Wednesday, March 31, 2021

১লা এপ্রিল তথা এপ্রিল ফুলের নির্মম ইতিহাস

 ১লা এপ্রিল তথা এপ্রিল ফুলের নির্মম ইতিহাস


=================================


‘এপ্রিল ফুল’ বাক্যটা মূলত ইংরেজি। অর্থ এপ্রিলের বোকা। এপ্রিল ফুল ইতিহাসের এক হৃদয় বিদারক ঘটনা।

৭১১ উমাইয়া শাসনামলে মুসলমানদের স্পেন জয়ে গড়ে উঠেছিলো গ্রানাডা ও কর্ডোভায় প্রায় ৮০০ বছরের আলোড়ন সৃষ্টিকারী সভ্যতা। কিন্তু মুসলিম শাসকরা যখন পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার কথা একেবারে ভুলে গিয়ে জন-সাধারণের সুখ-শান্তির মূলে পদাঘাত করে ভোগ বিলাসে মত্ত হয়, তখন তারা হারিয়ে ফেলে পবিত্র ইসলামী চেতনা। তাদের এই দুর্বলতার সুযোগে খ্রিস্টান সন্ত্রাসী ও যালিমরা চারিদিকে মুসলিম শাসকদের বিরুদ্ধে সুসংগঠিত হতে থাকে। খ্রিস্টানরা সুযোগ বুঝে মসজিদে অবস্থানরত মুসলমানদের আগুন লাগিয়ে নৃশংসভাবে শহীদ করার মাধ্যমে বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় দেয়। যে দিন এসব নির্মম নৃশংসতা কর্মকা- করে ছিলো, সে দিন ছিল “১লা এপ্রিল ১৪৯২ সাল”। সেদিন খ্রিস্টানরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে বলে ছিল “হায় মুসলমান! এপ্রিল ফুল, তোমরা এপ্রিলের বোকা।” স্পেনীয়দের দ্বারা মুসলমানদেরকে বোকা হিসেবে ঘোষণা দেয়ার এই নিষ্ঠুর বিশ্বাসঘাতকতা বা শঠতাকে স্মরণীয় রাখার জন্য খ্রিস্টান জগৎ প্রতিবছর ১লা এপ্রিল পালন করে থাকে রসিকতার সাথে, যা মুসলমানদের জন্য বড় বেদনাদায়ক।

ইতিহাসের হৃদয়বিদারক ঘটনা সম্পর্কে অজ্ঞ না হলে এপ্রিল ফুল কোনো মুসলিমকে আনন্দ দান করতে পারে না। এখন আমরা কি পহেলা এপ্রিল হাসি-আনন্দের সাথে “এপ্রিল ফুল ডে” উদযাপন করব, নাকি ইউরোপের বুকে অসহায় মুসলিম নারী-পুরুষ, শিশুদের নৃশংস শাহাদাতের ঘটনা স্মরণে দুঃখ অনুভব করব? 


‘এপ্রিল ফুল’ উদযাপন তথা একে অন্যকে বোকা বানিয়ে, মিথ্যা বলে আনন্দ লাভ করার প্রচেষ্টা মূলত খ্রিস্টানদের খুশিতে খুশি হওয়া ও মুসলিম শহীদদের অবমাননা করা। নাউযুবিল্লাহ!

মু’মিন-মুসলমানগণের জন্য পহেলা এপ্রিল বা এপ্রিল ফুল পালন করা হারাম ও কুফরী

 মু’মিন-মুসলমানগণের জন্য পহেলা এপ্রিল বা এপ্রিল ফুল

পালন করা হারাম ও কুফরী

======================


======


বর্তমানে মু’মিন-মুসলমানরা দ্বীনি শিক্ষা-সংস্কৃতি ইতিহাস থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে। দ্বীনি অজ্ঞতা ও গাফলতির কারণে আজ তারা নিজের পতন নিজেরাই ডেকে আনছে। কি পতন? এ পতন ও লা’নত হলো- প্রতি বছর ১লা এপ্রিলের নামে বাড়িতে বাড়িতে, পাড়ায় পাড়ায়, মহল্লায় মহল্লায়, গ্রামে-গঞ্জে, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে অফিস আদালতে একে অপরকে ঠকিয়ে প্রতারণা করে ১লা এপ্রিল পালন করে থাকে। এ প্রতারণার আনন্দকে তারা ১লা এপ্রিলের আনন্দ মনে করে থাকে এবং মুখেও তা উচ্চারণ করে থাকে। নাঊযুবিল্লাহ!

অথচ পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ১লা এপ্রিল বা এপ্রিল ফুল পালন করা হারাম ও কুফরী। কেন এ ফতওয়া? কেনই বা এ ফায়ছালা? তা একটু আলোচনা করা দরকার।

কর্ডোভার সন্ত্রাসী ও প্রতারক রাজা ফার্ডিনান্ড ও তার পতœী ইসাবেলার চক্রান্তের কারণে শেষ পর্যন্ত মুসলমানগণের কাছ থেকে স্পেন হাতছাড়া হয়। খ্রিস্টানরা মুসলমানগণেরকে ধোঁকা দেয়ার জন্য আদেশ জারি করে যে, মসজিদগুলোকে নিরাপদ ঘোষণা করা হলো। যারা মসজিদে আশ্রয় নিবে তারা নিরাপদ থাকবে। স্পেনীয় সরলমনা মুসলমানরা মসজিদে আশ্রয় গ্রহণ করলে খ্রিস্টানরা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে দেয়। এরপর পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে শহীদ করে দেয় স্পেনীয় মুসলমানগণের। আর বাইরে থেকে তারা উল্লাস ভরে কৌতুক করে সমস্বরে ফুল ফুল ঋড়ড়ষ! ঋড়ড়ষ! বলে অট্টহাসি আর চিৎকারে মেতে উঠে। ওই দিনটি ছিল ১লা এপ্রিল ১৪৯২ ঈসায়ী সাল। তখন থেকে খ্রিস্টানরা সেই উল্লাসকে ধরে রাখার জন্য প্রতি বছর এপ্রিল মাসের ১লা তারিখে ‘এপ্রিল ফুল’ পালন করে। নাঊযুবিল্লাহ!


