Tuesday, June 23, 2020

রাজাকার যখন প্রধান বিচারপতি

রাজাকার যখন প্রধান বিচারপতি…

পাঠক! শিরোনাম দেখেই ভয় পেয়ে গেলেন? না, ভয় পেলে চলবে না।
আসুন, এস কে সিনহার মুখ থেকেই শুনি…

বিতর্কিত সাবেক প্রধান বিচারক এস কে সিনহা নিজেই স্বীকারোক্তি দিয়েছেন যে তিনি রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদেরা সংগঠন ‘শান্তি কমিটি’র একজন সদস্য ছিলো!!!
সিনহা ১০ই সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে নিজের এক বক্তব্যে তখন বলেছে, “মুক্তিযুদ্ধের সময় আমি নিজেও শান্তি কমিটির সদস্য ছিলাম!”

তাছাড়াও তার সম্পর্কে আরো অভিযোগ আছে, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সংখ্যালঘুদের ভেতর বেশ কয়েকটি স্বাধীনতার বিপক্ষে সক্রিয় ছিলো। এদের মধ্যে উপজাতি চাকমা নেতা ত্রিদিব রায় তার অন্যতম। সিনহার বাড়ি ভারত সীমান্তবর্তী সে চাইলে সহজে ভারতে যেতে পারতো। তা না গিয়ে সে রাজাকার শিরোমণি গো. আযমের সৃষ্ট শান্তি কমিটিতে যোগ দেয়। তাছাড়া সে সময়ে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপ, মণিপুর লিবারেশন আর্মি, ইউনাইটেড লিবারেশন আর্মি অব অসম (আলফা), ত্রিপুরা টাইগার এদের আন্দোলনেও সমর্থন ছিল বাংলাদেশের সংখ্যালঘু উপজাতি ও হিন্দুগোষ্ঠীর অনেকের। এসকে সিনহা ছিলো তাদের অন্যতম। দেশের বাইরে থেকেও এ সকল দেশবিরোধী রাজাকারগুলো দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র করা থেকে বিরত থাকবে না।

সিনহার রাজাকারগিরি সম্পর্কে দেশের মন্ত্রী-এমপি আমলা সকলেই জানে। তারপরও কেন তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে না?

👉গত ২২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে আ’লীগের প্রকাশ ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ নিজেও হিন্দু রাজাকার এস কে সিনহাকে উদ্দেশ্য করে বলেছে, সিনহা আদালতে মামলা চলাকালীন নিজের মুখে স্বীকার করেছে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি বাহিনীকে সহায়তার জন্য রাজাকার আলবদরদের সহায়ক শক্তি হিসেবে গ্রামে গ্রামে যে শান্তি কমিটি গঠন করা হয়েছিল সেই শান্তি কমিটির সদস্য ছিলো। এটি সে নিজে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। এ পরিচয় সিনহা বিচার বিভাগে প্রবেশের আগ পর্যন্ত গোপন রেখেছিলো।

এছাড়াও ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে দেশীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গোপন নেটওয়ার্কে সেও আছে বলে সিনহার নামে অভিযোগ আছে। বিদেশে বসেও যে, সে এসব বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে যোগাযোগ রাখছে না সেটার নিশ্চয়তা আছে কি?

কুখ্যাত রাজাকার ও স্বাধীনতাবিরোধী এই এসকে সিনহা দেশের বাইরে থেকেই দেশবিরোধী চক্রান্তকারীদের সাথে হাত মেলানোর সমূহ সম্ভাবনা আছে।

👉এসকে সিনহার রাজাকারগিরি সম্পর্কে মুখ খুলেছেন খোদ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক নিজেও। ২১ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে তিনি বলেছেন, সাবেক প্রধান বিচারক এসকে সিনহা পিস কমিটির সদস্য ছিলো। তাই সে বঙ্গবন্ধুকে একক নেতা মানতে রাজি নয়।

স্বয়ং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী নিজেই যখন এসকে সিনহার রাজাকারগিরি সম্পর্কে অবহিত তাহলে তার বিচারের যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না কেন?

