Tuesday, May 11, 2021

খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পথে খরচ করলে তা বহু গুনে বৃদ্ধি পায়


 খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পথে খরচ করলে তা বহু গুনে বৃদ্ধি পায়


খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রিযামন্দি সন্তুষ্টি মুবারক লাভের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় দান ছদকা করা। ইবাদতসমূহ উনার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে দান ছদকা করা। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাতে দান ছদকার ফযীলত ও গুরুত্ব অপরিসীম। যেমন খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-


مَنْ ذَا الَّذِي يُقْرِضُ اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا فَيُضَاعِفَهُ لَهُ أَضْعَافًا كَثِيرَةً وَاللَّهُ يَقْبِضُ وَيَبْسُطُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ 


অর্থ: “তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে, যে খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে উত্তম ঋণ দিবে। খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পথে দান ছদকা করবে। অতঃপর খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে তা বহু বহু গুণে বাড়িয়ে দিবেন। বস্তত: খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কাউকে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল ও অস্বচ্ছল করেন এবং উনার দিকেই তোমাদেরকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।” (পবিত্র সূরা আল বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ- ২৪৫)


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরও ইরশাদ মুবারক করেন-


مَثَلُ الَّذِينَ يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ أَنْبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ فِي كُلِّ سُنْبُلَةٍ مِائَةُ حَبَّةٍ وَاللَّهُ يُضَاعِفُ لِمَنْ يَشَاءُ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ . الَّذِينَ يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ثُمَّ لَا يُتْبِعُونَ مَا أَنْفَقُوا مَنًّا وَلَا أَذًى لَهُمْ أَجْرُهُمْ عِنْدَ رَبِّهِمْ وَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ


অর্থ: “যাঁরা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পথে নিজেদের ধন-সম্পদগুলো ব্যয় করে তাদের উপমা যেমন একটি শস্য বীজ। যা থেকে উৎপন্ন হয়েছে সাতটি শীষ। প্রত্যেক শীষে রয়েছে একশটি শস্য। আর খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যার জন্য ইচ্ছে করবেন তাকে আরো বাড়িয়ে দিবেন। বস্তুত খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন মহান দাতা ও মহাজ্ঞানী। যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার পথে নিজেদের ধন-সম্পদগুলো ব্যয় করেন এবং সে জন্য কাউকে খোঁটা দেন না, কষ্টও দেন না। তাঁদের জন্য রয়েছে তাঁদের মহান রব উনার পক্ষ থেকে বিশেষ পুরস্কার। মূলত তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা কখনো চিন্তাগ্রস্তও হবেন না”। (পবিত্র সূরা আল-বাকারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ- ২৬১-২৬২)


খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরও ইরশাদ মুবারক করেন-


إِنْ تُقْرِضُوا اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا يُضَاعِفْهُ لَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ وَاللَّهُ شَكُورٌ حَلِيمٌ


অর্থ: “তোমরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনাকে উত্তম ঋণ দাও তথা উনার পথে দান- ছদক্বা করো, খয়রাত করো তা হলে তিনি তোমাদেরকে তা বহু গুণে বাড়িয়ে দিবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। সুবহানাল্লাহ! মূলত খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহা গুণগ্রাহী ও অত্যন্ত সহনশীল”। (পবিত্র সূরা আত-তাগাবুন শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ- ১৭)


অতএব প্রত্যেক মুমিন মুসলমান যাঁরা খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রিযামন্দি সন্তুষ্টি মুবারক লাভের প্রত্যাশী তাঁদের উচিত খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় বেশী বেশী করে দান ছদকা করা। খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে সেই তাওফীক দান করুন।

অধিকাংশ নারী জাহান্নামী

 অধিকাংশ নারী জাহান্নামী


====================

একবার হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম ও হযরত ফাতিমাতুজ যাহরা আলাইহাস সালাম ওনারা নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে দেখা করতে আসেন। এসে দেখেন যে নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একাকী বসে কাঁন্না মোবারক করছেন। হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! আমার পিতামাতা আপনার জন্য কুরবান হোক, আপনি কাঁদছেন কেনো?


নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তখন জানালেন যে, মিরাজ শরীফের রাত্রিতে আমি আমার উম্মত নারীদেরকে জাহান্নামের ভয়ানক আজাবে গ্রেফতার দেখতে পেয়েছি। তারপর নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নারীদের শাস্তির বর্ণনা করলেন, লম্বা হাদিস। 


হযরত ফাতিমাতুজ যাহরা আলাইহাস সালাম তাদের গুনাহ সম্পর্কে জানতে চাইলে নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তারা হলো-


১. ঐ নারী যে মাথার চুল খুলে বেপর্দা হয়ে ঘর থেকে বের হয়।


২. ঐ নারী যে তার স্বামীকে কটূকথার মাধ্যমে কষ্ট দেয় এবং স্বামীকে সম্মান করে না।


৩. ঐ নারী যে বিবাহিত হয়েও পর পুরুষের সাথে সম্পর্ক রাখে।


৪. ঐ নারী যে অপবিত্র হওয়ার পর পবিত্রতা অর্জনে অলসতা করে এবং নামাজ কাজা করে ফেলে। (জাহান্নামে এদের চেহারা শুকরের মতো ও শরীর গাধার মতো হবে)


৫. ঐ নারী যে মিথ্যা কথা বলে এবং গীবত করে। (জাহান্নামে এদের মুখ দিয়ে আগুন প্রবেশ করিয়ে পেছন পথ দিয়ে বের করা হবে এবং একজন ফেরেশতা তাকে প্রহার করতে থাকবে)


৬. ঐ নারী যে অন্যের সুখ দেখে হিংসা করে এবং উপকার করে খোঁটা দেয়। (এদের চেহারা কুকুরের মতো হবে) (মুসনাদে আহমাদ)

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...