Sunday, August 16, 2020

আজ পবিত্র ২৬শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

 আজ পবিত্র ২৬শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন আল খামিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! 


এ দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।

প্রত্যেকের উচিত- ব্যাপক যওক-শওকের মাধ্যমে এ মহিমান্বিত দিনখানি যথাযথ মর্যাদায় পালনের ব্যবস্থা করা।


সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সব সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোনো প্রতিদান চাই না। (আর তোমাদের পক্ষে তা দেয়াও সম্ভব নয়) তবে যেহেতু তোমাদের ইহকাল ও পরকালে নাজাত লাভ করতে হবে, মুহব্বত-মা’রিফাত, রেযামন্দি মুবারক হাছিল করতে হবে সেহেতু তোমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- আমার নিকটজন তথা হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আওলাদ আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রতি তোমরা সদাচারণ করবে।” (পবিত্র সূরা শূরা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)

পবিত্র আয়াত শরীফ থেকে প্রতিভাত হয়, প্রত্যেক ঈমানদার মুসলমানসহ কায়িনাতের সকলের জন্যই উপলব্ধি করা জরুরী যে, ‘মহাসম্মানিত ত্বহিরা, ত্বইয়্যিবা, উম্মুল মু’মিনী আলাইহিন্নাস সালাম অভিধায়, আখাচ্ছুল খাছ রহমত মুবারক, বরকত মুবারক, মাগফিরাত মুবারক, নাযাত মুবারক এবং অবর্ণনীয় ফজিলত মুবারকের বিষয় রয়েছে। অথচ সাধারণ মুসলমান তো বটেই নামধারী মালানারাও তা জানেনা। নাঊযুবিল্লাহ! অথচ মুসলমানের জন্য মহাসম্মানিত হযরত উম্মুল মু’মিনী আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সংখ্যা মুবারক, নাম মুবারক, মহাসম্মানিত জীবনি মুবারক বিশেষ বিশেষ ঘটনা মুবারক, বিশেষ করে উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস এবং বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস উনাদের দিন, তারিখ মুবারক জানা এবং মহাশান-শওকতে ও ব্যাপক জাক-জমক সহকারে পালন করার কথা ছিল। কিন্তু সে বিষয় বা ইতিহাস এতোদিন যাবত শুন্যই ছিল। তবে এ উম্মাহর প্রতি সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, ছাহিবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার বেশুমার ইহসান মুবারক, তোফায়েল ও তোহফা মুবারক যে, তিনি এ উম্মাহকে উল্লিখিত মহাসম্মানিত বিষয়ে বিশেষ তাজদীদ মুবারক তথা ইলম মুবারক দান করেছেন। সুবাহানাল্লাহ! সুবাহানাল্লাহ! সুবাহানাল্লাহ! পাশাপাশি পালন করার জন্য বেমেছাল ফায়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক দিচ্ছেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

আজ উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

উল্লেখ্য, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট ১৩ জন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়ার মুবারক ধারাবাহিকক্রম অনুযায়ী উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘আল খ¦মিসাহ তথা পঞ্চম’। এ জন্য উনাকে ‘উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল খ¦মিসাহ্ আলাইহাস সালাম’ বলা হয়। তিনি সকলের মাঝে ‘উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম’ হিসেবে পরিচিতি মুবারক গ্রহণ করেন। সুবহানাল্লাহ!

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন আর রবিয়াহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ইবনাতু আবীহা আলাইহাস সালাম উনার পর উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আল হিলালিয়্যাহ্ আলাইহাস সালাম উনাকে সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ করেন।” সুবহানাল্লাহ!

উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম তিনি আইয়্যামে জাহিলিয়াতের যুগেই সকলের মাঝে ‘সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! তবে উনার মূল মহাম্মানিত ও মহাপবিত্র ইসম মুবারক হচ্ছেন ‘সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাইনাব আলাইহাস সালাম’। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মাহবূব হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারিনী হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ! উনার সম্মানিত মুহব্বত মুবারকই হচ্ছেন সম্মানিত ঈমান। সুবহানাল্লাহ! 

“উম্মুল মু‘মিনীন আল খ¦মিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম তিনি মহানুভবতা ও উদারতাকে অত্যন্ত পছন্দ মুবারক করতেন এবং গরীব-মিসকীন, ফক্বির-ফুক্বারা, নিঃস্ব-অসহায়, সর্বহারা-দরীদ্রদের প্রতি সহানুভূতি, দয়া-করুনা ও ইহসান করার মাধ্যমে কিভাবে তাদের অনেক বড় উন্নতি করা যায় তা নিয়ে তিনি সবসময় ফিকির মুবারক করতেন। সুবহানাল্লাহ! এ কারণে উনাকে ‘হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম’ বলে সম্বোধন মুবারক করা হয়। সুবহানাল্লাহ! 

প্রসঙ্গত মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ উনার ১০৯নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, আমার রব উনার শান-মান লিখার জন্য যদি সমুদ্রের পানিকে কালি বানানো হয় তবুও মহান আল্লাহ পাক উনার শান মুবারক বর্ণনা শেষ হবে না বরং শেষ হওয়ার পূর্বে সমুদ্রের পানি নিঃশেষ হয়ে যাবে। আরো অনুরূপ যোগ করা হলেও।”

বলাবাহুল্য, এটা যেমন স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার শান মুবারকে তেমনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকেও এবং উম্মুল মু‘মিনীন আল খ¦মিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম উনার শান মুবারকেও যথাযোগ্যভাবে প্রযোজ্য। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!

