Sunday, July 12, 2020

আয়া সুফিয়াকে জোর জবরদস্তি করে মসজিদ বানানো হয়নি। জোর জবরদস্তি করে মসজিদকে গির্জা বানানোর ইতিহাস রয়েছে বিধর্মীদের। গির্জাকে মসজিদ বানানোর ইতিহাস আমাদের নেই।


আয়া সুফিয়াকে জোর জবরদস্তি করে মসজিদ বানানো হয়নি। জোর জবরদস্তি করে মসজিদকে গির্জা বানানোর ইতিহাস রয়েছে বিধর্মীদের। গির্জাকে মসজিদ বানানোর ইতিহাস আমাদের নেই।
সংক্ষেপে ইতিহাস বলছি। শুনুন।

সবার প্রথমে ইস্তাম্বুল শহর সম্পর্কে জেনে নিই। আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানী গ্রন্থ পবিত্র কুরআনে রোম বিজয়ের কথা বলে যে শহর বোঝানো হয়েছে এটিই আয়া সুফিয়ার শহর। হাদীছ গ্রন্থে শহরটির নাম ‘আল-কুস্তুন্তুনিয়া’। এর অপর নাম ‘মদিনা জানিব মিনহা আল-বাহার ওয়া জানিব মিনহা আল-বার’ অর্থাৎ এমন শহর যার একদিকে সাগর, অন্যদিকে স্থল। ব্যাখ্যাকারগণ একমত, এটা তুরস্কের ইস্তাম্বুল। 

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভবিষ্যৎবাণী করে গিয়েছিলেন, অবশ্যই কুস্তুন্তুনিয়া বিজিত হবে। কতই না উত্তম ওই বিজয়ের আমির! আর কতই না উত্তম বাহিনী সেই বাহিনী! (মুসনাদে আহমদ)

সেই উত্তম আমির ছিলেন সুলতান মুহম্মদ ফাতিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি। আর উত্তম বাহিনী ছিল ইস্তাম্বুল বিজয়ের বাহিনী।

এবার একটু মনযোগ ঘুরিয়ে জানুন, বর্তমান ইস্তাম্বুলের পূর্ব নাম ছিল কনস্টান্টিনোপল। কনস্টান্টিনোপলের পূর্বনাম ছিল বাইজান্টিয়াম। সম্রাট কন্সটান্টাইন যখন এখানে রোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী সরিয়ে আনেন তখন এই শহরের নামকরন করেন কনস্টান্টিনোপল যার অর্থ কন্সটান্টাইনের শহর। আবার সর্বশেষ নবী হযরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভবিষ্যৎবাণী অনুযায়ী সুলতান মুহম্মদ ফাতিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি কনস্টান্টিনোপল দখল করে তার নাম রেখেছিলেন ইসলামবুল যার অর্থ ইসলামের নগর। পরবর্তী সময়ে এ নামটি পরিবর্তন হয়ে ইস্তাম্বুল হয়।

ইস্তাম্বুল এবং ইস্তাম্বুলে অবস্থিত আয়া সুফিয়ার পতন নিশ্চিত হওয়ার পরও সুলতান ফাতিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি নিজে উদ্যোগী হয়ে সন্ধির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু খ্রিস্টান পাদ্রীরা আসমানি সাহায্যের আশায় সন্ধির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল। সেসময় আয়া সুফিয়ায় আশ্রয়গ্রহণকারী খ্রিস্টানদের হত্যা করে সুলতান ফাতিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি আয়া সুফিয়া দখল করে নিতে পারতেন। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, সুলতান ফাতিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি গির্জায় আশ্রয়গ্রহণকারী একজন মানুষকেও হত্যা করেননি, সবাইকে নিরাপত্তা দান করেছিলেন। অথচ স্পেন বিজয়ের পর মসজিদে আশ্রয়গ্রহণকারী মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যা করার কাহিনী এপ্রিল ফুল নিয়ে সবাই জানেন। কই, আপনারা তো সেই বিষয়ে বিধর্মীদের দোষারোপ করেন না। বরং সানন্দে এপ্রিল ফুল উদযাপন করেন। নাঊযুবিল্লাহ!

