Saturday, July 10, 2021

আজ ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) ২৯ যিলক্বদ শরীফ দিবাগত সন্ধ্যায় বাংলাদেশে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের চাঁদ তালাশ করতে হবে।

 আজ ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) ২৯ যিলক্বদ শরীফ দিবাগত সন্ধ্যায় বাংলাদেশে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের চাঁদ তালাশ করতে হবে।



 আজ সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ১৩ ছানী ১৩৮৯ শামসী, (১২ জুলাই ২০২১ খৃঃ) হবে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ উনার ১লা তারিখ।


 আর কোনো কারণে আজ দিবাগত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখতে না পাওয়া যায়, তবে পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে আগামী ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) ১৪ ছানী ১৩৮৯ শামসী (১৩ জুলাই ২০২১ খৃঃ) হবে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ উনার ১লা তারিখ।


 উল্লেখ্য, ১৪৪২ হিজরী সনের পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আজ ইয়াওমুল আহাদ দিবাগত সন্ধ্যায় ‘মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল’ উনার এক আলোচনা মজলিস পবিত্র রাজারবাগ শরীফ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। ‘মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল’ উনার সকল প্রতিনিধিদের অতি সতর্কতার সাথে চাঁদ তালাশ করতে হবে।


 বাংলাদেশের যেকোনো স্থান থেকে যারা চাঁদ দেখতে পাবেন, তাদেরকে ‘মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল’ উনার নিম্নলিখিত নম্বরসমূহে তথ্য প্রদানের জন্য বিশেষভাবে জানানো যাচ্ছে।

মোবাইল নম্বরসমূহ- ০১৭১৩-৪৫৬৮৬৫, ০১৭১৩-১১৬৯৩৩, ০১৭১১-১৭৮৬৬১, ০১৭১১-২৭২৭৮৫, ০১৭১২-৮১৯১৭৭, ০১৭১২-২২১২৬৭, ০১৭১১-২৩৮৪৪৭, ০১৭১৪-৬২৭৩৮৮, ০১৭১৬-৬৬৫৬৯৩, ০১৫৫২-৪১৫২৩৩, ০১৭১১-২৭২৭৮২।


 বাংলাদেশের জন্য ১৪৪২ হিজরী সনের পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ উনার চাঁদের প্রতিবেদন:

 আজ ২৯ যিলক্বদ শরীফ ১৪৪২ হিজরী, ১২ ছানী ১৩৮৯ শামসী, ১১ জুলাই ২০২১ খৃঃ, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) দিবাগত সন্ধ্যায়।


 আজ চাঁদ দিগন্তরেখার ১৪ ডিগ্রী ৪২ আর্ক মিনিট উপরে অবস্থান করবে এবং চাঁদের বয়স হবে ৩৭ ঘণ্টা। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৫০ মিনিটে এবং চন্দ্রাস্ত ৮টা ০৫ মিনিটে অর্থাৎ ০১ ঘন্টা ১৫ মিনিট চাঁদ আকাশে অবস্থান করে অস্ত যাবে। আজ চাঁদ অবস্থান করবে ২৮৮ ডিগ্রী আযিমাতে এবং সূর্যের অবস্থান থাকবে ২৯৪ ডিগ্রী আযিমাতে। সূর্যাস্তের সময় চাঁদ প্রায় ১৬ ডিগ্রীর বেশী কোণ করে সূর্য থেকে সরে থাকবে এবং চাঁদের ০২.১৫% আলোকিত থাকবে। উপযুক্ত বায়ুম-লীয় অবস্থা বিরাজ করলে আজ বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের সকল অঞ্চলেই অত্যন্ত সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। চাঁদ দৃশ্যমান হওয়ার সম্ভাব্য সময় হতে পারে ৭ টা ২৩ মিনিটের কিছু আগে ও পরে।

কোরবানী ঈদে দেশের অর্থনীতির কি উপকার হয় ??

 কোরবানী ঈদে দেশের অর্থনীতির কি উপকার হয় ??


_____________________________________

সাম্প্রাতিক সময়ে কিছু মহল কোরবানীর বিরুদ্ধে লেগেছে। তারা বলছে- এত কোরবানী করার দরকার কি ? এই গোষ্ঠীর কথা শুনে ইতিমধ্যে সরকারও কোরবানীর উপর বিভিন্ন বিধি নিষেধ আরোপ করেছে, যেন মানুষ কোরবানীর পরিমাণ কমিয়ে দেয়। কিন্তু এই গোষ্ঠীটি চিন্তাই করে না কোরবানী দেশের অর্থনীতির উপর কত বিশাল ভূমিকা রাখছে। আসুন কোরবানী ঈদে বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসা বাণিজ্যের পরিমাণ দেখি- 

১) কোরবানী ঈদ উপলক্ষে শুধু মশলার ব্যবসা হয় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার।

২) ঈদকে কেন্দ্র করে দেশে রেমিটেন্স ঢুকেছে ২৩ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা 

৩) পশু বিক্রি হয় প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা 

৪) চামড়া বিক্রি হয় প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা, সেই চামড়া বিদেশে রফতানি করে আয় হয় ৯ হাজার কোটি টাকা 