সঙ্গতকারণেই মুসলমানদের উচিত- উনার প্রতি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে অকৃত্রিম মুহব্বত রাখা, তা’যীম তাকরীম করা বিশেষ করে উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ প্রকাশের মহাসম্মানিত দিন হিসেবে মহাসমারোহে, ব্যাপক শান-শওকত ও জওক-শওক সহকারে পালন করা। যামানার সুমহান মুজাদ্দিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, ছহিবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার এবং মহাসম্মানিত পূতঃপবিত্র হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের উছীলায় মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের তাওফিক দান করুন। আমীন! আমীন! আমীন!

উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত লক্বব মুবারক

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, 

وَلِلّٰهِ الْاَسْـمَاءُ الْـحُسْنٰـى فَادْعُوْهُ بِـهَا.

অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার অনেক সুন্দর সুন্দর সম্মানিত নাম মুবারক তথা সম্মানিত লক্বব মুবারক রয়েছেন, তোমরা উনাকে সেই সম্মানিত নাম মুবারক তথা সম্মানিত লক্বব মুবারক দ্বারা উনাকে আহ্বান মুবারক করো।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা আ’রাফ শরীফ: সম্মানিত আয়াত শরীফ ১৮০) 

মহান আল্লাহ পাক তিনি যেমন অসীম, ঠিক তেমনিভাবে উনার সম্মানিত লক্বব মুবারক উনাদের সংখ্যাও অসীম। সুবহানাল্লাহ! অনুরূপভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার মাহবূব হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার পরিপূর্ণ ক্বায়িম মাক্বাম হওয়ার কারণে উনার সম্মানিত লক্বব মুবারক উনাদের সংখ্যাও অসংখ্য-অগণিত। সুবহানাল্লাহ! এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন; এছাড়া সমস্ত সম্মানিত লক্বব মুবারক উনার অধিকারী হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ! ঠিক একইভাবে উম্মুল মু‘মিনীন আল খ¦মিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট এবং সম্পৃক্ত হওয়ার কারণে তথা উম্মুল মু‘মিনীন আলাইহাস সালাম হওয়ার কারণে উনার সম্মানিত লক্বব মুবারক উনার সংখ্যাও অসংখ্য-অগণিত। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া যত সম্মানিত লক্বব মুবারক রয়েছেন, সমস্ত সম্মানিত লক্বব মুবারক উনাদের অধিকারিণী হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ!

 এখানে উনার কতিপয় সম্মানিত বরকতময় লক্বব মুবারক উল্লেখ করা হলো:

১. اُمُّ الْمُؤْمِنِيْنَ عَلَيْهَا السَّلَامُ (উম্মুল মু’মিনীন আলাইহাস সালাম) একমাত্র যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মাহবূব হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা ব্যতীত সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের মহাসম্মানিতা মাতা আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!

২. اُمُّ الْمُؤْمِنِيْنَ اَلْـخَامِسَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ (উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ্ আলাইহাস সালাম) সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়ার মুবারক ধারাবাহিকক্রম অনুযায়ী উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘আল খ¦মিসাহ্ তথা পঞ্চম’। এ জন্য উনাকে ‘উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ্ আলাইহাস সালাম’ বলা হয়। সুবহানাল্লাহ!

৩. اَهْلُ بَيْتِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ। সুবহানাল্লাহ! 

৪. سَيِّدَةُ النِّسَاءِ عَلـٰى الْعَالَمِيْنَ (সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন) সারা কায়িনাতে যত মহিলা রয়েছেন উনাদের প্রত্যেকের সাইয়্যিদাহ। সুবহানাল্লাহ!

৫. سَيِّدَةُ نِسَاءِ اَهْلِ الْجَنَّةِ (সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ) জান্নাতবাসী সমস্ত মহিলাগণ উনাদের সাইয়্যিদাহ। সুবহানাল্লাহ!

৬. اُمُّ الْـمَسَاكِيْنِ (উম্মুল মাসাকীন)- গরীব-মিসকীন, ফক্বীর-ফুক্বারা’, নিঃস-অসহায়, সর্বহারা-দরিদ্রদের মহাসম্মানিতা মাতা আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!

৭. اٰيَةُ اللهِ (আয়াতুল্লাহ)- মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নির্দশন মুবারক। 

৮. اَلْبُشْرٰى (আল বুশরা)- সম্মানিত সুসংবাদ মুবারক।

৯. جَامِعةُ النِّعْمَةِ وَالنِّسْبَةِ (জামি‘য়াতুন নি’মাতি ওয়ান নিসবাহ)- সমস্ত সম্মানিত নিয়ামত মুবারক ও নিবসত মুবারক উনাদের মালিকাহ।

১০. اَلْـحَافِظَةُ (আল হাফিযাহ)- সর্বোত্তম হিফাযতকারিণী, সর্বশ্রেষ্ঠ সংরক্ষণকারিণী। 

১১. اَلْـحَامِدَةُ (আল হামিদাহ)- সর্বোত্তম প্রশংসাকারিণী। 

১২. حَبِيْبَةُ اللهِ (হাবীবাতুল্লাহ)- মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীবাহ।

