Monday, October 19, 2020

রাজারবাগ দরবার শরীফ গেলে বিভিন্ন ইসলামিক কর্মকাণ্ডের জন্য খালি টাকা চাওয়া হয়।

 রাজারবাগ দরবার শরীফ গেলে বিভিন্ন ইসলামিক কর্মকাণ্ডের জন্য খালি টাকা চাওয়া হয়।


আমরাও তো ইসলামের কাজ করি, আমরা কি এত টাকা চাই ?


আপনারা টাকার বিনিময়ে ওয়াজ মাহফিল করেন, এটাই আপনাদের ইসলামী কাজ। 


-কিন্তু আপনার কি সহস্রাধিক মসজিদের কাজ চলমান রয়েছে ?

-আপনি কি বছরে ৩৬৫ দিন সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উপলক্ষে মাহফিল করেন ?

-আপনি ৩৬৫ দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান সম্মনার্থে বিশেষ ও শাহী তাবারুকের ব্যবস্থা করেন ?

-আপনি কি প্রতি মাসের ১২ তারিখ সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উনার বিষয়টি মানুষকে জানাতে পুরো রাজধানীতে বিশেষ তাবারুক বণ্টন করেন ?

-আপনি কি কোটি কোটি টাকা দিয়ে গাড়ি ক্রয় করে ৬৪ জেলায় সুন্নতি পণ্য প্রচার করেন ?

-সুন্নতি পণ্য ও তার ব্যবহার জানতে দৈনিক লক্ষ লক্ষ কিতাব কিনতে হয়, আপনি কি সেটা করেন ?

-সেই কিতাবগুলো পড়তে অসংখ্য গবেষক রাখতে হয়, আপনি কি সেটা করেন ?

-আপনি কি দেড় শতাধিক আইয়ামুল্লাহ শরীফ উনার কথা কখন জানতেন ? সেগুলো বের কথা, অতঃপর সেগুলো উপলক্ষে কিতাব বের করতে কত গবেষণার প্রয়োজন, সেই গবেষণা করতে কত খরচের প্রয়োজন একবার চিন্তা করেছেন ?

-যখন বিভিন্ন স্থানে ইসলাম অবমাননা হয়, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যখন পর্দা নিষিদ্ধ করে, যখন কুরবানী নিষিদ্ধ হয়, যখন মসজিদ ভাঙ্গা হয়, তখন কি আপনি তাদের বিরুদ্ধে আইনী লড়াই করেন ?

-আপনি কি ১টি দৈনিক পত্রিকা চালান ?

-আপনি কি ১টি মাসিক পত্রিকা চালান ?

-আপনি কি বছরে শত শত গবেষণামূলক কিতাব বের করেন ?

-আপনি কি কোটি কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে মহিলাদের জন্য ১০০% পর্দার সহিত হাসপাতাল চালু রেখেছেন ?

-আপনি কি পাঠ্য বইয়ের কুফরী পরিবর্তন করতে নতুন সিলেবাস ও কিতাব লিখিত করার কোন উদ্যোগ নিয়েছেন ?


উপরের কোন কাজই আপনি করেননি। 

সমস্যা হলো, আমাদের দেশের একটা শ্রেণী টাকার বিনিময়ে শুধু ওযাজ মাহফিলকে ইসলামী কাজ মনে করে। ভাবেন, প্রচার করেন, শুধু লোক জমায়েত করে ওয়াজ করলেই ইসলামের কাজ হয়ে যাবে। কিন্তু শুধু ওয়াজ মাহফিল দিয়ে ইসলামের স্থায়ী কাজ হয় না, দ্বীন ইসলামের ব্যপ্তি আরো ব্যাপক ও বিস্তৃত। সমস্যা হলো- তারা সেটা জানেও না এবং জানতেও চায় না।


রাজারবাগ দরবার শরীফ থেকে বিভিন্ন ইসলামী কাজের আঞ্জাম দেয়া হয়। 

আর দ্বীন ইসলাম নিশ্চয় রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার একার জিনিস না, 

