Monday, July 13, 2020

ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়তে নিষেধাজ্ঞা জারি করা, এটা কি কোন সাধারণ বিষয়?

ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়তে নিষেধাজ্ঞা জারি করা, এটা কি কোন সাধারণ বিষয়? 

কথিত করোনার অজুহাতে একের পর এক পবিত্র ইসলামের বিষয়গুলোকে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, ইসলামের বিষয়গুলো যথাযথভাবে পালন করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে, এগুলো কোন স্বাভাবিক বিষয় নয়। এগুলো প্রকাশ্য ইসলামের বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের অংশ!!

এরপরেও মুসলমান নীরব কেন?

শুরু হয়ে গেছে পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র!

শুরু হয়ে গেছে পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র!

রাজধানী ঢাকাতে পবিত্র কোরবানির পশুর হাট বসতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ঢাকার মধ্যে কোন পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না।

পবিত্র কুরবানী ইসলামের মধ্যে একটি বাধ্যতামূলক ইবাদত। আর সেই ইবাদত পালন করার জন্য পশুর হাট অত্যাবশ্যক। অথচ একশ্রেণীর মহল পশুর হাটের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে পবিত্র কুরবানী বন্ধ করার পায়তারা শুরু করেছে। মূলত উগ্রপন্থী হিন্দুদের ইশারায় পবিত্র কোরবানির পশুর হাট বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

অথচ দেশের আলেম-ওলামা মহল এ বিষয়ে নীরব কেন? তারা কেন পবিত্র কুরবানীর ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছে না? নাকি তারা সরকারি টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছে?

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কুরবানী মুবারক

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কুরবানী মুবারক

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেমন উনার মুবারক কর্ম দ্বারা কুরবানী মুবারক করতে উম্মতকে অনুুপ্রাণীত করেছেন, তেমনি তিনি উম্মতকে তাকীদ দিয়েছেন ও উদ্বুদ্ধও করেছেন। 

আর তাই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাও পবিত্র কুরবানী করার ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ اَقَامَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِينَةِ عَشْرَ سِنِينَ يُضَحِّي‏.‏

অর্থ : “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে দশ বছর অবস্থান করেছেন এবং প্রতি বছরই পবিত্র কুরবানী করেছেন।” (তিরমিযী শরীফ)

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিদায় হজ্জের সময় ৬৩টি উট নিজ হাত মুবারক-এ নহর মুবারক করেছেন। এ প্রসঙ্গে হযরত জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন-

ثُـمَّ انْصَرَفَ إِلَى الْمَنْحَرِ فَنَحَرَ ثَلاَثًا وَسِتِّينَ بِيَدِهِ ثُـمَّ أَعْطَى عَلِيًّا فَنَحَرَ مَا غَبَرَ وَأَشْرَكَهُ فِى هَدْيِهِ ثُـمَّ أَمَرَ مِنْ كُلِّ بَدَنَةٍ بِبَضْعَةٍ فَجُعِلَتْ فِى قِدْرٍ فَطُبِخَتْ فَأَكَلاَ مِنْ لَـحْمِهَا وَشَرِبَا مِنْ مَرَقِهَا

অর্থ : ‘অতঃপর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কুরবানী উনার স্থানে এসে নিজ হাতে ৬৩টি উট নহর করেন আর হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে বাকী উটগুলো নহর করার দায়িত্ব দেন এবং উনাকে উনার কুরবানীর মধ্যে শরীক করে নেন। 

অতঃপর প্রত্যেকটি উট থেকে এক টুকরা করে গোশত পাতিলে একত্রিত করে রান্না করতে বলেন। অতঃপর উনারা উভয়েই উক্ত গোশত থেকে আহার করেন এবং সুরুয়া পান করেন।” (মুসলিম শরীফ)

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...