১৩. اَلْـحَلِيْمَةُ (আল হালীমাহ)- পরম ধৈর্যশীলা, মহাসহনশীলা।

১৪. اَلْـخَالِصَةُ (আল খ¦ালিছাহ)- খালিছাহ, পূত-পবিত্রা।

১৫. اَلْـخَبِيْرَةُ (আল খ¦বীরাহ)- মহাবিচক্ষণা।

১৬. اَلْـخَلِيْلَةُ (আল খ¦লীলাহ)- আখাছ্ছুল খাছ মাহবূবাহ।

১৭. خَلِيْلَةُ الرَّحْـمٰنِ (খ¦লীলাতুর রহমান)- মহান আল্লাহ উনার আখাছ্ছুল খাছ মাহবূবাহ।

১৮. اَلذَّاكِرَةُ (আয যাকিরাহ)- সর্বোত্তম যিকিরকারিণী।

১৯. ذِكْرُ اللهِ (যিক্রুল্লাহ)- মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত যিকির মুবারক। অর্থাৎ উম্মুল মু‘মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম তিনি নিজেই যিকরুল্লাহ। সুবহানাল্লাহ!

২০. ذَاتُ الْـخلق العظيم (যাতুল খুলুক্বিল আযীম)- সর্বোত্তম সুমহান চরিত্র মুবারক উনার অধিকারিণী। 

২১. ذَاتُ السَّكِيْنَةِ (যাতুস সাকীনাহ)- সাকীনাহ, শান্তি, প্রশান্তি, ইতমিনান মুবারক উনাদের মালিকাহ।

২২. ذَاتُ الْعِزَّةِ (যাতুল ‘ইযযাহ)- সম্মানিত ইজ্জত মুবারক উনার মালিকাহ।

২৩. ذَاتُ الْفَضْلِ (যাতুল ফাদ্বল)- সম্মানিত ফযল মুবারক উনার মালিকাহ।

২৪. ذَاتُ الْـهِجْرَتَيْنِ (যাতুল হিজরাতাইন)- সম্মানিত দুই হিজরত মুবারক উনাদের মালিকাহ। সুবহানাল্লাহ! যেহেতু তিনি প্রথমবার হাবশায় এবং দ্বিতীয়বার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ-এ সম্মানিত হিজরত মুবারক করেন, তাই উনার একখানা বিশেষ লক্বব মুবারক হচ্ছেন যাতুল হিজরতাইন তথা সম্মানিত দুই হিজরত মুবারক উনাদের মালিকাহ। সুবহানাল্লাহ!

২৫. اَلرَّافِعَةُ (আর রাফি‘য়াহ)- সুউচ্চ মর্যাদা-মর্তবা মুবারক উনার অধিকারিণী এবং সুউচ্চ মর্যাদা-মর্তবা মুবারক দানকারিণী।

২৬. رَحْـمَةُ الْاُمَّةِ (রহমাতুল উম্মাহ)- সমস্ত উম্মতের জন্য সম্মানিত রহমত মুবারক।

২৭. لِّـلْـعَـالَـمِيْنَ ٌ رَحْـمَة (রহমাতুল্লিল ‘আলামীন)- সমস্ত আলমের জন্য সম্মানিত রহমত মুবারক।

২৮. رَفِيْقَةُ اللهِ (রফীক্বুল্লাহ)- মহান আল্লাহ পাক উনার রফীক্বাহ, হাবীবাহ। 

২৯. رَفِيْعَةُ الدَّرَجَاتِ (রফী‘য়াতুদ দারাজাত)- সকল সুউচ্চ সুমহান মর্যাদা-মর্তাবা ও মাক্বামাত মুবারক উনাদের মালিকাহ।

৩০. اَلزَّاهِدَةُ (আয যাহিদাহ)- দুনিয়াবিরাগিণী, মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে দায়িমীভাবে রুজু। 

৩১. اَلـزَّكِـىَّةُ (আঝ ঝাকিয়্যাহ)- পূত-পবিত্রা, মহাবিচক্ষণা।

৩২. اَلسَّابِقَةُ بِالْـخَيْرَاتِ (আস সাবিক্বাতু বিল খইরাত)- খইর, কল্যাণ, ভালাই ইত্যাদি সর্ববিষয়ে অগ্রগামিণী।

৩৩. اَلسَّاجِدَةُ (আস সাজিদাহ)- সর্বোত্তম সিজদাকারিণী। 

৩৪. اَلسَّخِىَّةُ(আস সাখি¦য়্যাহ)- মহাদানশীলা।

৩৫. سَعِيْدَةُ (আস সাঈদাহ)- সর্বশ্রেষ্ঠ সুখী, সর্বশ্রেষ্ঠ নেকবখ্ত, সৌভাগ্যবান। 

৩৬. اَلسَّلَامُ (আস সালাম)- সর্বশ্রেষ্ঠ শান্তিদাতা। 

৩৭. اَلسَيِّدَةُ (আস সাইয়্যিদাহ)- সাইয়্যিদাহ।

৩৮. سَيِّدَةُ الثَّقَلَيْنِ (সাইয়্যিদাতুছ ছাক্বলাইন)- দুই প্রধান সৃষ্টিজীব- জিন ও ইনসানের সাইয়্যিদাহ। 

৩৯. سَـيِّـدَةُ الْكَوْنَيْنِ (সাইয়্যিদাতুল কাওনাঈন)- দুই জগতের সাইয়্যিদাহ।

৪০. اَلشَّافِعَةُ (আশ শাফি‘য়াহ)- সর্বোত্তম সুপারিশকারিণী, সর্বশ্রেষ্ঠ শাফায়াতকারিণী।

