Thursday, April 29, 2021

আজ বরকতময় ঐতিহাসিক ১৭ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

 মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ!


আজ বরকতময় ঐতিহাসিক ১৭ই রমাদ্বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ!



যে মহাসম্মানিত দিবস- 


সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম, 


সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম,


সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!


পাশাপাশি এই সুমহান দিন হচ্ছেন- মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম জিহাদ পবিত্র বদর জিহাদ দিবস এবং পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় দিবস। সুবহানাল্লাহ!


এসব মহান দিবস উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ আয়োজন করা।

আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে এ মহাসম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয় সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা।


ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আল ওয়াসীলাতু ইলাল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সুমহান ও বেমেছাল ১৭ই রমাদ্বান শরীফ- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে এক বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ, রহমতপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ এবং আলাদা বৈশিষ্ট্যম-িত দিন। এদিন সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি, সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি এবং ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি অর্থাৎ উনারা মহাসম্মানিত পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! এছাড়া সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম জিহাদ বদরের জিহাদ সংঘটিত হয় এবং পবিত্র মক্কা শরীফও বিজয় হয় এ মহান দিবসেই। সুবহানাল্লাহ! 


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মুল মু’মিনীন, আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি সুদীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকের আনজাম দেন। আনুষ্ঠানিকভাবে নবুওয়ত মুবারক প্রকাশের ১০ম বছর পবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ ইয়াওমুস সাবত প্রায় ৬৫ বছর হায়াত মুবারকে পবিত্র মক্কা শরীফে তিনি পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সেখানের পবিত্র জান্নাতুল মুয়াল্লাহ শরীফে উনার পবিত্র রওজা শরীফ স্থাপন করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি ৫৮ হিজরীর পবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ ইয়াওমুল আহাদ প্রায় ৬৭ বছর হায়াত মুবারকে পবিত্র মদীনা শরীফে পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। পবিত্র জান্নাতুল বাকী শরীফে উনার পবিত্র রওজা শরীফ স্থাপন করা হয়েছে। সে সময় হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার খিলাফতকাল চলছিল। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার ব্যাপারে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা দ্বীনি ইলম হুমায়রা অর্থাৎ উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার কাছ থেকে গ্রহণ করবে।” সুবহানাল্লাহ!


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামুল আউয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি ৪০ হিজরীর পবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ বর্তমান ইরাকের কুফা নগরীতে প্রায় ৬৩ বছর হায়াত মুবারকে পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। উনাকে ইহুদী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত খারেজী সম্প্রদায়ের ইবনে মুলযিম আঘাত করেছিল। যার কারণে তিনি পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। কুফার জামে মসজিদের পাশেই উনার পবিত্র রওজা শরীফ স্থাপিত হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি হচ্ছি ইলম উনার শহর, আর সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন সেই শহরের দরজা।” সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ২য় হিজরীর পবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ ঐতিহাসিক পবিত্র বদরের জিহাদ সংঘটিত হয়। আর পবিত্র বদরের জিহাদই মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম জিহাদ। এ জিহাদে ৩১৩ জন মুসলমান অংশগ্রহণ করেন। উনাদের মধ্যে ১৪ জন পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক গ্রহণ করেন। অপরদিকে কাফিররা ১০০০ জন ছিল। তাদের ১১ নেতাসহ মোট ৭০ জন নিহত এবং ৭০ জন বন্দি হয়। তারা শোচনীয়ভাবে পরাজিত ও ধ্বংস হয়। পবিত্র বদরের জিহাদে মহান আল্লাহ পাক তিনি সরাসরি হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পাঠিয়ে সাহায্য করেন। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র বদরের জিহাদে যেসব হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ শরীক হয়েছিলেন উনাদের মর্যাদা সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আপনারা যা ইচ্ছা করুন।” সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ যেসব হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনারা পবিত্র বদরের জিহাদে অংশগ্রহণ করেছেন এবং শাহাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন উনাদের মর্যাদা সর্বাগ্রে। সুবহানাল্লাহ!


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ৮ম হিজরীর সুমহান ১৭ই রমাদ্বান শরীফ-এ ফাতহে মক্কা বা পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় হয়। মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র ‘সূরা আল ফাতাহ শরীফ’ উনার মধ্যে পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়কে সুস্পষ্ট বিজয় বলে উল্লেখ করেন। সুবহানাল্লাহ!


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অষ্টম হিজরী সনের পবিত্র ১০ই রমাদ্বান শরীফ পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের উদ্দেশ্যে পবিত্র মদীনা শরীফ ত্যাগ করেন। অতঃপর পবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ বিনা জিহাদে ও বিনা রক্তপাতে পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় করেন। তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের দিন পবিত্র কা’বা শরীফ উনার ভিতরে প্রবেশ করেন এবং পবিত্র কা’বা শরীফ উনার মধ্যে রক্ষিত ৩৬০টি মূর্তিসহ সমস্ত ছবি ও মূর্তি ধ্বংস করে দেন। সুবহানাল্লাহ!