সবার জিনিস। 

তাই সবার উচিত- সেখানে আর্থিকভাবে শরীক থাকা। 

নেক কাজে আর্থিকভাবে শরীক থাকতে তাগিদ দেয়া স্বয়ং আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরই সুন্নত। এবং সেটা পালন করা সাহাবীগণের সুন্নত।

প্রত্যেক মুসলমানের উচিত সকল নেক কাজে আর্থিকভাবে শরীক থাকা।


আমাদের বরং শুকরিয়া করা উচিত, রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার পক্ষ থেকে এত নেক কাজ করা হচ্ছে এবং আমাদেরকে সেখানে আর্থিকভাবে শরীক থাকার জন্য সুযোগ দেয়া হচ্ছে।

আজকাল মানুষ কত বিষয়ে খরচ করে, কত বদ আমলে কোটি কোটি টাকা অপচয় করছে,

সেখানে নেক কাজে শরীক থাকতে বলা, অবশ্যই ভালো কাজ এবং সেটাই করা উচিত।


অপরদিকে যারা নেক কাজে আর্থিকভাবে শরীক থাকা নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করে তারা আসলে নেক কাজ বিরোধী। তারা চায় দ্বীন ইসলামের পক্ষে কাজ থেমে যাক, কুফরীর প্রচার হোক। নাউযুবিল্লাহ।

হাদীস শরীফ উনার মধ্যে আছে নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব সময় নেক কাজে আর্থিকভাবে শরীক থাকতে সাহাবীগণকে তাগিদ দিতেন বলে, কাফিরেরা সেটা নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করতো এবং মুসলমানদের ভুল বুঝিয়ে দূরে রাখতে চাইতো। 

অথচ সেই সময় নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কিন্তু নেক কাজে শরীক থাকতে তাগিদ দেয়া বন্ধ করেননি, বরং বায়াত করানোর সময় শর্ত দিয়েছেন,

স্বচ্ছল-অস্বচ্ছল উভয় অবস্থায় সামর্থ অনুসারে আর্থিকভাবে শরীক থাকতে হবে।এবং কোন অবস্থায় নিন্দুকের নিন্দাকে পরোয়া করা যাবে না।


সত্যিই বলতে, ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি যে সমস্ত নেক কাজ শুরু করেছেন, মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে সরাসরি সংযোগ আছে বলেই তিনি এসব কাজ করতে পারেন। এসব কাজের পেছনে যে উদ্যোগ বা খরচ হয়, কোন সাধারণ মানুষের পক্ষে তা চিন্তা করাও সম্ভব নয়। অনেকে তো হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক, তারা কি এসব কাজের উদ্যোগ নিতে পেরেছে ? পারেনি। তারমানে বোঝা যাচ্ছে, শুধু টাকা থাকলেই এসব নেক কাজের আঞ্জাম দেয়ার সম্ভব না।


মূলতঃ ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি খালেছ আল্লাহ পাক উনার ওলী বলেই তা সম্ভব। মানুষের পকেটের কিছু টাকা বা চিন্তাধারা দিয়ে সেই আঞ্জাম দেয়া কখনই সম্ভব নয়।


মহান আল্লাহ পাক আমাদের কাফির ও মুনাফিকের কুফরী ও ধোঁকাপূর্ণ কথা থেকে হিফাজত করুন। আমিন।

-

ইতিহাসে এই প্রথম, নজিরবিহীন, অভূতপূর্ব, আশ্চর্যজনক, কিংবদন্তি, বিস্ময়কর ঘটনা.....

 💞ইতিহাসে এই প্রথম, নজিরবিহীন, অভূতপূর্ব, আশ্চর্যজনক, কিংবদন্তি, বিস্ময়কর ঘটনা.....



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজূর পাক হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রশংসা মুবারক বর্ণনা করে সারা বিশ্বজুড়ে অনেক মাহফিল হয়।

কোনটি হয় ১ দিন

কোনটি হয় ২ দিন

কোনটি হয় ৭দিন

কোনটি বা হয় ৩০ দিনব্যাপী।

কিন্তু সারা বছর এমনকি অনন্তকালব্যাপী মাহফিল কি কোথাও কখনো দেখেছেন?

