মু’মিন-মুত্তাক্বী উনারাই লাভ করেন ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ উনার নিয়ামত মুবারক
------------------------------------------------------
মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে সন্তুষ্ট করার জন্য মু’মিন-মুত্তাক্বী উনারা সর্বদা উদগ্রীব থাকেন। সবসময় তালাশ করেন কিভাবে সেই শ্রেষ্ঠতম নিয়ামত মুবারক লাভ করা যায়, কোথায় পাওয়া যায়, কখন পাওয়া যায়? এ চিন্তায় সর্বদা বিভোর থাকেন উনারা। সুবহানাল্লাহ!
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার নিয়ামত মুবারক লাভ করেছিলেন। আর উনাদের অনুসরণে পরবর্তী মু’মিন-মুত্তাক্বী উনারাও সেই দিন ও সময় তালাশ করেন। বছর ঘুরে যখন পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ অর্থাৎ শেষ আরবিয়া (বুধবার) আসে তখন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুকরণে উনারাও সাধ্য-সামর্থ্য অনুযায়ী হাদিয়া মুবারক পেশ করেন এবং দান-ছদক্বা করে ভালো খাবারের ব্যবস্থা করেন। গোসল মুবারক করে পাক-সাফ হয়ে ভালো কাপড় মুবারক পরিধান করেন। পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ উনার মজলিস করতঃ আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক আলোচনা করে ছানা-ছিফত মুবারক করতঃ খুশি প্রকাশ করেন।
তবে কাফির-মুশরিক, মুনাফিকরা গাফিল (উদাসীন) হওয়ার কারণে সেই নিয়ামত মুবারক থেকে তারা বঞ্চিত থাকে। ধর্মব্যবসায়ী মালানা তথা উলামায়ে ‘সূ’দের দৌরাত্ম্যের কারণে অনেক মু’মিনও তা থেকে মাহরূম হয়। নাঊযুবিল্লাহ!
এজন্য বলা হয়- ধর্মব্যবসায়ী মালানা তথা উলামায়ে ‘সূ’রা মুসলমানদের শত্রু, দেশের শত্রু, সমাজের শত্রু, মানুষের শত্রু। এদের হীন ষড়যন্ত্র থেকে মুসলমানদেরকে সতর্ক থাকা দরকার।

No comments:
Post a Comment