অতএব, মুসলমান নামধারণ করে যারা আজ ১লা এপ্রিল পালন করে, আসলে তারা মুসলমানগণের ধ্বংস চায়; তারা মুসলিম নামধারী খ্রিস্টান। মুসলমানগণের সচেতনতা ফিরে আসবে কবে? 


মহান মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনারা হাক্বীক্বী সচেতনতা ও জযবা আবারো ফিরে দিন। মুসলমান আবারো পূর্ব গৌরব খিলাফত হাছিল করুক। আমীন।

যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে

 যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে


===========================


হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “যে ধোঁকা দেয় বা প্রতারণা করে সে আমার উম্মত নয়।”


মুসলমানদের ইতিহাসের জ্ঞান না থাকার কারণে, ১লা এপ্রিলের দিনে একে অপরকে ঠকিয়ে খুশি প্রকাশ করে। এপ্রিল ফুল! এপ্রিল ফুল! বলে একে অপরকে ধোঁকা দেয়। নাঊযুবিল্লাহ! অথচ এই ১লা এপ্রিলে স্পেনের কাফিররা মুসলমানদেরকে ধোঁকা দিয়ে মসজিদে অগ্নিদগ্ধ করে শহীদ করে। লাখ লাখ মুসলমান শহীদ হন স্পেনে সেদিন নির্মমভাবে। অথচ সেই ইতিহাস সম্পর্কে মুসলমানরা বেখবর!


হাদীছ শরীফ-এ রয়েছে, আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে, তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।” অর্থাৎ ১লা এপ্রিলে যারা হাসি-ঠাট্টা, কৌতুক, ধোঁকা, মিথ্যা, প্রতারণা ইত্যাদির দ্বারা খুশি প্রকাশ করবে, তারা এই দিনের লাখ লাখ মুসলমান শহীদকারীদের খাতায় নাম লিখিয়ে মুরতাদে পরিণত হবে। তাদের হাশর-নশর ওইসব কাফিরদের সাথেই হবে। নাঊযুবিল্লাহ!


খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, মুজাদ্দিদে আযম, মুর্শিদ ক্বিবলা মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম-

খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার উসীলায় আমাদের সকলকে এপ্রিল ফুলসহ সমস্ত হারাম কাজ থেকে বিরত থাকার এবং অন্যান্য মানুষদেরকে বিরত রাখার তাওফীক দান করুন। (আমীন)

পবিত্র মসজিদ রহমত লাভের স্থান, সকল রোগ-শোক থেকে সুস্থ ও নিরাপদ থাকার স্থান।

 পবিত্র মসজিদ রহমত লাভের স্থান, সকল রোগ-শোক থেকে সুস্থ ও নিরাপদ থাকার স্থান।



মুসলমান দ্বীন ইসলাম মানে এবং মানবে। পবিত্র কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা শরীফ ও ক্বিয়াস শরীফ মানে এবং মানবে। শরীয়তের এই সীমার বাইরে কোন ডাক্তারি ফরমুলা, কোন বৈজ্ঞানিক থিওরি বা কোন প্রকা- আকৃতির ব্যক্তি বা মানুষকে দ্বীন ইসলাম স্বীকার করে না এবং কোন মুসলমানও সেটা মানতে পারে না।

পবিত্র ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই। তাই যে যেই ফরমুলাই দিকনা কেন, মুসলমান কখনোই সেটা বিশ্বাস করে না এবং মানতে পারে না।

তাই কোন ডাক্তার বা বিজ্ঞানী বা কোন নামধারী মাওলানা-মুফতীরা যদি হাজারবারও বলে- করোনা ছোঁয়াচে রোগ, তাই মসজিদে যাবেন না, কম যাবেন নাউযুবিল্লাহ! গেলেও ফাঁক ফাঁক করে দাঁড়াবেন, নাউযুবিল্লাহ! এলকোহলযুক্ত স্যানিটারাইজ দিয়ে হাত ধুবেন, নাউযুবিল্লাহ! -কস্মিনকালেও একজন মুসলমান-একজন ঈমানদার এসব শরীয়তবিরোধী ও কুফরী কথা বিশ্বাস করতে পারে না এবং মানতে পারে না।

বরং একজন ঈমানদারের বিশ্বাস হলো- পবিত্র মসজিদ মহান আল্লাহপাক উনার রহমত, বরকত হাছিলের জায়গা। মসজিদে গিয়ে জামায়াতের সাথে নামায আদায় করলে অনেকবেশি রহমত, বরকত অর্জন করা যায়। আর এই রহমত-বরকতই হলো একজন মানুষের সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদ থাকার একমাত্র উছিলা। তাই সকলের উচিত- কোন ডাক্তার বা ধর্মব্যবসায়ীদের কথা না শুনে মহান আল্লাহপাক উনার মুহব্বতে বেশি বেশি মসজিদে যাওয়া, জামায়াতের সাথে ৫ ওয়াক্ত নামায আদায় করা, বেশি বেশি কুরআন শরীফ তেলাওয়াত করা, মীলাদ শরীফ পাঠ করা। এগুলোই সকল রোগ-শোক, বালা-মুছীবত থেকে সুস্থ, সুন্দর, নিরাপদ থাকার একমাত্র উপায়। সুবহানাল্লাহ!

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...