সবাই নিশ্চয় বলবেন- না।

কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্য! বছরে ৩৫৫ দিন (হিজরী বৎসর অনুসারে), এভাবে করে অনন্তকালব্যাপী জারী হয়েছে বিশেষ এক মাহফিল। মাহফিলের স্থান বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার রাজারবাগ শরীফ সুন্নতী জামে মসজিদ।

মাহফিলের নাম- মহাপবিত্র “সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ” মাহফিল। সুবহানাল্লাহ।


কেন বলা হচ্ছে অভূতপুর্ব, আশ্চর্যজনক, বিষ্ময়কর ঘটনা ?

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন,

ان الله وملئكته يصلون على النبى يايها الذين امنوا صلوا عليه وسلموا تسليما.

অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছলাত পাঠ করতেছেন। হে ঈমানদারগণ! তোমরাও উনার প্রতি ছলাত পাঠ কর এবং সালাম পেশ করো আদবের সহিত।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৬)

এ আয়াত শরীফে স্পষ্ট প্রমাণিত স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক এবং সমস্ত ফিরিশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি দুরুদ শরীফ ও সালাম শরীফ পেশ করছেন এবং অনন্তকালব্যাপী করতেই থাকবেন। মহান আল্লাহ পাক উনাকে অনুসরণ করে পৃথিবীর বুকে একমাত্র ঢাকা রাজারবাগ শরীফে সেই মাহফিল মুবারকই জারি হয়েছে। সুবহানাল্লাহ।


অনন্তকালব্যাপী মাহফিল উনার মধ্যে রয়েছে বিশেষ আয়োজন-

অনন্তকালব্যাপী জারিকৃত এ মাহফিলের কেন্দ্রীয় দিবস হচ্ছে হিজরী সনের মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ তারিখ। যে দিন আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীজি, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুনিয়াতে তাশরীফ মুবারক এনেছেন। সুবহানাল্লাহ। 


এই কেন্দ্রীয় দিবসটিকে উপলক্ষ্য করে অনন্তকালব্যাপী সেই বিশেষ মাহফিলের মধ্যেও বিশেষভাবে আয়োজন করা হয়েছে ৬৩ দিনব্যাপী মাহফিল ২৮ মুহররম শরীফ হতে ০২ রবীউছ ছানী ১৪৪২ হিজরী, ১৯ রবি’ হতে ২০ সাদিস- ১৩৮৮ শামসী (১৭শে সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে ১৭ শে নভেম্বর, ২০২০)। এছাড়া পবিত্র ১২ই রবিউল আউওয়াল শরীফ তারিখে (৩০ই অক্টোবর, ২০২০) বিশেষ আয়োজন হিসেবে আছে- “কোটি কোটি কণ্ঠে মিলাদ শরীফ’ নামক একটি অনুষ্ঠান। যেখানে সারা বিশ্বের অসংখ্য মানুষ একযোগে সরাসরি এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে পবিত্র মিলাদ শরীফ পাঠ করবে। সুবহানাল্লাহ। পবিত্র মাহফিলে দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ উপস্থিত হন, এবং প্রাণপ্রিয় রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রশংসা মুবারক, পবিত্রনাত শরীফ, ঐতিহাসিক ঘটনাসমূহ শুনে অন্তরকে প্রশান্ত করেন এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত মুবারকে উজ্জীবিত হন। আপনিও স্বশরীরে অথবা অনলাইনে উক্ত মাহফিলে অংশগ্রহণ করে বিশেষ নেয়ামত মুবারক, রহমত মুবারক, বরকত মুবারক ও সাকিনা মুবারক লাভ করুন।


নজিরবিহীন, অভূতপুর্ব, আশ্চর্যজনক এ মাহফিলের আয়োজক ও পৃষ্ঠপোষক কে?