সিনহা প্রধান বিচারক থাকা অবস্থায় রাজাকারদের বিচারেও সে নানারকম ছলচাতুরি করেছে, তাদের থেকে টাকাও খেয়েছে সেটাও এখন ফাঁস হয়েছে। বুঝাই যাচ্ছে সিনহা তার রাজাকারগিরি এখনো ছাড়েনি। বরং দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে আরো পোক্ত ভূমিকায় সে নেমেছে। উপজাতি পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে গোপন সংযোগের বিষয়ে তার সম্পর্কে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

👉গত ৯ আগস্ট ২০১৭ সরকারের আরেক মন্ত্রী গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এস কে সিনহাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সিনহা যা ভাবছে এবং মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তির সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে যা বলছে তা ঠিক নয়। বাংলার মানুষ জানে- সিনহা শান্তি কমিটির সদস্য ছিলো।

আ’লীগের প্রকাশ ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এদিকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এরা সকলেই প্রকাশ্যে এসকে সিনহা যে একটি রাজাকার ও স্বাধীনতাবিরোধী সেটি প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে বক্তব্য রেখেছেন। এরপরও কি অজানা কারনে এসকে সিনহাকে দেশের মাটিতে বিচারের কাঠগড়ায় না দাঁড় করিয়ে দেশের বাইরে ঘুরতে দেয়া হচ্ছে? এটা কি হতে পারে না যে- এই রাজাকার, দেশদ্রোহী দেশের স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি বিদেশে গিয়েও বিদেশী শত্রুদের হাত করে, তাদের সাথে হাত মিলিয়ে যে কোন সময় দেশের বড় ধরণের কোন ক্ষতি করার চেষ্টা করবে না?

👉উল্লেখ্য, সাবেক প্রধান বিচারক এস কে সিনহা ৭১’র মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া জামাত নেত মীর কাসেম আলীর ভাইয়ের কাছ থেকে বড় অংকের টাকা পেয়েছে!

এমন অভিযোগ করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। 
এ সম্পর্কে জয়ের বক্তব্য- নিন্দিত সাবেক প্রধান বিচারক সিনহা সম্প্রতি নিউ ইয়র্ক এসেছিলো। সেখানে সে গোপনে যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেমের ভাই মামুনের সাথে দেখা করে। আমরা জানতে পেরেছি মামুনের কাছ থেকে সে বড় অংকের টাকা পেয়েছে। টাকাটা তাকে দেয়া হয়েছে আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য। তাদের এই আলাপ দেখেছে ও শুনেছে এরকম সাক্ষীও আছে।

বলাবাহুল্য, এসকে সিনহা যে আগাগোড়া দেশবিরোধী, স্বাধীনতাবিরোধী, বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজাকার সেটা এখন ওপেন সিক্রেট। বিদেশে গিয়েও যে সে এখন দেশের বিরুদ্ধে ফন্দি আঁটছে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তাই বড় ধরণের কিছু ঘটার আগেই সিনহাকে কাঠগড়ায় হাজির করে সর্বোচ্চ সাজার ব্যবস্থা গ্রহণ করার কোন বিকল্প নেই।

অতএব, এটাই স্পষ্ট সিনহা যেখানেই থাকুক যে দেশেই থাকুক সে এ দেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে তথা দেশবিরোধী চক্রের সাথে হাত মেলাবেই। তাই দেশের স্বার্থে অতি জরুরীভিত্তিতে তাকে দেশে এনে দেশদ্রোহী আসামী হিসেবে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
দেশের সার্বিক নিরপত্তার কথা বিবেচনা করে এই কুলাঙ্গার রাজাকার হিন্দু এসকে সিনহাকে দেশে এনে শক্ত বিচারের আওতায় আনার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা সরকারের জন্য খুবই জরুরী।

