Tuesday, June 15, 2021

তারা ইসলামবিদ্বেষী! যারা কুরবানী নিয়ে স্বাস্থ্যগত ও দূষণের উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে।

 তারা ইসলামবিদ্বেষী! যারা কুরবানী নিয়ে স্বাস্থ্যগত ও দূষণের উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে।



🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸


ইসলামবিদ্বেষী, নাস্তিক, কথিত কুষিল সমাজ আর দালাল মিডিয়া প্রতিবছর কুরবানী এলেই পশুর হাট, গরুতে বিষাক্ততা, পশু কুরবানীর স্থান নিয়ে অপপ্রচার করে। তারা যুক্তি দেয় যে- ‘কুরবানী পশুর হাটের কারণে মানুষের দুর্ভোগ হয় আর হাসপাতালে রোগীদের কষ্ট হয়। আবার যত্রতত্র জবাই করার কারণে পরিবেশ দূষণ হয়।’ কিন্তু আসলে কি তাই? 

কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার:

বাস্তবে কোন্ মানুষের দুর্ভোগ হয় আর কোন্ রোগীর কষ্ট হয় তা কিন্তু তারা প্রমাণ করতে পারে না। কুরবানী তো মুসলমানদের জন্য। তো সেই মুসলমান নিজেই যখন কুরবানী দেয়ার জন্য পশু কিনতে যেয়ে লোকসমাগম হয় তাহলে তা তার দুর্ভোগ হয় কি করে?

অথচ যখন- ১. পহেলা বৈশাখে সারা বাংলাদেশের সবচেয়ে মুমূর্ষু ও জটিল রোগীদের চিকিৎসার স্থান ঢাকা মেডিকেল, পিজি হাসপাতালে ও বারডেমসহ গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে গমনের সবগুলো রাস্তাই ব্যারিকেড দিয়ে আটকানো থাকে, চর্তুদিকে থাকে হারাম বৈশাখপ্রেমী অজগ্র মানুষের ভীড়, সেখানে অ্যাম্বুলেন্স চলা তো দূরের কথা, সাধারন মানুষও হেঁটে যেতে পারে না, তা নিয়ে মিডিয়া কেন প্রতিবেদন করে না? কেন এর বিরুদ্ধে বলে না। কুরবানীর পশুর হাটের বিরুদ্ধে অপপ্রচারকারীরা তখন কেন মুখে কুলুপ এঁটে থাকে। তখন কি মানুষের দুর্ভোগ আর রোগীর কষ্ট হয় না? ২. রাস্তা আটকে পূজাম-প স্থাপন করায় কি যানজট হয় না? ৩. যখন রথযাত্রা হয়, তখন পুরো ঢাকা শহর থমকে যায়। তখন কেন এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয় না? কোনো আদেশ জারি করা হয় না? ৪. যুদ্ধাপরাদীদের বিচারের দাবিতে শাহবাগে অবস্থানের কারণে বারডেম, পিজি, ঢাকা মেডিকেলের রোগীরা টানা ৬ দিন ধরে অবরুদ্ধ ছিল। ব্যস্ত হাসপাতালগুলোর পাশে, সামনে অনবরত মাইক বাজানোর কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছে রোগী ও তাদের স্বজনরা। নিদারুণ কষ্ট স্বীকার করতে হয়েছে একুশের বইমেলায় যাতায়াতকারী মানুষদেরকেও। আর এই মিডিয়াও ওদের খবর প্রচারে ব্যস্ত ছিল। তখন কেন এই মিডিয়া প্রচার করেনি জনদুর্ভোগ আর রোগীদের কষ্টের কথা? যখন তাদের হুজ্জতি-বজ্জাতি বিষয় আসে, তখন তাকে বলা হয় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, দেশপ্রেম ইত্যাদি ইত্যাদি। আর যখন মুসলমানদের একত্র হওয়ার কোনো বিষয় আসে, তখন সেটাকে আখ্যা দেয়া হয় জনদুর্ভোগ হিসেবে! নাউযুবিল্লাহ!

