Friday, July 2, 2021

ছোঁয়াচে বিশ্বাসকারী আর কুরবানীর বিরোধীতাকারীরা ইবলিশের কায়িম মাকাম

 ছোঁয়াচে বিশ্বাসকারী আর কুরবানীর বিরোধীতাকারীরা ইবলিশের কায়িম মাকাম


============


নৌকা পানিতে ভাসিয়ে দিলে স্রোতের অনুকূলে চলতেই থাকবে। বেলুনে গ্যাস বোঝাই করে তা ছেড়ে দিলে আকাশে উড়তেই থাকবে। উপর থেকে কোন বস্তু নিচে ফেললে তা নিচের দিকে পড়তেই থাকবে। তেমনি নষ্ট আকীদার লোকটার কাজগুলা এলোমেলো এবং সম্মাণিত শরীয়ত উনার খিলাফ হবে সেটাই স্বাভাবিক। 


সেটারই প্রমাণ পেলাম একজন আলেম নামধারী ব্যক্তির হারাম ছবি তোলার মাধ্যম দিয়ে। শুধু কি তাই? সে বেপর্দা হয়েছে, বেগানা মহিলার সাথে মুছাফাহা করেছে এবং জাতীয় গণমাধ্যমগুলোতে তা ফলাও করে প্রচারিত হয়েছে। 


এই ব্যক্তির পক্ষেই সম্ভব হয়েছে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে অমান্য করে কাফির-মুশরেকদের প্রদত্ত ফতওয়া ‘ছোঁয়াচে’- কে বিশ্বাস করা এবং মুসলমানদের আমল নষ্ট করে দেয়ার জন্য সে জামাতের কাতারে ফাঁক রেখে দাড়াতে, জুমার নামাজে সংক্ষিপ্তভাবে তারাহুরো করে শুধুমাত্র ফরয আদায় করে যত তারাতারি মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে পরামর্শ দেয়া; সর্দি থাকলে মসজিদে যেতে বারণ করা, ঈদের জামাতে না যেয়ে ঘরে আদায় করা সহ মাদরাসাগুলো বন্ধ করে দেয়ার পক্ষে কথা বলা। 


এক কথায় চির লানতগ্রস্ত ইবলিস শয়তান যেমন মুসলমানদেরকে আমল থেকে গাফেল করে দেয় কিংবা ফিরিয়ে দেয়, এই লোকটাও শয়তানের কায়িম মোকাম হয়ে মুসলমানদের আকীদা নষ্ট করেছে, আমল নষ্ট করেছে, করোনাকে ছোয়াচে বিশ্বাস করে মুসলমানদের মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করানোর মাধ্যমে শিরক করিয়েছে। 


আর এই ব্যক্তিকে অনুসরণ কারীরাই অর্থাৎ যারা ওহাবী আকীদার তারা এই শয়তানি ফতওয়ার বিরোধীতা করে নি বরং তার পক্ষ নিয়ে দেশব্যাপী মুসলমানদের ঈমান-আমল নষ্ট করেছে যা শুধুমাত্র শয়তানের কাজই বটে। 


এখানেই শেষ নয়, পবিত্র কুরবানীকে বাধাগ্রস্থ করতে পশুর হাট কমিয়ে দেয়া সহ শাসক গোষ্ঠির নানা ফন্দি-ফিকির ও কালা-কানুনগুলোর বিরুদ্ধে এই ওহাবীগুলায় কোনদিন প্রতিবাদ করে নি। করবে কি করে? 


এরা মুসলমানদের আমলকে উৎসাহিত করে না। বরং নষ্ট করার কোশেশ করে। পবিত্র কুরবানির দিন মুসলমানগন পশুর ওপর আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারক উচ্চারণ করে যিনি খালিক মালিক রব আল্লাহ পাক উনার মহিমা ও শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করেন, আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক সমস্ত কিছুর উপরে সেই বিষয়টা আমলের দ্বারা বাস্তবায়িত করেন এবং পবিত্র কুরবানির মাধ্যমে শত শত সুন্নত মুবারক আদায় করেন। 


এই সব আমল ইবলিস শয়তানের সহ্য হবে কি করে? ইবলিসের কায়িম মোকাম যারা তাদেরও সহ্য হয় না। 

তাই সরকারী আমলা-কামলাদের উপর সওয়ার হয়ে ইবলিস শয়তান পবিত্র কুরবানির বিরুদ্ধে নানারকম বাধার সৃষ্টি করার প্রয়াস পায় আর এই ওহাবীগুলো তা নিরবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। 


আর সাধারণ মুসলমানদের মধ্যেও একটি দল তৈরী হয়েছে তারা গযব ব্যাধি করোনা ভাইরাসের অজুহাতে পবিত্র কুরবানির আমল নিয়ে বাসায় বাসায় নানারকম বাধা নিষেধ আরোপ করছে। নাউজুবিল্লাহ। 


গযব ব্যাধি করোনা ভাইরাসকে যারা আল্লাহ পাক উনার চাইতেও বেশি ভয় পায়, তারা আল্লাহ পাক উনার মহিমা ও শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করা কিংবা আল্লাহ পাক তিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী এই বিষয়টি কি করে মানবে? 


