Saturday, December 25, 2021

রাজারবাগ শরীফ উনার পরিচিতি-৫

 রাজারবাগ শরীফ উনার পরিচিতি-৫



আমরা রাজারবাগ শরীফ উনার পরিচিতি দিতে গিয়ে পবিত্র সুন্নতি মসজিদের আলোচনা করছিলাম। এই পবিত্র সুন্নতি মসজিদ উনার সঙ্গে মিল রয়েছে সেই ১৪৩৬ বছর আগে পবিত্র মদিনা শরীফে প্রতিষ্ঠিত মসজিদে নববী শরীফ উনার সাথে। সে আলোচনা আজ শোনা যাক।

ঢাকার কেন্দ্রস্থলে রাজারবাগ এলাকায় আওলাদে রসূল, আল্লাহ পাক উনার মহান ওলী, বিশিষ্ট বুজুর্গ হযরত সৈয়দ মুহম্মদ মুখলেসুর রহমান (রহমতুল্লাহি আলাইহি ) উনাদের আবাস যিনি ১৫ শতকের সম্মানিত মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আযম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত পিতা। উনার ছেলে সন্তানগণের মধ্যে যিনি তৃতীয় তিনি সবার চেয়ে একেবারেই ব্যতিক্রম। উনার দুনিয়াভী বয়স মুবারক যখন কম তখন থেকেই লক্ষ্য করা গেছে তিনি সুন্নত পালনে অবিচল। উনার জীবন মুবারকের বিভিন্ন সময়ে সাক্ষাৎ হয় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার সঙ্গে। এছাড়াও অনেক হযরত সাহাবা আজমাইন,মাযহাব উনার ইমাম, তরিকার ইমাম উনারা দেখা করে উনাকে বভিন্ন বিষয়ে সু সংবাদ প্রদান করতেন। আর তিনি সেভাবেই উনার জীবন গড়ে তুলেন। উনার জীবন পরিপূর্ণ কুরআন শরীফ এবং হাদিস শরীফ উনার বাস্তবায়ন। আর পরবর্তীতে তিনিই রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়খ হিসেবে মশহুর হন। তিনি এই রাজারবাগ শরীফে উনার পৈত্রিক বাড়িতে প্রতিষ্ঠা করেন মসজিদে নববী শরীফ উনার হুবহু নকশা অনুযায়ী " সুন্নতি জামে মসজিদ"। বিষয়টি বলা যত সহজ বাস্তবে ছিল অনেক কঠিন।কিন্তু যেহেতু তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার ইচ্ছা মুবারকেই এই মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তাই উনার জন্য ছিল গাইয়িবি সাহায্য। যা না জানলে কোন দিন বোঝা যাবেনা। আসুন সেই ইতিহাস এবার শুনি ।

একদিন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার প্রিয়তম আওলাদ, ঢাকা রাজারবাগ শরীফের সম্মানিত পীর সাহেব মুরশিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে পবিত্র মসজিদে নববী শরীফ উনার নকশায় পবিত্র সুন্নতী জামে মসজিদ ও সঙ্গে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ নির্মাণ করার জন্য মুবারক নির্দেশ প্রদান করেন। সুবহানাল্লাহ!

এমনকি সুন্নতী মসজিদ কোথায়, কিভাবে, কী কী উপকরণ দিয়ে, কী মাপে এবং উপকরণাদি কোথা থেকে সংগ্রহ করতে হবে ইত্যাদি সকল প্রকার মুবারক তথ্যাদি অবহিত করেন এবং তা দেখিয়ে দেন। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ-এ তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করে পবিত্র মসজিদ নির্মাণের স্থান এবং মসজিদের কোন দিকে সুফ্ফা খানা, হুজরা শরীফ, কুয়া (কুপ) মুবারক, মিম্বর শরীফ, তালা মুবারক, লাঠি মুবারক কেমন হবে, তা এক এক করে স্পষ্টভাবে দেখিয়ে ও বুঝিয়ে দেন। সাথে তাশরীফ মুবারক নিয়েছিলেন- উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম এবং আফদ্বালুন নাস, বা’দাল আম্বিয়া হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে বলেন যে, “এখানেই এবং এখান থেকে সমগ্র বিশ্বে আপনার প্রিয়তম আওলাদ আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র সুন্নত মুবারক কায়িম ও জিন্দা করবেন।” সুবহানাল্লাহ! (চলবে)