৪১. اَلشَّافِـيَةُ (আশ শাফিয়াহ)- শিফাদানকারিণী, আরোগ্যদানকারিণী, সমস্ত উম্মতের জন্য যাহিরী-বাতিনী আরোগ্যদানকারিণী।

৪২. اَلشَّاكِرَةُ (আশ শাকিরাহ)- যথার্থ পুরস্কারদানকারিণী, যথাযথ শুকরিয়া আদায়কারিণী।

৪৩. اَلشَّاهِدَةُ (আশ শাহিদাহ)- উপস্থিত, হাযির-নাযির, সাক্ষ্যদানকারিণী।

৪৪. اَلشَّرِيْفَةُ (আশ শারীফাহ)- সর্বোচ্চ শরীফ, সর্বোচ্চ মর্যাদাবান, সর্বোচ্চ সম্ভ্রান্তশীলা।

৪৫. اَلصَّابِرَةُ (আছ ছাবিরহ)- চরম ধৈর্যশীলা।

৪৬. اَلصَّاحِبَةُ (আছ ছাহিবাহ)- মালিকাহ, অধিকারিণী।

৪৭. صَاحِبَةُ الشَّفَاعَةِ (ছাহিবাতুশ শাফা‘আহ)- সম্মানিত শাফায়াত মুবারক উনার মালিকাহ।

৪৮. صَاحِبَةُ الْفَضِيْلَةِ (ছাহিবাতুল ফাদ্বীলাহ)- সম্মানিত ফযীলত মুবারক উনার মালিকাহ।

৪৯. صَاحِبَةُ الْـخَيْرِ (ছাহিবাতুল খইর)- সমস্ত কল্যাণ মুবারক উনাদের মালিকাহ।

৫০. صَاحِبَةُ الْكَوْثَرِ (ছাহিবাতুল কাওছার)- সম্মানিত কাওছার মুবারক উনার মালিকাহ, সম্মানিত খাইরে কাছীর মুবারক তথা সমস্ত সম্মানিত ভালাই বা কল্যাণ মুবারক উনাদের মালিকাহ।

৫১. صَاحِبَةُ الدَّرَجَةِ الْعَالِيَةِ الرَّفِيْعَةِ (ছাহিবাতুদ দারাজাতিল ‘আলিয়াতির রফী‘য়াহ) সুউচ্চ সুমহান সম্মানিত দারাজাত তথা সম্মান ও মাক্বামাত মুবারক উনার মালিকাহ।

৫২. اَلطَّاهِرَةُ (আত্ব ত্বাহিরাহ)- পূত-পবিত্রা, পূত-পবিত্রতাদানকারিণী।

৫৩. اَلظَّاهِرَةُ (আয যাহিরাহ)- অত্যন্ত সুস্পষ্ট, উজ্জ্বল, সুউচ্চ মর্যাদাবান, সর্বশ্রেষ্ঠ বিজয়িনী।

৫৪. اَلْعَادِلَةُ (আল ‘আদিলাহ)- চরম ন্যায়বিচারকারিণী, চরম ন্যায়পরায়ণা।

৫৫. اَلْعَارِفَةُ (আল ‘আরিফাহ)- পরিচিত, অবহিত, জ্ঞাত। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার হাক্বীক্বী সম্মানিত পরিচয় মুবারক লাভকারিণী।

৫৬. اَلْعَافِـيَةُ (আল ‘আফিয়াহ)- মাফকারিণী, ক্ষমাকারিণী।

৫৭. اَلْعَالِـمَةُ (আল ‘আলিমাহ)- আলিমাহ।

৫৮. اَلْعَلِيْمَةُ (আল ‘আলীমাহ)- সর্বজ্ঞাত, মহাজ্ঞানী।

৫৯. اَلْعَزِيْزَةُ (আল ‘আযীযাহ)- মাহবূবাহ, মহাসম্মানিতা, বেমেছাল মর্যাদা-মর্তবা ও প্রভাব-প্রতিপত্তি মুবারক উনার অধিকারিণী, মালিকাহ।

৬০. اَلْعَلِـيَّةُ (আল ‘আলিয়্যাহ)- সুউচ্চ, মহামর্যাদাবান, মহাসম্মানিতা।

৬১. اَلْغَالِبَةُ (আল গ¦ালিবাহ)- গালিবাহ, মহাবিজয়িনী, সর্বাধিক প্রাধান্য বিস্তারকারিণী।

৬২. اَلْغَنِيَّةُ (আল গ¦নিয়্যাহ)- মহাসম্পদশালিনী, মহাধনী, অমুখাপেক্ষী, বেনিয়াজ।

৬৩. اَلْفَاضِلَةُ (আল ফাদ্বিলাহ)- মহাসম্মানিতা, সুউচ্চ মর্যাদা-মর্তবা মুবারক উনার অধিকারিণী, সর্বশ্রেষ্ঠা, সর্বসেরা।

৬৪. اَلْفَائِقَةُ (আল ফায়িক্বাহ)- সর্বশ্রেষ্ঠা, অনন্যা।

৬৫. اَلْفَارِقَةُ (আল ফারিক্বাহ)- হক্ব ও নাহক্বের মাঝে পার্থক্যকারিণী।

৬৬. اَلْفَصِيْحَةُ (আল ফাছীহাহ)- সুভাষিণী, বিশুদ্ধভাষিণী।

৬৭. اَلْقَاسِمَةُ (আল ক্বাসিমাহ)- বণ্টনকারিণী।

৬৮. اَلْقَائِدَةُ (আল ক্বায়িদাহ)- সাইয়্যিদাহ, মহানপরিচালিকা, হিদায়াত উনার পথে পরিচালনাকারিণী।

