Thursday, October 15, 2020

সমাজে অশ্লীলতার বিস্তার রোধে বাল্যবিবাহ এক উত্তম অবলম্বন।

 সমাজে অশ্লীলতার বিস্তার রোধে বাল্যবিবাহ এক উত্তম অবলম্বন।


__________________________________________

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মুসলিম মিল্লাতের বহুবিধ সমস্যার সমাধানকল্পে বাল্যবিবাহের বিধান রেখেছেন। স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে মাত্র ৬ বৎসর বয়স মুবারক-এ নিসবাতে আযীম মুবারক সম্পন্ন করেন। আর ৯ বৎসর বয়স মুবারক-এ মুবারক হুজরা শরীফ-এ তুলে নেন। সুবহানাল্লাহ! আর এ কারণেই বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নত মুবারক। সুবহানাল্লাহ! 


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন শা’রে বা শরীয়ত প্রণেতা। তিনি যা করেছেন, যা বলেছেন, যা অনুমোদন করেছেন তাই হচ্ছে সম্মানিত শরীয়ত উনার সম্মানিত বিধান। উনার যে কোনো বিধান বা শরীয়ত মুবারককে যে অস্বীকার করবে সে সাথে সাথেই ইসলাম থেকে বহিষ্কার হবে। সে মুসলমান থাকতে পারবে না। কাজেই বর্তমানে টিভি, সিনেমা, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যাপকহারে অশ্লীলতার ছড়াছড়ির যুগে মহিলারা অশ্লীলতা শিখে বেপর্দা হয়ে নারীটিজিংয়ের শিকার হচ্ছে, সতীত্ব হারাচ্ছে, পবিত্রতা হারাচ্ছে। এমতাবস্থায় যুব সমাজকে রক্ষায় ও সকল ধরণের অশ্লীলতা নিয়ন্ত্রনে বাল্যবিবাহ উত্তম অবলম্বন ও খাছ পবিত্রতার কারণ। সুবহানাল্লাহ!

নিশ্চিত পরাধীনতার পথে ধাবমান বাংলাদেশ (পর্ব-৪)

 নিশ্চিত পরাধীনতার পথে ধাবমান বাংলাদেশ (পর্ব-৪)

একটি বিষয় যে কোন সচেতন মুসলমানের কাছে বোধগম্য হবে যে বর্তমানে বাংলাদেশের একজন হিন্দু পুলিশ কনেস্টবল মোদীর কাছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ দখলের পর হাসিনার পরিনতি হবে রান্নার সময় তরকারিতে দেয়া তেজপাতার মত, রান্নায় ব্যবহৃত তেজপাতার যেমন কোন মূল্য থাকে না রান্না শেষে, ফেলে দেওয়া ছাড়া!


প্রিয় পাঠক! বাংলাদেশের হিন্দু পুলিশ কেন তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ সেটা কি আপনাদের জানা আছে ?


এর কারণ হল দেশ দখলের পর এই হিন্দু পুলিশই মোদীর বেশী কাজে আসবে মুসলমান নিধনে, ইতিহাসও তাই বলে।


হাসিনা কিংবা তার চাটুকাররা তা বুঝতে না পারলেও বাংলাদেশের জনগণও তা বুঝতে পারছে হাড়ে হাড়ে। হাসিনা কি কখনো ভেবে দেখেছে যে ৯৮ ভাগ মুসলমানদের বাংলাদেশের সমস্ত ক্ষমতা ধীরে ধীরে তার মাধ্যমে হিন্দুদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে? পরবর্তীতে বাংলাদেশ যখন ভারত দখলে নেবে তখন এ দেশের কোটি কোটি মুসলমান


হত্যা এবং ধর্ষিতা মুসলমান মা / বোনদের দায়িত্ব কার ঘাড়ে বর্তাবে?


বিডিআর বিদ্রোহের পূর্বে শেখ হাসিনাকে হয়তো ভারতীয় গোয়েন্দারা জানিয়েছিল যে হাতে গোনা কয়েকটি সেনা অফিসার হত্যা করা হবে, ঢালাও ভাবে সেনা অফিসার হত্যা করা হবে তা জানলে হয়তো সে তা হতে দিতো না। ঠিক একই ধরণের ধোঁকা দিয়ে সমস্ত ক্ষমতা হিন্দুদের কাছে হস্তান্তরের সময় শেখ হাসিনাকে এবং তার দলের মাতাল, জুয়াড়ী ও পরনারীতে আসক্ত পরামর্শক ও দলীয় নেতাদেরকে ধারণা দেয়া হয়েছে যে, ভারত কখনোই বাংলাদেশ দখল করবে না। বড়জোর কনফেডারেশন হতে পারে; কাশ্মীরের ৩৭০ ধারার মত।


কিন্তু ভারতীয় কাফিরদের উপরে বিশ্বাস করার ফল কি হবে তা আপনারা সবাই হয়তো অনুমান করতে পারছেন!


সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রায় শতভাগ দলীয় নেতা / কর্মী এই ধোঁকাবাজিতে বিশ্বাস করে। যতই বোঝানো হোক না কেন একটা সময়ে এ দেশের পরিণতি যে হুবহু কাশ্মীরের মতো হবে তা তারা কখনোই বিশ্বাস করবে না, কারন অখন্ড ভারতের ধ্বজাধারী মোদীর ভারতকে বিশ্বাস করাই হলো তাদের অবৈধ ক্ষমতায় টিকে থাকার একমাত্র জিয়নকাঠি। তাদেরকে ক্ষমতায় থাকতে হলে অন্ধের মত মোদীকে বিশ্বাস করতে হবে এবং মোদী যা চায় তাই চুক্তির মাধ্যমে দিয়ে দিতে হবে।


নাস্তিক শিক্ষামন্ত্রী নাহিদকে দিয়ে কারিকুলাম পরিবর্তনের মাধ্যমে যুবসমাজকে পরিকল্পিত ভাবে ইসলাম থেকে দূরে সরানো হয়েছে। এখন জাতিতে তৈরী হয়েছে এক ইসলাম


বিহীন, মূল্যবোধ বিহীন ভোঁতা মুসলিম যুবসমাজ। সামান্য মগজ ধোলাই এর মাধ্যমেই এদেরকে নাস্তিক কিংবা ধর্মীয় সন্ত্রাসী বানানো সম্ভব।


যখন মুসলমানেরা ইসলাম থেকে দূরে সরে যায় তখন বস্তুবাদী হয়ে যায় ও দুনিয়া ছাড়া সে আর কিছুই বোঝে না আর তখনই শুরু হয় তার পতন। তার প্রথম ব্যক্তিগত দুর্বলতা তৈরি হয়ে যায় - মৃত্যুভয় !


তখন সে দেশ, জাতি কিংবা ধর্মের পক্ষে কোন একটি পদক্ষেপ নেয়া তো দূরের বিষয়, এই সংক্রান্ত কোন কথা বলতেও সে ভয় পায় ও ধারণা করে তাকে কেউ মেরে ফেলবে।


এ ক্ষেত্রে প্রফেসর আসিফ নজরুল, ইলিয়াস হোসেইন কিংবা মীনা ফারাহদের মত যারা সোচ্চার, তাদের থেকে তথাকথিত মুসলমানদের শিক্ষা নেয়া উচিত। বাংলাদেশী মুসলমানেরা ভুলে গেছে যে হাজার বছর ইঁদুরের মতো বাঁচার চেয়ে ১ দিন সিংহের মত বাঁচা অনেক শ্রেয়। মাত্র ১.৫% হিন্দু যখন আক্রমণাত্মক অবস্থান গ্রহণ করেছে তখন ৯৮% মুসলমানের অধিকাংশই ইঁদুরের মতো গর্তে ঢোকার চেষ্টায় রত।


১৯৭১ সালে হিন্দু ও ইহুদী চক্র বাঙালী জাতিকে উদ্বুদ্ধ করা করেছিল স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে, সেই একই চক্র মগজ ধোলাইয়ের মাধ্যমে বাঙালী মুসলমানদের মনে


এমন ভয় প্রবেশ করিয়েছে যে, তারা দেশের স্বাধীনতা/সার্বভৌমত্ব ধরে রাখার মানসিক শক্তি/সামর্থ হারিয়ে ফেলেছে। এরা মগজ ধোলাইয়ের মাধ্যমে যেভাবে একটি জাতিকে


উদ্দীপ্ত করতে পারে ঠিক তেমনি ভাবে নির্র্লিপ্তও করে দিতে পারে। বাংলাদেশী মুসলমানদের বর্তমান মানসিক অবস্থা তার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।


ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, প্রতিটি মুসলমান দেশ কাফিরদের কাছে পরাজিত এবং চরম ভাবে নির্যাতিত হওয়ার পূর্বে তাদের চেতনাগত অবস্থান হুবহু বাংলাদেশী মুসলমানদের বর্তমান অবস্থার মত ছিল।


তাই এখন আর কথা নয়, কাজ করতে হবে। শহীদ হলে সরাসরি জান্নাতী হবে আর আমাদের কোটি কোটি মা/বোন মালউনদের দ্বারা ধর্ষিতা হওয়া থেকে মুক্তি পাবে।


হতাশ হওয়া চলবে না, কারো জন্য অপেক্ষা করা যাবে না। মাতৃভূমি রক্ষার্থে নিজ দায়িত্বটুকু পালন করে যান, মহান আল্লাহ পাকের সাহায্য অটোমেটিক্যালি আমাদের উপর নাজিল হবে ইনশাআল্লাহ।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...