রতিনিধি।

এবার আসুন "আনন্দবাজার পত্রিকার" ঢাকার প্রতিনিধি কে একটু পরিচয় করিয়ে দেই। ঢাকার "আনন্দবাজার পত্রিকার" প্রতিনিধি হলো সাংবাদিক 'অঞ্জন রায়'।আর এই রিপোর্ট তিনিই লিখেছেন।চিন্তা করে দেখেন এই দেশে জন্ম নেওয়া এসব অসভ্য জানোয়াররা নিজ দেশকে খয়রাতি রাষ্ট্র বলে উল্লেখ করে রিপোর্ট লিখে।
কপি পোস্ট 

অঞ্জন রায়ের আইডি লিংক:
https://bit.ly/3epSZUc

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইশরাদ মুবারক করেন, তোমরা পরস্পর পরস্পরকে নেকী ও পরহেযগারীর মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করো, পাপ ও নাফরমানীর মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করো না।

 ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মুসলমানদের ওয়াজিব ইবাদত পবিত্র কুরবানী করার সুবিধার্থে সারাদেশে কমপক্ষে ১০ দিন পূর্ব থেকেই পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট বসানোর ঘোষণা দেয়া। আর রাজধানীর দুই সিটিতে কমপক্ষে ২০০টি হাটসহ সারাদেশের প্রত্যেক গ্রামে ও মহল্লায় পশুর হাটের ব্যবস্থা করা।
পাশাপাশি পবিত্র কুরবানী বিরোধী সমস্ত সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নেয়ার ও ভবিষ্যতে পবিত্র কুরবানী বিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়ার ঘোষণা দেয়া। স্মরণীয় যে, ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম উনার দেশের মুসলমানরা পবিত্র কুরবানী বিরোধী কোনো প্রকার ষড়যন্ত্র কখনোই বরদাশত করেনি ও করবেও না।
- ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম

..........মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় জিহাদ...........

পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন-
                    يا ايہا النبی خاہد الکفار والمنافقين۔
অর্থঃ হে আমার হাবীব ছল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনি কাফির এবং মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করুন।

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রচার ও প্রতিষ্ঠার পথ ফুলেল নয় বরং কন্টকাকীর্ণ। যুগে যুগে নবী রাসূল আলাইহিমুস সালাম, আওলিয়া কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা দ্বীন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রবল বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। এজন্য মহান আল্লাহ পাক সম্মানিত জিহাদ উনার বিধান অবতারণ করে মুসলিমদেরকে মেধা,শক্তি, বুদ্ধি দ্বারা সবার্ত্নক প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। যেহেতু সত্য মিথ্যার দ্বন্দ্ব চিরস্থায়ী, ইসলাম ও কুফরের দ্বন্দ চিরন্তন ও শাশ্বত তাই পৃথিবীর বুকে যতদিন সত্য ও সুন্দরের আহ্বায়ক থাকবে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম থাকবে, মুসলিম থাকবে,পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ পবিত্র হাদিস শরীফ থাকবে,ততদিন পর্যন্ত লোক সত্য বিমুখ থাকবে। তারা সর্বযুগে সর্বকালে  সম্মানিত দ্বীন ইসলাম এবং মুসলমানদের ক্ষতি সাধনে তৎপর থাকবে। আর এইজন্যই আমাদের জন্য জিহাদকে সর্বাবস্থায় ফরজ করে দেয়া হয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নয় বরং সর্বাবস্থায় আমাদেরকে জিহাদ করতেই হবে। কেননা বাতিলের বিরুদ্ধে সর্বাবস্থায় জিহাদ করে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম হেফাজত করা মুমিনের জন্য ফরজ। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেছেন -
      الخہاد ماض الی يوم القيامة۔  

বর্তমান বিশ্বে আজ সব জায়গায় মুসলমানরা নির্যাতিত হচ্ছে। তারা সাহায্যের জন্য কাফের মুশরিকদের কাছে আর্তনিবেদন করছে।নিজেদের ঈমান ব্রিকি করে দিচ্ছে। (নাউজুবিল্লাহ) 
 
