Tuesday, March 2, 2021

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদার! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং প্রকৃত মুসলমান না হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করো না।

 মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদার! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং প্রকৃত মুসলমান না হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করো না।



ঈমানদার হিসেবে দাবিকারী প্রত্যেকের জন্য ফরয হচ্ছে- সম্মানিত শরীয়ত উনার প্রতিটি বিষয়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত অনুযায়ী সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ আক্বীদা ও হুসনে যন পোষণ করা এবং প্রতিটি আমল পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী করা।


তবেই ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী অর্জন করা সম্ভব হবে।

অন্যথায় ইহকালে থাকবে লাঞ্ছনা-গঞ্জনা আর পরকালে থাকবে কঠিন আযাব।


কারণ যাদের আক্বীদা বিশুদ্ধ নয় এবং আমলও পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ তারা কস্মিনকালেও মুসলমানের অন্তর্ভুক্ত নয়।


ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আল ওয়াসীলাতু ইলাল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে ছলেহ বা নেক কাজ করেছে তাদের জন্যই জান্নাতে মেহমানদারীর ব্যবস্থা রয়েছে।” সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ যাদের আক্বীদা বিশুদ্ধ এবং আমলগুলো সম্মানিত শরীয়তসম্মত তারাই হাক্বীক্বী মু’মিন বা প্রকৃত মুসলমান। তাই হাক্বীক্বী মু’মিন বা প্রকৃত মুসলমান হতে হলে বা মুসলমান হিসেবে থাকতে হলে প্রথমত আক্বীদাকে বিশুদ্ধ রাখতে হবে বা বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ করতে হবে। কারণ বিশুদ্ধ আক্বীদা ব্যতীত ভালো আমলের কোনোই মূল্য নেই। অর্থাৎ ছূরতান নেক আমল করার পরও চিরজাহান্নামী হতে হবে যদি আক্বীদায় ত্রুটি থাকে। যেমন- কাদিয়ানী, শিয়া, ওহাবী ফিরক্বাগুলা চিরজাহান্নামী; যদিও তারা ছূরতান অনেক নেক আমল করে থাকে। কেননা তাদের প্রত্যকেরই বহু কুফরী আক্বীদা রয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, কাদিয়ানীদের সবচেয়ে বড় কুফরী আক্বীদা হচ্ছে তারা ‘খতমে নুবুওওয়াত’ উনাকে বিশ্বাস করে না অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শেষ নবী ও রসূল বলে বিশ্বাস করে না। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! শিয়াদের অসংখ্য কুফরী আক্বীদার মধ্যে একটি হলো তারা বিশ্বাস করে- ‘তাদের (শিয়াদের) ইমামদের মর্যাদা হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের চেয়েও বেশি’। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! আর ওহাবী-সালাফীদের কুফরী আক্বীদার তো কোনো হিসাবই নেই। তারা বিশ্বাস করে- ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাদের মতো সাধারণ মানুষ।’ নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! উনার ইলমে গইব পাগল, শিশু ও জানোয়ারের মতো। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এধরণের কুফরী আক্বীদায় যারা বিশ্বাসী, তারা কি করে মুসলমান থাকতে পারে? মূলত, তারা কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী। নাউযুবিল্লাহ!


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, আক্বীদার বিষয়গুলো অনেক ব্যাপক। তবে সংক্ষেপে মুল বিষয়গুলো হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, উনার মহাসম্মানিত হযরত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের, হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের এবং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের সকলের সম্পর্কে সুধারণা রাখা, উনাদের শান-মান মুবারকের খিলাফ কোনো কথা না বলা, না লিখা ও বিশ্বাস না করা। হারাম বিষয়গুলোকে হারাম জানা ও হালাল বিষয়গুলোকে হালাল জানা এবং সম্মানিত শরীয়ত ও উনার সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়কে ইহানত বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য না করা, হারাম কাজে খুশি প্রকাশ না করা। মূলতঃ সংক্ষেপে এটাই হচ্ছে বিশুদ্ধ আক্বীদা। আর এর বিপরীত হচ্ছে অশুদ্ধ বা কুফরী আক্বীদা।


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক মুসলমান রয়েছে যারা নিজেদেরকে মুসলমান বলে দাবি করে অথচ আক্বীদা কি, আক্বীদা কাকে বলে এবং কোন্ বিষয়ে কি আক্বীদা রাখতে হবে তার কিছুই জানে না। ফলে যখন তখন কুফরী করছে। নাউযুবিল্লাহ! তাই কোন্ বিষয়ে কিরূপ আক্বীদা রাখতে হবে, অর্থাৎ কোন্টি বিশুদ্ধ আক্বীদা আর কোন্টি কুফরী আক্বীদা এ বিষয়ে সঠিক এবং প্রয়োজনীয় ইলম অর্জন করতে হলে সকলের জন্যই ফরয হচ্ছে নিয়মিত দৈনিক আল ইহসান শরীফ, মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ ও আমাদের প্রকাশিত কিতাবগুলো পাঠ করা। পাশাপাশি একজন হক্কানী-রব্বানী শায়খ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে, ছোহবত ইখতিয়ার করে, সবক আদায় করে, ফয়েজ-তাওয়াজ্জু হাছিল করা।

