Tuesday, September 22, 2020

হে মুসলিম আপনি- কোথায় থাকবেন, কার সাথে থাকবেন, কোন বিষয় থেকে দূরে থাকবেন?

 হে মুসলিম আপনি- কোথায় থাকবেন, কার সাথে থাকবেন, কোন বিষয় থেকে দূরে থাকবেন?


____________________________________

প্রসিদ্ধ তারিখ ও সীরাত গ্রন্থসমূহে উল্লেখ রয়েছে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ অবস্থান মুবারক করার সময় কতিপয় যুবক তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করে। কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন পবিত্র মদীনা শরীফ হিজরত মুবারক করলেন তখন ঐ সমস্ত যুবকদেরকে তাদের বাপ-দাদা ও বংশের লোকেরা বন্দী করে রাখে এবং দ্বীন ইসলাম পরিত্যাগের জন্য তাদের উপর নির্যাতন চালায়। এতে তারা ঈমান ধরে রাখতে না পেরে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ত্যাগ করে। নাউযূবিল্লাহ! পরে তারা তাদের গোত্রের লোকদের সাথে বদর যুদ্ধে মুসলমানদের বিরুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং ওই অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।” তাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করে ইরশাদ মুবারক করেন,

“নিশ্চয়ই যারা নিজেদের উপর যুলুম করে, তাদের প্রাণ গ্রহণের সময় হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা বললেন, তোমরা কি অবস্থায় ছিলে? তারা বলে দুনিয়ায় আমরা অসহায় ছিলাম। তখন হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা বলেন, দুনিয়া কি এমন প্রশস্ত ছিল না, যেখানে তোমরা হিজরত করতে পারতে? অবশ্যই তাদের আবাসস্থল জাহান্নাম আর তা খুবই মন্দ আবাস।” (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ- ৯৭)

 প্রসঙ্গত, এখন মুসলমানরা দুনিয়াবী স্বার্থে বাবা-মাকে ত্যাগ করে অন্যত্র চলে যায়, স্ত্রীর মন রক্ষার্থে কিংবা সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে গ্রাম ছেড়ে শহরাঞ্চলে স্থানান্তরিত হয়। অনেকে দুনিয়াবী ফায়দার জন্য দূর দুরান্তে জমি কিনে সেখানেই আবাসন গড়ে ক্ষণস্থায়ী জীবনে একটু ভালো থাকার জন্য। এটা এখন খুব স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু কোন মুসলমান কি তার মহামূল্যবান ঈমান হিফাজত করার জন্য বা দ্বীন ইসলাম উনার উপর ইস্তেক্বামাত থাকার জন্য কুফরিতে নিমজ্জিত বাবা মা পরিবারকে ত্যাগ করে অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়? কুফরি শিরকি পরিবেশ ছেড়ে নেককার আল্লাহওয়ালা উনাদের কাছাকাছি স্থানান্তরিত হওয়ার চেষ্টা কোশেশ করে? এটা নজিরবিহীন। এর কারণ অনেক। তবে উল্লেখযোগ্য একটি কারণ হচ্ছে মুসলমানদের মধ্যে মুসলমানিত্ব অনুপস্থিত। মহামূল্যবান ঈমান তার কাছে মূল্যহীন। একারণেই তার উপর ঈমানী আঘাত আসলে সে তা অনুভব করেনা।

The Sacred Falyafrwahoo Shareef

 The Sacred Falyafrwahoo Shareef


or Expressing joy on the Honor of the Biladat Shareef (Sacred arrival) of Noor-E-Mujassam, Habeebullah, Huzur Pak Swallallahu Alaihi Wa Sallam is the greatest 'Ibadah (SubahanAllah).

বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করলে যে করুণ পরিনতি বরণ করতে হবে।

 বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করলে যে করুণ পরিনতি বরণ করতে হবে।


__________________________________________

এক ব্যক্তি ছিল যে নিজেকে আলিম দাবী করতো। এক মজলিসে তার সামনে সাইয়্যিদাতুনা উম্মুল মু’মিনিন আছ ছালিছা হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনার শানের খেলাফ কথা বলা হলো। সে কোন প্রতিবাদ করলো না। সেই রাত্রেই সে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে স্বপ্নে দেখে। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ঐ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে ব্যক্তি তোমার সামনে উম্মুল মু’মিনিন হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনার শানের খেলাফ কথা বলা হলো, তুমি কোন প্রতিবাদ করলে না কেন? সে বললো, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ আমার প্রতিবাদ করার শক্তি ছিল না। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, তুমি মিথ্যা বলছো। তোমার প্রতিবাদ করার শক্তি ছিল, তুমি করনি। আজ থেকে তুমি অন্ধ হয়ে যাবে। সে ভয়ে ঘুম থেকে জেগে ওঠে দেখলো, সে অন্ধ হয়ে গেছে। চিন্তা ও ফিকিরের বিষয়, লোকটি কিন্তু সরাসরি হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনার শানের খেলাফ কথা বলেনি, তার সামনে বলা হয়েছে সে প্রতিবাদ করেনি, তাতেই যদি অন্ধ হয়ে যেতে হয় (এটা তার দুনিয়াবী শাস্তি, আখিরাতের শাস্তি তো পড়েই রইলো)।