অথচ স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মুসলানগণ উনাদেরকে জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ইরশাদ মুবারক করেন- 

وما لکم لا تقاتلون فی سبيل اللہ والمستضعفين من الرخال والنساء والولدان الذين يقولون ربنا اخرخنا من ہذہ القرية الظالم اہلہا۔ واخعل لنا من لدنک نصيرا۔

অর্থ্যাৎ, আর তোমাদের কি হলো যে,তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় লড়াই করছ না দুর্বল সেই পুরুষ, নারী ও শিশুদের পক্ষে,যারা বলে হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে এ জনপদ থেকে নিষ্কৃতি দান করুন,এখানকার অধিবাসীরা যে অত্যাচারী। আর আপনার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য অভিভাবক ও সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দিন।
 
কাজেই আমাদের প্রত্যেকের ঈমানী দায়িত্ব কর্তব্য হলো, নিজেদের জান,মাল,সময়,শ্রম সবকিছু ব্যয় করে সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় জিহাদ করা এবং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিদ্বেষী ইহুদি, নাছাড়া,মুশরিকদের সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে পৃথিবীর বুকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা। আমাদেরকে সর্বাবস্থায় মুজাহিদী চেতনায় দৃপ্ত হতে হবে তবেই সম্মানিত খিলাফত মুবারক প্রতিষ্ঠা হবে এবং সারা পৃথিবী জুড়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিজয় পতাকা উদ্দীন হবে। (ইনশা আল্লাহ) 

মহান আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে হাক্বীকী মুজাহিদ হওয়ার তৌফিক দান করুন এবং সর্বাবস্থায় নিজেদের সব কিছু দিয়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার জন্য জিহাদ করার তৌফিক দান করুন ।। (আমীন)

“মদীনা সনদ অনুযায়ী দেশ চলবে” -এ উক্তির বিপরীতটাই কেন বাস্তবে দেখা মিলছে?

সরকারের অনেকে প্রায়ই সম্মানিত মদীনা সনদ অনুযায়ী দেশ চালানোর কথা বলে। সরকার যদি সম্মানিত মদীনা সনদ অনুযায়ী দেশ-ই চালাতে চায় তাহলে -- নারী নেতৃত্ব কেন?- মানুষের তৈরি সংবিধান কেন?- গণতন্ত্র কেন?- বেপর্দা কেন?- খেলাধুলা কেন?- ছবি কেন? - গান-বাজনা কেন?- টিভি চ্যানেল কেন?- নাস্তিকতা কেন?- নাটক-ছবি কেন?- দুর্নীতি কেন?- কুফরী সিলেবাস কেন?- মালউন প্রীতি কেন?- দেশের সম্পদ অন্যের হাতে তুলে দেয়া কেন?- অশ্লীলতা কেন?- কাফিরদের অপসংস্কৃতি কেন?- কাফিরদের পোশাক-আশাক কেন? - সহশিক্ষা কেন?- বাতিল ফিরকা কেন? তাহলে সম্মানিত মদীনা সনদ থাকলো কোথায়? এমপি-মন্ত্রীরা মুখে বলল মদীনা সনদের কথা কিন্তু দেশ চালাচ্ছে কুফরী সনদ দ্বারা! তাহলে তাদের এ উক্তির গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু? যদি সত্যিকারের মদীনা সনদ অনুযায়ী দেশ চালাতে চায়, তাহলে সর্বপ্রথম তাদেরকে গণতান্ত্রিক ক্ষমতা ছেড়ে খিলাফত জারি করতে হবে।

কোর্টের আদেশকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ভাঙ্গা হচ্ছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

মাঝে মাঝে কিছু নিউজ দেখে হতবাক হয়ে যাই। ভেবে কুল পাই না। এটাই কি সেই যুগ, যে যুগে কাকের গোশত কাকে খাচ্ছে?