৬৯. قَائِدَةُ الْـخَيْرِ (ক্বায়িদাতুল খইর)- কল্যাণের দিকে পরিচালনাকারিণী, যিনি সবাইকে কল্যাণের দিকে নিয়ে যান।

৭০. قَائِدَةُ اللهِ (ক্বায়িদাতু ইলাল্লাহ)- মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে পরিচালনাকারিণী, যিনি সবাইকে মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে নিয়ে যান।

৭১. قَائِدَةُ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (ক্বায়িদাতু ইলা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে পরিচালনাকারিণী, যিনি সবাইকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে নিয়ে যান।

৭২. اَلْقَرِيْبَةُ (আল ক্বরীবাহ)- চিরনিকটবর্তী, অতি নিকটস্থ, অতি ঘনিষ্ঠ,

৭৩. اَلْقَوِيَّةُ (আল ক্বওইয়াহ)- সর্বশক্তিমান, মহাশক্তিধর।

৭৪. اَلْكَامِلَةُ (আল কামিলাহ)- পরিপূর্ণ, পরিপূর্ণতাদানকারিণী। 

৭৫. اَلْكَرِيْـمَةُ (আল কারীমাহ)- মহাসম্মানিতা, মহামর্যাদাবান, মহাদানশীলা।

৭৬. اَلْمُؤْتَـمَنَةُ (আল মু’তামানাহ)- চির বিশ্বস্ত, সর্বশ্রেষ্ঠা আমানাতদার, আমানতের যথাযথ হিফাযতকারিণী।

৭৭. اَلْمَأْمُوْنَةُ (আল মা’মূনাহ)- নিরাপদ, চির বিশ্বস্ত, আমানদানকারী, নিরাপত্তাদানকারী।

৭৮. اَلْـمُؤْمِنَةُ (আল মু’মিনাহ)- সর্বশ্রেষ্ঠা ঈমানদার, সর্বশ্রেষ্ঠা মু’মিনাহ।

৭৯. اَلْمَاجِدَةُ (আল মাজিদাহ)- গৌরবময়ী, মহামর্যাদাবান, মহান, গৌরবান্বিত।

৮০. اَلْمُبَاركَةُ (আল মুবারিকাহ)- বরকতদানকারিণী, কল্যাণদানকারিণী।

৮১. اَلْمُبَارَكَةُ (আল মুবারকাহ)- বরকতময়, কল্যাণময়।

৮২. اَلْـمُبَشِّرَةُ (আল মুবাশশিরাহ)- সুসংবাদদানকারিণী। 

৮৩. اَلْمُبَلِّغَةُ (আল মুবাল্লিগহ)- সম্মানিত দ্বীন উনার প্রতি আহ্বানকারিণী। 

৮৪. اَلْمُتَبَسِّمَةُ (আল মুতাবাসসিমাহ)- হাস্যোজ্জ্বল, যিনি মুচকি হাসি মুবারক দেন।

৮৫. اَلْمُجَاهِدَةُ (আল মুজাহিদাহ)- মুজাহিদাহ, জেহাদকারিণী।

৮৬. اَلْمُجِيْبَةُ (আল মুজীবাহ)- জবাবদানকারিণী, সাড়াদানকারিণী, কবুলকারিণী। 

৮৭. اَلْمَجِيْدَةُ (আল মাজীদাহ)- মহামর্যাদাবান, মহীয়ান, গৌরবান্বিত, গৌরবময়ী।

৮৮. اَلْمَحْمُوْدَةُ (আল মাহমূদাহ)- চরম প্রশংসিত।

৮৯. اَلْمُخْتَارَةُ (আল মুখ¦তারহ)- মনোনীত, সর্বশ্রেষ্ঠা। 

৯০. اَلْمُخْتَصَّةُ (আল মুখতাচ্ছাহ)- বিশেষ ব্যক্তিত্বা মুবারক, আখাছ্ছুল খাছ ব্যক্তিত্বা মুবারক।

৯১. اَلْـمَخْصُوْصَةُ بِالعِزَّةِ (আল মাখ¦ছূছাতু বিল ‘ইজ্জাহ)- বিশেষ সম্মান-ইজ্জত মুবারক উনার অধিকারিণী, আখাছ্ছুল খাছ সম্মান-ইজ্জত, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক উনাদের মালিকাহ। 

৯২. اَلْـمُرْشِدَةُ (আল মুরশিদাহ)- সৎ পথ প্রদর্শনকারিণী, হিদায়াতদানকারিণী।

৯৩. اَلْـمُزَكِّيَةُ (আল মুযাক্কিয়াহ)- তাযকিয়াদানকারিণী, পবিত্রতাদানকারিণী।

৯৪. اَلْـمُسْتَجِيْبَةُ (আল মুস্তাজীবাহ)- সাড়াদানকারিণী, জবাবদানকারিণী।

৯৫. اَلْمُسْتَفِيْضَةُ (আল মুস্তাফীযাহ)- ফয়েযদানকারিণী।

৯৬. اَلْمُسْتَقِيْمَةُ (আল মুস্তাক্বীমাহ)- সরল, সঠিক, ইস্তিকামত রাখনে ওয়ালা।

৯৭. اَلْمَسْعُوْدَةُ (আল মাস‘ঊদাহ)- সৌভাগ্যশীলা, সর্বশ্রেষ্ঠা ভাগ্যবান। 

৯৮. اَلْمَشْهُوْدَةُ (আল মাশহূদাহ)- উপস্থিত, হাযির-নাযির।

৯৯. اَلْـمُشَفَّعَةُ (আল মুশাফ্ফা‘আহ)- যেই সুমহান ব্যক্তিত্বা মুবারক উনার সুপারিশ কবুল করা হয়। 

