ছোঁয়াচে বিশ্বাসকারী আর কুরবানীর বিরোধীতাকারীরা ইবলিশের কায়িম মাকাম
============
নৌকা পানিতে ভাসিয়ে দিলে স্রোতের অনুকূলে চলতেই থাকবে। বেলুনে গ্যাস বোঝাই করে তা ছেড়ে দিলে আকাশে উড়তেই থাকবে। উপর থেকে কোন বস্তু নিচে ফেললে তা নিচের দিকে পড়তেই থাকবে। তেমনি নষ্ট আকীদার লোকটার কাজগুলা এলোমেলো এবং সম্মাণিত শরীয়ত উনার খিলাফ হবে সেটাই স্বাভাবিক।
সেটারই প্রমাণ পেলাম একজন আলেম নামধারী ব্যক্তির হারাম ছবি তোলার মাধ্যম দিয়ে। শুধু কি তাই? সে বেপর্দা হয়েছে, বেগানা মহিলার সাথে মুছাফাহা করেছে এবং জাতীয় গণমাধ্যমগুলোতে তা ফলাও করে প্রচারিত হয়েছে।
এই ব্যক্তির পক্ষেই সম্ভব হয়েছে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে অমান্য করে কাফির-মুশরেকদের প্রদত্ত ফতওয়া ‘ছোঁয়াচে’- কে বিশ্বাস করা এবং মুসলমানদের আমল নষ্ট করে দেয়ার জন্য সে জামাতের কাতারে ফাঁক রেখে দাড়াতে, জুমার নামাজে সংক্ষিপ্তভাবে তারাহুরো করে শুধুমাত্র ফরয আদায় করে যত তারাতারি মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে পরামর্শ দেয়া; সর্দি থাকলে মসজিদে যেতে বারণ করা, ঈদের জামাতে না যেয়ে ঘরে আদায় করা সহ মাদরাসাগুলো বন্ধ করে দেয়ার পক্ষে কথা বলা।
এক কথায় চির লানতগ্রস্ত ইবলিস শয়তান যেমন মুসলমানদেরকে আমল থেকে গাফেল করে দেয় কিংবা ফিরিয়ে দেয়, এই লোকটাও শয়তানের কায়িম মোকাম হয়ে মুসলমানদের আকীদা নষ্ট করেছে, আমল নষ্ট করেছে, করোনাকে ছোয়াচে বিশ্বাস করে মুসলমানদের মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করানোর মাধ্যমে শিরক করিয়েছে।
আর এই ব্যক্তিকে অনুসরণ কারীরাই অর্থাৎ যারা ওহাবী আকীদার তারা এই শয়তানি ফতওয়ার বিরোধীতা করে নি বরং তার পক্ষ নিয়ে দেশব্যাপী মুসলমানদের ঈমান-আমল নষ্ট করেছে যা শুধুমাত্র শয়তানের কাজই বটে।
এখানেই শেষ নয়, পবিত্র কুরবানীকে বাধাগ্রস্থ করতে পশুর হাট কমিয়ে দেয়া সহ শাসক গোষ্ঠির নানা ফন্দি-ফিকির ও কালা-কানুনগুলোর বিরুদ্ধে এই ওহাবীগুলায় কোনদিন প্রতিবাদ করে নি। করবে কি করে?
এরা মুসলমানদের আমলকে উৎসাহিত করে না। বরং নষ্ট করার কোশেশ করে। পবিত্র কুরবানির দিন মুসলমানগন পশুর ওপর আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারক উচ্চারণ করে যিনি খালিক মালিক রব আল্লাহ পাক উনার মহিমা ও শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করেন, আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক সমস্ত কিছুর উপরে সেই বিষয়টা আমলের দ্বারা বাস্তবায়িত করেন এবং পবিত্র কুরবানির মাধ্যমে শত শত সুন্নত মুবারক আদায় করেন।
এই সব আমল ইবলিস শয়তানের সহ্য হবে কি করে? ইবলিসের কায়িম মোকাম যারা তাদেরও সহ্য হয় না।
তাই সরকারী আমলা-কামলাদের উপর সওয়ার হয়ে ইবলিস শয়তান পবিত্র কুরবানির বিরুদ্ধে নানারকম বাধার সৃষ্টি করার প্রয়াস পায় আর এই ওহাবীগুলো তা নিরবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।
আর সাধারণ মুসলমানদের মধ্যেও একটি দল তৈরী হয়েছে তারা গযব ব্যাধি করোনা ভাইরাসের অজুহাতে পবিত্র কুরবানির আমল নিয়ে বাসায় বাসায় নানারকম বাধা নিষেধ আরোপ করছে। নাউজুবিল্লাহ।
গযব ব্যাধি করোনা ভাইরাসকে যারা আল্লাহ পাক উনার চাইতেও বেশি ভয় পায়, তারা আল্লাহ পাক উনার মহিমা ও শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করা কিংবা আল্লাহ পাক তিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী এই বিষয়টি কি করে মানবে?
তাই তারা নিজেরা পবিত্র কুরবানি থেকে বিরত থাকছে এবং অন্যদেরকেও বিরত রাখতে কোশেশ করে যাচ্ছে। এরা ইবলিসের ক্বায়িম মোকামে পরিণত হয়েছে। নাউজুবিল্লাহ! আর সত্য বলা থেকে বিরত থেকে ওহাবী গুলায় বোবা শয়তানে পরিণত হয়েছে। নাউজুবিল্লাহ!



