Tuesday, October 20, 2020

📣📣আপনার সুন্নতী পণ্য সামগ্রী আজই সংগ্রহ করুন।📣📣

 ✅সুন্নতী পোষাকই সর্বোত্তম পোষাক, 

✅সুন্নতী খাবারই সর্বোত্তম খাবার, 

✅সুন্নতী আসবাবপত্রই সর্বোত্তম আসবাবপত্র




✅পবিত্র সুন্নতী বিষয় সমূহ আমলের জন্য আন্তর্জাতিক সুন্নত প্রচার কেন্দ্র উনার ব্যবস্থাপনায় অনলাইনে অর্ডার ও হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা রয়েছে। ।

⭕️ রয়েছে হোম ডেলিভারী সুবিধা এবং ওয়েব সাইট https://sunnat.info এর মাধ্যমেই পেমেন্ট পরিশোধের সুবিধা।

অর্ডার করতে যোগাযোগ করুনঃ

📮 যোগাযোগের ঠিকানাঃ

আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র।

৫/১ আউটার সার্কুলার রোড রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা।

📲 যোগাযোগ নাম্বার:

📞

🌐 ভিজিট করুন: https://sunnat.info

প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও তাদের কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

 প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও তাদের কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি


=================================================

প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও তাদের কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি আপনারা, প্রত্যেক রাজনৈতিক দল দলীয় বিভিন্ন দিবসকে কেন্দ্র করে প্রোগ্রাম করে থাকেন, যেমন:

– কেউ ১৭ই মার্চ পালন করেন,

– কেউ ১৫ই আগস্ট পালন করেন,

– কেউ ১৮ই অক্টোবর পালন করেন,

– কেউ ১৯শে জানুয়ারি পালনে করেন,

– কেউ বা ২০শে নভেম্বর পালন করেন।

তবে আপনারা প্রত্যেক দলই, তাদের দলীয় দিবস ছাড়াও ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, কিংবা বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে জনগণকে শুভেচ্ছা জানান। সবার সাথে দেখা সাক্ষাৎ করেন, ব্যানার ফেস্টুন ছাপিয়ে থাকেন।


তবে আমি বলবো, এসব দিবসকে কেন্দ্র করে সবাইকে শুভেচ্ছা জানালে আপনারা রাজনৈতিক দলগুলো যতটুকু ফায়দা পাবেন, তার থেকে অনেক অনেক বেশি ফায়দা পাবেন পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানালে। কেননা, যেহেতু এ দিবসটি স্বয়ং আমাদের প্রত্যেকের প্রাণপ্রিয় নবীজি হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সম্পৃক্ত, আর উনার পবিত্র নাম মুবারক শুনলেই প্রত্যেক মুসলমানদের অন্তর প্রশান্তি লাভ করে। সেক্ষেত্রে এ দিবসটির শুভেচ্ছা মানুষের অন্তরকে আরো অধিক অধিক পরিমানে নাড়া দিবে।


বিশেষ করে, আওয়ামীলীগের অংগসংগঠনগুলোর মনে রাখা উচিত, বাংলাদেশে ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাতীয়ভাবে উদযাপন শুরু করেছিলেন কিন্তু বঙ্গবন্ধুই। তাই আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠন গুলোর উচিত এ দিবসটিকে অতিগুরুত্বের সাথে পালন করা। তারা যদি নতুন করে বিষয়টি গুরুত্ব্যের সাথে পালন শুরু করে, সেক্ষেত্রে বিশেষ চমক সৃষ্টি হবে এবং মুসলমানদের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে।


আওয়ামীলীগ যদি, এ ধর্মীয় দিবসটি গুরুত্বের সাথে পালন করে, তবে বিএনপি’র বসে থাকলে চলবে না, বিএনপিকে আরো গতিশীলতার সাথে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ বিএনপিকে অনেকেই অধিক ধর্মীয় সম্পৃক্ত দল হিসেবে মনে করে। বিশেষ করে, ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপনের মাধ্যমে মুসলিম জাতীয়তাবাদের বিকাশ দ্রুত ঘটবে এটা নিশ্চিত, তাই জাতীয়বাদে বিশ্বাসী বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোকে এক্ষেত্রে আরো বেশী অগ্রগামী হতে হবে।


পরিশেষে বলতে হয়, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,


وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ


অর্থ: “আমি আপনাকে (নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সারা বিশ্বের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি” (পবিত্র সূরা আল আম্বিয়া শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৭)