গরু সুসাস্থ্যবান করা তথা মোটা-তাজাকরণ: 

মুসলমানদের কুরবানীর ঈদ আসলেই একশ্রেণীর মিডিয়া শুরু করে গরু গোশত নিয়ে অপপ্রচার। গরুর গোশতে অমুক সমস্যা, তমুক সমস্যাসহ নানান ত্যানা প্যাঁচাতে থাকে। তাদের অনেক কথার কোনো ভিত্তি না থাকলেও ঠিক ঈদের আগে গরুর গোশত বিরোধী নানান অপপ্রচারে লিপ্ত হয় তারা।

এখানে যে কথাটি মনে রাখতে হবে--

(১) গরুর শরীরে মোটা-তাজাকরণ ঔষধ দিলে তা গরুর মল-মূত্র দিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অধিকাংশ বের হয়ে যায়। (২) বাকি ঔষধ কিছু থাকলেও তা গোশত রান্নার করার পূর্বে ধৌত ও উচ্চতাপে রান্নার সময় নষ্ট হয়ে যায়।

(২) একটি মাঝারি ওজনের গরু মোটাতাজাকরণে যে স্টেরয়েড নামক উপাদান ব্যবহার করা হয়, একটি ডিমে প্রাকৃতিকভাবে তার থেকে অধিক পরিমাণে স্টেরয়েড থাকে। 

(৪) গরু মোটাতাজাকরণ সিস্টেমটি একসময় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুব উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে শেখানো হয়েছিলো। যে বিষয়টি এতদিন সরকারিভাবে শেখানো হলো, সেটা আজ হঠাৎ করে বিষাক্ত হয়ে গেলো কেন?

পরিবেশ দূষণ কি শুধু কুরবানীর সময়ে হয়ে থাকে?:

(১) ঢাকা শহরের ভিতরে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা কি শুধু কুরবানীর সময়েই হয়ে থাকে? সারাবছরে যে জনগণ নাক মুখ চেপে রাস্তা দিয়ে হাঁটে তা কি কারণে?

(২) ঢাকার আশেপাশের নদ-নদী মৃতপ্রায়; তা কি কুরবানীর কারণে?

(৩) হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করার পরেও হাতিরঝিল প্রকল্পে ময়লা আবর্জনা কি কুরবানীর কারণে? কাজেই হঠকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সরকারি কর্মকর্তারা এসবের কী জবাব দিবে???

তাহলে যারা কুরবানী এলে এসব অপপ্রচার করে থাকে, তারা কিসের ভিত্তিতে করে থাকে? সরকারি প্রশাসনও বা কি করে এসব অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়? তারা কি বুঝে না এর দ্বারা তারা মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করছে? এদেশ ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ। মুসলমানের দ্বীনি অনুভূতিতে আঘাত মুসলমানরা সহ্য করবেন না।

সামর্থ্যবান হয়েও পবিত্র কুরবানী না করা আল্লাহ পাক উনার অসন্তুষ্টির কারণ।

 সামর্থ্যবান হয়েও পবিত্র কুরবানী না করা আল্লাহ পাক উনার অসন্তুষ্টির কারণ।


______________________________________


সামর্থ্যবান হওয়ার পরেও যে ব্যক্তি পবিত্র কুরবানী করবে না ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-

من وجد سعة ولم يضح فلا يقربن مصلانا

অর্থ: “সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি পবিত্র কুরবানী করবে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটে না আসে।” (পবিত্র ইবনে মাজাহ শরীফ)

কাজেই, যে সমস্ত ব্যক্তিদের উপর পবিত্র কুরবানী ওয়াজিব, তাদের উচিত- পবিত্র ঈদুল আদ্বহা শরীফ উনার নামায আদায়ের উদ্দেশ্যে পবিত্র ঈদগাহে গমনের পূর্বেই পবিত্র কুরবানী উনার পশু ক্রয় করা। আর সম্মানিত ঈদুল আদ্বহা শরীফ উনার নামায আদায়ের পর পশু কুরবানী করার মাধ্যমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জন করা।

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রত্যেক সামর্থ্যবান ব্যক্তিদেরকে পবিত্র কুরবানী করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জন করার তাওফীক দান করুন। আমীন!

পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উভয় ঈদের দিন রোযা রাখা হারাম।

 পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উভয় ঈদের দিন রোযা রাখা হারাম।


_____________________________________

পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উক্ত দুই ঈদের দিন রোযা রাখা হারাম এবং একইভাবে পবিত্র ঈদুল আদ্বহার পরবর্তী তিন দিন রোযা রাখাও হারাম। যেমন এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুই ঈদে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন - ঈদুল ফিতরের দিন ও ঈদুল আদ্বহার দিন। (মুত্তাফাকুন আলাইহি)

অন্য এক বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে, দুই দিন কোন রোযা নেই - ঈদুল ফিতরের দিন ও ঈদুল আদ্বহার দিন। (মুত্তাফাকুন আলাইহি) 


হযরত নাবশাহ আল জুযালী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, সাইয়িদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আইয়্যামে তাশরীক হচ্ছে পানাহার ও মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করার দিন। কুরবানীর ঈদের পর ১১, ১২ ও ১৩ যিলহজ্জ তারিখে আরবগণ গোশত শুকাতেন বলে উক্ত দিন সমূহকে আইয়্যামে তাশরীক বা গোশত শুকানোর দিন বলা হয়। উক্ত তারিখ বা দিনসমূহেও রোযা রাখা হারাম। (মুসলিম শরীফ)

অনুরূপ আরো অনেক বর্ণনা রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখ রয়েছে যে, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আদ্বহা এবং ঈদুল আদ্বহা উনার পরবর্তী তিনদিন রোযা রাখা হারাম।


অথচ সম্প্রতি বর্তমান সরকারের ধর্মপ্রতিমন্ত্রী গত বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখার সংবাদ পাওয়া সত্বেও চাঁদ দেখতে না পাওয়ার মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন রোযা রাখিয়ে কোটি কোটি মুসলমানকে হারাম তথা কবীরা গুনাহে গুনাহগার বানানোর চেষ্টা করেছিল। নাউযুবিল্লাহ!

ইখলাছ সম্পর্কে

 ইখলাছ সম্পর্কে



মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র সূরা জারিয়াত শরীফ উনার ৫৬নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন যে,


وَمَاخَلَقْتُ الْجِنَّ وَ الْاِنْسَ الَّا لِيَعْبُدُوْنَ.


অর্থ: “আমি জিন ও ইনসান (মানুষ) সৃষ্টি করেছি একমাত্র আমার ইবাদত বন্দেগী করার জন্য।”


এখন ইবাদত তো আমরা বিভিন্নভাবেই করে থাকি। যেমন: পবিত্র নামায পড়া, পবিত্র রোযা রাখা, পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা ইত্যাদি সবকিছুই পবিত্র ইবাদত উনার অন্তর্ভূক্ত। এখন কথা হলো আমাদেরকে ইবাদতটা কীভাবে করতে হবে? আর এই ইবাদত করা সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন যে,


وَمَا اُمِرُوْا اِلَّا لِيَعْبُدُ وْا اللهَ مُخْلِصِيْنَ لَه الدِّيْنَ.


অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন যে বান্দারা যেন পবিত্র ইখলাছ উনার সাথে আমার ইবাদত বন্দেগী করে।” সুবহানাল্লাহ!

এখন পবিত্র ইখলাছ উনার সাথে আমল করতে হলে প্রথমে আমাদেরকে জানতে হবে পবিত্র ইখলাছ অর্থ কী? পবিত্র ইখলাছ অর্থ হচ্ছে একনিষ্ঠতা বা একাগ্রতা। এখন আমাদের মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জন করতে হলে একাগ্রচিত্তে ইবাদত-বন্দেগী করতে হবে। কারণ ইখলাছ ব্যতীত মহান আল্লাহ পাক তিনি কোনো আমল কবুল করেন না। আমরা তো সবাই চাই যে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে। তাই এখন আমাদেরকে পবিত্র ইখলাছ উনার সাথে আমল করে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে হবে। পবিত্র ইখলাছ উনার সহিত আমল করতে হলে একজন হক্কানী আলিম উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করতে হবে। এখন আমাদের উচিত একজন হক্কানী-রব্বানী আলিম উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে পবিত্র ইখলাছ উনার সহিত আমল করা। আমাদেরকে পবিত্র ইখলাছ উনার সাথে আমল করার তাওফীক দান করুন আয় মহান আল্লাহ পাক! (আমীন)।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...