আয়া সুফিয়া দখলের পর সুলতান ফাতিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি নিজের ব্যক্তিগত সম্পদ থেকে আয়া সুফিয়াকে খ্রিস্টান অর্থোডক্স পাদ্রীদের থেকে ক্রয় করে নিয়েছিলেন। কারণ উনার ইচ্ছা ছিল, আয়া সোফিয়াকে মসজিদ বানিয়ে আশপাশের এলাকাসহ মুসলিমদের কল্যাণে ‘ওয়াকফ’ করে দিবেন। আর ক্রয়-বিক্রয়ের চুক্তিপত্রটি আজ অবধি আঙ্কারার ‘তার্কিশ ডকুমেন্ট অ্যান্ড আর্গুমেন্ট ডিপার্টমেন্টে' সংরক্ষিত আছে।

সুতরাং ক্রয় করা সম্পত্তি নিয়ে পৃথিবীর কারো কিছু বলার কোন অধিকার নেই। যেমন বলার অধিকার নেই আমেরিকার প্রতিটা অঙ্গরাজ্য নিয়ে।

তারপরও বলছি, গ্রিক-রাশিয়া এবং কিছু মুসলমানদের যারা আয়া সুফিয়াকে আজ মসজিদ বানানোর ব্যাপারে নিন্দা করছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, খবিস কামাল পাশা যখন প্রতিষ্ঠিত মসজিদ আয়া সুফিয়ায় শিকল পরিয়ে রেখেছিলেন তখন খ্রিস্টানরা কেন তাদের গির্জার অধিকার ফিরিয়ে চাননি? ১৯৩৪ সালে তৎকালীন তুর্কী সরকার যখন শিকল পরা আয়া সুফিয়াকে জাতীয় জাদুঘরে পরিণত করতে চেয়েছিলেন তখন খ্রিস্টানরা কেন তাদের গির্জা ফিরিয়ে চাননি?

মুসলমানদের কেনা সম্পদের শিকল ভেঙে আজ যখন আয়া সুফিয়া আবার মসজিদে রূপান্তর হলো তখনই কেবল খ্রিস্টানদের সাথে নামধারী মুসলমানদের আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। 

নিশ্চিতই আমাদের কেনা সম্পদে খ্রিস্টানদের কোন অধিকার নেই। তাই তারা যা ইচ্ছা বলুক। আমাদের কিছু যায় আসে না। আর মুসলমানদের মধ্যে যারা খ্রিস্টান পাদ্রীদের পক্ষে আওয়াজ তুলছেন, তাদের পরিচয় সংক্ষেপে বলে দেওয়া উচিত। তাদের পরিচয় হাদীছেই পাওয়া যায়।

আমাদের নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, অচিরেই আমার উম্মতের কিছু লোক মূর্তিপূজা করবে। আর অতি শীঘ্রই আমার উম্মতের কিছু লোক মূর্তিপূজকদের সাথে মিশে যাবে। (সুনানে আবু দাউদ ৪২৫৪, ইবনে মাজাহ ৩৯৫২)

তথ্যসূত্রঃ
https://bit.ly/328VJSt
https://bit.ly/38O5M0L
https://bit.ly/2DqhgvF

মহল্লায় মহল্লায় পূজামন্ডপ হয় কিন্তু কুরবানীর হাট মহল্লায় মহল্লায় হতে বাধা!!

মহল্লায় মহল্লায় পূজামন্ডপ হয় কিন্তু কুরবানীর হাট মহল্লায় মহল্লায় হতে বাধা!!

বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে প্রতিবারই পাড়ায়-পাড়ায়, মহল্লায়-মহল্লায়, মোড়ে-মোড়ে পূজামন্ডপ বসাতে দেখা যায়। সংখ্যালঘুরা পাড়ায়-পাড়ায়, মহল্লায়-মহল্লায় পূজামন্ডপ বসাতে পারে তাহলে ৯৮ ভাগ মুসলমানদের সুবিধার্থে কেন প্রতিটি এলাকায় কুরবানীর হাট বসানো হবে না?
মুসলমানদের জন্য প্রতিটি এলাকা, পাড়া-মহল্লা সবখানইে কুরবানীর হাট বসাতে হবে, যাতে কুরবানীর পশু কিনতে মুসলমানদের কষ্ট করতে না হয়। পশুর হাট দূরে হলে যানজট বাড়বে, ভোগান্তি বাড়বে, ছিনতাই বাড়বে, পশু নিয়ে আসতে হয়রানি বাড়বে এছাড়াও আরো অনেক সমস্যা হতে পারে। সুতরাং প্রশাসনকে কারো প্ররোচনায় কান না দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করতে হবে।

জাদ্দু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল মুত্তালিব আলাইহিস সালাম উনার কুরবানী

জাদ্দু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল
 মুত্তালিব আলাইহিস সালাম উনার কুরবানী

সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একদিন পবিত্র কা’বা শরীফ উনার হাতীমের মধ্যে ঘুমিয়ে আছেন। এমন সময়ে স্বপ্নে তিনি দেখতে পেলেন, একজন অচেনা আগন্তুক উনাকে বলছেন, পবিত্র কূপ খনন করুন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কোন্ পবিত্র কূপ? আগন্তুক এর কোন জবাব না দিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেলেন। পরদিন সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার হুজরা শরীফ-এ গিয়ে ঘুমালেন, এ রাতেও সেই আগন্তুক এসে উনাকে বললেন, সংরক্ষিত কূপ খনন করুন। সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কোন্ সংরক্ষিত কূপ? আগন্তুক কোন জবাব না দিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেলেন। 
পরদিন সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাতীমের মধ্যে ঘুমাতে গেলেন, সেই আগন্তুক আবার এলেন এবং বললেন, যমযম খনন করুন। সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, যমযম কি? আগন্তুক বললেন : “যে কূপের পানি কখনো কমে না বা শুকায় না, যা সর্বোচ্চ সংখ্যক হাজীকে খাবার পানি সরবরাহ করতে পারে।”
অতঃপর যে স্থানটি খনন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে উক্ত স্থানের কিছু নিদর্শন উনাকে বলে দেয়া হলো। এভাবে কয়েকবার স্বপ্ন মুবারক দেখার পর সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পূর্ণ বিশ্বাস জন্মালো যে, এটি অবশ্যই সত্য স্বপ্ন।

তিনি কুরাইশদেরকে সব কথা খুলে বললেন আর উক্ত স্থান খনন করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। কুরাইশরা বাধা প্রদান করলেও তিনি সমস্ত বাধা ডিঙ্গিয়ে স্বীয় পুত্র হযরত হারিস আলাইহিস সালাম উনাকে নিয়ে টুকরী-কোদাল সহ নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে নির্দেশিত স্থান খনন করা শুরু করেন।

সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মাটি খনন করেন আর পুত্র হারিস আলাইহিস সালাম তিনি মাটি বহন করে দূরে নিক্ষেপ করেন। তিন দিন খনন কার্য চলার পর তিনি সেই প্রস্তরটি দেখতে পেলেন যা থেকে কুপ উৎসারিত হয়েছে। তখন আনন্দের আতিশর্য্যে আল্লাহু আকবার বলে উচ্চ স্বরে তাকবীর ধ্বনী দিলেন আর বলতে লাগলেন, এটা হযরত ইসমাঈল যবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার কূপ।

অতঃপর তিনি যমযম কূপের আশেপাশে কয়েকটি চৌবাচ্চা নির্মাণ করেন যাতে চৌবাচ্চাগুলোতে যমযমের পানি ভর্তি করে উক্ত পানি পবিত্র হজ্জ পালনকারীদের পান করানো সহজ হয়। কিন্তু কিছু দুষ্ট প্রকৃতির লোক হিংসাবশত রাতে এসে চৌবাচ্চার পানিগুলো অপবিত্র করে ফেলতো।

পরদিন সকালে সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পানি পবিত্র করার ব্যবস্থা করতেন। এ সকল দুষ্ট লোকদের দৌরাত্মে অতিষ্ঠ হয়ে তিনি কূয়া সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দুয়া করতে থাকেন, স্বপ্নযোগে উনাকে বলে দেয়া হলো যে, আপনি এ দুয়া করুন যে, আয় মহান আল্লাহ পাক! আমি যমযম কূপ থেকে মানুষের গোসল করার অনুমতি দিতে পারি না।

