Tuesday, August 3, 2021

কথিত ‘স্বাস্থ্যবিধির’ নামে ভন্ডামি ও ইসলামবিদ্বেষ!!

 কথিত ‘স্বাস্থ্যবিধির’ নামে ভন্ডামি ও ইসলামবিদ্বেষ!!



কথিত নেতা-কর্মীর আর সাংবাদিকরা নিজেদের কাজে কোনরকম স্বাস্থ্যবিধি নামক ভন্ডামি না মানলেও তারা কিন্তু ঠিকই মুসলমানদের উপর সেটা চাপিয়ে দিচ্ছে। তারা বারবার সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি আঘাত হানছে কাফির-মুশরিকদের পা চাটা গোলাম নাস্তিক, মুনাফিক্ব, উলামায়ে সূ এবং গোমরাহ শাসকরা। শুরু থেকেই এরা বিভিন্ন কৌশলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিভিন্ন বিষয় নষ্ট করে আসছে। যেমন:

১. স্যোসাল ডিসটেন্সের নামে পবিত্র মসজিদসমূহে জামায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!

২. নামাযের কাতারের মাঝে ফাঁকা ফাঁকা হয়ে দাঁড়াতে আইন জারী করেছে। নাউযুবিল্লাহ!

৩. স্বাস্থ্যবিধির নামে জামায়াত সীমিত করে ৫-১০ জনের বেশি নয় আইন জারী করেছে। নাউযুবিল্লাহ!

৪. মুসলমানদের ভাগ্য রজনী পবিত্র শবে বরাত, পবিত্র শবে বরাত পালন থেকে মানুষকে বঞ্চিত করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!

৫. পবিত্র তারাবীহর নামায, পবিত্র জুমুয়ার নামায, পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাযও নষ্ট করেছে। নাউযুবিল্লাহ!

৬. পবিত্র হজ্জ বন্ধ করেছে। নাউযুবিল্লাহ!

৭. পবিত্র কুরবানী নষ্ট করার নানান চেষ্টা করেছে। নাউযুবিল্লাহ! 

মুসলমানদের আমল-আখলাকের উপর তাদের এরকম উদ্দেশ্যমূলক বিধিনিষেধ কি এটাই প্রমাণ হয় না যে, করোনা প্রতিরোধের নামে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমে লিপ্ত? 

যে যামানার ইমাম উনাকে চিনলো না তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াত যুগের ন্যায়।

 যে যামানার ইমাম উনাকে চিনলো না তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াত যুগের ন্যায়।



পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি হিজরী শতকের শুরুতে একজন মুজাদ্দিদ প্রেরণ করেন যিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সংস্কার করে থাকেন।” সুবহানাল্লাহ! ঠিক তদ্রুপ বর্তমান যামানার মুজাদ্দিদ হলেন গওসুল আ’যম, হাবীবে আ’যম, আওলাদে রসূল, আস সাফফাহ মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি। যিনি এই যামানায় তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করে কায়িনাত থেকে সমস্ত বিদয়াত দূর করে দিয়ে সম্মানিত পবিত্র সুন্নত উনাকে জারি করছেন এবং বেশরাকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত শিখাচ্ছেন, বেদ্বীনদের দ্বীন দিচ্ছেন। পাশাপাশি হালাল হারাম, সত্য মিথ্যা পার্থক্য করে দিয়ে সকলের পবিত্র ঈমান-আক্বীদাকে নবায়ন করে পরিপূর্ণ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর দায়িম-ক্বায়িম রাখছেন। সুবহানাল্লাহ!


মূলত, যারা উনার পবিত্র ছোহবত মুবারকে গেছেন এবং উনার মুবারক আদেশ-নিষেধ উনার উপর দৃঢ় রয়েছেন উনারাই কেবল পবিত্র ঈমান উনার উপর থাকতে পারছেন। আর যারা উনাকে হাক্বীক্বীভাবে চিনেন না, জানে না, উনার মুবারক ছোহবত উনার মধ্যে আসেন না- তারা পবিত্র ঈমান উনার উপর দ্বীন ইসলাম উনার বিধি-বিধানের উপর দৃঢ় থাকতে পারবেন না অর্থাৎ তারা মুসলমানিত্বের উপর থাকতে পারবেন না। 

 মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি যামানার ইমাম উনাকে চিনলো না, তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াতির উপর।”

অন্ধকার যুগে যেমন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আলো ছিল না যার কারণে সে যুগের মানুষেরা বিভিন্ন কুফরী, শিরকী, নিফাকী, মুনাফেকী বিদয়াত, বেশরাতে ডুবে ছিল। ঠিক তদ্রুপ যারা আজ এই পনের শতকের মহান মুজাদ্দিদ উনাকে চিনবে না, জানবে না, মানবে না, উনার মুবারক ছোহবত উনার মধ্যে আসবে না। উনার মুবারক আদেশ-নিষেধ মুতাবিক চলবে না, তাদের অবস্থাও সেই জাহিলিয়া যুগের ন্যায়। অর্থাৎ তারাও ঈমানহারা হয়ে মৃত্যুবরণ করবে। নাঊযুবিল্লাহ! আর তার জায় ঠিকানা একমাত্র জাহান্নাম। কাজেই সকলের উচিত হায়াত থাকতে উনার সম্মানিত ক্বদম মুবারকে এসে নিজের পবিত্র ঈমান-আক্বীদা আমলকে শুদ্ধ করা। 

অতএব, মহান আল্লাহ পাক তিনি সবাইকে সেই তাওফীক দান করুন। আমীন।

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার-প্রসার করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক

 মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার-প্রসার করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক


======================================


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, 

عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ سَـمِعْتُ حَضْرَتْ عَلِـىِّ بْنَ اَبِــىْ طَالِبٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ يَقُوْلُ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ اللَّهُمَّ ارْحَمْ خُلَفَائِـىْ قَالَ قُلْنَا يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَنْ خُلَفَاؤُكَ قَالَ الَّذِيْنَ يَأْتُوْنَ مِنْ بَعْدِىْ يَرْوُوْنَ اَحَادِيْـثِـىْ وَسُنَّتِـىْ وَيُعَلِّمُوْنَهَا النَّاسَ.

অর্থ: “হযরত ইবনে ‘আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে শুনেছি। তিনি বলেছেন, (একবার) নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের উদ্দেশ্যে (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হুজরা শরীফ থেকে) বের হয়ে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! (দয়া করে,) আপনি আমার মহাসম্মানিত খলীফাগণ উনাদের প্রতি সম্মানিত রহমত মুবারক বর্ষণ করুন! সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আমরা বললাম- ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার খলীফা কারা? নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যাঁরা আমার পরে এসে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারকসমূহ বর্ণনা করবেন, প্রচার-প্রসার করবেন এবং মানুষদেরকে তা তা’লীম তথা শিক্ষা দিবেন।” (শরফু আছহাবিল হাদীছ ১/৩০, ‘নাশরু ত্বইয়িত্ তা’রীফ ১/৩৬, আত্ তা’দীল ওয়াত্ তাজরীহ্ ১/২৭-২৮) 

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...