-০-

#rajarbagofficial

Rajarbag Shareef Official

#rajarbagdarbar

বাকস্বাধীনতা নামক অস্ত্রটি কেবলমাত্র মুসলিমদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে কাফিররা

 বাকস্বাধীনতা নামক অস্ত্রটি কেবলমাত্র মুসলিমদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে কাফিররা



“বাকস্বাধীনতা” (Freedom of Speech) কথাটি এখন খুব আলোচিত কারণ কাফিররা আমাদের প্রাণের চেয়ে প্রিয় নবীজী নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উদ্দেশ্য করে তৈরি করা ব্যঙ্গচিত্রকে বৈধতা দেওয়ার জন্য এই অস্ত্রটি ব্যবহার করতে চায়। কিন্তু বাকস্বাধীনতা মানে যা খুশি তাই বলার অধিকার? আসুন আলোচনা করা যাক। 


আমরা যখন “স্বাধীনতা” কথাটি বলে থাকি তখন স্বাধীনতা মানে কিন্তু যা খুশি তাই করা বা বলা নয়। স্থান কাল পাত্র ভেদে স্বাধীনতার অর্থ আলাদা। কোন সমাজে বা দেশে থাকতে হলে সেখানকার কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়, যা খুশি তাই করা বা বলা যায় না। তাহলে বাকস্বাধীনতা মানে যা খুশি তাই বলার অধিকার কীভাবে হবে? ১৪০০ বছরের বেশী সময় ধরে যিনি কোটি কোটি মুসলমানদের প্রাণের চেয়ে প্রিয় উনার বিরুদ্ধে কীভাবে যা খুশি তাই বলার অধিকার দাবী করে কাফিররা? 


সমস্ত দেশেই নিয়ম আছে যে নাগরিকরা স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারবে তবে তা যেন কোনোভাবেই বর্ণবাদ, সন্ত্রাসবাদ, মানহানি, মিথ্যা অপবাদ, জাতিগত ঘৃণা ছড়ানো ও মানবতাবিরোধী অপরাধকে সমর্থন না করে। 

তাহলে কোথায় গেলো সেই কথাকথিত যা খুশি তাই বলার বাকস্বাধীনতা? 


জার্মানি সহ ইউরোপের দেশগুলিতে ও আমেরিকা সহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই নিয়ম আছে যে কেউ হলোকস্ট (Holocaust) বিষয়ে কোনো আলোচনা বা প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারবে না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ইহুদিদের উপর চালানো হত্যাকান্ডে কে বলা হয় হলোকস্ট। কেউ যদি করে তাহলে তার জন্য আছে কঠিন শাস্তির বিধান। 

তাহলে কোথায় গেলো সেই কথাকথিত যা খুশি তাই বলার বাকস্বাধীনতা? 


শুধু তাই নয়, গোটা বিশ্বে কোন নেতা, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি যদি ইহুদীদের বিরুদ্ধে কিছু বলে তাহলে সেটাকে এন্টি সেমিটিক আখ্যা দিয়ে ইহুদীরা তাদের মিডিয়া ও প্রভাব প্রতিপত্তিকে ব্যবহার করে তাকে বয়কট করে, একঘরে করে শেষ করে দেয়।  

তাহলে কোথায় গেলো সেই কথাকথিত যা খুশি তাই বলার বাকস্বাধীনতা? 


ভারতীয় হিন্দুদের কাছে নৃশংস ডাকাত শিবাজী অত্যন্ত প্রিয় পাত্র, হিন্দুরা তাকে দেবতার মতো পূজা করে থাকে। ভারতীয়দের “কৌন বনেগা কড়োরপতি” অভিনেতা অমিতাভ তাদের শিবাজীকে সম্মান দিয়েই “ছত্রপতি শিবাজী” বলায় ক্ষেপে গেছিলো গোটা দেশের হিন্দু সম্প্রদায় যে কেন তাকে “মহারাজ ছত্রপতি শিবাজী” বলা হয়নি, যদিও সে মহারাজ ছিল না; একজন নৃশংস ডাকাত মাত্র; যারা বাঙালীদের কাছে “বর্গী” নামে পরিচিত। এর সাথে সাথে ভারতীয় হিন্দুরা ওই টিভি প্রোগ্রাম বয়কট করারও ডাক দেয়। যার ফলে ক্ষমা চাইতে হয় অমিতাভকে। 

তাহলে কোথায় গেলো সেই কথাকথিত যা খুশি তাই বলার বাকস্বাধীনতা? 