সুন্নতি খাবার শুকনো গোশত


মহা সম্মানিত সুন্নতি খাবার শুকনো গোশত উনার তৈরির পদ্ধতি ও  উপকার
আরবীতে لَـحْمٌ مُصْلَحٌ (লাহমুন মুছলাহুন) শব্দের বাংলা অর্থ হচ্ছে শুকনা গোশত। অর্থাৎ কাঁচা গোশতকে রোদে শুকানোর পর গোশতের ভেতরে থাকা পানি সম্পূর্ণরূপে শুকানোর পর (যাকে ইংরেজিতে Dehydration বলে) গোশতের যে অবস্থাটি তৈরি হয় তাকে লাহমুন মুসলাহুন বা সুন্নতী খাবার শুকনা গোশত বলা হচ্ছে।
এ সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-“হযরত ছাওবান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে আমরা ছফরে থাকা অবস্থায় একটি দুম্বা জবাই করলাম এবং তিনি এই গোশত শুকাতে আমাকে আদেশ মুবারক করলেন। অতঃপর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে এই গোশত পেশ করেছি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে পৌঁছার পূর্ব পর্যন্ত।” (আবূ দাঊদ শরীফ: কিতাবুত দ্বয়িহ্যা: বাবু ফিল মুসাফিরি ইউদ্বহ্যি: হাদীছ শরীফ নং ২৮১৪)
সুন্নতী খাবার শুকনা গোশত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে- “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে কিছু শুরুয়া হাজির করা হল, যাতে কদু ও শুকনো গোশ্‌ত ছিল। তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি কদু বেছে বেছে খেতে দেখেছেন।” (বুখারী শরীফ: কিতাবুত ত্বয়ামা‘য়াহ: বাবুল ক্বদীদ: হাদীছ শরীফ নং ৫৪৩৭)
সুন্নতী খাবার শুকনা গোশত তৈরির প্রক্রিয়া:
১. গোশত চিকন করে দড়ির আকৃতিতে কাটতে হবে অথবা পাতলা বিস্কিট আকৃতিতে কাটতে হবে 
২. হলুদগুড়ার পেস্ট গোশতে মাখিয়ে নিতে হবে 
৩. দড়ির আকৃতিতে কাটা গোশতের একপ্রান্তে অথবা বিস্কিট আকৃতির কাটা গোশতের মাঝখানে ধাতব তার বা চিকন লোহা দিয়ে ছিদ্র করতে হবে 
৪. নিরাপদ স্থানে রোদে শুকাতে হবে।
সংরক্ষণ পদ্ধতি: বায়ুরোধক কাঁচের বোতল বা কৌটায় শক্তভাবে মুখ আটকিয়ে রাখতে হবে। ঠান্ডা ও শুষ্কস্থানে রাখতে হবে। ফ্রীজে সংরক্ষণ করা হলে সুন্নতী খাবার শুকনা ‍গোশত ১বছর পর্যন্ত ভালো থাকে।
লাহমুন মুছলাহুন রান্নার প্রণালী: ৫০ গ্রাম লাহমুম মুছলাহুন প্রথমে ১৫-২০ মিনিট চুলায় জাল দিয়ে ছেকে রাখুন। তারপর স্বাভাবিক গোশতের মতোই রান্না করুন।
সুন্নতী খাবার শুকনা ‍গোশতের উপকারিতা: 
১. ক্যালসিয়ামের উৎস
২. ভিটামিন ডি
৩. চর্বিহীন
বি:দ্র: শেয়ার করুন _______

বাংলাদেশের পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা সীমান্ত থেকে নেপাল সীমান্তের দূরত্ব ২৫ কিমি এবং ভুটান সীমান্তের দূরত্ব প্রায় ৬০ কিমি।

বাংলাদেশের পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা সীমান্ত থেকে নেপাল সীমান্তের দূরত্ব ২৫ কিমি এবং ভুটান সীমান্তের দূরত্ব প্রায় ৬০ কিমি। আর মাজখানের এই ভারতীয় ভুখন্ডে আছে গোর্খাল্যান্ড এবং পাহাড়ি এলাকা। আবার এই পাহাড়ি এলাকার মানুষ বেশিভাগই নেপালি বংশদ্ভুত। এখানে আলাদা রাজ্য নিয়েও আন্দোলন সংগ্রাম চলে। 

এই অঞ্চলটিকে বলা হয়ে থাকে চিকেন নেক। ভারতের পুর্বের(সেভেন সিস্টারস) অখণ্ডটা রক্ষার জন্য এই চিকেন নেক এমাত্র ধমনী। এখানে কোন সমস্যা হলে ভারতের পূর্বের অঞ্চল সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে মূল ভুখন্ডে সাথে। 

আর ভারত এই মহা গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। কারন এই অঞ্চলের ভূমি স্পর্শ করেছে চারটি দেশ যদি সিকিম সহ ধরা হয়। বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান এবং চীন সরাসরি এই অঞ্চলের সাথে যুক্ত। 