অতএব এ রহমত উনার ভাণ্ডার লাভ করার জন্য, বিপদ-আপদ থেকে হিফাজত থাকার জন্য, দুনিয়া-আখিরাতে সমৃদ্ধি লাভ করার জন্য আপনাদেরকে অবশ্যই এ দিবসটি গুরুত্বের সাথে পালন করতে হবে।


তাই প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের উচিত হবে, ১২ই রবিউল আউয়াল শরীফ উপলক্ষে

-দেশজুড়ে মিলাদ মাহফিল উনার ব্যবস্থা করা,

-গরীব-মিসকিনদের ভালো খাদ্য খাওয়ানো

-সমগ্র দেশবাসীকে ব্যানার-ফেস্টুন-বিলবোর্ড করে শুভেচ্ছা জানানো,

-দেশবাসীর সাথে আনন্দ খুশির জন্য দেখা-সাক্ষাৎ করা।

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রত্যেককে অতি অতি শান-শওকতের সাথে পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল শরীফ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার তৌফিক দান করুন। আমিন।


#সাইয়্যিদুল_আইয়াদ_শরীফ

বর্তমান সঙ্কট থেকে মুসলিম জাতির পরিত্রাণের একমাত্র উপায় হচ্ছে, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শান মুবারক এ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা।

 বর্তমান সঙ্কট থেকে মুসলিম জাতির পরিত্রাণের একমাত্র উপায় হচ্ছে, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শান মুবারক এ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা।


=================================================

বর্তমান সঙ্কট থেকে সারা বিশ্বের মুসলিম জাতির পরিত্রাণের একমাত্র উপায় হচ্ছে সারা পৃথিবব্যিাপী হাক্বীক্বীভাবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেলাদত শরীফ উনার সম্মানার্থে উনার সুমহান শান মুবারকে সর্বেশ্রেষ্ট খুশি মুবারক প্রকাশ করা অর্থাৎ ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা।


সারা বিশ্বে আজ মুসলমানরা নির্যাতিত ও পর্যুদস্ত, এর কারণ-মুসলমানরা রহমত থেকে দূরে সরে গেছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,


وما ارسلناك الا رحمة للعالمين


অর্থ: “আমি আপনাকে সারা আলম-এর জন্য রহমতস্বরূপ (নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রেরণ করেছি।” (পবিত্র সূরা আল আম্বিয়া শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৭)


আমরা বর্তমান জামানার উম্মতরা নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সেই রহমতকে গ্রহণ করতে পারিনি। অথচ ইতিহাস ঘাটলে পাওয়া যাবে, পূর্ববর্তী মুসলমানরা সেই রহমত গ্রহণ করার কারণেই সফলতা অর্জন করেছিলো।


আপনারা সবাই নিশ্চয়ই হযরত সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি’র নাম জানেন। তিনি একাই সকল খ্রিস্টান ক্রসেডারদের নাকানি-চুবানি দিয়েছিলেন। মহান আল্লাহ তায়ালা’র পক্ষ থেকে অবশ্যই হযরত সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি’র উপর বিশেষ রহমত এসেছিলো। কিন্তু ইতিহাস বলে, সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি’র সেই রহমতের উৎস হচ্ছে: তিনি পুরো মুসলিম সালতানাতে ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যাপকভাবে চালু করেছিলেন। সুবহানাল্লাহ।


এবং ঐ সাইয়্যিদুল আইয়াদ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার কারণে উনার প্রতি নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাস রহমত মুবারক তথা গায়েবী মদদ নাজিল হতো। সুবহানাল্লাহ।


শুূধূ তাই না পূর্ববর্তী জামানাই ও মুসলমানরা পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার মাধ্যমে নিরাপত্তা ও স্বস্তি, জীবিকার মানোন্নয়ন, শিশু ও সম্পদ বৃদ্ধি এবং শহরের শান্তি ও উনাদের সাফল্য অর্জন করতেন।


যেমন হাফিজুল হাদীছ আবুল ফয়েয হযরত আব্দুর রহমান ইবনুল জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেন,