এটা তো শুধু পানকারীদের জন্য। সকালে নিদ্রা হতে জাগ্রত হয়েই তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরপর থেকে যে কেউ চৌবাচ্চা নষ্ট করার ইচ্ছা করতো সে কোন না কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়তো। বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটতে ছিল বলে দুষ্ট হিংসুকরা চৌবাচ্চাগুলো নষ্ট করা হতে বিরত হয়ে পড়লো।

যমযম কূপ খনন করার সময় সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার একমাত্র পুত্র হযরত হারিস আলাইহিস সালাম ব্যতীত অন্য কেউ উনার সাহায্যকারী ছিল না। এজন্য তিনি মানত করলেন যে, যদি মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে ১০ জন পুত্র সন্তান দান করেন আর উনারা যৌবনে পদার্পন করার ফলে উনার হাত শক্তিশালী হয় এবং কূপের রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম হন তাহলে তিনি উনাদের মধ্যে একজনকে মহান আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারকে কুরবানী করবেন। অতঃপর মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে ১০ জন পুত্র সন্তান দান করেন। উনার আশা পূর্ণ করেন।

তখন এক রাতে তিনি কা’বা ঘর উনার সামনে ঘুমাচ্ছিলেন। স্বপ্নে দেখেন যে, কোন এক ব্যক্তি উনাকে বলছেন, হে সাইয়্যিদুনা হযরত মুত্তালিব আলাইহিস সালাম! আপনি এ ঘর মুবারক উনার মহান রব তায়ালা উনার নাম মুবারকে যে মানত করেছিলেন তা পুরা করুন। জাগ্রত হয়ে তিনি সকল পুত্রগণ উনাদেরকে একত্রে সমবেত করেন এবং স্বীয় মানতের কথা এবং স্বপ্নের কথা খুলে বলেন। 
পুত্রগণ উনারা সকলেই সমস্বরে উত্তর দিলেন, হে আমাদের সম্মানিত পিতা! আপনার মানত পূরণ করুন। কোন পুত্রকে কুরবানী করা হবে তা নিধারণের জন্য তিনি স্বীয় পুত্র উনাদের নামে লটারী দিলেন।
অতঃপর লটারীতে সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক উঠলো। আর সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকেই সর্বোচ্চ মুহব্বত করতেন।

তখন সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এক হাত মুবারকে ছুরি ও অপর হাত মুবারকে সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাত মুবারক ধরে বধ্যভুমির দিকে চলছেন আর পিছন পিছন সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভগ্নীগণ প্রিয়তম ভাইয়ের জন্য কান্না করতে করতে চলেছেন।

তন্মধ্যে এক ভগ্নী বললেন, হে আমাদের সম্মানিত পিতা! আপনি ১০টি উট আর সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারকে লটারী দিন। যদি লটারীতে উটের নাম উঠে তাহলে ১০টি উট কুরবানী করে আমাদের প্রানপ্রিয় ভাইকে মুক্তি দিন। তখনকার সময় ১০টি উট এক ব্যক্তির খুনের বদলা ছিল। উক্ত আবেদন অনুসারে লটারী দেয়া হলো কিন্তু এবারও সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক এলো। 

অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১০টি করে উট বৃদ্ধি করে লটারী দিতে লাগলেন কিন্তু প্রত্যেকবারই সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারকই আসতেছিল। অবশেষে যখন একপার্শ্বে ১০০টি উট আর অপরপার্শ্বে সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক রেখে লটারী দেয়া হলো তখন লটারীতে উটের নাম আসলো।

সেসময় সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিসহ উপস্থিত সবাই আল্লাহু আকবার তাকবীর ধ্বনী দিলেন। ভগ্নীগণ সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে চলে গেলেন আর সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছাফা-মারওয়া পাহাড়দ্বয়ের মধ্যে ১০০ উট কুরবানী করলেন। সুবহানাল্লাহ!

Rajarbag Shareef Official

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...