Wednesday, January 26, 2022

সর্বোচ্চ সম্মান-ইজ্জততো ঈমানদারদের জন্যই।

 সর্বোচ্চ সম্মান-ইজ্জততো ঈমানদারদের জন্যই।



মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার জন্যই ইজ্জত-সম্মান এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য এবং মু’মিন মুসলমানগণ উনাদের জন্য। কিন্তু মুনাফিকরা এ সম্পর্কে আদৌ অবগত বা অবহিত নয়।” (পবিত্র সূরা মুনাফিকূন: আয়াত শরীফ ৮)

 এ পবিত্র আয়াতে কারীমা দ্বারা বুঝা গেল যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি কুল-মাখলুকাতের খালিক্ব মালিক রব। সমস্ত প্রশংসা, পবিত্রতা, সম্মান-ইজ্জতের তিনিই মূল মালিক। এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন মহান আল্লাহপাক উনার হাবীব। তাই তিনিও সর্বোচ্চ সম্মান, মর্যাদা ও ইজ্জতের মালিক। আর মানুষের মধ্যে ঈমানদার মুসলমানগণ উনারাই হলেন সর্বোচ্চ সম্মান, মর্যাদা ও ইজ্জতের অধিকারী।

 অতএব, কাফির-মুশরিকরা যতই এই সেই ডিগ্রি, নোবেল আর উপাধির দাবি করুক না কেন। মহান আল্লাহপাক উনার নিকট তাদের এসবের কোনোই মূল্য নেই। একমাত্র মুসলমান-ঈমানদারগণই মহান আল্লাহপাক উনার মুহব্বতের পাত্র। তাই উনারাই সৃষ্টির সর্বোচ্চ সম্মান ও ইজ্জতের অধিকারী।

ক্বিয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল সম্মানিত শান মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ মুবারক।

 ক্বিয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল সম্মানিত শান মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ মুবারক।



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন, ক্বিয়ামতের দিন একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা দিবেন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি কোথায়? অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক- আনা হবে। অতঃপর মহান আল্লাহ পাক তিনি বলবেন, হে হযরত আবূ হাফস আলাইহিস সালাম! আপনাকে মারহাবা। সুবহানাল্লাহ! (এরপর উনার সম্মানিত আমলনামা মুবারক দেখিয়ে বলা হবে।) এটা আপনার সম্মানিত আমলনামা মুবারক। আপনি ইচ্ছা করলে তা পড়তে পারেন, আর ইচ্ছা করলে নাও পড়তে পারেন। অবশ্যই আমি আপনার সমস্ত কিছু ক্ষমা করে দিয়েছি। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর সম্মানিত ইসলাম বলবেন, হে বারে ইলাহী! ইনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম। তিনি আমাকে দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত করেছেন, (দয়া করে) আপনি উনাকে কিয়ামতের ময়দানে সম্মানিত করুন! সুবহানাল্লাহ! সে সময় উনাকে একটি নূরের উটনীতে আরোহণ করানো হবে। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর উনাকে এমন এক জোড়া সম্মানিত লিবাস মুবারক পড়ানো হবে যে, তার একটিও যদি যমীনে প্রকাশ করা হয়, তাহলে সমস্ত কায়িনাত নিষ্প্রভ হয়ে যাবে। সুবহানাল্লাহ! তারপর উনাকে সত্তর হাজার তথা লক্ষ-কোটি, অসংখ্য-অগণিত হযরত ফেরেশত আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাধ্যমে অভ্যর্থনা করে সমস্ত হাশরের ময়দান ঘুরানো হবে। সুবহানাল্লাহ! এরপর একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা দিবেন, হে হাশরবাসী! ইনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! আপনারা সবাই উনাকে চিনে রাখুন, উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযিলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উপলদ্ধি করুন।” সুবহানাল্লাহ! (নুযহাতুল মাজালিস)

ইবলিশ শয়তান আকাশে উড়তে পারে, পানির উপরে হাঁটতে পারে, আগুনের উপড়ে স্থির থাকতে পারে, কিন্তু সুন্নত মুবারক পালন করতে পারে না।

 


ফতোয়ায়ে ছিদ্দীকিয়া নাম শুনেছেন?