তাই তারা নিজেরা পবিত্র কুরবানি থেকে বিরত থাকছে এবং অন্যদেরকেও বিরত রাখতে কোশেশ করে যাচ্ছে। এরা ইবলিসের ক্বায়িম মোকামে পরিণত হয়েছে। নাউজুবিল্লাহ! আর সত্য বলা থেকে বিরত থেকে ওহাবী গুলায় বোবা শয়তানে পরিণত হয়েছে। নাউজুবিল্লাহ!

লকডাউনের নামে কুরবানীতে বাধা দিলে লানতগ্রস্ত হতে হবে

 লকডাউনের নামে কুরবানীতে বাধা দিলে লানতগ্রস্ত হতে হবে



যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নেক কাজে পরস্পরকে সহায়তা কর, পাপ ও বদকাজের মধ্যে সহায়তা করো না’। সুগভীর তাৎপর্যপূর্ণ এই মহান নির্দেশ মুবারক মুসলমান মাত্রেরই জানা রয়েছে। তবে ফিকিরের বিষয় এই যে, নেক কাজে সহায়তা করা মু’মিন এবং নেককার বান্দাদের খাছলত। আর নেককাজে বাধাদানকারী কিংবা পাপকাজে সহায়তা দানকারী হচ্ছে ইবলিস যে চির লানতগ্রস্ত, মালউন। এখন মুসলমানদের সামনে একটি অত্যন্ত সম্মানিত ফযীলতপূর্ণ আমল আসন্ন। এই ফযীলতপূর্ণ আমলটি যাতে সুষ্ঠুভাবে, অক্লেশে সবাই করতে পারে সে জন্য সকল পক্ষ থেকে সহায়তা করা উচিত এবং বিশেষ করে সরকারের উচিত প্রত্যেক মহল্লায় কুরবানীর পশুর হাটের ব্যবস্থা করা যাতে মুসলমানগণ অনায়াসে গরু কিনে কুরবানী দিতে পারেন। লকডাউনের নাম দিয়ে হাটগুলোকে দূরে দূরে রেখে যারা এই নেক আমলকে কষ্টসাধ্য করে তুলতে সহায়তা করবে তারা লানতগ্রস্থ হবে, আযাব গযবে নিপতিত হবে। নাউজুবিল্লাহ!

লকডাউনের নামে বারবার কেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি আঘাত হানা হচ্ছে?

 লকডাউনের নামে বারবার কেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি আঘাত হানা হচ্ছে?


======================================


লকডাউন আর বিধিনিষেধ দিয়ে বারবার সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি আঘাত হানছে কাফির-মুশরিকদের পা চাটা গোলাম নাস্তিক, মুনাফিক্ব, উলামায়ে সূ এবং গোমরাহ শাসকরা। 


শুরু থেকেই এরা বিভিন্ন কৌশলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিভিন্ন বিষয় নষ্ট করে আসছে। যেমন:


১. পবিত্র মসজিদসমূহে জামায়াত নিয়ন্ত্রণ করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!


২. নামাযের কাতারে ফাঁকা ফাঁকা হয়ে দাঁড়াতে আইন জারী করেছে। নাউযুবিল্লাহ!


৩. পবিত্র হজ্জ নিষিদ্ধ করেছে। নাউযুবিল্লাহ!


এবার মুসলমানদের পবিত্র কুরবানী নষ্ট করার নানান প্রক্রিয়া শুরু করেছে। নাউযুবিল্লাহ! 


ইতিমধ্যেই ঘোষণা দেয়া হয়েছে যে, পবিত্র ঈদুল আদ্বহার নামাযও মসজিদে আদায় করতে হবে ঈদগাহে যাওয়া যাবেনা। নাউযুবিল্লাহ! 


রাজধানীতে পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট নিষিদ্ধ করার পায়তারা করছে। নাউযুবিল্লাহ! ছবিভিত্তিক অনলাইনে পবিত্র কুরাবনীর পশু ক্রয় করতে হবে বলে প্রচার করছে। নাউযুবিল্লাহ! 


এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তাদের সমস্ত আইন কেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে? 


> যেখানে সমস্ত হাট-বাজার খোলা সেখানে পবিত্র কুরবানীর হাট নিয়ে কেন তাদের এতো মাথা ব্যথা? 

> যেখানে সমস্ত মার্কেট খোলা সেখানে কেন ঈদগাহে যেতে বাধা? 

> বিধর্মীদের পূজা যদি মন্দিরে হয় তাহলে মুসলমানদের কুরবানীর পশু কেন অনলাইনে কিনতে হবে? 

> যদি ভোট দেয়ার জন্য মানুষ কোন দূরত্ব বজায় না রেখে লাইন ধরে ভোট দিতে পারে, তাহলে মসজিদে কেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাতারে দাঁড়াতে পারবে না?


