Tuesday, March 22, 2022

সূরা দুখান দ্বারা শবে বরাত আর সূরা ক্বদর দ্বারা শবে ক্বদর প্রমানিত

 সূরা দুখান দ্বারা শবে বরাত আর সূরা ক্বদর দ্বারা শবে ক্বদর প্রমানিত



মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আমি কুরআন শরীফ নাযিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি বরকতময় রাতে। (সূরা দুখান : আয়াত শরীফ ৩)

অধিকাংশ তাফসীর গ্রন্থ ও গুনইয়াতুত ত্বালিবীন ৩য় খণ্ড ৩৪৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, লাইলাতিম মুবারকাহ হচ্ছে লাইলাতুন নিছফি মিন শাবান আর ওটাই লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত।

আর সূরা ক্বদরে আল্লাহ পাক তিনি বলেন, আমি লাইলাতুল ক্বদরে কুরআন শরীফ নাযিল করেছি। এ আয়াত শরীফ-এর ব্যাখ্যায় সমস্ত উলামায়ে কিরাম বলেছেন যে, উক্ত রাতটি ছিলো রমাদ্বান শরীফ-এর শেষ দশকের বেজোড় রাতের যে কোন একটি রাত।

পৃথিবীর সকল তাফসীর, হাদীছ, শরাহ, ফতওয়া, ফিক্বহ, তারীখ ইত্যাদি সমস্ত কিতাবে এ বিষয়টিই আলোচনা করা হয়েছে। অতএব, লাইলাতুম মুবারকাহ বা শবে বরাত কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ নেই এমন দাবি করা জিহালতী, অজ্ঞতা, গোমরাহী ও কুফরী। মূলত প্রকৃতপক্ষে কুরআন শরীফকেই অস্বীকার করার অন্তর্ভুক্ত। নাঊযুবিল্লাহ! মুসলমান দাবি করার পরও যারা শবে বরাত মানেনা তারাই প্রকৃতপক্ষে বাতিল ৭২ ফিরক্বার অন্তর্ভুক্ত। যারা ওহাবী, খারিজী, দেওবন্দী, জামাতী, সালাফী, তাবলীগী তথা বাতিল তারাই শবে বরাত মানে না।

ওলী আল্লাহ উনাদের বৈশিষ্ট্য

 ওলী আল্লাহ উনাদের বৈশিষ্ট্য



ওলী আল্লাহ উনাদের বৈশিষ্ট্য জানেন?? অনেক বৈশিষ্ট্যই আছে। তবে মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে আল্লাহ পাক উনার ওলীগন হারাম/নাজায়িয কাজতো দূরের কথা একটা মাকরূহ তানযীহি আমলও করেন না।

বিদয়াত এবং দৃষ্টকটু কাজতো দূরের কথা একটা মুস্তাহাব সুন্নতও ত্যাগ করেন না। আর এটাই উনাদের সবচাইতে বড় কারামত। সুবহানাল্লাহ্!

অথচ আজ এমন অনেক লোক দেখা যায়, যারা নিজেদের ওলীআল্লাহ দাবী করে অথচ তারা হারামে ডুবে আছে। বেপর্দা হচ্ছে, ছবি তুলছে, গান বাজনা করছে ইত্যাদি ।

ওলী আল্লাহ উনাদের পক্ষে কি হারাম বা শরীয়তের বহির্ভূত কোন আমল করা সম্ভব ??

কখনোই না, কারন আল্লাহ পাক বলেন- আল্লাহ পাক ঐ সকল মু’মিনদের ওলী যাদের তিনি বের করে আনেন অন্ধকার থেকে আলোর দিকে। (সূরা বাক্বারা ২৫৭)

অর্থাৎ ওলী আল্লাহ যিনারা হবেন উনাদের সম্পূর্ণ রক্ষনাবেক্ষণ আল্লাহ পাক নিজে করেন। তাদের পক্ষে একারনে কোন শরীয়তের বহির্ভূত কিছু করা সম্ভব হয় না, বা তাদের চিন্তাতেও আসে না।

এ কারনেই আল্লাহ পাক ঐ সকল ওলী আল্লাহ উনাদের মর্যাদা প্রকাশ করে বলেন– সাবধান ! যারা আমার ওলী উনাদের কোন ভয় নাই, চিন্তা নাই। ( সূরা ইউনূস আলাইহিস সালাম ৬২)

আর হাদীসে কুদসী শরীফে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন- ” আমি তাদের (ওলী আল্লাহ উনাদের) মুহব্বত করি। আমি এতটাই মুহব্বত করি তখন আমি তার চোখ হয়ে যাই তিনি আমার চোখে দেখেন, আমি তার কান হয়ে যাই তিনি আমার কানে শোনেন, আমি তার হাত হয়ে যাই তিনি আমার হাতে ধরেন, আমি তার যবান হয়ে যাই তিনি আমার জবানে কথা বলেন, আমি তার পা হয়ে যাই তিনি আমার পায়ে চলেন। ”

( বুখারী শরীফ ২/৯৬৩)

অর্থাৎ ওলী আল্লাহগন আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার কুদরতের মধ্যে নিয়ন্ত্রিত হন।

তাহলে এখন বলুন হক্বানী ওলী আল্লাহগন উনাদের দ্বারা কি আল্লাহ পাক উনার কুদরতে বা নিয়ন্ত্রনে থেকে শরীয়তের বহির্ভূত কিছু করা সম্ভব ?

কোন হারম কাজ করা সম্ভব ?

সুন্নতের খিলাপ করা সম্ভব ??

কোন দিনও সম্ভব নয়, আল্লাহ পাক উনার কুদরতে থেকে হারাম/নাজায়িয/বিদয়াত করা কষ্মিনকালেও সম্ভব নয়। যদি কেউ বলে সম্ভব তাহলে তার ঈমান থাকবে না।

সূতরাং যে সকল ব্যক্তি হারাম নাজায়িয কাজ করে ওলী হওয়ার দাবী করে তারা ভন্ড প্রতারক।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...