 ফতোয়ায়ে ছিদ্দীকিয়া নাম শুনেছেন?


শুনেননি। শোনার কথাও না। সারাদিন ইউটিউবে ইসলাম শিখলে সত্যিকারের আলেম উলামাদের সম্পর্কেও জানতে পারবেন না। তাদের লিখিত কিতাবাদী সম্পর্কেও জানতে পারবেন না।


ফতোয়ায়ে ছিদ্দীকিয়া যিনি লিখেছেন তিনি গোটা ভারত উপমহাদেশের বিখ্যাত আলেমে দ্বীন হযরত শাহ ছুফী নেছারুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি। উনার বাবা ছিলেন চতুর্দশ হিজরি শতকের মুজাদ্দিদ। 


মুজাদ্দিদ সম্পর্কে জানেন?

জানেন না। ইউটিউব আলেমরা মুজাদ্দিদ সম্পর্কে বলে না তাই আপনারাও জানেন না। মুজাদ্দিদ সম্পর্কে বললে ইউটিউব আলেমদের ছবি-মূর্তির ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে তাই তারা মুজাদ্দিদ সম্পর্কে বলে না।


অথচ আল্লাহ তায়ালা ওয়াদা করেছেন প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য হাদী বা হিদায়েতকারী পাঠাবেন। যেহেতু নবী-রসূল আর দুনিয়াতে আসবেন না। সেহেতু আল্লাহর ওয়াদা অনুযায়ী তিনি উম্মতে মুহম্মদীর হিদায়াতের জন্য প্রতি ১০০ বছর পর পর একজন মুজাদ্দিদ পাঠান যিনি সমস্ত হারাম, বেপর্দা, বেহায়াপনা, বিদয়াতের মূলোৎপাটন করেন। এই ব্যাপারে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

“আল্লাহ তা'আলা এ উম্মাতের হিদায়াতের জন্য, কল্যাণের জন্য প্রত্যেক শতাব্দীর শেষে এমন এক ব্যক্তিকে পাঠাবেন যিনি তাদের দ্বীনকে সংস্কার করবেন।” (আবু দাউদ ৪২৯১, মিশকাতুল মাসাবিহ ২৪৭, হাদীছ ছহীহ)


চতুর্দশ শতকের মুজাদ্দিদ ছিলেন হযরত আবু বকর ছিদ্দীক ফুরফুরাবি রহমতুল্লাহি আলাইহি। এখনো মানুষ যাকে ফুরফুরা দরবার শরীফ নামে চেনে সেই ফুরফুরা দরবারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মুজাদ্দিদ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক রহতুল্লাহি আলাইহি। উনার খলিফা হযরত শাহ ছুফী নেছারুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন গোটা ভারত উপমহাদেশের বিখ্যাত আলেমে দ্বীন। তিনি স্পষ্ট ফতোয়া দিয়েছেন যে,

“ছবি হাতে অংকন করা হোক আর যন্ত্র দ্বারা তোলা হোক দুটোই হারাম। কেননা এখানে ছবি নির্মাণ করাই মূল উদ্দেশ্য। আর এই ছবি নির্মাণ করার ব্যাপারে হাদীছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এসেছে এবং একারণে কিয়ামতের দিন সবচেয়ে বেশি আযাব ও শাস্তির কথা বলা হয়েছে।” (ফতোয়ায়ে ছিদ্দীকিয়া, ৩৮৬ পৃষ্ঠা)


এবার কি বিষয়টা ক্লিয়ার? নাকি এখনো ইউটিউব আলেমদের ছবি-মূর্তির ব্যবসাকে প্রমোট করে নিজেও সেই জঘন্য ব্যবসায় শরীক হবেন?


Courtesy:- Respective Bipu Ahmed Vaijan

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...