এ পবিত্র মাহফিলের পৃষ্ঠপোষক ও আয়োজক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজূর পাক হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একজন সম্মানিত বংশধর, যিনি ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম হিসেবে পরিচিত। তিনি এমন একজন বিশেষ ব্যক্তিত্ব, যিনি উনার সমস্ত সম্পদ ব্যয় করছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রশংসা মুবারক বর্ণনা করতে। তিনি নিজ উদ্যোগে মাহফিলের আয়োজন করছেন এবং উক্ত মাহফিলে যত মেহমান আসছেন সবাইকে বরকতপূর্ণ শাহী তাবারুক খাওয়াচ্ছেন। সুবহানাল্লাহ।

ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম, তিনি নিজে সমস্ত পবিত্র সুন্নত মুবারকসমূহ আমল করেন এবং উনার অনুসারীদেরকেও পবিত্র সুন্নত মুবারক অনুসরণ করতে শিক্ষা দেন। তিনি সর্ব অবস্থায় পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীস শরীফ উনাদের অনুযায়ী সমস্ত কিছু পরিচালনা করেন। তিনি এমন কোন কাজ করেন না, যা শরীয়ত বিরুদ্ধ। তিনি গবেষণা, লেখাপড়া ও তালিম-তালক্বিন দিয়ে সমস্ত সময়গুলো ব্যয় করেন এবং সবাইকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সা্ল্লাম উনার মুবারক জীবনাদর্শ অনুসরণ করতে নির্দেশ দেন। আপনি যদি স্ব-শরীরে রাজারবাগ দরবার শরীফ উপস্থিত হন, তবে সেখানে অসংখ্য সুন্নতি আমলসমূহ দেখে নিশ্চিত মুগ্ধ হতে বাধ্য। আপনার নিজ থেকেই তখন মনে হবে, আপনি হয়ত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানায় চলে গেছেন। সুবহানাল্লাহ। বর্তমানে এ কঠিন সময়ে ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিতশায়েখ আলাইহিস সালাম উনার সুন্নতি আমল বলে দেয়, এই যামানায় মহান আল্লাহ তায়ালা উনাকে অবশ্যই বিশেষভাবে মনোনিত করে পাঠিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ।


মহিলাদের জন্য আছে সু-খবর !

শুধু ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি একাই নন, উনার সম্মানিতা আহালিয়াও (জীবনসঙ্গীনি) একজন মহান ওলী আল্লাহ। তিনিও আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীজি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বংশধর। তিনি সবার কাছে “উম্মুল উমাম হযরত আম্মা হুযূর কিবলা আলাইহাস সালাম” হিসেবে পরিচিত। উনার আমল-আখলাক মহান আল্লাহ তায়ালা মনোনিত বান্দাদের অনুরূপ। তিনিও সব সময় মহিলাদের পর্দার সহিত পবিত্র কুরআন শরীফ ও হাদীস শরীফ শিক্ষা দেন। উনার তত্ত্বাবধানে অসংখ্য মহিলা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ শিখতে পারছেন। পবিত্র দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে সঠিক দীক্ষা নিচ্ছেন এবং অন্য মহিলাদেরও শিক্ষা দিচ্ছে। তিনিও মহিলাদের নিয়ে জারি করেছেন- অনন্তকালব্যাপী ‘ফাল-ইয়াফরাহু মাহফিল’। সুবহানাল্লাহ।


ঢাকা রাজারবাগ শরীফে অসংখ্য নেক কাজ চলছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য -

১ মেয়েদের শরয়ী পর্দার সাথে ইলম অর্জনের জন্য বালিকা মাদরাসাসহ সারা বিশ্বব্যাপী ফালইয়াফরাহু তা’লীমি মজলিশ।

২. দলিলভিত্তিক গবেষণার জন্য মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ গবেষণাগার এবং অনলাইন গবেষণা ও প্রচার।

৩. নাস্তিকদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে বিজ্ঞান গবেষণামূলক ইন্টারনেশনাল গ্রুপ ফর সাইন্টিফিক রিসার্চ এন্ড কো-অপারেশন (IGSRC)।

৪. কেন্দ্রীয় বিশাল লাইব্রেরী ও ঘরে ঘরে বাইতুল হিকমাহ (লাইব্রেরী) প্রতিষ্ঠা।

৫. বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মসজিদ-মাদরাসা ও গবেষণাগার।