বাংলাদেশ যে ভারতের জন্য ভুকৌশলগত কত গুরুত্বপূর্ণ দেশ শুধু এই অঞ্চলের জিওগ্রাফি দেখলেই বুজতে পারবেন। আর বাকি অঞ্চলের কথা বাদই দিলাম। এটা শুধু মাত্র পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তের একটা আইডিয়া দিলাম। সেভেন সিস্টারস রাজ্য গুলোর কথা নাই বললাম। নিজ দেশের শক্তিকে কখনো তুচ্ছ করবেন না।

শুধু মাত্র একটা শক্ত অর্থনীতি এবং নেতৃতই পারবে ভারতকে নাচাতে। যেখানে আমরা এখন নিজেই নাচি আর ভারত আমাদের নাচায় শুধু মাত্র দাবার ঘুটি সঠিক ভাবে ব্যাবহার করতে না পেরে।আমাদের পানির হিস্যা আমাদের সীমান্তে অবৈধ হত্যা এবং আমাদের দেশে অনাধিকার চর্চা ভারত বন্ধ করতে হবে। সময়ের অপেক্ষায় থাকতে হবে ভারতকে রাষ্ট্র হিসেবে সভ্য হতে হবে এবং প্রতিবেশির হক আদায় করতে হবে নাহয় আজ হোক কাল হোক প্রকৃতি নিজেও শোধ করে ফেলে।

সুন্নতি ফল ডালিম/আনারঃ


-------------------------------------------------------------
 সুন্নতি ফল( ডালিম/ আনার ) হচ্ছে জান্নাতি ফল:--------
  এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-

فِيْهِمَا فَاكِهَةٌ وَّنَـخْلٌ وَّرُمَّانٌ

অর্থ: তথায় আছে ফল-মূল, খেজুর ও আনার। (পবিত্র সূরা রহমান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৮)

মহা সম্মানিত সুন্নতি ফল ডালিম বা আনার সম্পর্কে হাদীস শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মোবারক করা হয়েছেঃ----
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْل اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‏‏ما مِن رُمَّانٍ من رُمَّانِكم هذا إلا وهو مُلقَّحٌ بـحبَّةٍ من رُمَّانِ الـجَنَّةِ‏‏.

অর্থ: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “প্রতিটি ডালিম জান্নাতের পানির একটি ফোঁটা ধারণ করে।” (তাফসীরে দূররে মানছূর লিস সূয়ূতী, তারীখে দামেশক) ফলে ডালিমে রয়েছে এমনসব গুণাগুণ যা পৃথিবীর অন্য কোন ফলে নেই।

অন্য বর্ণনায় বর্ণিত রয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ اَبِـيْ عَبْدُ اللهِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْل اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ من اكل حبة من رمان امرضت شيطان الوسوسة اربعين يوما

অর্থ: হযরত আবূ আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে আনার বা ডালিম ফল খাবে এটি উনাকে শয়তানের প্রভাব থেকে ৪০ দিনের জন্য মুক্ত রাখবে।” সুবহানাল্লাহ! (কিতাবুল কাফী)

আনারের উপকারিতা:

১. রক্ত পরিশুদ্ধ করে,

২. শরীরে শক্তি সঞ্চার করে,

৩. পাকস্থলি পরিস্কার করে,

৪. পরিপাকতন্ত্রের বাধা ও জটিলতা দূর করে,

৫. ডায়রিয়া বন্ধ করে,

৬. হজম শক্তি বৃদ্ধি করে,

৭. স্নায়ুকে শক্তিশালী করে,

৮. কণ্ঠ বা গলা পরিস্কার রাখে,

৯. ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখে,

১০. হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে,

১১. স্কিন ক্যানসার, প্রস্টেট ক্যানসার ও ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধ করে,

১২. এলজেইমার (ভুলে যাওয়া রোগ) প্রতিরোধ করে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে,

১৩. রক্তস্বল্পতা দূর করে,

১৪. হাড়ের রোগ প্রতিরোধ করে হাড়কে সুস্থ রাখে,

১৫. দাঁতের রোগ প্রতিরোধ করে,

১৬. কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে,

১৭. সর্দি-কাশি ভালো করে,

১৮. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে,

১৯. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়,

২০. ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক সংক্রমণ ঘায়ের প্রতিষেধক,

