Sunday, June 20, 2021

ক্বাছীদা শরীফ শুনুন, গান-বাজনা পরিহার করুন

 ক্বাছীদা শরীফ শুনুন, গান-বাজনা পরিহার করুন


মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “নিশ্চয়ই আমি গান-বাজনা (বাদ্য যন্ত্র) ধ্বংস করার জন্য প্রেরিত হয়েছি।”

কাজেই কোনো মুসলমানদের জন্য জায়িয হবে না গান-বাজনা শুনা, যা সম্পূর্ণ হারাম। মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “নিশ্চয়ই গান-বাজনা অন্তরে এইভাবে নিফাকী তৈরি করে, যেভাবে পানির মাধ্যমে যমীনে ঘাস উৎপাদিত হয়।” নাঊযুবিল্লাহ!

সুতরাং মুসলমানদেরকে এই হারাম গান-বাজনাকে বাদ দিয়ে- হামদ শরীফ, না’ত শরীফ, ক্বাছীদা শরীফ শুনতে অভ্যস্ত হতে হবে। এতে করে মুসলমানগণ হারাম তথা লা’নত থেকে বেঁচে রহমত হাছিল করতে পারবে। উল্লেখ্য যে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত হাসান বিন ছাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার জন্য মসজিদে মিম্বর শরীফ স্থাপন করে দিয়েছিলেন এবং তিনি সেখানে ক্বাছীদা শরীফ পাঠ করতেন এবং তা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শ্রবণ মুবারক করতেন। সুবহানাল্লাহ!

অতএব, আমাদের সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- হারাম গান-বাজনা বাদ দিয়ে, হামদ শরীফ না’ত শরীফ, ক্বাছীদা শরীফ শুনা, আর এই সব হলো খাছ সুন্নত। তাই আসুন সবাই হারাম গান-বাজনাকে ঘৃণা করি। হামদ শরীফ, না’ত শরীফ, ক্বাছীদা শরীফ শুনি। হারাম থেকে বাঁ


চি।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

 মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,


يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا مَنْ يَرْتَدَّ مِنْكُمْ عَنْ دِينِهِ فَسَوْفَ يَأْتِي اللهُ بِقَوْمٍ يُحِبُّهُمْ وَيُحِبُّونَهُ أَذِلَّةٍ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ أَعِزَّةٍ عَلَى الْكَافِرِينَ يُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللهِ وَلَا يَخَافُونَ لَوْمَةَ لَائِمٍ ذَلِكَ فَضْلُ اللهِ يُؤْتِيهِ مَنْ يَشَاءُ وَاللهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ 

অর্থ: “হে ঈমানদারগণ, আপনাদের মধ্য থেকে যারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে ত্যাগ করবে, মুরতাদ হয়ে যাবে, অচিরে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের পরিবর্তে এমন এক সম্প্রদায় সৃষ্টি করবেন, যাঁদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি মুহব্বত করবেন এবং উনারাও মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করবেন। সুবহানাল্লাহ! উনারা সম্মানিত মুসলমান উনাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু হবেন এবং কাফিরদের প্রতি খুব কঠোর হবেন। উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার পথে জিহাদ করবেন এবং কোন তিরস্কারকারীর তিরস্কারে ভীত হবেন না। সুবহানাল্লাহ! এটা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত ফযল তথা অনুগ্রহ মুবারক, তিনি যাকে ইচ্ছা হাদিয়া মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রশস্ত জ্ঞানী।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা মায়িদা শরীফ, সম্মানিত আয়াত শরীফ: ৫৪)

মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে সবাইকে এই সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার অনুসরণে হাক্বীক্বী ঈমানদার হওয়ার তাওফীক্ব দান করুন।

যিনি খলিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

 যিনি খলিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-


وَلَا تَنسَ نَصِيبَكَ مِنَ الدُّنْيَا

অর্থ: দুনিয়াতে তুমি তোমার অধিকার ভুলে যেওনা। (পবিত্র সূরা ক্বছাছ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৭৭) 

দুনিয়াতে নিজেদের অধিকার গুলো ভুলে যাওয়া যাবেনা বরং আদায় করে নিতে হবে, এটাই মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক, তাই পবিত্র কুরবানী সম্পর্কে মুসলমানদের অধিকারগুলোও ভুলে গেলে চলবেনা, এখানে পবিত্র কুরবানী উপলক্ষে মুসলমানদের অধিকার এবং দাবীসমূহ উল্লেখ করা হলো-

১। পবিত্র কুরবানী উপলক্ষে সরকারীভাবে আর্থিক সহায়তা করতে হবে।

২। পবিত্র কুরবানী উপলক্ষে অফিস-আদালত কমপক্ষে ১০ দিন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ২০ দিন ছুটি দিতে হবে।

৩। পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট কমানো যাবেনা। বরং প্রত্যেক এলাকায় এলাকায় পশুর হাট বসানোর সুযোগ করে দিতে হবে।

৪। পবিত্র কুরবানী করার স্থান নির্ধারন করা যাবেনা। বরং নিজ নিজ বাস স্থানে কুরবানী করার ব্যবস্থা করে দিতে হবে এবং কুরবানী পরবর্তী কুরবানীর বর্জ্য সরানোর সার্বিক ব্যবস্থা করতে হবে।

৫। মানুষ যেন সূলভ মূল্যে পশু ক্রয় করতে পারে সেজন্য সরকারকেই পশুর মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

৬। প্রতি বছরই পবিত্র কুরবানী বিদ্বেষী একটি গোষ্ঠি বিভিন্ন জায়গায় খর” কুরবানী করতে বাধা প্রদান করে এবং নির্যাতন করে। তাই প্রত্যেকেই যেন নির্বিঘেœ, নির্ভয়ে খর” কুরবানী করতে পারে সে ব্যাপারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। 

৭। যে সকল মিডিয়া কুরবানী এবং খর” জবেহ করার বিরুদ্ধে প্রচার করে, সে সকল মিডিয়া বন্ধ করে দিতে হবে।

৮। প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে যে সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পবিত্র কুরবানীর বির”দ্ধে বলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

৯। যে সকল সংগঠন ইতিপূর্বে পবিত্র কুরবানীর বিরোধিতা করেছে এবং বলেছে সে সকল সংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।

১০। পবিত্র কুরবানী বাধাগ্রস্থ করতে কতিপয় অসৎ ব্যবসায়ীরা দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেয়, কাজেই কুরবানী উপলক্ষে মসল্লাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছুর মূল্য কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। 

১১। বৃষ্টির কারণে অনেক ঈদগাহে ঈদের নামায আদায় করতে সমস্যা দেখা দেয়, ঈদের নামায যেন নির্বিঘেœ আদায় করতে পারে সে ব্যবস্থা সরকারকেই করে দিতে হবে। 

আমাদের এই দাবীগুলো আমাদের দ্বীনী অধিকার, তাই আমাদের অধিকারগুলো মেনে নেওয়ার এবং বাস্তবায়ন করার জোর দাবি জানাচ্ছি। ৯৮% মুসলমানদের দেশ বাংলাদেশে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কোন আইন পাশ হবেনা এই প্রতিশ্র”তি প্রদানকারী সরকারের জন্য ফরজ হচ্ছে আমাদের এই দাবীগুলো মেনে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করা।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...