Thursday, March 24, 2022

বাংলাদেশে দ্বীন ইসলাম উনার আগমনের ইতিহাস

 বাংলাদেশে দ্বীন ইসলাম উনার আগমনের ইতিহাস



মালিক ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজির বাংলা বিজয়ের পর থেকেই মূলত এ অঞ্চলে মুসলিম শাসনের ভিত্তি মজবুত হয়েছিলো। তার মাধ্যমে বাংলা বিজয়ের পর থেকে ক্রমাগত অব্যাহত গতিতে ভারতের পশ্চিমাঞ্চল, আফগানিস্তান, ইরান, আরব ও তুরস্ক থেকে অসংখ্য মুসলমান বাংলায় আগমন করতে থাকেন। অধিকাংশই এসেছিলেন সৈনিক হিসাবে, অবশিষ্টাংশ ব্যবসা-বাণিজ্য, দ্বীন ইসলাম প্রচার উনার উদ্দেশ্যে। এভাবে বাংলায় মুসলমানদের সংখ্যা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকলো।


বখতিয়ার খিলজি তিনি ছিলেন তুর্কিস্তানের খালজ বংশের। তাই তার বংশ পরিচয়ের জন্য তার নামের শেষে খালজী বা খিলজী শব্দ যুক্ত করা হয়। তার পূর্ব পুরুষদের আবাসভূমি ছিল সীস্তানের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত গরমশিরে। বখতিয়ার খিলজী যুবক বয়সে নিজ জন্মভূমি ত্যাগ করে গজনী অতঃপর ভারতের বাদাউনে আগমন করেন। প্রথমাবস্থায় গজনী ও দিল্লীর সামরিক বাহিনীতে অনেক চেষ্টার পরও তিনি নিয়োগ পাননি।


 কিন্তু উনার মধ্যে যে অসীম সাহসিকতা ও দুঃসাহসিক অভিযান পরিচালনার যোগ্যতা ছিল তা বুঝতে পেরে বাদাউনের সিপাহসালার উনাকে সেনাবাহিনীতে নিযুক্ত করেন। এখান থেকেই মূলত উনার সৈনিক জীবনের সূচনা হয়। তরাইনের যুদ্ধের পর উনার চাচা মুহম্মদ ই মাহমুদ নাগাওরীর শাসনকর্তা আলী নাগাওরীর নিকট থেকে কষমন্ডী অধিকার লাভ করেন। উনার মৃত্যুর পর তা বখতিয়ার খিলজী তিনি লাভ করেন। কিছুকাল পর তিনি অযোধ্যার মালিক মুয়াজ্জম হিসামউদ্দীনের নিকট গমন করেন। এ সময় তিনি অশ্ব ও অস্ত্রশস্ত্রাদি সংগ্রহ করেছিলেন বলে মালিক হিসামউদ্দীন তাকে দুটি গ্রাম প্রদান করেছিলেন। এই গ্রামগুলো থেকেই পরবর্তীতে তিনি বিহারের দিকে অগ্রসর হয়ে বিভিন্ন জায়গায় থাকা অত্যাচারী জমিদারদের পরাজিত করে প্রচুর মালে গণিমত হাছিল করেন। সেই অস্ত্র দিয়ে তিনি অত্যন্ত সুকৌশলী একটি সেনাবাহিনী গড়ে তোলেন। উনার বীরত্বের খ্যাতিও খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ঘোর, গজনী, খোরাসান প্রভৃতি অঞ্চলে বার বার বিদ্রোহ, যুদ্ধবিগ্রহ থাকার কারণে সে সময় বহুসংখ্যক অধিবাসী দেশত্যাগ করে হিন্দুস্তানে আগমন করেন। বখতিয়ার খিলজি উনার সুখ্যাতি শ্রবণ করে তারা দলে দলে উনার সেনাবাহিনীতে যোগদান করতে থাকেন। ফলে প্রবল প্রতাপশালী হয়ে ওঠেন ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী। 

সূত্র: দৈনিক আল-ইহসান

Rajarbag Shareef Official

(অসমাপ্ত)

ফিঙ্গার প্রিন্ট পদ্ধতির জনক মুসলমানরাই অথচ আজ মুসলমানরাই সেই শরীয়তসম্মত পদ্ধতির সুবিধা লাভ থেকে বঞ্চিত।

 ফিঙ্গার প্রিন্ট পদ্ধতির জনক মুসলমানরাই অথচ আজ মুসলমানরাই সেই শরীয়তসম্মত পদ্ধতির সুবিধা লাভ থেকে বঞ্চিত।


 


সম্পূর্ন শরীয়তসম্মত ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি আবিষ্কারের কথা আজ কতজন মুসলমানই বা জানেন? জানবে কি ভাবে, অপরাধী শনাক্তকরণে ফিঙ্গারপ্রিন্ট তথা আঙুলের ছাপের আবিষ্কারক খুলনার কাজী সৈয়দ মুহম্মদ আজিজুল হকের সেই আবিষ্কার চুরি করে নিয়েছিল সন্ত্রাসী ব্রিটিশদের কর্মকর্তা অ্যাডওয়ার্ড হেনরি। মুসলমান বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃীত অনেক কিছুর মতো অ্যাডওয়ার্ড হেনরি, সৈয়দ মুহম্মদ আজিজুল হকের সেই কৃতিত্ব, সেই আবিষ্কার নিজের নামেই চালিয়ে দেয় যা পরবর্তীতে ‘হেনরি সিস্টেম’ বা ‘হেনরি পদ্ধতি’ নামে পরিচিতি লাভ করে। কিন্তু সেই চুরির ঘটনা বেশী দিন গোপন থাকেনি, ইতিহাস গোপন রাখেনি ১০০ বছর পর হলেও ইতিহাসের সেই সত্য, ইতিহাসের সেই তথ্য প্রকাশিত হয়ে পড়েছে।

পাঠক লক্ষ্য করুন, হালযামানায় মুসলিম বিশ্বসহ বাংলাদেশেও পড়া-লেখা করতে ছবি লাগে, চাকরি-ব্যবসা করতে ছবি লাগে, বিদেশ যেতে পাসপোর্টে ছবি, জায়গা-জমি বিক্রীতে ছবি, অপরাধী শনাক্তকরণে ছবি লাগে, যা শরীয়তে সম্পূর্ন হারাম। অথচ ফিঙ্গারপ্রিন্ট তথা আঙুলের ছাপের পদ্ধতি অপরাধী শনাক্তকরণে আজ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত-স্বীকৃত এবং ইসলামী শরীয়রতসম্মত না হলেও ইহুদি-নাছারা, কাফির-মুশরিকদের চক্রান্তে আজও মুসলিম বিশ্বে হারাম ছবির ব্যবহার অপরিহার্য তথা বাধ্যতা মূলক করে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। (নাউযুবিল্লাহ) অথচ ইউরোপ-আমেরিকায় ঠিকই হারাম ছবির পরিবর্তে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে ফিঙ্গারপ্রিন্টকে। মুসলমানদের উদ্ভাবিত শরীয়তসম্মত পদ্ধতি মুসলমানরা ব্যবহার করতে পারবে না আর তা কাফিররা নির্বিঘেœ ব্যবহার করে যাবে এমন হীনমন্যতাবোধ মুসলমানদের মাঝে কতকাল চলতে থাকবে-সেটাই চিন্তার বিষয়।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...