২১. পেশির ব্যথা দূর করে,

২২. ভিটামিন সি, ই, কে সহ উল্লেখযোগ্য পুষ্টির যোগান দেয়

----------শেয়ার করুন --------

কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে আইনী নোটিশ:

কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে আইনী নোটিশ:
-------------
পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের দায়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী জনাব তাজুল ইসলামকে সতর্ক করে আইনী নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশটি পাঠিয়েছেন মুসলিম রাইটস ফাউন্ডেশন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মুহম্মদ মাহবুব আলমের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবি এডভোকেট শেখ ওমর শরীফ।

নোটিশে মন্ত্রীর কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য উল্লেখ করে বলা হয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী জনাব তাজুল ইসলাম গত ১৮ জুন ২০২০ তারিখে গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলেছেন, স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় এ-বছর কোরবানির পশুর হাটের সংখ্যা কমানো হবে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মানতে ছোট হাটগুলো বসানো হবে না। লোকালয় থেকে দূরে এবং অপেক্ষাকৃত বড় জায়গায় অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

মন্ত্রীর কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে এ ধরণের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে নোটিশে বলা হয়েছে, পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলিমদের একটি দ্বীনি উৎসব এবং পশু কুরবানী একটি দ্বীনি ইবাদাত। কুরবানীর পশুর হাট, পশু কেনা-বেচা, পশু কুরবানী ইত্যাদি কাজ সারতে সারা বছরে মাত্র ৪/৫ দিন লাগে। কুরবানীর পশুর হাট প্রকৃতপক্ষে দেশবাসীর নাগালের মধ্যেই বসাতে হবে। সহজভাবে পশু কিনতে পারা মুসলিমদের একটি নাগরিক অধিকার। অথচ মন্ত্রী বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় কমানো হবে হাটের সংখ্যা, স্বাস্থ্যবিধি মানতে ছোট হাটগুলো বসানো হবে না, লোকালয় থেকে দূরে এবং অপেক্ষাকৃত বড় জায়গায় অস্থায়ী পশুর হাট বসানো হবে!

মন্ত্রীর কথিত ‘স্বাস্থবিধি’ যে একটি অযৌক্তিক ও অপরিপক্ক সিদ্ধান্ত সে বিষয়ে, বিভিন্ন দেশের উদারহণ ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের রেফারেন্স তুলে ধরে বলা হয়, লকডাউন ও জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচল নিয়ন্ত্রণ ভাইরাসের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে পেরেছে, তা আদৌ প্রমাণিত নয়। বরং হার্ড ইম্যুনিটি তৈরিতে এটা বাধাস্বরূপ। যে কারণে অনেক দেশই সকল বিধি-নিষেধ তুলে দিয়ে জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচল উন্মুক্ত করে দিয়েছে।

তাছাড়া পবিত্র কুরবানী একজন মুসলমানদের দ্বীনি অধিকার হিসেবে উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে পবিত্র কুরবানীর আয়োজন ও ব্যবস্থাপনাকে কঠিন ও প্রায় অসম্ভব করে তোলা, দেশে পশুর হাট ও কুরবানীর স্থানের সংকোচনের ষড়যন্ত্র মুসলমানদের পবিত্র দ্বীনি অধিকারে হস্তক্ষেপ এবং দ্বীনি অনুভূতিতে আঘাত করার শামিল।

তাই নোটিশে মন্ত্রীকে পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট কমানো নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানানো হয়েছে।
★ সুত্র: দৈনিক আল ইহসান: (is.gd/nCkdtY)

সকল প্রকার আযাব-গযব, বালা-মুছীবত থেকে বাঁচতে- বেশি বেশি পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করুন এবং সুন্নতী খাদ্য গ্রহণ করুন

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক নির্দেশনা:

সকল প্রকার আযাব-গযব, বালা-মুছীবত থেকে বাঁচতে- বেশি বেশি পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করুন এবং সুন্নতী খাদ্য গ্রহণ করুন

করোনা ভাইরাস নিয়ে অনেকেই নানা ধরণের তথ্য প্রচার করছে। যা নিয়ে অনেকেই অহেতুক আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের কি করণীয়, সে সম্পর্কে বিশেষ নির্দেশনা মুবারক দান করেছেন রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীই মুসলমান। মহান আল্লাহপাক উনার খাছ রহমত মুবারক মূলত মুসলমানদের জন্যই। তাই মুসলমানদের উচিত- বেশি বেশি পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা এবং নিয়মিত সুন্নতী খাদ্যসমূহ গ্রহণ করা।