তাহলে এখন যারা প্রতিনিয়ত সম্মানিত বাল্যবিবাহ উনার বিরোধিতা করছে, বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে আইন পাশ করছে, বাল্যবিবাহ মুক্ত ইউনিয়ন ঘোষনা করছে, মিডিয়াতে বাল্যবিবাহ বিরোধী অপপ্রচার চালাচ্ছে, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম করে বাল্যবিবাহ বিরোধী বক্তব্য রাখছে; তাদের কি ভয়ানক পরিণতি হবে দুনিয়া এবং আখিরাতে- চিন্তা করলেই মাথা হ্যাং হয়ে আসে। আর যারা চোখের সামনে সম্মানিত বাল্যবিবাহ উনার বিরোধিতা হতে দেখেও প্রতিবাদ করছে না, তাদেরই বা কি কঠিন পরিণতি হবে- মুসলমানরা ফিকির করেছে কি কখনো? এখন দুনিয়াতে বাল্যবিবাহ বিরোধী সবারই ঐ বদবখত লোকটির মত চোখ অন্ধ হয়ে নাও যেতে পারে। তবে মূল বিষয়টা হলো- সে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের অসন্তুষ্টিতে পড়লো। এই কারণে সে দুনিয়াতে যেমন নানাভাবে লাঞ্চিত হবে, তেমনি মারা গেলে বিনা হিসাবে জাহান্নামে যাবে। বাল্যবিবাহ বিরোধীদের লাঞ্চিত-অপদস্ত হওয়া বাস্তবে প্রতিনিয়তই আমরা দেখতে পাই। 

পরিতাপের বিষয়, একজন মুসলমান নামধারী যখন সম্মানিত বাল্যবিবাহ উনার বিরোধিতা করে তখন কি একবারও চিন্তা করে না, আসলে সে কার বিরোধিতা করলো। সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত দাবী করে, অথচ বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করতে যেয়ে সে তার যিনি সম্মানিত নবী ও রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করলো। একজন আদনা উম্মত সম্মানিত নবী ও রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভূল ধরতেছে-কি ভয়ানক ব্যাপার! নাউযুবিল্লাহ! আরো ফিকিরের বিষয়, বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করলে শুধু যে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারই বিরোধিতা করা হয় তা কিন্তু নয়, সাথে সাথে মহান আল্লাহ পাক উনারও বিরোধিতা করা হয়। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ওহী মুবারক ব্যতীত কোন কথা বলেন না, কোন কাজ করেন না”। তাহলে সম্মানিত বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করার বিষয়টি তো সম্মানিত ওহী মুবারক উনারই নির্দেশ। কাজেই সম্মানিত বাল্যবিবাহ উনার বিরোধিতা করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভূক্ত এবং যারা সম্মানিত বাল্যবিবাহ উনাকে নিয়ে চু-চেরা/বিরোধিতা করবে তারা সৃষ্টির নিকৃষ্ট কাফির হবে। কাজেই ইমান নিয়ে মরতে চাইলে সম্মানিত বাল্যবিবাহ উনার বিরোধিতা করা ছেড়ে দিয়ে সম্মানিত বাল্যবিবাহ উনাকে খালিছভাবে মুহব্বত করতে হবে।

লেখাবাহুল্য, বাল্যবিবাহ করতেই হবে বা দিতেই হবে-এটা শর্ত নয়; শর্ত হচ্ছে সম্মানিত বাল্যবিবাহ উনাকে মুহব্বত করতে হবে। কারণ সম্মানিত বাল্যবিবাহ সরাসরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সম্পৃক্ত। অতএব, সম্মানিত বাল্যবিবাহ উনাকে মুহব্বত করার সহজ তরীকা হচ্ছে- যেহেতু কাফির মুশরিক মুনাফিকগুলি সম্মানিত বাল্যবিবাহ উনার বিরোধিতা করে, তাহলে নিশ্চয় বাল্যবিবাহের মধ্যে মুসলমানদের জন্য খায়ের-বরকত রয়েছে। কারণ কাফির-মুশরিক মুনাফিকগুলি মুসলমানদের ক্ষতি ছাড়া ভালো হোক সেটা কখনোই চায় না।

১০ ব্যক্তি শয়তানের বন্ধু

 ১০ ব্যক্তি শয়তানের বন্ধু



পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একবার ইবলীশকে দেখে জিজ্ঞাসা করলেন যে, আমার উম্মতের মধ্যে তোমার বন্ধু কে কে এবং তারা কতজন? জাওয়াবে ইবলীস বললো, আপনার উম্মতের মাঝে আমার দশজন বন্ধু রয়েছে। ১. জালিম বাদশা (শাসক), ২. অহঙ্কারী ধনী, ৩. খিয়ানতকারী ব্যবসায়ী, ৪. মদ্যপায়ী, ৫. চোগলখোর, ৬. রিয়াকারী অর্থাৎ লোক দেখানো আমলকারী, ৭. সুদখোর, ৮. ইয়াতীমের হক বা মাল ভক্ষণকারী, ৯. যাকাত অনাদায়কারী, ১০. ঐ ব্যক্তি যার লালসা বাড়তেই থাকে অর্থাৎ অত্যধিক লোভী।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...