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- আজ ঐতিহাসিক পবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মাসব্যাপী মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উল্লেখিত প্রতিটি বিষয় শিশুশ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা।

নেককার স্ত্রীর কয়েকটি নমুনা

 নেককার স্ত্রীর কয়েকটি নমুনা

>>>>>>>>>>>>>>>>>>


১) স্বামী বাইরে থেকে এলে উনাকে আহলান-সাহলান (স্বাগতম) জানানোর জন্য আহলিয়া (স্ত্রী)কে দরজায় এগিয়ে আসা। স্বামীর হাতে কোনো জিনিসপত্র থাকলে তা নিজের হাতে নেয়ার চেষ্টা করা।

২) স্বামী বাইরে থেকে আসলে বাতাসের ব্যবস্থা করা। সাথে সাথে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করা।

৩) সময় ও মেজাজ বুঝে স্বামীর সাথে মুহব্বত-ভালোবাস

া মিশ্রিত কথা-বার্তা বলা। স্বামীর সামনে উনার ভালো গুণাবলীর কথাগুলো উল্লেখ করে উনার প্রশংসা করা। উনার সম্মান-মর্যাদা বজায় রাখা।

৪) বিশেষ বিশেষ দিন বা উপলক্ষে স্বামীর হাতে, কপালে বুছা দেয়া।

৫) স্বামীর পোশাক-পরিচ্ছদ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতি বিশেষভাবে খেয়াল রাখা। (মনে রাখতে হবে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পুরুষ মানেই তার আহলিয়া (স্ত্রী) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন)

৬) রান্না-বান্নার ক্ষেত্রে স্বামী যা পছন্দ করেন, যেভাবে পছন্দ করেন, তা নিজ হাতে প্রস্তুত করতে সচেষ্ট থাকা।

৭) স্বামীর সামনে সব সময় হাস্যজ্জ্বল বদনে থাকা।

৮) স্বামীর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে সুসজ্জিত রাখা। শরীরে দুর্গন্ধ থাকলে কিংবা রান্না-বান্নার পোশাকে উনার সামনে না যাওয়া।

৯) স্বামীর সামনে কখনোই নিজের কণ্ঠস্বরকে উচু না করা। স্মরণ রাখতে হবে, মহিলাগণ উনাদের সৌন্দর্য উনাদের নম্র কন্ঠে।

১০) সন্তানগণের সামনে স্বামীর প্রশংসা ও ছানা-ছিফত করা।

১১) নিজের এবং স্বামীর পিতা-মাতা, ভাই-বোন ও আত্মীয় স্বজনদের সামনে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং নিজের শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার প্রশংসার সাথে সাথে স্বামীর প্রশংসা করা এবং শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরা। কখনোই স্বামীর বিরুদ্ধে উনাদের নিকট কোনো অভিযোগ না করা।

১২) সুযোগ-সুবিধা বুঝে স্বামীকে নিজহাতে লোকমা তুলে খাওয়ানো।

১৩) কখনো স্বামীর আভ্যন্তরীণ গোপন বিষয় অনুসন্ধান না করা। তাতে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে।

১৪) স্বামী কখনো রাগাম্বিত হলে চুপ থাকা। সম্ভব হলে স্বামীর রাগ থামানোর ব্যবস্থা করা। যদি তিনি অন্যায়ভাবে রেগে থাকেন, তাহলে অন্য সময়ে উনার মেজাজ-মর্জি বুঝে সমঝোতার ব্যবস্থা করা।

১৫) কখনোই মুখে মুখে তর্ক-বিতর্ক করা যাবে না। কেননা, তাতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিচ্ছন্নতা তথা বিচ্ছেদ দেখা দেয়।

১৬) স্বামীর মাতা-পিতাকে নিজের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে সাধ্যানুযায়ী কিছু কিছু হাদিয়া দেয়া।

১৭) সম্পদশালী হয়ে থাকলে স্বামীর অভাব-অনটনের সময় উনাকে সহযোগিতা করা।

উম্মুল মু’মিনীন, হযরত উম্মে সালামা আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “একদিন আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে আরজ করলাম- ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!! (আমার পূর্ব স্বামী) আবু সালামার সন্তানদের জন্য যদি আমি অর্থ ব্যয় করি তবে কি তাতে আমি প্রতিদান পাবো? তাদেরকে তো আমি এভাবে ছেড়ে দিতে পারি না। তারা তো আমারই সন্তান। তিনি বললেন- হ্যাঁ; তাদের জন্য আপনি যে পরিমাণ সম্পদ খরচ করবেন তার প্রতিদান আপনাকে দেয়া হবে।” সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)

১৮) স্বামীর আদেশ-নিষেধ পালন এবং উনার সংসারে খিদমত ইত্যাদির মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি, নৈকট্য, কুরবত মুবারক কামনা করা।

১৯) ধন-সম্পদ, মান-সম্মান, প্রভাব-প্রতিপত্তি হাদিয়া উপঢৌকন ইত্যাদি যা প্রাপ্তি ঘটে তা স্বামীর উসীলায় হয়েছে বলে মনে করা।

>>>> মহিলাগণ উনারা যদি উল্লিখিত বিষয়গুলোর প্রতি সর্বদা গভীর দৃষ্টি রাখেন তাহলে মা’রিফাত-মুহব্বত, সন্তুষ্টি-রেযামন্দি, তায়াল্লুক-নিসবতপ্রাপ্তির বিষয়টি অতীব সহজ হবে। ইনশাআল্লাহ!

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...