তাহলে কি এটাই প্রমাণ হয় না যে, করোনা প্রতিরোধের নামে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমে লিপ্ত কাফির-মুশরিকদের পা চাটা গোলাম নাস্তিক, মুনাফিক্ব, উলামায়ে সূ এবং গোমরাহ শাসকরা? 


যদি তাই হয়! তাহলে তোমাদেরকে এখনি সাবধান করা হচ্ছে, কাফিরগুলো যেভাবে ধ্বংস হচ্ছে তোমরাও কিন্তু সেভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে, বিলীন হয়ে যাবে। 


দুনিয়ার কোন শক্তি নেই তোমাদেরকে রক্ষা করতে পারে। 

কেননা বাংলার যমীনে অবস্থান মুবারক করছেন মহান মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি। 


উনার মুবারক বদদোয়ার কারণেই আজ সমস্ত কাফিরগোষ্ঠী নিস্তানাবুদ হচ্ছে, ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তোমরা যদি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করো তাহলে তোমাদেরও একই পরিণতি বরণ করতে হবে। কাজেই সাবধান!

দোয়া-মুনাজাতের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে।

 দোয়া-মুনাজাতের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে।



পবিত্র দোয়া শব্দটি আরবি। একজন বান্দার ইহকাল এবং পরকালের জিন্দেগীতে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট যেইসব নেক চাহিদা রয়েছে সেই সমস্ত নেক চাহিদাগুলি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট বিনীতভাবে চাওয়াকেই দোয়া বলে।


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা আমার (মহান আল্লাহপাক) কাছে দোয়া কর। আমি (মহান আল্লাহ পাক) তোমাদের দোয়া কবুল করব।” (পবিত্র সূরা মু’মিনীন: আয়াত শরীফ ৬০)


নূরে মুজাসসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের মধ্যে থেকে মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে দোয়ার করার তাওফীক দান করেছেন। তার জন্য মহান আল্লাহ পাক স্বীয় রহমতের দরজা খুলে দিয়েছেন। মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে অধিক পছন্দনীয় দোয়া হলো, দুনিয়া ও আখিরাতের নিরাপত্তার দোয়া। (তিরমিজি শরীফ)


হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, দোয়া আসমান ও যমীনের মধ্যবর্তী স্থানে ঝুলন্ত থাকে যেই পর্যন্ত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে পবিত্র দুরূদ শরীফ আদায় করা না হয় সেই পর্যন্ত দোয়া আসমানে পৌঁছায় না। (মিশকাত শরীফ) 


মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ লক্ষ্যস্থল এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ আহলে বাইত শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত, সম্মানিত সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন মইউস সুন্নাহ তিনি বর্তমান উম্মাহকে শিক্ষা দিয়েছেন দোয়ার শুরুতে, মধ্যে এবং শেষে পবিত্র দুরূদ শরীফ পড়ার সুমহান সুন্নত মুবারক। 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একটি সুমহান সুন্নত মুবারক হচ্ছেন দুআর বাক্য একাধিকবার করে উচ্চারণ মুবারক করা। মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ লক্ষ্যস্থল এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ আহলে বাইত শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত, সম্মানিত সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন মুইহউস সুন্নাহ তিনি উনার মুকবুল মুনাজাত শরীফ উনার মধ্যে দিয়ে বর্তমান উম্মাহকে শিক্ষা দিয়েছেন দোয়া একাধিকবার করে বলা সুন্নত মুবারক। 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি নেক বান্দার মর্যাদা জান্নাতে বুলন্দ করবেন, তখন সে বলবে, হে মহান আল্লাহ পাক আমার জন্য এই মর্যাদা কিভাবে হল? তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি বলবেন, তোমার জন্য তোমার সন্তানের দোয়ার কারনে তোমার মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। (আহমদ শরীফ)

আরও ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘দোয়া ব্যতীত কোনো জিনিস তাকদিরের ফয়সালাকে পরিবর্তন করতে পারে না এবং নেক আমল ব্যতীত কোনো জিনিস হায়াত বাড়াতে পারে না।’

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: যেই ব্যক্তি চায়,বিপদ-মুসীবতের সময় মহান আল্লাহ পাক তার দোয়া কবুল করুন সে যেন সুখের সময় মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে বেশি দোয়া করে। (তিরমিজী শরীফ) 


হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: তোমাদের প্রত্যেকেই যেন মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে নিজ প্রয়োজন পূরণের জন্য দোয়া করে। এমনকি জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলেও মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে দোয়া করবে। (তিরমিযি শরীফ) 


হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্নিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে দোয়া করে না, মহান আল্লাহ পাক সেই ব্যক্তির উপর অসন্তষ্ট হন। (তিরমিযি শরীফ)

মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকেই সদা-সবর্দা উনার নিকট দোয়ারত অবস্থায় থাকার তওফীক দান করুন। আমীন!

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...