আপনি কি কোনদিন শুনেছেন, কোন ধর্মীয় জনগোষ্ঠী তাদের নিজ ধর্মের উপসনালয় ভেঙে ফেলে? শুনেছেন? শুনেননি।
আমি এতদিন শুনে আসছি, কাকের গোশত কাক খায় না। 

কিন্তু ভাই, মুসলমানদের অবস্থা এতটাই শোচনীয়; এরা নিজেরাই মসজিদ ভাঙার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আমাদের বাপ-দাদারা মসজিদ তৈরির জন্য জমি দান করে গেছেন। কেউ কেউ মসজিদ করে দিয়ে গেছেন। আর এই যামানার কুলাঙ্গারের দল, মসজিদ ভাঙতে উঠেপড়ে লেগেছে।

ঢাকা আগারগাঁওয়ের অর্ধশত বছরের পুরনো মসজিদুল আবেদীন জামে মসজিদ। হাজার হাজার ভাসমান পরিবারের তিনপুরুষ অবধি নামাজ আদায় করার একমাত্র মসজিদ। বলা চলে, সেই মসজিদটিকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছিল জনবসতি। মসজিদের জমিটি অনুর্ধ্ব ষাট বছর পুর্বে আগারগাঁও এলাকার মরহুম জয়নুল আবেদীন সাহেব ওয়াকফ করে যান। বর্তমানে উনার সন্তানগণই মসজিদটির মুতওয়াল্লী হিসেবে সার্বিক তত্ত্বাবধান করে আসছেন। কিছুদিন পুর্বে সড়ক প্রশস্তকরণের নামে মসজিদটির ভূমি অধিগ্রহণ করা নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল গণির গোপন বৈঠক হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে মসজিদের দুই-তৃতীয়াংশ জমি সরকার কর্তৃক অধিগ্রহিত হবে এবং অধিগ্রহনের বিনিময়ে মোটা অংকের টাকা মসজিদ কমিটিকে দেওয়া হবে। সেই টাকার লোভেই আব্দুল গণি মসজিদটি ভাঙার জন্য উঠে পড়ে লাগে। অথচ উচ্চ আদালত চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে মসজিদের জমিটির জন্য স্থিতিবস্থা রুল জারী করেছে। কিন্তু কোর্টের আদেশকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে মসজিদ ভাঙার জন্য বুলডোজার এনে রেখেছে শকুনের দল। (https://bit.ly/3hP0zcX)

একটাই দাবি, হাইকোর্টের আদেশ অমান্যকারী মসজিদ ভাঙা কমিটিকে দ্রুত আইনের আইনের আওতায় আনা হোক। ✊

বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে এবং সরকার তার সাথে ধর্ম পালনে কোনোরূপ বৈষম্যমূলক আচরণ করতে পারবে না।

পবিত্র কুরবানীর পশুর পর্যাপ্ত সংখ্যক হাট মুসলমানদের দ্বীনি অধিকার।

বাংলাদেশের সংবিধানের  ৪১(১)(ক) ধারায় বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।’ 
১২(ঘ) ধারায় বলা হয়েছে- “কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন বিলোপ করা হইবে।”
উপরে বর্ণিত সংবিধানের ধারাসমূহ দ্বারা এটা স্পষ্ট, বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে এবং সরকার তার সাথে ধর্ম পালনে কোনোরূপ বৈষম্যমূলক আচরণ করতে পারবে না। 
কিন্তু দেখা যাচ্ছে,  পবিত্র ‘কুরবানী’ মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার হওয়ার পরও সেই কুরবানীতে নানা ধরনের বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে, কুরবানী করতে অনুৎসাহিত করার লক্ষ্যে হাটগুলো দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে, পর্যাপ্ত হাটের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। নাউযুবিল্লাহ!
বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে তাই বলতে হয়, সরকার যদি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান মেনেই চলে, তবে তার উচিত- মুসলমানদের কুরবানীতে কোনোরূপ বাধা সৃষ্টি না করে বরং সে লক্ষ্যে পর্যাপ্ত হাটের ব্যবস্থা করে দেয়া, যেন মুসলমানরা সুবিধা মতো ও স্বাচ্ছন্দ্যের সহিত প্রয়োজনীয় পশু ক্রয় করতে পারে।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...