আরেকটি ঘটনার উল্লেখ করা যাক। শিবাজীর মতোই ভারতীয় হিন্দুদের কাছে উগ্র মুসলিম বিদ্বেষী, শিব সেনার প্রতিষ্ঠাতা ও বাবরি মসজিদ শহীদ করার অন্যতম মূল অপরাধী বাল ঠাকরে প্রিয় পাত্র, হিন্দুরা তাকে দেবতার মতো পূজা করে থাকে ও তাকে “হিন্দু হৃদয়সম্রাট” বলে ডাকে। এর ছেলে উদ্ধব ঠাকরের একটি ব্যঙ্গচিত্র সোশ্যাল মেসেজিং অ্যাপে ছড়িয়ে গেলে একটি পত্রিকার সম্পাদকের নামে মামলা হয়। 


পত্রিকার সম্পাদক বাক স্বাধীনতার কথা বলে মামলা লড়লে বম্বে হাই কোর্টের বিচারকরা বলে যে- নাগরিকদের বাক স্বাধীনতা অবাধ বা সীমাহীন হতে পারে না! সেই রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় পত্রিকার সম্পাদক। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টও হাই কোর্টের রায় সমর্থন করে বলেছিল, ভাবনাচিন্তা প্রকাশেরও সীমা রয়েছে।

তাহলে কোথায় গেলো সেই কথাকথিত যা খুশি তাই বলার বাকস্বাধীনতা? 


এইখানে ভারতীয় হিন্দুদের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ও হিপোক্রেসী লক্ষণীয় কারণ তারা আবার বাকস্বাধীনতার দোহাই দিয়ে ফ্রান্সের পাশে দাঁড়িয়েছে। 


এইবার আসা যাক নেটদুনিয়া অর্থাৎ সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন জগতের কথায়। ফেসবুক, টুইটার সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতেও আপনি যা খুশি তাই লিখতে পারবেন না বা পোস্ট করতে পারবেন না। তাদের একটা কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড ও গাইডলাইন আছে। আপনার পোস্ট যদি সেটা ফলো না করে তাহলে তারা সেটা ডিলিট করে দেবে অথবা আপনার আইডি ব্লক বা ডিলিট করে দেবে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও আপনি কেউ হলোকস্ট (Holocaust) বিষয়ে কোনো আলোচনা বা প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারবেন না। এর জন্য তাদের রয়েছে কঠিন নিয়ম। আমরা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেও দেখেছি যে ইহুদী ও হিন্দুদের বিরুদ্ধে কিছু লিখলেই সেই আইডি ব্লক বা ডিলিট করে দেওয়া হয় এবং পেইজ আনপাবলিশ করে দেওয়া হয়। 

তাহলে কোথায় গেলো সেই কথাকথিত যা খুশি তাই বলার বাকস্বাধীনতা? 


সুতরাং দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট যে বাকস্বাধীনতা নামক অলীক বস্তুটি কাফিররা কেবলমাত্র মুসলিমদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার করতে চায়।


Writer: Miraj Gazi Vaijan

আল্লাহ পাক উনার সাহায্য অতি নিকটে! প্রয়োজন শুধু ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করা........

 ■■ আল্লাহ পাক উনার সাহায্য অতি নিকটে! প্রয়োজন শুধু ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করা........



■■ ছবির এই নৌকা দুটিকে দেখুন। এখান থেকে বের হতে হলে হয় কারো সাহায্য নিতে হবে। কিংবা বর্ষার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। সাহায্য অনিশ্চিত! কিন্তু বর্ষা নিশ্চিত। কারণ বর্ষণের কাজ আল্লাহ পাক উনার এবং সাহায্যের কাজ মানুষের। অতএব, আপনার দুর্দিনে কেও সাহায্য না করলেও আল্লাহ পাক উনার সাহায্য ঠিকই পাবেন। সময়টা শুধু অপেক্ষার।


■▪সুতরাং আমাদেরকে ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে এবং আল্লাহ পাক উনার ওপর পরিপূর্ণ ভরসা রাখতে হবে। আল্লাহ পাক অবশ্যই আমাদের পাশে থাকবেন।


■■ আল্লাহ পাক বলেনঃ 

-------"তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো।"

-----(সূরা মুমিনঃ আয়াত-৬০)


-------"জেনে রেখো, আল্লাহ পাক উনার সাহায্য অতি নিকটে!"

-----(সূরা বাকারাঃ আয়াত-২১৪)


■▪মহান আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে সঠিক এবং পরিপূর্ণ ভাবে জানার, বোঝার এবং মেনে চলার তাওফীক দান করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা, কবুল ও হিফাযত করুন(আ-মীন)।।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...