ইতিহাসের ধূম্রজালে হালাল সামা বনাম হারাম সঙ্গীত-৪
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের যুগের পর প্রথম মুজাদ্দিদ হিসেবে আসেন হযরত ইমাম আবূ হানিফা রহমতুল্লাহি আলাইহি। এভাবে ৭ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ ছিলেন সুলত্বানুল হিন্দ খাজা গরীব নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং ৮ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ ছিলেন মাহবুব-ই ইলাহী হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি। হাদীছ শরীফ-এ রয়েছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “আমি প্রেরিত হয়েছি বাদ্যযন্ত্র ও মূর্তি ধ্বংস করার জন্য।” সুতরাং মুজাদ্দিদগণ উনারা কিভাবে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে কাওয়ালী শোনার বা গাওয়ার অনুমতি দেবেন? এসব বলা এবং ভাবাও চরম পর্যায়ের বেয়াদবি ও কুফরী। উনাদের অন্তরের পবিত্রতা সাধারণের উপলব্ধির বাইরে। কিন্তু যারা নফসের অনুসরণ করে তারাই অবলীলায় বলতে পারে- ভারতে শুয়ে থাকা এই মহান মুজাদ্দিদদ্বয় উনারা বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে সামা, কাওয়ালী শুনতেন। নাঊযুবিল্লাহ!
মুজাদ্দিদগণ উনারা সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম সুন্নতের আমল করেন এবং সেই সময়ের অবলুপ্ত সুন্নতগুলোকেও জিন্দা করার চেষ্টা করেন।
ক্বাছীদা শরীফ শোনা, লেখা, পাঠ করা, শোনার আয়োজন করা, উৎসাহ দিয়ে লিখানো সবই খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মসজিদে নববী শরীফ-এ একটি আলাদা মিম্বর শরীফ বানিয়ে দিয়েছিলেন যেখানে বসে বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত হাসসান বিন ছাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ক্বাছীদা শরীফ পরিবেশন করতেন এবং পাশের মিম্বর শরীফ-এ বসে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওযা সাল্লাম তিনি তা শুনতেন এবং কখনো আওড়াতেন। মূলত, ৭ম এবং ৮ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদগণ উনারা সেই সুন্নতের হুবহু অনুসরণে ক্বাছীদা বা সামা শরীফ শোনার আয়োজন করতেন। যা সম্পূর্ণ শরীয়তসম্মত এবং খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত।
-------------------------
সুন্নতী ক্বাছীদাহ শরীফ শুনুন ও প্রচার করুন
হারাম গান-বাজনা থেকে বিরত থাকুন
সুন্নত উনার আমল দেখুন শিখুন।
৩-দিনব্যাপী আযীমুশশান সামা শরীফ মাহফিল।
স্থানঃ সুন্নতী জামে মসজিদ, রাজারবাগ শরীফ
সময়ঃ বাদ মাগরীব
তারিখঃ ২৯শে রবীউল আউওয়াল শরীফ থেকে ২ রবীউস ছানী শরীফ, ১৪৪২ হিজরী
অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার শুনুনঃ
http://al-hikmah.net/
https://www.facebook.com/alhikmah.net/
