ক্বাছীদা শরীফ শুনুন, গান-বাজনা পরিহার করুন
মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “নিশ্চয়ই আমি গান-বাজনা (বাদ্য যন্ত্র) ধ্বংস করার জন্য প্রেরিত হয়েছি।”
কাজেই কোনো মুসলমানদের জন্য জায়িয হবে না গান-বাজনা শুনা, যা সম্পূর্ণ হারাম। মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “নিশ্চয়ই গান-বাজনা অন্তরে এইভাবে নিফাকী তৈরি করে, যেভাবে পানির মাধ্যমে যমীনে ঘাস উৎপাদিত হয়।” নাঊযুবিল্লাহ!
সুতরাং মুসলমানদেরকে এই হারাম গান-বাজনাকে বাদ দিয়ে- হামদ শরীফ, না’ত শরীফ, ক্বাছীদা শরীফ শুনতে অভ্যস্ত হতে হবে। এতে করে মুসলমানগণ হারাম তথা লা’নত থেকে বেঁচে রহমত হাছিল করতে পারবে। উল্লেখ্য যে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত হাসান বিন ছাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার জন্য মসজিদে মিম্বর শরীফ স্থাপন করে দিয়েছিলেন এবং তিনি সেখানে ক্বাছীদা শরীফ পাঠ করতেন এবং তা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শ্রবণ মুবারক করতেন। সুবহানাল্লাহ!
অতএব, আমাদের সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- হারাম গান-বাজনা বাদ দিয়ে, হামদ শরীফ না’ত শরীফ, ক্বাছীদা শরীফ শুনা, আর এই সব হলো খাছ সুন্নত। তাই আসুন সবাই হারাম গান-বাজনাকে ঘৃণা করি। হামদ শরীফ, না’ত শরীফ, ক্বাছীদা শরীফ শুনি। হারাম থেকে বাঁ
চি।