১০০. اَلْمُصْلِحَةُ (আল মুছলিহাহ)- ইছলাহদানকারিণী, সংশোধনকারিণী।

১০১. اَلْمُصَدِّقَةُ (আল মুছদ্দিক্বাহ)- সত্যায়নকারিণী।

১০২. اَلْـمُطَهَّرَةُ (আল মুত্বহ্হারহ)- পূত-পবিত্রা।

১০৩. اَلْـمُطَهِّرَةُ (আল মুত্বহ্হিরহ্)- পূত-পবিত্রতাদানকারিণী।

১০৪. اَلْمَعْرُوْفَةُ (আল মা’রূফাহ)- পরিচিত, প্রসিদ্ধ, মশহূর।

১০৫. اَلْـمُعَزَّزَةُ (আল মু‘আয্যাযাহ)- মহাসম্মানিতা, মহামর্যাদাবান।

১০৬. اَلْمَعْشُوْقَةُ (আল মা’শূক্বাহ)- মা’শূক্বাহ, সকলের নিকট সর্বাধিক মাহবূবাহ।

১০৭. اَلْمُعَظَّمَةُ (আল মু’য়ায্যামাহ)- মহাসম্মানিতা, মহামর্যাদাবান। 

১০৮. اَلْمُعَلِّمَةُ (আল মু‘য়াল্লিমাহ)- মু‘য়াল্লিমাহ, তা’লীমদানকারিণী।

১০৯. اَلْمُعِيْنَةُ (আল মু‘ঈনাহ)- সর্বশ্রেষ্ঠ সাহায্যকারিণী।

১১০. اَلْـمُقَدِّسَةُ (আল মুক্বদ্দিসাহ)- উৎসর্গকারিণী, পবিত্রতাদানকারিণী।

১১১. اَلْـمُقَدَّسَةُ (আল মুক্বাদ্দাসাহ)- মহাপবিত্রা, উৎসর্গকৃত।

১১২. اَلْمُكَرَّمَةُ (আল মুর্কারমাহ)- মহাসম্মানিতা।

১১৩. اَلْمَالِكَةُ (আল মালিকাহ)- মালিকাহ, অধিকারিণী। 

১১৪. مَالِكَةُ الْـجَنَّةِ (মালিকাতুল জান্নাহ)- সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মালিকাহ। 

১১৫. مَالِكَةُ الْكَائِنَاتِ (মালিকাতুল কায়িনাত)- সমস্ত কায়িনাতের মালিকাহ।

১১৬. مَالِكَةُ جَامِعِ النِعَمِ(মালিকাতু জামিয়িন নি‘য়াম)- সমস্ত সম্মানিত নিয়ামত মুবারক উনাদের মালিকাহ।

১১৭. اَلْـمُنْتَصِرَةُ (আল মুনতাছিরহ)- সর্বশ্রেষ্ঠ বিজয়িনী, মহাশক্তিধর।

১১৮. منّة الله (মিন্নাতুল্লাহ)- মহান আল্লাহ পক উনার সর্বশ্রেষ্ঠ অনুগ্রহ মুবারক।

১১৯. اَلْـمُنْذِرَةُ (আল মুনযিরহ)- ভীতিপ্রদর্শনকারিণী, সতর্ককারিণী।

১২০. اَلْـمُنِيْبَةُ (আল মুনীবাহ)- মালিকাহ, মুনীবাহ, সমস্ত কায়িনাত যেই সুমহান ব্যক্তিত্বা মুবারক উনার গোলাম।

১২১. اَلْـمُغِيْثَةُ (আল মুগীছাহ)- সর্বশ্রেষ্ঠ সাহায্যকারিণী, ত্রাণকর্তা, উদ্ধারকারিণী।

১২২. اَلْـمُنِيْرَةُ (আল মুনীরহ)- আলোদানকারিণী, উজ্জ্বল, নূর দানকারিণী, হিদায়াত দানকারিণী, ফয়েযদানকারিণী, সম্মানিত রহমত মুবারক দানকারিণী।

১২৩. اَلْمَوْعِظَةُ (আল মাও‘িয়যাহ)- সর্বশ্রেষ্ঠ নছীহতকারিণী।

১২৪. اَلْمُهَذَّبَةُ (আল মুহায্যাবাহ)- পূত-পবিত্রা, মহাপবিত্রা।

১২৫. اَلنَّاصِحَةُ (আল নাছিহাহ)- সর্বশ্রেষ্ঠ নছীহতকারিণী, উপদেশদানকারিণী।

১২৬. اَلنَّاهِـيَةُ (আন নাহিয়াহ)- (সম্মানিত শরী‘য়াত উনার খিলাফ সমস্ত কাজে) নিষেধকারিণী, বারণকারিণী।

১২৭. اَلنِّعْمَةُ (আল নি’মাহ)- সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত মুবারক।

১২৮. نِعْمَةُ اللهِ (নি’মাতুল্লাহ)- মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত মুবারক।