৬. ঘরে ঘরে আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত উনার তা’লীমি মজলিশ (Reader’s forum)।

৭. ইসলামী ঐতিহ্য পুণরায় জাগাতে তাহযীব-তামাদ্দুন বিভাগ ও আর্ন্তজাতিক চাঁদ দেখা কমিটি “মজলিসু রুইয়াতিল হিলাল”।

৮. আল মুত্বমাইন্না মা ও শিশু হাসপাতাল (শরয়ী পর্দার সাথে উন্নত চিকিৎসা ব্যাবস্থা) ।

৯. নির্যাতিত মুসলমানদের আইনি সুবিধা দিতে মুসলিম রাইটস ফাউন্ডেশন (MRF)।

১০. সম্মানিত ক্যান্টিন শরীফ এবং ঘরে ঘরে সম্মানিত সুন্নত মুবারক পৌছে দিতে আর্ন্তজাতিক মহাসম্মনিত ও পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র।

১১. মহান আল্লাহ পাক উনার প্রায় ২শ’ দিবস বা আইয়ামুল্লাহ শরীফ জারি (দলিল: সূরা ইবরাহীম শরীফ: আয়াত শরীফ ৫)

১২. অনন্তকালব্যাপী সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ জারি, প্রতি হিজরী মাসের ১২ তারিখ (সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ) কোটি কোটি কন্ঠে মীলাদ শরীফ ও শহর প্রদক্ষিণ।


তাবারুক গ্রহণে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা লাভ:

ঢাকা রাজারবাগ শরীফ এ জারীকৃত অন্ততকালব্যাপী সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ মাহফিল এবং বিশেষ ৬৩ দিনব্যাপী মাহফিলে আপনি স্ব-পরিবারে এবং স্ব-বান্ধব আমন্ত্রিত। মাহফিলে প্রতিদিন আপনার জন্য থাকছে বিশেষ শাহী তাবারুকের ব্যবস্থা। উক্ত তাবারুক যে কোন নেক নিয়তে গ্রহণ করলে তা পূরণ হয় এবং শরীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রশান্তি লাভ করা সম্ভব হয়। সুবহানাল্লাহ।


সুতরাং উক্ত মাহফিলে অংশগ্রহণ করে আপনিও দুনিয়া-আখিরাতের বেমেছাল নিয়ামত হাসিল করুন। আমিন।


যোগাযোগ:

৫/১ আউটার সার্কুলার রোড, ঢাকা রাজারবাগ-১২১৭

স্বশরীরে আসতে গুগল ম্যাপ- https://goo.gl/pGUzMH

অনলাইনে শুনতে- ‍Al-hikmah.net

মোবাইল : ০১৭১১-২৭২৭৮২,০১৭১১-২৭২৭৭৯, ০১৭১১-২৭২৭২৭৩

Email: rajarbag.shareef@gmail.com

Website: http://rajarbagshareef.com

FB/rajarbagofficial, fb/saiyidulayiadshareef

আর্থিকভাবে শরীক থাকতে-

বিকাশ এজেন্ট : ০১৭০৯-৬৭২৬০৫,

মোবাইল ব্যাংকিং ০১৭১৮৭৪০৭৪২২

ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাহফিল এ রহমত মুবারক উনার নূর মুবারক নাযিল হয়

 ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাহফিল এ রহমত মুবারক উনার নূর মুবারক নাযিল হয়


=================================================

পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন এক মাহফিল যা সমগ্র পৃথিবীতে পালন হয়েছে। এ প্রসঙ্গে হযরত মুল্লা আলী ক্বারী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন-


اَمَّا اَہْلُ مَکَّۃَ یَزِیْدُ اِہْتِمَامَہُمْ بِہٖ عَلٰی یَوْمِ الْعِیْدِ


অর্থ: “মক্কাবাসীগণ মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি গুরুত্ব ঈদ অপেক্ষাও বেশী দিতেন।” (আল মাওরেদুর রাবী ফি মাওলিদিন নবী)