Writer: Abm Ruhul Hassan

রাগ বা গোসসা একটি জ্বলন্ত অগ্নিশিখাঃ

 রাগ বা গোসসা একটি জ্বলন্ত অগ্নিশিখাঃ


‘গদ্বাবুন’ অর্থ রাগ বা গোসসা। মানুষ যেই চারটি উপাদান দ্বারা সৃষ্ট- আগুন তার মধ্যে একটি। সুতরাং যখন কারো গোসসা পয়দা হয় তখন তার আপাদ-মস্তক এমনকি শিরা-উপশিরায় এমন এক তাপ সৃষ্টি হয়, যেনো তা একটি জ্বলন্ত অগ্নিশিখা। তখন তার হিতাহিত জ্ঞান থাকে না এবং সে তখন ন্যায়-নীতির সীমা লঙ্ঘন করে ফেলে। এ কারণে রাগকে একটি মন্দ স্বভাব বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন-


ادفع بالتى هى احسن


অর্থ: “মন্দকে ভাল দ্বারা দমন করো।”


রঈসুল মুফাসসিরীন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, উক্ত আয়াত শরীফ-এর মর্ম হলো-


الصبر عند الغضب والعفو عند الاساءة


অর্থাৎ “রাগের সময় ধৈর্যধারণ করা এবং মন্দ ব্যবহার ক্ষমা করা।” মানুষ যখন এই নীতির অবলম্বন করবে তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদেরকে বিপদাপদ হতে রক্ষা করবেন এবং শত্রুদেরকে এমনভাবে অনুগত করে দিবেন যেনো তারা ঘনিষ্ঠ বন্ধু। (বুখারী শরীফ)


মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষের নফসের মধ্যে রাগকে এইজন্য পয়দা করেছেন যে, তা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে। মানুষের ক্ষতিকর কোন বস্তু সামনে আসলে রাগভরে তা দূর করবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি লোভকে পয়দা করেছেন এজন্য যে, মানুষের জন্য যা কল্যাণকর তা নিজের দিকে টেনে আনবে, আর যা অপকারী বা অপ্রিয় তা রাগভরে দূরে সরিয়ে দিবে। রাগ ও লোভের অভাব হলে জীবন ধারন কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু এ দু’টি যখন শরীয়তের সীমা অতিক্রম করে তখন এদুয়ের পরিণাম বা কুফল অত্যন্ত ভীষণ ও মারাত্মক হয়ে যায়।


শরীয়তের সীমা অতিক্রমকারী রাগ অধিক মাত্রায় বেড়ে গেলে অন্তরে তা আগুনের মত জ্বলে উঠে এবং এর গরম মস্তিষ্কে প্রবেশ করে মস্তিষ্ককে অন্ধকারময় করে ফেলে। তখন সে ব্যক্তি বিচার-বিবেচনা শক্তি হারিয়ে বসে এবং তার বিষাক্ত উত্তেজনা উক্ত রাগান্বিত ব্যক্তির শিরায় শিরায় প্রবলবেগে প্রবাহিত হয়। সে ব্যক্তি তখন শয়তানের মুখে কথা বলে, শয়তানের চোখে দর্শন করে, শয়তানের কানে শ্রবণ করে এবং শয়তানের নির্দেশ অনুযায়ী তার সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নড়াচড়া করে। ফলে তখন সে ব্যক্তির সর্বপ্রকার কাজর্কম শয়তানের দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। রাগকে দমন করতে না পারলে মানুষ যে দ্বীন ও দুনিয়ার ক্ষেত্রে কি পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় তা বলে শেষ করার মতো নয়।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, কোন প্রকার অন্যায় বা গুনাহর কাজের বিরুদ্ধে ক্রোধ (রাগ) প্রদর্শন করা একান্ত আবশ্যক। তিনি আরো ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি দেরীতে রাগান্বিত হয় এবং অতিশীঘ্র রাগ সম্বরণ করে, সে ব্যক্তি অতি উত্তম। আর যে ব্যক্তি অতিশীঘ্র রাগান্বিত হয় এবং দেরীতে রাগ সম্বরণ করে সে ব্যক্তি অত্যন্ত মন্দ।


মিশকাত শরীফ-এ বর্ণিত হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, এক ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমাকে উপদেশ দান করুন। তিনি ইরশাদ করলেন, রাগ করিও না। উক্ত ব্যক্তি একই কথা কয়েকবার আবৃত্তি করলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও একই উত্তর দিলেন, রাগ করিওনা।


তিনি আরো ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি কুস্তিগিরীতে (মল্লযুদ্ধে) ক্ষমতাবান, সে বীরপুরুষ নয়। বরং যে ব্যক্তি রাগের সময় নিজকে সামলিয়ে নিতে পারে, সে ব্যক্তিই বীরপুরুষ।


তিনি আরো ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি রাগ সম্বরণ করে, মহান আল্লাহ পাক তিনি কিয়ামতের দিন তাকে আযাব থেকে দূরে রাখবেন।


