Friday, July 9, 2021

পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা।

 পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা।


=====================


প্রতি বছর পবিত্র কুরবানির সময় শুরু হয় নানা ধরণের ষড়যন্ত্র। ইতিপূর্বে পবিত্র কুরবানির আগে গরুর মধ্যে ‘এ্যানথ্রাক্স’ ভাইরাসের নামে এক ধরণের ফোবিয়া (কুরবানির পশু ভীতি) ছড়ানো হয়েছিলো। সেই এ্যানথ্রাক্সের এখন কোন নামগন্ধও পাওয়া যায়না। এরপর শুরু হয়েছে, গরু মোটা তাজাকরণের ইনজেকশন ভীতি। এসব খবর গত বছরও মিডিয়া ব্যপক প্রচার করেছে। এই ট্রিক্সের দ্বারা ষড়যন্ত্রকারীরা তারা দু’ধরণের ফায়দা লুটেছিলো। মানুষের মনে বড় গরুর প্রতি ভীতি ছড়ানো এবং দেশী গরুর খামারগুলোর ব্যবসায় ধস নামানো। এসব ছাড়াও গত বছর কুরবানির পশু বহনকারী গাড়িগুলো ঢাকায় আসতে খুব সমস্যা সৃষ্টি করেছিলো। আবার যেসব গাড়ি ঢাকায় এসে পৌঁছেছে সেসব গাড়ি থেকে গরু নামাতে দেয়া হয়নি অনেক হাটে। অনেক হাটে ঈদের দুইদিন আগে হাটে গরু উঠানোর নোটিশ এসেছিলো। এসব ছাড়াও পরিবেশ রক্ষার নামে গৃহিত হয়েছিলো নির্দিষ্ট একটি জায়গায় সব গরু কুরবানি করার পরিকল্পনা। কয়েক বছর আগে কুরবানি না করে সে টাকা গবিবদের দান করে দেয়ার জোর প্রচারণাও চালানো হয়েছিলো অনলাইনে। 

বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় এবছরও পবিত্র কুরবানি নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এবার কথিত জনদুর্ভোগের কথা বলে রাজধানির ব্যস্ত স্থানে পবিত্র কুরবানির পশুর হাট না বসানোর জন্য গত ২৫ জুলাই (২০১৫) ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রদের চিঠি দিয়েছে পুলিশ। (খবর: প্রথম আলো, ২৯ জুলাই, ২০১৫) 


প্রকৃতপক্ষে পশুর হাট সরানো হলে কিংবা কোন হাট বন্ধ করে দিলে জনদুর্ভোগ আরো বহুগুণে বাড়বে। মানুষকে দুর দূরান্ত থেকে পশু কিনে আনতে হলে পশু ক্রেতাদের, পথচারীদের ও গাড়ি চলাচলে আরো বেশি বিঘ্ন ঘটবে। মানুষ দুরদুরান্ত থেকে পশু কিনতে টাকা বেশি খরচ হবে। 

বলার অপেক্ষা রাখেনা, এই পশুর হাট সরানোর উদ্যোগটি প্রশাসনের বিষফোঁড়া ইসলাম বিদ্বেষী হিন্দুদের একটি ষড়যন্ত্র, যা সরকারকেও বেকায়দা ফেলানোর ফন্দি। আর সরকার যদি এসব হিন্দু মালউন, নাস্তিকদের ইসলাম বিরোধী উদ্দ্যেগকে সমর্থন দেয় তবে এর জন্য কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।

সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে কাফির-মুশরিক, মুনাফিকদের সাথে মুহব্বত কুফরী

 সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে কাফির-মুশরিক, মুনাফিকদের সাথে মুহব্বত কুফরী


🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘🔘


যিনি বা যারা মুসলমান হবেন তাঁদের জন্য কোন কাফির, মুশরিক, মুনাফিকের সাথে বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই, তাদেরকে মুহব্বত করা যাবে না, অনুসরণ করা যাবে না, তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা যাবে না, তাদের সাথে উঠা-বসা করা যাবে না, তাদেরকে ভাল বলা যাবে না, তাদের রান্না করা খাবার খাওয়া যাবে না। 

কারণ তারা যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শত্রু এবং সম্মানিত মু’মিন-মুসলমান উনাদের শত্রু। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

يٰاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّـخِذُوْا عَدُوِّىْ وَعَدُوَّكُمْ اَوْلِيَاءَ

অর্থ: হে ঈমানদাররা! তোমরা আমার শত্রু এবং তোমাদের শত্রুদেরকে অর্থাৎ কাফির, মুশরিক, মুনাফিকদেরকে বন্ধু রূপে গ্রহণ করো না। (পবিত্র সূরা মুমতাহিনাহ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১)

অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন-

وَمَنْ يَّتَوَلَّـهُمْ مِّنْكُمْ فَإِنَّهٗ مِنْهُمْ

অর্থ: তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫১)

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَشَبَّهَ بِغَيْرِنَا،

অর্থ: ঐ ব্যক্তি আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয় বা ঐ ব্যক্তি আমাদের মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত নয় যে বিধর্মী-বিজাতীয়দের অনুসরণ করে। নাউযুবিল্লাহ! (মিশকাত শরীফ)

আরো ইরশাদ মুবারক করেন-

مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ

অর্থ: যে যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল বা সাদৃশ্য রাখে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। (আবু দাউদ শরীফ)

অতএব, সম্মানিত মুসলমান উনাদের জন্য কোন কাফির, মুশরিক, মুনাফিক, ফাসিক, বিদআতী, বেশরা, বেআমল, বাতিল ৭২ ফিরক্বার লোকদের সাথে মুহব্বত বা বন্ধুত্ব রাখা যাবে না, তাদের অনুসরণ করা যাবে না, তাদের নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা গ্রহণ করা ও মানা যাবে না, তাদের সাথে আত্মীয়তা করা যাবে না, তাদের সেমিনার, মজলিস, অনুষ্ঠানে যাওয়া যাবে না, তাদের সাথে খাওয়া-দাওয়া করা যাবে না। এক কথায়, তাদের প্রতি মুহব্বত প্রকাশ পায় ও তাদের সাথে সাদৃশ্য হয় এমন কোন কিছু করা যাবে না। এ সমস্ত থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকতে হবে। অন্যথায় মুসলমানের মুসলমানিত্ব বজায় থাকবে না।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...