আর এসব মাহফিলে যে কতবড় নিয়ামত, রহমত নাযিল সে বিষয়ে হযরত শাহ্ ওয়ালী উল্লাহ্ মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, –


ﻭﻛﻨﺖ ﻗﺒﻞ ﺫﻟﻚ ﺑﻤﻜﺔ ﺍﻟﻤﻌﻈﻤﺔ ﻓﻰ ﻣﻮﻟﺪ ﺍﻟﻨﺒﻰ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻓﻰ

ﻳﻮﻡ ﻭﻻﺩﺗﻪ ﻭﺍﻟﻨﺎﺱ ﻳﺼﻠﻮﻥ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻨﺒﻰ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻳﺬﻛﺮﻭﻥ

ﺍﺭﻫﺎﺻﺎﺗﻪ ﺍﻟﺘﻰ ﻇﻬﺮﺕ ﻓﻰ ﻭﻻﺩﺗﻪ ﻭﻣﺸﺎﻫﺪﻩ ﻗﺒﻞ ﺑﻌﺜﺘﻪ ﻓﺮﺃﻳﺖ ﺍﻧﻮﺍﺭﺍ

ﺳﻄﻌﺖ ﺩﻓﻌﺔ ﻭﺍﺣﺪﺓ ﻻ ﺍﻗﻮﻝ ﺍﻧﻯﺎﺩﺭﻛﺘﻬﺎ ﺑﺒﺼﺮﺍﻟﺠﺴﺪ ﻭﻻ ﺍﻗﻮﻝ ﺍﺩﺭﻛﺘﻬﺎ

ﺑﺒﺼﺮ ﺍﻟﺮﻭﺡ ﻓﻘﻂ ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺍﻋﻠﻢ

ﻛﻴﻒ ﻛﺎﻥ ﺍﻻﻣﺮ ﺑﻴﻦ ﻫﺬﺍ ﻭ ﺫﻟﻚ ﻓﺘﺄﻣﻠﺖ ﺗﻠﻚ ﺍﻻﻧﻮﺍﺭ ﻓﻮﺟﺪﺗﻬﺎ ﻣﻦ ﻗﺒﻞ

ﺍﻟﻤﻼﺋﻜﺔ ﺍﻟﻤﺆﻛﻠﻴﻦ ﺑﺎﻣﺜﺎﻝ ﻫﺬﻩ ﺍﻟﻤﺸﺎﻫﺪ ﻭﺑﺎﻣﺜﺎﻝ ﻫﺬﻩ ﺍﻟﻤﺠﺎ ﻟﺲ ﻭﺭﺍﻳﺖ

ﻳﺨﺎﻟﻄﻪ ﺍﻧﻮﺍﺭ ﺍﻟﻤﻼﺋﻜﺔ ﺍﻧﻮﺍﺭ ﺍﻟﺮﺣﻤﺔ ০

(‏( ﻓﻴﺾ ﺍﻟﺤﺮﻣﻴﻦ

.


“আমি একবার মক্কা মুয়াযযাময় মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শরীফ-এর দিনে নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ-এর স্থানে উপস্থিত ছিলাম। তখন লোকেরা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ঐসব মু’জিযা শরীফ বর্ণনা করছিলেন, যেগুলো হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শুভাগমনের পূর্বে এবং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নবুওওয়াত মুবারক প্রকাশের পূর্বে প্রকাশ পেয়েছিলো। আমি হঠাৎ দেখতে পেলাম সেখানে জ্যোতিসমূহেরই ছড়াছড়ি। তখন আমি গভীরভাবে চিন্তা ভাবনা করলাম ও বুঝতে পারলাম যে, ঐ ‘নূর’ (জ্যোতি হচ্ছে ঐসব ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের, যিনাদেরকে এমন মাহফিলসমূহের (মীলাদ শরীফ ইত্যাদি) জন্য নিয়োজত রাখা হয়েছে। অনুরূপভাবে আমি দেখেছি ‘রহমতের নূর’ ও ফেরেশ্তাদের নূর’ সেখানে একাকার হয়ে গিয়েছে।” (ফুয়ূযুল হেরামাইন)