৫) কসাইরা লাভ করে প্রায় ৪-৫ হাজার কোটি টাকা 

৬) গরীবরা মাংশ পায় ১০ হাজার কোটি টাকার 

৭) ছুরি, বঁটি, দা, চাপাতি, রামদা ইত্যাদি উপকরণের বাজার প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা 

৮) পশু খাদ্যের বাজারও প্রায় হাজার কোটি টাকা

 ৯) কোরবানির ঈদের পর প্রায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন পশুর হাড় সংগ্রহ করা হয়। প্রকার ভেদে প্রতিটি কেজি গরুর শিংসহ হাড় বিক্রি হয় ১০ থেকে ২৫ টাকায়। এতেই প্রতিবছর ১০০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়। 

১০) ঈদে পরিবহন খাতে অতিরিক্ত যাচ্ছে ৬০০ কোটি টাকা। এ উৎসবে ভ্রমণ ও বিনোদন বাবদ ব্যয় হয় ৪ হাজার কোটি টাকা। এসব খাতে নিয়মিত প্রবাহের বাইরে অতিরিক্ত যোগ হচ্ছে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। 

১১) সরকারি হিসেবে হাটগুলোর হাসিলের পরিমাণ প্রায় দুই হাজার ৪২৫ কোটি টাকা 

১২) রাজধানীর গাবতলী হাটে কোরবানির পশু সাজাতে কাগজ ও জরির মালা, রংবেরঙের দড়ি বিক্রির পরিমাণ দৈনিক ১৬ লক্ষ টাকা, শেষ ১০ দিনে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। 

১৩) গরুর অন্ডকোষ মুসিলমরা ফেলে দেয়, কিন্তু এটা চীন-জাপানরা কিনে নিয়ে সুপ বানিয়ে খায়। এ থেকে রপ্তানি হয় প্রায় ১২০ কোটি টাকা। 

১৪) কোরবানি ঈদের অর্থনীতিতে লেনদেনের আকার প্রায় ৫০ লাখ কোটি টাকা, যা দেশের বাৎসরিক বাজেটের প্রায় ২০ গুন । 

১৫) ঈদ উপলক্ষে অর্থনীতিতে সংযুক্ত হবে প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা ‘কোরবানি দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করছে’ একথা বললে আসলে ভুল হবে, বরং দেখা যাচ্ছে দেশের অর্থনীতিই নির্ভর করছে কোরবানীর উপর। তাই যে বা যারাই কোরবানীর বিরোধীতা করছে, তাদের লক্ষ্য শুধু ধর্মচর্চা বন্ধ করা নয়, বরং বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করাও তাদের অন্যতম উদ্দেশ্য।

পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট নিষিদ্ধ করা ও মদদ দেয়া সুস্পষ্ট কুফরী।

 পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট নিষিদ্ধ করা ও মদদ দেয়া সুস্পষ্ট কুফরী।


_______________________________________

কিছু মানুষের অন্তর কুফর দিয়ে ঢাকা। তাদের অন্তরে মোহর দেয়া। দ্বীন ইসলাম উনার বিধানকে আক্রমণ করে নিজেদের দুর্বলতাকে ঢাকতে চায়। পবিত্র কুরবানী নিয়ে তাদের কতো যে আপত্তি! এগুলোর সাথে জীবহত্যা, পশু অধিকার, করোনা ভাইরাস, ছোঁয়াচে, জীবে দয়া করা বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে চাওয়ার কোন সম্পর্ক নেই। আমাদের কারো যেন এই সত্যটা বোঝার ক্ষেত্রে ভুল না হয়। আমরা পবিত্র কুরবানী করি কারণ এটা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত মুবারক হিসেবে উম্মতের জন্য ওয়াজিব বিধান। যুক্তি, গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা হিসেবে এটুকুই যথেষ্ট। যেহেতু তারা পবিত্র কুরবানী বা পশুর হাটের বিরোধিতা করতেছে তাদের ক্ষেত্রে ফতওয়া তো দিতেই হবে এবং প্রতিবাদ করতেই হবে। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-


كُنتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللَّـهِ 


অর্থ: তোমাদেরকে সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে তাই তোমাদের দায়িত্ব হলো সৎকাজের নির্দেশ দান করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দিবে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি খালিছ ঈমান আনবেন। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ১১০)


সুতরাং যারা প্রতিবাদ করবেন উনারা ঈমানদার হিসেবে সাব্যস্ত হবেন। আর যারা প্রতিবাদ না করে তাদের পক্ষে মদদ দিবে বা সংশ্লিষ্ট থাকবে তারা প্রত্যেকেই ঈমানহারা হবে।


জ্ঞাতব্য, পবিত্র ওযূ নষ্টের আলামত পেলে যেমন ওযূ নষ্ট হয়, ঠিক তেমনি পবিত্র ঈমান নষ্টের আলামত পেলে ঈমান নষ্ট হয়। আর পবিত্র দ্বীন ইসলামের কোন বিষয় যেমন কুরবানী নিয়ে চু-চেরা কিল-কাল করা, পশুর হাট বসতে না দেয়া সবই ঈমান নষ্টের আলামত।


কাজেই পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট নিষিদ্ধ করা ও মদদ দেয়া সুষ্পষ্ট কুফরী। যে বা যারাই পবিত্র কুরবানী নিয়ে এরূপ করবে সে কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...