না, কোনো মুসলমানের জন্য কাফির-মুশরিক বা বিধর্মীদের অনুসরণ করা যাবে না। এটা কোনো মানুষেরর বানানো কথা নয়। বরং এই ইরশাদ মুবারক হচ্ছেন মহান রব্বুল আলামীন উনার। সুবহানাল্লাহ!
তিনি নিজেই কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন। যেমন এ সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَلَا تُطِعِ الْكَافِرِيْنَ وَالْمُنَافِقِيْنَ وَدَعْ أَذَاهُمْ وَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّـهِ ۚ وَكَفٰى بِاللّٰـهِ وَكِيْلًا
অর্থ: “আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করবেন না। অর্থাৎ আপনার উম্মতরা যেন কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ না করে। এবং আপনি উপেক্ষা করুন তাদের এলোমেলো কথার। আর আপনি মহান রব্বুল আলামীন উনার উপর তাওয়াক্কুল করুন। মহান রব্বুল আলামীন তিনিই অভিভাবক হিসেবে যথেষ্ট।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৮)
মূলত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিতো সব সময় মহান আল্লাহ পাক উনার উপর তাওয়াক্কুল করেন এবং কখনোই কাফির মুশরিকদের অনুসরণ করেননি।
এখানে উনাকে উদ্দেশ্য করে বলার অর্থ হচ্ছে- উম্মতদেরকে সতর্ক করা। অর্থাৎ উম্মতরা যেন কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ না করে এবং সবসময় মহান রব্বুল আলামীন উনার উপর তাওয়াক্কুল করে। তাহলেই মহান রব্বুল আলামীন তিনি গায়েবী মদদ করবেন। তখনই মুসলমান উনারা কামিয়াবী হাছিল করবেন। সুবহানাল্লাহ! অন্যথায় কোনো কামিয়াবী নেই এবং তাদের জন্য কোনো সাহায্যকারীও থাকবে না। বরং দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের জন্য থাকবে শুধু লাঞ্ছনা। মহান রব্বুল আলামীন তিনি রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের উসীলায় আমাদেরকে হিফাযত করুন। আজীবন অনন্তকাল উনাদের সম্মানিত গোলামী মুবারকে ইস্তিকামত থেকে হাক্বীক্বী রেযামন্দি সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার তাওফীক দান করুন। (আমীন)