#সাইয়্যিদুল_আইয়াদ_শরীফ

নিশ্চিত পরাধীনতার পথে ধাবমান বাংলাদেশ (পর্ব-৫)

 নিশ্চিত পরাধীনতার পথে ধাবমান বাংলাদেশ (পর্ব-৫)



গাজী সুলতান মাহমুদ গজনবী রহমতুল্লাহি আলাইহির শায়েখ আবুল হাসান খারক্বানী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছিলেন, 


“যে যুগের মুসলমানেরা হিন্দু ও ইহুদীদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহন করবে, সেই যুগটি হবে মুসলমানদের পতনের যুগ। সেই যুগেই মহান আল্লাহ পাকের এই যমীন মুসলমানদের রক্তে রঞ্জিত হবে।” (ভারত অভিযান, ৫ম খন্ড, পৃষ্টা ৫০)। 


বিষয়টি মুসলমানদের জন্য নতুন কোন উপদেশ নয়, সাড়ে চৌদ্দশো বছর পূর্বে কোরআন শরীফ এবং হাদীস শরীফে বিষয়টি বার বার এসেছে এবং এই পবিত্র বাণী কখনোই ভুল হতে পারেনা।


অথচ এই সত্য জানার পরও বাংলাদেশের অবৈধ সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য হিন্দুদেরকে আর মধ্যপ্রাচ্যের সৌদী রাজপরিবার ক্ষমতায় থাকার জন্য ইহুদীদেরকে বানিয়েছে বন্ধু প্রতিম। 


পৃথিবী জুড়ে মুসলমান হিসাবে আমরা এক ভয়ানক ক্রান্তিকাল পার করছি। কাফিরদেরকে শুধু বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করাই নয়, ক্ষেত্র বিশেষে তাদেরকে সৃষ্টিকর্তার চেয়েও বেশী গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে (নাউজুবিল্লাহ)।


যেমন বর্তমান সময়ে আওয়ামী লীগের প্রতিটা সদস্য মনে করে সকল ক্ষমতার উৎস হাসিনা, আর হাসিনা সর্বান্তকরণে বিশ্বাস করে সকল ক্ষমতার উৎস হলো চরম মুসলিম বিদ্বেষী “নরেন্দ্র মোদী” (নাউজুবিল্লাহ)।


কাশ্মীরে যখন মিডিয়া ব্ল্যাক আউট করে মোদী লক্ষ, লক্ষ মুসলমানদের উপর নির্মম অত্যাচার শুরু করেছে তখন বাংলাদেশের এক ক্রীতদাস মন্ত্রী বলে - কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়, ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ হলে আমরা ভারতের পক্ষে থাকবো।


 ওই জানোয়ারকে যদি মোদী আদেশ দিয়ে বলতো যে তুই বল- “ভারত - বাংলাদেশ যুদ্ধ হলে আমরা ভারতের পক্ষে থাকবো”, তাহলে সে নির্দ্বিধায় সেটাই বলতো ক্ষমতায় থাকার জন্য। 


এরা এখন আর কেউ বাংলাদেশী নয় সকলেই এখন রূপান্তরিত হয়েছে ভাদাগোষ্ঠীতে। 


প্রশ্ন হচ্ছে - হোয়াট ইজ “ভাদা”? 


- যারা লজ্জা শরম ব্যতিরেকে ভারতের পক্ষে অন্ধ দালালি করে তারাই হচ্ছে নির্লজ্জ “ভারতীয় দালাল” সংক্ষেপে “ভাদা”। 


বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষার্তে এখন আর আন্দোলনের জন্য আহব্বান করে কোন লাভ নেই। আহব্বানের সময় অনেক আগেই শেষ, এখন ফিল্ডে কাজ করতে হবে। 


আর সেটা করতে না পারলে বাংলাদেশের পরিণতি হবে ধীরে ধীরে ভারতীয় অজগরের মধ্যে বিলীন হয়ে যাওয়া।