তিনি আরো ইরশাদ করেন, রাগ শয়তানের প্ররোচনা থেকে এবং শয়তান আগুন থেকে সৃষ্ট হয়েছে। আগুন পানি দ্বারা নির্বাপিত হয়। কাজেই যখন তোমাদের মধ্যে কেউ রাগান্বিত হয় তখন তার কর্তব্য হলো ওযূ করে নেয়া।


তিনি আরো ইরশাদ করেন, তোমাদের মধ্যে কেউ দাঁড়ানো অবস্থায় রাগান্বিত হলে, তার বসে যাওয়া কর্তব্য। যদি তাতে রাগ দমন হয় তবে ভাল, অন্যথায় তার শুয়ে পড়া কর্তব্য।


হাদীছ শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে- হযরত মূসা কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি আরয করলেন, ইয়া বারে ইলাহী! আপনার বান্দাগণের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় বান্দা কে? মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, যে ব্যক্তি ক্ষমতা থাকা সত্ত্বে (অপরের দোষ) ক্ষমা করে দেয়।


হাদীছ শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে, তিনটি কাজ মুক্তি দান করে- প্রকাশ্যে ও গোপনে পরহিযগারী অবলম্বন করা, শান্ত ও রাগ উভয় সময়ে হক কথা বলা। ধনী ও দরিদ্র উভয় অবস্থায় মধ্যম পন্থা অবলম্বন করা।

কায়িনাতের বুকে মহান আল্লাহ পাক উনার এক অনন্য বেমেছাল মহাসম্মানিত বরকতপূর্ণ ফযীলতপূর্ণ দিবস হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ।


 কায়িনাতের বুকে মহান আল্লাহ পাক উনার এক অনন্য বেমেছাল মহাসম্মানিত বরকতপূর্ণ ফযীলতপূর্ণ দিবস হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ।

---------------------------------------------------------

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِىْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ.

 অর্থ: “আর (আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি তাদেরকে (সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীকে) আইয়্যামিল্লাহ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ বিশেষ দিনগুলো সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিন, জানিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এই বিশেষ বিশেষ দিনগুলো উনাদের মধ্যে অবশ্যই প্রত্যেক শোকরগুজার ও ধৈর্যশীল বান্দা-বান্দীদের জন্য নির্দশন মুবারক রয়েছে। অর্থাৎ এই সম্মানিত বিশেষ বিশেষ দিনগুলো যদি বান্দা-বান্দী, উম্মত, কায়িনাতবাসী তা’যীম-তাকরীম ও মুহব্বতের সাথে পালন করতে পারে, তাহলে তারা এর মাধ্যম দিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের হাক্বীক্বী রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করতে পারবে, ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে পারবে।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৫) 


মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আর সেই মহাসম্মানিত আইয়্যামিল্লাহ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ বিশেষ দিবসসমূহ উনাদের এক অনন্য বেমেছাল মহাসম্মানিত বরকতপূর্ণ ফযীলতপূর্ণ বিশেষ দিবস হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! কেননা এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফেই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের মহাপবিত্র মহাসম্মানিত রহমতপূর্ণ, বরকতপূর্ণ, সাকীনাপূর্ণ, ফযীলতপূর্ণ আযীমুশান নিসবতে আযীম শরীফ অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। সেই বৎসর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ বার হিসেবে ইছনাইনিল আযীম শরীফ ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সেই দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি অর্থাৎ উনারা এতো বেমেছাল খুশি মুবারক প্রকাশ করেছেন, যা কায়িনাতের মাঝে নযীর বিহীন। সুবহানাল্লাহ! শুধু তাই নয়, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা, হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং সমস্ত কায়িনাত সকলে তো অবশ্যই; এমনকি সেই দিন স্বয়ং যিনি খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনিও সম্মানিত খুশি মুবারক প্রকাশ করেছেন, মহাসম্মানিত ‘ফালইয়াফরহূ’ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেছেন। সুবহানাল্লাহ! আবার এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন সাইয়্যিদু কুরাইশ, সাইয়্যিদুন নাস, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইমামুছ ছাক্বালাইন, ইমামুল মুত্তাক্বীন, মালিকুল জান্নাহ সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেই বৎসর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ বার হিসেবে ইছনাইনিল আযীম শরীফ ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! শুধু তাই নয়, এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ ইয়াওমুল আরবিয়াতে বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ, সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম ইবনে হযরত যুন নূরাইন আলাইহিমাস সালাম তিনিও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন।” সুবহানাল্লাহ!


তাহলে এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ কতো বেমেছাল রহমতপূর্ণ, বরকতপূর্ণ, নিয়ামতপূর্ণ, ফযীলতপূর্ণ তা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর চিন্তা ও কল্পনার ঊর্ধ্বে। সুবহানাল্লাহ!

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...