১২৯. اَلنَّقِيْبَةُ (আন নাক্বীবাহ)- সাইয়্যিদাহ।

১৩০. اَلنُّوْرُ (আন নূর)- নূর মুবারক।

১৩১. اَلنُّوْرُ الْمُكَرَّمَةُ (আন নূরুল মুকাররমাহ)- সম্মানিত নূর মুবারক।

১৩২. اَلنُّوْرُ الْمُطَهَّرَةُ (আন নূরুল মুত্বহ্হারহ)- মহাপবিত্র নূর মুবারক।

১৩৩. نُوْرُ اللهِ (নূরুল্লাহ)- মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নূর মুবারক।

১৩৪. نُوْرُ الْاُمَمِ (নূরুল উমাম)- সমস্ত উম্মতের জন্য নূর মুবারক, আলোকবর্তিকা, নূরুল উমাম।

১৩৫. نُوْرُ الْكَائِنَات (নূরুল কায়িনাত)- সমস্ত কায়িনাতের জন্য নূর মুবারক, আলোকবর্তিকা।

১৩৬. اَلْـهَادِيَةُ (আল হাদিয়াহ)- সর্বশ্রেষ্ঠ হিদায়াতকারিণী।

১৩৭. هَدِيَّةُ اللهِ (হাদিয়্যাতুল্লাহ)- মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে মহাসম্মানিত হাদিয়া মুবারক, তোহফা মুবারক।

১৩৮. اَلْوَاسِعَةُ (আল ওয়াসি‘আহ)- সীমাহীন ইলম মুবারক উনার অধিকারিণী, মহাদানশীলা।

১৩৯. اَلْوَاعِظَةُ (আল ওয়া‘য়িযহ)- সর্বশ্রেষ্ঠ ওয়ায়েজ, নছীহতকারিণী, উপদেশদানকারিণী।

১৪০. اَلْوَافِـيَةُ (আল ওয়াফীয়াহ)- পরিপূর্ণ, পরিপূর্ণতাদানকারিণী। 

১৪১. اَلْوَسِيْلَةُ (আল ওয়াসীলাহ)- সর্বশ্রেষ্ঠ ওয়াসীলাহ মুবারক, সর্বশ্রেষ্ঠ মাধ্যম মুবারক।

১৪২. اَلْوَهَّابَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ (আল ওহ্হাবাহ আলাইহাস সালাম)- সর্বশ্রেষ্ঠ দানশীল, সীমাহীন দানকারিণী। সুবহানাল্লাহ! 

এছাড়াও অসংখ্য-অগণিত সম্মানিত লক্বব মুবারক উনাদের মালিকাহ হচ্ছেন উম্মুল মু‘মিনীন আল খ¦মিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র ইসলামের প্রতিটি বিশেষ দিবসেই মিডিয়ার ইসলাম বিদ্বেষিতা প্রমাণিত হয়, ব্যতিক্রম হয়নি সম্মানিত আশুরা শরীফ দিবসেও।

 পবিত্র ইসলামের প্রতিটি বিশেষ দিবসেই মিডিয়ার ইসলাম বিদ্বেষিতা প্রমাণিত হয়, ব্যতিক্রম হয়নি সম্মানিত আশুরা শরীফ দিবসেও।

======================================


পবিত্র দ্বীন ইসলামে ১০ই মুহররমুল হারাম পবিত্র আশুরা শরীফ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, ফযীলতপূর্ণ, তাৎপর্যপূর্ণ এবং অসংখ্য অগণিত ঘটনাবহুল দিন। এ দিবস থেকে শিক্ষাগ্রহণ করার মতো অসংখ্য অগণিত বিষয় রয়ে গেছে। এখানে মুসলমানের মুসলমানিত্ব রয়ে গেছে, দ্বীন ইসলাম উনার মহত্ত্ব, বীরত্বের ইতিহাস রয়ে গেছে। ব্যাপক আলোচনা ও প্রচার প্রসার করার মতো অনেক বিষয় রয়েছে, যেসব বিষয় জানা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয। 

কিন্তু আমাদের রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের দেশে কোন প্রচার মাধ্যম কি এই পবিত্র দিবসকে হাইলাইট করে কোন সংবাদ প্রচার করেছে? কোন কলাম কিংবা লেখা প্রচার প্রসার করেছে? সামান্য সংখ্যক হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানদের কথিত ধর্মীয় উৎসব, কল্প-কাহিনী, কুসংস্কারকে যেভাবে হাইলাইট করা হয়, যেভাবে প্রচার প্রসার করা হয় ঠিক সেভাবে ইসলামী দিবসগুলোকে প্রচার-প্রসার কোন মিডিয়াই করেনা। অথচ পবিত্র আশুরা শরীফ উপলক্ষে দেশে হাজার হাজার ওয়াজ মাহফিল হলো, গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হলো, ইবাদত বন্দেগি হলো, আশুরা উপলক্ষে বিশেষ আমল করা হলো। ভারত ও পশ্চিমা দেশগুলোর দালাল মিডিয়াগুলোতে এসব খবর কিন্তু একটাও আসেনি। তবে মিডিয়া এক্ষেত্রে যে বিষয়টা বেশি প্রচার করে সেটা হচ্ছে ইসলামের অন্যতম বাতিল ফিরক্বা কাফির শিয়াদের বিকৃত তাজিয়া মিছিল। ঠিক যেমন পশ্চিমা মিডিয়ায় ইসলাম ও মুসলমান বলতেই আল কায়দা কিংবা আইএসআইলকে দেখানো হয়, ঠিক তেমন।

ইসলাম বিদ্বেষী গণমাধ্যম শিয়াদের এসব হারাম, নাজায়েজ রছমী-রেওয়াজ প্রচার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে পবিত্র আশুরা সম্পর্কে ভীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে চায়। পবিত্র আশুরার প্রকৃত শিক্ষা যেন মুসলমানগণ গ্রহণ করতে না পারে সেজন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিডিয়া শিয়াদের কার্যক্রমগুলোই প্রচার করে। নাউযুবিল্লাহ! 