لَازَالَ اَهْلُ الْـحَرَمَيْنِ الشَّرِيْفَيْنِ وَالْـمِصْرِ وَالْيَمَنِ وَالشَّامِ وَسَائِرِ بِلَادِ الْعَرَبِ مِنَ الْـمَشْرِقِ وَالْـمَغْرِبِ يَـحْتَفِلُوْنَ بِـمَجْلِسِ مَوْلِدِ النَّبِىّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَيَفْرَحُوْنَ بِقُدُوْمِ هِلَالِ رَبِيْعِ الْاَوَّلِ وَيَغْتَسِلُوْنَ وَيَلْبَسُوْنَ الثّيَابَ الْفَاخِرَةَ وَيَتَزَيّـِنُوْنَ بِاَنْوَاعِ الزّيْنَةِ وَيَتَطَيّـِبُوْنَ وَيَكْتَحِلُوْنَ وَيَأْتُوْنَ بِالسُّرُوْرِ فِىْ هٰذِهِ الْاَيَّامِ وَيَبْذُلُوْنَ عَلَى النَّاسِ بِـمَا كَانَ عِنْدَهُمْ مِنَ الْـمَضْرُوْبِ وَالْاَجْنَاسِ وَيَهْتَمُّوْنَ اِهْتِمَامًا بَلِيْغًا عَلَى السّمَاعِ وَالْقِرَاءَةِ لِـمَوْلِدِ النَّبِىّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَيَنَالُوْنَ بِذَالِكَ اَجْرًا جَزِيْلًا وَفَوْزًا عَظِيْمًا.


অর্থ : “হারামাইন শরীফাইন, মিশর, ইয়ামেন, সিরিয়া এবং পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত আরবের সকল শহর ও নগরের অধিবাসীদের মধ্যে অব্যাহতভাবে এ নিয়ম চলে আসছে যে, তারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার অনুষ্ঠান করেছেন। পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার নতুন চাঁদের আগমনে আনন্দিত হন, গোসল করেন, দামী পোশাক পরিধান করেন, নানা প্রকার সাজ-সজ্জা করেন, সুগন্ধি ব্যবহার করেন, সুরমা লাগান, এই দিনগুলোতে আনন্দ উৎসব করেন, ধন-সম্পদ, টাকা-পয়সা মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দেন এবং অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ ও শ্রবণের ব্যবস্থা করে অধিক ছাওয়াব এবং বিরাট সাফল্য অর্জন করেন। উনারা পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করে যে নিরাপত্তা ও স্বস্তি, জীবিকার মানোন্নয়ন, শিশু ও সম্পদ বৃদ্ধি এবং শহরের শান্তি ও উনাদের সাফল্য অর্জন করেছেন তা প্রকাশ করতেন।” (তাফসীরে রূহুল বয়ান লি শেখ ইসমাইল হাক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি- ৯ম খ-, পৃষ্ঠা ৫৬; মীলাদুল উরুস- উর্দু “বয়ান-ই-মিলাদুন নবী”, পৃষ্ঠা ৩৪-৩৫, লাহোর; দুররুল মুনাজ্জাম, পৃষ্ঠা ১০০-১০১; মীলাদুন নবী, পৃষ্ঠা ৫৮)


বর্তমানে সাইয়িদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ (আগমন) উনার সম্মানার্থে সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ তথা খুশি মুবারক প্রকাশের বিরোধীতার মূল হচ্ছে সউদী ওহাবীরা। যারা বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে রহমতপ্রাপ্তির এ দিনটি বন্ধ করতে চাইছে। কিন্তু এটা তো সত্যি যে, সউদীদের সৃষ্টিকর্তা হচ্ছে ব্রিটিশ খ্রিস্টানা। আর ব্রিটিশদের পূর্ব পুরুষ সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি’র সাথে ক্রুসেড যুদ্ধে নাস্তানাবুদ হয়েছিলো, তখন তারা গবেষণা করে দেখে মুসলমানদের নৈতিক শক্তির রহস্যগুলো কি । পরবর্তীকালে সেই নৈতিক শক্তির মূলতত্ত্বগুলোই এ সউদীদের মাধ্যমে ভেঙ্গে দেয় ব্রিটিশরা।


সুতরাং মুসলমানদের সেই সোনালী অতীত ফিরিয়ে আনতে হলে পুনরায় রহমতের দ্বার উন্মুক্ত করতে হবে তাদেরকে। সবাইকে মন-প্রাণ উজার করে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উদযাপন করতে হবে,পালন করতে হবে। তবেই বর্তমান সঙ্কট থেকে পরিত্রাণ পাবে মুসলমানরা।


#সাইয়্যিদুল_আইয়াদ_শরীফ

খোলা চিঠি: আসন্ন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বশ্রেষ্ঠ এ মুবারক দিনটি সর্বোত্তমভাবে পালনের জন্য সর্বোচ্চ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা করা প্রসঙ্গে

 খোলা চিঠি:

আসন্ন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

সর্বশ্রেষ্ঠ এ মুবারক দিনটি সর্বোত্তমভাবে পালনের জন্য সর্বোচ্চ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা করা প্রসঙ্গে


বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান


মুহতারাম,

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ। 

বাংলাদেশ সরকারের অভ্যুদয়ের সঙ্গে যাদের কথা অনিবার্যভাবে আসে তারা হলেন, ত্রিশ লাখ শহীদ।

প্রসঙ্গত, এ ‘শহীদ’ শব্দটি সর্বোতভাবেই পবিত্র দ্বীন ইসলাম সম্পর্কীয় বিশ্বাস, অনুভূতি ও আবেগ থেকে উৎসারিত। অর্থাৎ এদেশের উৎপত্তির সাথে পরিপূর্ণভাবে জড়িয়ে আছে সম্মানিত ইসলামী বিশ্বাস ও অনুষঙ্গ। এদেশের স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট সম্মানিত ইসলামী অনুভূতি ও চেতনা।


যে ’৭০-এর নির্বাচনে এদেশের প্রায় ৯৯ ভাগ জনগণ বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিয়েছিলো- সে নির্বাচনের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিলো, “পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না।” অর্থাৎ ঐতিহাসিকভাবেই ‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম’ এদেশের জন্য এক অনিবার্য ও অবিচ্ছেদ্য বিষয়।


আর পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে বৎসরের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোচ্চ ফযীলতযুক্ত এবং মহা গুরুত্ববহ ও দ্বীনি ভাবমর্যাদার দিন হচ্ছে- পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ।


মুহতারাম,

দিবস পালনের ঐতিহ্য ও রীতি বাংলাদেশ সরকারে বিশেষভাবে রয়েছে। ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু দিবসসহ অনেক দিবসই রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যাপক পালন করা হয়। সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা হয়।

সঙ্গতকারণেই এতসব দিবস পালনের অভিজ্ঞতার আলোকে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোচ্চ ফযীলতযুক্ত দিন- পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, প্রাধান্য, ভাবযর্মাদা সহকারে এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার সাথে পালনের দাবি রাখে।


মুহতারাম,

এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান। এদেশের রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র ‘দ্বীন ইসলাম’। আর মুসলমান বা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মূলকথা হলো- “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মাদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।”

বলাবাহুল্য, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ আদৌ উচ্চারিত হতো না, যদি- ‘মুহম্মাদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উচ্চারণ না হতো। অর্থাৎ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মূল হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি।

আর উনার প্রতি সব আবেগ, মুহব্বত, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, আদব জানানোর মূল মাধ্যম হচ্ছে যমীনে উনার তাশরীফ গ্রহণের দিন- পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ যথাযথভাবে পালন।


মুহতারাম,

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার শান ও মান স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন বলেই তিনি এ দিনে সরকারি ছুটির ব্যবস্থা করেছেন। বঙ্গভবনে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করার ব্যবস্থা করেছেন এবং এ দ্বীনি বিশ্বাস ও চেতনা থেকেই স্বাধীনতা উত্তরকাল হতেই বাংলাদেশ সরকারের সব স্কুল-কলেজে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ পালন করা হয়।


মুহতারাম,

বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয় তথা ইসলামিক ফাউন্ডেশনও এ মহান দিবস উপলক্ষে যা করে থাকে তা সত্যিকার দায়িত্বের তুলনায় নামকাওয়াস্তে মাত্র। কারণ যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সৃষ্টি করা না হলে হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনিসহ কোনো হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সৃষ্টি করা হতো না এবং উনাদের বিশেষ কোনো ঘটনাও সংঘটিত হতো না।


মুহতারাম,

সেক্ষেত্রে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে আপনাদের সরকারের আশু কর্তব্য, পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ দিবসটি চরম-পরম, মুহব্বত, শান-শওকত এবং জওক-শওকের তথা বিপুল খরচ করে মহা আড়ম্বরের সাথে পালন করা। সাথে সাথে গোটা দেশবাসীকে সম্পৃক্ত করা।


মুহতারাম,

একথা ওপেন সিক্রেট যে, এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানরা যে যে দলই করুক না কেন, অথবা তাদের উপর যতই রাষ্ট্রীয় তত্ত্ব চাপানো হোক না কেন, অথবা যে কোনো আইনই প্রয়োগ করা হোক না কেন; একদিকে ওইসব কিছু যেমন এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ; অপরদিকে এ ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদেরকে নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা সম্মানিত ইসলামী অনুভূতি ও বিশ্বাস।