তিনি বলেন, পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠকারীর প্রতি এবং যে স্থানে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা হয়, সেখানে মহান আল্লাহপাক উনার খাছ রহমত মুবারক নাযিল হয়ে থাকে। আর যেখানে মহান আল্লাহপাক উনার রহমত মুবারক নাযিল হয় সেখানে কোন ধরণের আযাব-গযব আসতে পারে না। তাই সকল মুসলমানদের উচিত, বেশি বেশি পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা।

রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি নিয়মিত সুন্নতী খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ করারও নির্দেশনা মুবারক দিয়েছেন। কারণ সুন্নতী খাদ্যসমূহে আছে বেমেছাল রহমত ও বরকত, যা শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার থেকে জানা যায়, সিরকা, কালোজিরা, মধু, ত্বীন, যয়তুন ইত্যাদি সুন্নতী খাদ্যসমূহ বিভিন্ন ধরণের অসুখ-বিসুখ, রোগ-বালাইকে প্রতিরোধ করে, ধ্বংস করে দেয়।

তাই সকল মুসলমানদের উচিত- সুন্নতী খাদ্যসমূহ সংগ্রহ করতে ‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’-এ যোগাযোগ করা।

বিধর্মীদের মতো কুরবানীতে বাধা নয়, সহযোগিতামূলক আচরণই সরকার থেকে কাম্য।

বিধর্মীদের মতো কুরবানীতে বাধা নয়, সহযোগিতামূলক আচরণই সরকার থেকে কাম্য।
______________________________________
এতদিন হয়েছে অমুসলিমদের দেশে। এখন মুসলমান অধ্যুষিত দেশগুলোতেও শুরু হয়েছে। তবে বাংলাদেশের মতো ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে এটা সত্যিই বিস্ময়কর।
হ্যাঁ! পবিত্র কুরবানীর পশু জবাই নিয়েই বলছি। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি অমুসলিম দেশ, যেমন- নেপালসহ ভারতে বেশ কয়েকটি প্রদেশে কুরবানীতে গরু জবাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আর অন্যান্য দেশগুলোও সরাসরি জবাই নিষিদ্ধ না করলেও সেখানে কেউ প্রকাশ্যে নিজের সুবিধামত পবিত্র কুরবানী করতে পারে না। সেখানে শহরের বাইরে নির্জনে জঙ্গলের মধ্যে বা মরুভূমিতে পবিত্র কুরবানী করতে হয়। নাউযুবিল্লাহ!
একইভাবে এইসব অমুসলিম বিধর্মীদের মতো করে আমাদের দেশেও পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে অপশক্তিরা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করছে। দেশের সরকারও এ সমস্ত অপপ্রচারে ও চক্রান্তে বিভ্রান্ত হয়ে পবিত্র কুরবানীর পশু জবাই-করার বিষয়ে বেশ কয়েকটি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে ও নিচ্ছে। যেমন ইতোমধ্যে রাজধানী ঢাকার বেশ কয়েকটি কুরবানীর হাটকে মূল শহর থেকে দূরে বা বাহিরে নেয়া হয়েছে, পবিত্র কুরবানীর পশু কেনাবেচার হাটের সংখ্যাও কমিয়ে দেয়া হয়েছে, যত্রতত্র কুরবানী বন্ধ করার নামে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট স্থানে জবাই করানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে ১৮ বছরের নিচে কেউ জবাই করতে পারবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। নাউযুবিল্লহ!

কিন্তু এদেশের সরকারের মনে রাখা উচিত- সরকারের কোনো ভুল, হয়রানিমূলক সিদ্ধান্তের কারণে যদি দেশের কোটি কোটি মুসলমান কষ্ট পায়, হয়রানির শিকার হয়, তাহলে সেটা অবশ্যই কোনো সরকারের জন্যই ভালো কিছু নিয়ে আসবে না। তাই সময় থাকতেই সরকারের উচিত- পবিত্র কুরবানী যেন মুসলমানরা স্মতঃস্ফুর্তভাবে, উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে ও সুন্দরভাবে করতে পারেন তার সু-ব্যবস্থা করা।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...