তারপরও অনেক শিক্ষিত দাবিদার মহল কুচক্রী মিডিয়ার এসব ইসলাম বিদ্বেষিতা ও মগজ ধোলাই প্রচারণাগুলোর বাস্তবতা উপলদ্ধি করতে পারেনা বরং উল্টো মিডিয়াকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে। অনেক মুসলমানকে দেখা যায় পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে রেফারেন্স দিলে সেটা গুরুত্ব না দিয়ে বরং মনগড়া যুক্তি উপস্থাপন করে। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু যদি বলা হয় ‘এটা পত্রিকায় এসেছে’ অথবা ‘টিভিতে দেখানো হয়েছে’ তাহলে অন্ধের মতো সেটাই বিশ্বাস করে। নাউযুবিল্লাহ! 

মুসলমানদের এ অজ্ঞতাকে পুঁজি করেই আজকে মিডিয়া ৯৭ ভাগ মুসলমানের মধ্যে থেকেই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

সকল মুসলমানদের উচিত- রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার মাঝে অবস্থিত ‘আন্তর্জাতিক সুন্নত প্রচার কেন্দ্রে’ এসে পবিত্র সুন্নত মুবারক সম্পর্কে জানা এবং তদানুযায়ী আমল করে ধন্য হওয়া।

 সকল মুসলমানদের উচিত- রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার মাঝে অবস্থিত ‘আন্তর্জাতিক সুন্নত প্রচার কেন্দ্রে’ এসে পবিত্র সুন্নত মুবারক সম্পর্কে জানা এবং তদানুযায়ী আমল করে ধন্য হওয়া।


যিনি খলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য সম্পর্কে উনার পবিত্র ও সম্মানিততম কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-

قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ 

অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন যদি তোমরা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো বা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও, তবে তোমরা আমার অনুসরণ করো। তাহলে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে মুহব্বত মুবারক করবেন এবং তোমাদের গুনাহখতা ক্ষমা করে দিবেন। আর খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যাধিক ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের প্রতি অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু হবেন। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩১)

আর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন,

 مَنْ اَحَبَّ سُنَّتِي فَقَدْ أَحَبَّنِي وَمَنْ أَحَبَّنِي كَانَ مَعِي فِي الْجَنَّة

অর্থ: “যে ব্যক্তি আমার সুন্নত মুবারক উনাকে মুহব্বত করলো, সে যেন আমাকেই মুহব্বত করলো আর যে ব্যক্তি আমাকে মুহব্বত করলো, সে আমার সাথে জান্নাতে থাকবে।” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ) 

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরও ইরশাদ করেন, 

مَنْ حَفِظَ سُنَّتِىْ اَكْرَمَهُ اللهُ تَعَالٰى بِاَرْبَعِ خِصَالٍ. اَلْمُحَبَّةُ فِىْ قُلُوْبِ الْبَرَرَةِ وَالْهِيْبَةُ فِىْ قُلُوْبِ الْفَجَرَةِ وَالسَّعَةُ فِى الرِّزْقِ وَالثِّقَةُ فِى الدِّيْنِ.

অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যারা আমার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনাকে হিফাযত করবে তথা সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ইত্তিবা বা অনুসরণ করবে, মহান আল্লাহ পাক উনাদেরকে চারটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য বা গুণ হাদিয়া মুবারক করে সম্মানিত করবেন। ১. নেককারদের অন্তরে মুহব্বত প্রদান করবেন ২. পাপীষ্ঠদের হৃদয়ে ভয়-ভীতি প্রদান করবেন ৩. রিযিকে প্রশস্ততা দান করবেন ৪. সম্মানিত দ্বীন-ইসলাম উনার উপর আস্থা বা আত্ববিশ্বাস পয়দা করে দেবেন। সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে হাক্কী ৩/৮)

কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন, বদ্বদ্বীনদের কারণে মুসলমানরা আজ সুন্নত মুবারক ভূলে গেছে। সম্মানিত সুন্নত পালনের গুরুত্ব তাৎপর্য অনুধাবন করে যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, মুর্শিদে আ’যম, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস্ সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি রাজারবাগ দরবার উনার মাঝে প্রতিষ্ঠা করেছেন আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত প্রচার কেন্দ্র। সুবহানাল্লাহ!

তাছাড়া সুন্নত মুবারক জারী করার জন্য দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থানেও সুন্নত প্রচারকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করছেন। সুবহানাল্লাহ!

সুন্নতী পোশাক পরিচ্ছদ, তৈজসপত্র ও সুন্নতী খাবার মুবারক জারী করেছেন।

সুন্নতী খাবার খেয়ে অনেকেই বিভিন্ন জটিল রোগ থেকে শেফা লাভ করছেন। সুবহানাল্লাহ!!

তাই সকলের উচিৎ হবে রাজারবাগ দরবার শরীফ এসে সুন্নত মুবারক সম্পর্কে জেনে, সেই অনুযায়ী সুন্নত পালন করে, দোজাহানে কামিয়াবী হাসিল করা।

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে মহাসম্মানিত সুন্নত শরীফ সম্পর্কে জেনে সে অনুযায়ী আমল করার হাক্বীক্বী তাওফীক দান করুন। আমীন!

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...