প্রচলিত প্রশাসন যেখানে ব্যর্থ সেখানে সম্মানিত ইসলামী অনুভূতি ও বিশ্বাসই কার্যকর- এ কথাই প্রমাণিত হয়েছে।

পাশাপাশি প্রতিভাত হয়েছে, ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশে সত্যিকার শান্তি আনতে হলে সম্মানিত ইসলামী মূল্যবোধের উজ্জীবন ও পৃষ্ঠপোষকতার বিকল্প নেই। 


মুহতারাম,

সেক্ষেত্রে সরকারের আশু কর্তব্য- আসন্ন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ দিবসটি যথাযথভাবে পালনের জন্য সর্বোচ্চ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সর্বাধিক আয়োজন করা।


: নিবেদক :

আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম

সম্পাদক- দৈনিক আল ইহসান ও মাসিক আল বাইয়্যিনাত

সভাপতি- আন্তর্জাতিক সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপন কমিটি

রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা।

হাক্বীক্বী নিসবত মুবারক ব্যতীত হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক এ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন তথা উনার জন্য খুশী মুবারক প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

 হাক্বীক্বী নিসবত মুবারক ব্যতীত হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক এ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন তথা উনার জন্য খুশী মুবারক প্রকাশ করা সম্ভব নয়।


=================================================

কারা হাক্বীক্বীভাবে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য খুশি মুবারক প্রকাশ করতে পারবে। মূলত এই খুশি মুবারক প্রকাশ ‍নিসবত ব্যতিত কখনোই সম্ভব নয়।


যে ব্যক্তি যমানার মহান মুজাদ্দিদ মামদুহ হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম এবং উনার সম্মানিত পুতপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ উনাদের জন্য হাক্বীক্বীভাবে খুশি মুবারক প্রকাশ করতে পারবে তার পক্ষেই সম্ভব হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য খুশি মুবারক প্রকাশ করা। তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা । কারন যে ব্যক্তি মামদুহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ও উনার সম্মানিত পুতপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য খুশি মুবারক প্রকাশ করতে পারবে না সে কখনোই হাক্বীক্বীভাবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতে পারবে না।


যে ব্যক্তি বান্দার সুকরিয়া আদায় করতে পারে না। সে কখনো আল্লাহ পাক উনার সুকরিয়া আদায় করতে পারেনা। যিনার মাধ্যম দিয়ে আমরা ঈমান পেলাম, সুন্নতী আমল পেলাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও উনার সম্মানিত পুতপবিত্র হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের হাক্বীক্বী শান মান জানাতে পারলাম, সর্বোপরি সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পেলাম এখন উনার জন্য যদি আমরা খুশি মুবারক প্রকাশ করতে না পারি তাহলে আমরা কথনোই হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শান মুবারকে সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালন করতে পারব না। এবং পালন করা সম্ভব ও না।


এখন যে ব্যক্তি হাক্বীক্বী সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতে চাই তার জন্য দায়িত্ব হচ্ছে মাহমদুহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম ও উনার সম্মানিত পুত পবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাহিমুস সালাম উনাদের আদেশ নির্দেশ মুবারক যথাযথভাবে পালনের মাধ্যম দিয়ে হাক্বীক্বীভাবে খুশি মুবারক প্রকাশ করা এবং এর মাধ্যম দিয়ে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিসবত মুবারক হাসিল করা


তখনই সকলের পক্ষে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শান মুবারকে হাক্বীক্বীভাবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা সম্ভব।

পবিত্র হাদীস শরীফে এরশাদ মুবারক হয়েছে-

 পবিত্র হাদীস শরীফে এরশাদ মুবারক হয়েছে-



لا يؤمن احدكم حتي اكون احب اليه من والده ووالده والناس اجمعين وفي رواية من ماله و نفسه


অর্থ : তোমরা কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মু’মিন হতে পারবেনা যতক্ষণ পর্যন্ত সে তার পিতা-মাতা, সন্তান সন্তুতি, এবং সমস্ত মানুষ অপেক্ষা আমাকে বেশি মুহব্বত না করবে। অন্য বর্নায় এসেছে, তার ধন সম্পদ এবং জীবনের চাইতে বেশি মুহব্বত না করবে।”


(দলীল- বুখারী শরীফ ১/৭-কিতাবুল ঈমান- হাদীস নম্বর ১৪ এবং ১৫)


#সাইয়্যিদুল_আইয়াদ_শরীফ_ফটো_Challenge

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...