 একটি বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষিত হওয়া উচিত ছিল - হঠাৎ করেই দেখা যায় কোন এক সেনানিবাসের যে কোন পদবীর এক সেনা কর্মকর্তা অফিস থেকে বাসায় ফেরার সময় সাদা মাক্রোবাসের ৭/৮ জন লোক গাড়ী থামিয়ে, কিছু বোঝার আগেই মাক্রোতে তুলে নিয়ে হাওয়া! ১৫/১৬ দিন সেই অফিসারকে চরম ভাবে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের পর নিরিবিলি এক স্থানে গভীর রাতে ছেড়ে দেওয়া হয়। ছেড়ে দেয়ার সময় স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, “বিষয়টি কেউ জানতে পারলে ফ্যামিলি সহ গায়েব করে দেওয়া হবে।” 


সেনা অফিসারের এতদিন অফিসে অনুপস্থিতি নিয়ে কেউ টুঁ শব্দ পর্যন্ত করে না, বিষয়টি কি হয়েছে সবাই তা ধারণা করতে পারে এবং এক চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক সংক্রমিত হয় সকলের অন্তরে। 


বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর উদ্যম, সাহস, আত্মবিশ্বাস, মনোবল ও যুদ্ধে লড়াই করার মানসিকতাকে সম্পূর্ণভাবে পঙ্গু করে দেওয়াই হচ্ছে এর মূল উদ্দেশ্য। 


তাই এই অবধারিত পরাধীনতা থেকে বাঁচতে হলে বাংলাদেশের মানুষকে এখনই ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। 


কি সেই ব্যবস্থা? 


- সবার আগে এই সংকটের ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে ও সতর্ক করতে হবে। অন্য কেউ করবে ধারণা করে নিজে চুপ করে বসে থাকলে হবে না। হাতে আর বেশী সময় নেই। 


প্রত্যেক ষড়যন্ত্রের একটি উত্থান পর্ব থাকে, এক পর্যায়ে কোন একটি ঘটনার প্রবল ধাক্কায় সেই ষড়যন্ত্রের পতন শুরু হয়। 


ঢাকা কেন্দ্রিক আন্দোলন করে ভাদা সরকারের সাহায্যে বাংলাদেশের পতন রক্ষা করা সম্ভব নয়। আন্দোলন হতে হবে সারা দেশব্যাপী। 


বাংলাদেশের মানুষকে বুঝতে হবে যে মুসলমানদের শত্রুদের গোলাম কখনই মুসলমান বা মুসলমানদের বন্ধু হতে পারে না। তারাও আসলে ছুপা কাফির, ইসলামের শত্রু। 


বাহারী পাঞ্জাবি ও টুপি পড়ে শুধু মাত্র ঈদের নামাজ আর জানাজার নামাজে উপস্থিত হলেই মুসলমান হওয়া যায়না। 


সিদ্ধান্ত আর কর্ম দ্বারা যাচাই হয় কে মুসলমান আর কে কাফির। বিশেষ করে চরম ইসলাম বিদ্বেষী কাফিরের সহায়তায় যে অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকে, যতই নিজেকে ঈমানদার দাবী করুক সে কখনই মুসলমান হতে পারে না। 


আরো একটি জিনিস বাংলাদেশের মুসলিমদের বুঝতে হবে সেটা হলো - 


মুসলমানেরা যে দেশে জন্মগ্রহণ করে সে দেশই তার মাতৃভূমি কিন্তু হিন্দু এবং ইহুদীদের ক্ষেত্রে তা নয়। হিন্দুরা যে দেশেই জন্মগ্রহণ করুক না কেন, তাদের ডিফল্ট মাতৃভূমি হচ্ছে ভারত, আর ইহুদীদের ডিফল্ট মাতৃভূমি হচ্ছে ইসরাঈল।


আর এটা তারা সংসদীয় আইন পাশ করে স্বীকৃতি দিয়েছে। 


তাই আপনার পাশের হিন্দুটি সম্পর্কে সতর্ক হোন, সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নিন। উচিত পদক্ষেপ নিলেই মহান আল্লাহ পাকের সাহায্য আসবে ইনশা আল্লাহ।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...