Tuesday, January 5, 2021

হারাম সঙ্গীত বর্জন করে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্মানিত বিশেষ না’ত শরীফ পাঠ চালু করতে হবে।

 হারাম সঙ্গীত বর্জন করে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্মানিত বিশেষ না’ত শরীফ পাঠ চালু করতে হবে।



সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِىْ مَعْصِيَةٌ وَالْـجُلُوْسُ عَلَيْهَا فِسْقٌ وَالتَّـلَذَّذُ بِـهَا كُفْرٌ

অর্থ: গান শোনা গুণাহের কাজ, গানের মজলিসে বসা ফাসেকী এবং গানের স্বাদ গ্রহণ করা কুফরী।

সেটাই যদি হয় শরীয়তের মাসয়ালা, তাহলে মাদ্রাসায় সরকার পক্ষ হতে কিভাবে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান এবং বাংলাদেশের চিরশত্রু নমশুদ্র রবীর রচিত জাতীয় সঙ্গীত পাঠ করতে বলা হল। নাউজুবিল্লাহ!

এখন মাদ্রাসার ওস্তাদ-ছাত্র-ছাত্রীদের কি করা উচিত?

যেহেতু মাদ্রাসা মানেই মুসলমানদের দ্বীনি শিক্ষা কেন্দ্র, সুতরাং এখানে হারাম-নাজায়েয কাজ করা যাবে না, এখানে জাতীয় সঙ্গীত পাঠ করা যাবে না। 

যারা জাতীয় সঙ্গীত পাঠ করবে, তারা নিজেরা কবিরাহ গুনাহ করবে। শুধু তাই নয়, অন্যদেরকেও গুনাহর কাজে অন্তর্ভুক্ত এবং সাহায্য করা হবে। নাউজুবিল্লাহ!

আশা করছি, নিজে থেকে এই কবিরাহ গুনাহ্ কাজ করবেন না। পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত ইজমা শরীফ, পবিত্র কিয়াস শরীফ উনাদের শিক্ষাই হওয়া উচিত একমাত্র আদর্শ মুসলমান হওয়ার মাপকাঠি। আর তাই, মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থাও এই সত্য নীতিতেই অগ্রসর হওয়া আবশ্যক।

তাই, আমাদের আহবান-  

মাদ্রাসায় চালু করা হোক সম্মানিত বিশেষ না’ত শরীফ পাঠ। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান এবং বাংলাদেশের চিরশত্রু নমশুদ্র রবীর রচিত জাতীয় সঙ্গীত পাঠ বন্ধ করা হোক।

যে সম্মানিত না’ত শরিফ পাঠ করা হয়, মুহাম্মাদিয়া জামিয়া শরীফ বালক-বালিকা মাদ্রাসায়। সুবহানাল্লাহ!

গণবিরোধী বক্তব্য দেয়ায় কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে আইনি নোটিশ

 ##গণবিরোধী বক্তব্য দেয়ায় 

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে আইনি নোটিশ 



'হাত ভেঙে দেয়ার ' মত গনবিরোধী বক্তব্য দেয়ায় কুষ্টিয়া জেলার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাতকে সতর্কতামূলক আইনী নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

গতকাল সোমবার দৈনিক বিশ্ববার্তা ডটকম এর সম্পাদক ও ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরিফ থেকে প্রকাশিত দৈনিক আল ইহসান' পত্রিকার কলামিস্ট মুহাম্মদ আরিফুর রহমান

 এর পক্ষ থেকে অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক এই নোটিশটি প্রেরণ করেন। 

নোটিশ থেকে জানা যায়, গত ২১ ডিসেম্বর, কুষ্টিয়া কুমারখালীর কয়া কলেজের এক সভায় উক্ত পুলিশ কর্মকর্তা বলেছিল যে, "দেশের সংবিধান মেনেই আপনাকে এ দেশে থাকতে হবে।যদি সংবিধান না মানেন,তাহলে আপনাদের জন্য তিনটি অপশন।এক,উল্টাপাল্টা করবা হাত ভেঙে দেব,জেল খাটতে হবে।"

 দেশের অনেক মিডিয়া তার এই মন্তব্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল এবং ফেসবুক, ইউটিউব এর মত সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে তার এই মন্তব্যের ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। 

প্রকাশ্যে এ ধরনের বক্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে নোটিশে বলা হয়, 

পুলিশ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী এবং জনগণের সেবক। তারা জনগণের সুরক্ষা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিযুক্ত রয়েছে। কোনও অপরাধীকে বিচার বা শাস্তি দেওয়া পুলিশের দায়িত্ব নয়। 

পুলিশের দায়িত্ব অপরাধ রোধ করা এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরন করা। 

কিন্তু কোনো পুলিশ কোনো অভিযুক্ত /অপরাধীদের হাত ভাঙতে পারে না,

বা বিনা বিচারে বন্দী করতে পারেনা।

 উক্ত পুলিশ কর্মকর্তা দেশের পুলিশ প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও এ ধরনের আইন বিরুদ্ধ মন্তব্য করেছে। 

হাত ভেঙে ফেলার হুমকি সরকারি পোশাকে জনবিরোধি হুমকি। এ জাতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ বা এমন মন্তব্য করার বৈধ কর্তৃত্ব তার নেই। 

নোটিশে তাকে সতর্ক করে বলা হয়,

 এইজাতীয় অবৈধ মন্তব্য করে সে জনসেবার বিধান লংঘন করেছে

 এবং নিজেই সাংবিধানিক সীমা অতিক্রম করেছে। অতএব তাকে তার এই ধরনের মন্তব্য প্রত্যাহার পূর্বক নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে এবং ভবিষ্যতে 

এধরনের অসদাচরণ থেকে বিরত থাকার

 প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি স্পষ্ট বিবৃতি দিতে হবে। 

এই আইনি নোটিশ প্রাপ্তির ৩ দিনে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...