Monday, March 8, 2021

না, কোনো মুসলমানের জন্য কাফির-মুশরিক বা বিধর্মীদের অনুসরণ করা যাবে না। এটা কোনো মানুষেরর বানানো কথা নয়। বরং এই ইরশাদ মুবারক হচ্ছেন মহান রব্বুল আলামীন উনার। সুবহানাল্লাহ!

 না, কোনো মুসলমানের জন্য কাফির-মুশরিক বা বিধর্মীদের অনুসরণ করা যাবে না। এটা কোনো মানুষেরর বানানো কথা নয়। বরং এই ইরশাদ মুবারক হচ্ছেন মহান রব্বুল আলামীন উনার। সুবহানাল্লাহ!


তিনি নিজেই কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন। যেমন এ সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

وَلَا تُطِعِ الْكَافِرِيْنَ وَالْمُنَافِقِيْنَ وَدَعْ أَذَاهُمْ وَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّـهِ ۚ وَكَفٰى بِاللّٰـهِ وَكِيْلًا

অর্থ: “আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করবেন না। অর্থাৎ আপনার উম্মতরা যেন কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ না করে। এবং আপনি উপেক্ষা করুন তাদের এলোমেলো কথার। আর আপনি মহান রব্বুল আলামীন উনার উপর তাওয়াক্কুল করুন। মহান রব্বুল আলামীন তিনিই অভিভাবক হিসেবে যথেষ্ট।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৮)

মূলত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিতো সব সময় মহান আল্লাহ পাক উনার উপর তাওয়াক্কুল করেন এবং কখনোই কাফির মুশরিকদের অনুসরণ করেননি।


এখানে উনাকে উদ্দেশ্য করে বলার অর্থ হচ্ছে- উম্মতদেরকে সতর্ক করা। অর্থাৎ উম্মতরা যেন কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ না করে এবং সবসময় মহান রব্বুল আলামীন উনার উপর তাওয়াক্কুল করে। তাহলেই মহান রব্বুল আলামীন তিনি গায়েবী মদদ করবেন। তখনই মুসলমান উনারা কামিয়াবী হাছিল করবেন। সুবহানাল্লাহ! অন্যথায় কোনো কামিয়াবী নেই এবং তাদের জন্য কোনো সাহায্যকারীও থাকবে না। বরং দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের জন্য থাকবে শুধু লাঞ্ছনা। মহান রব্বুল আলামীন তিনি রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের উসীলায় আমাদেরকে হিফাযত করুন। আজীবন অনন্তকাল উনাদের সম্মানিত গোলামী মুবারকে ইস্তিকামত থেকে হাক্বীক্বী রেযামন্দি সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার তাওফীক দান করুন। (আমীন)

আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন মাথায় ব্যবহার করার সুন্নতী ‘কেনায়া’

 আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন মাথায় ব্যবহার করার সুন্নতী ‘কেনায়া’


 নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মাথা মুবারকে তেল ব্যবহার করার পর তেল যাতে টুপি বা পাগড়ী মুবারকে না লাগে এ জন্য টুপির নীচে সাদা কাপড়ের কেনায়া মুবারক ব্যবহার করতেন। সুবহানাল্লাহ!


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অধিকাংশ সময় পবিত্র নূরুল হুদা (মাথা মুবারক) উনার মধ্যে সম্মানিত কেনায়া মুবারক ব্যবহার করতেন। যার কারণে উনার সম্মানিত ক্বিনায়া মুবারক তৈলাক্ত কাপড়ে পরিণত হয়ে যেতেন।” সুবহানাল্লাহ!

কিনায়া মুবারক লম্বাকৃতির গোলাকার এবং সাদা হওয়াও সুন্নত মুবারক।


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- আখেরী যামানায় কোন উম্মত যদি অন্তত একটিও সুন্নত মুবার উনার আমলের উপর ইস্তিক্বামত থাকে তবে তাকে ১শত সম্মানিত শহীদ উনাদের সমান মর্যাদা মুবারক প্রদান করা হবে। সুবহানাল্লাহ! তাই আমাদের সকলেরই উচিত- পোশাক, পরিচ্ছেদ, খাওয়া, দাওয়া সকল ক্ষেত্রে সুন্নত মুবারক উনার রঙ্গে রঞ্জিত হওয়ার কোশেশ করা। আর এই মহান উদ্দেশ্য নিয়েই চালু করা হয়েছে “আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র”। সুবহানাল্লাহ!


তাই অতিশীঘ্রই আপনার প্রয়োজনীয় সকল ধরণের সুন্নতী সামগ্রী সামগ্রী পেতে যোগাযোগ করুন-

আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র, সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ গেট, ৫ আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা- ১২১৭। 

ফোন: ০১৭৮২-২৫৫২৪৪, ০১৩০২-৯৪৫৮২০, ০১৭১১-২৭২৭৭৩, ০১৭১১-২৭২৭৮৬

E-mail: sunnat.info@gmail.com Website:


sunnat.info

 পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- 

عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يُؤْمِنُ اَحَدُكُمْ حَتّٰـى اَكُوْنَ اَحَبَّ اِلَيْهِ مِنْ وَّالِدِهٖ وَوَلَدِهٖ وَالنَّاسِ اَجْمَعِيْنَ وَفِىْ رِوَايَةٍ اُخْرٰى مِنْ مَّالِهٖ وَنَفْسِهٖ 

অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না তোমরা তোমাদের পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি এবং সমস্ত মানুষ থেকে আমাকে সবচেয়ে বেশি মুহব্বত না করবে।” সুবহানাল্লাহ! 


অপর বর্ণনায় রয়েছে, নিজের ধন-সম্পদ এবং নিজের জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত না করবে। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মুসনাদে আহমদ, মিশকাত শরীফ ইত্যাদি)


এই সম্মানিত হাদীছ শরীফখানাই হচ্ছেন ‘সম্মানিত উম্মুল হাদীছ শরীফ’। সুবহানাল্লাহ!

কাজেই কেউ যদি ঈমানদার হতে চায়, তাহলে তাকে অবশ্যই অবশ্যই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তার পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, পারা প্রতিবেশী, সন্তান-সন্ততি, বাবা-মা, ধন-সম্পদ; এমনকি নিজের জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত করতে হবে। সুবহানাল্লাহ! অন্যথায় সে কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমি আপনার আলোচনা মুবারক বুলন্দ হতে বুলন্দতর করেছি।” সুবহানাল্লাহ।

 মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমি আপনার আলোচনা মুবারক বুলন্দ হতে বুলন্দতর করেছি।” সুবহানাল্লাহ।



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক নিসবতপ্রাপ্ত প্রতিটি বিষয়ই কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক ফযীলতপ্রাপ্ত এবং বরকতময় ও সর্বোচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন। তিনি ছুবহে সাদিকের সময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। তাই, ছুবহে ছাদিক হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘সময়’।

তাই, পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- প্রতিদিন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ বা ছুবহে ছাদিক পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ ও তাবারুক বিতরণের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে পালন করা। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক নিসবতপ্রাপ্ত প্রতিটি সময়, বার, মাস ব্যাপকভাবে পালনে সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে এ সম্পর্কিত আলোচনা মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভূক্ত করা।


- সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...