Saturday, June 20, 2020

বর্তমান সঙ্কট থেকে মুসলিম জাতির পরিত্রাণের একমাত্র উপায়।

সারা বিশ্বে আজ মুসলমানরা নির্যাতিত ও পর্যুদস্ত, এর কারণ-মুসলমানরা রহমত থেকে দূরে সরে গেছে। “ওমা আরসালনাকা ইল্লা রাহমাতুল্লিল আলামিন”–অর্থ–“আমি (আল্লাহ) আপনাকে (নবীজিকে) সমগ্র জগতের জন্য রহমত স্বরুপ প্রেরণ করেছি”। আমরা বর্তমান জামানার উম্মতরা নবীজির সেই রহমতকে গ্রহণ করতে পারিনি। অথচ ইতিহাস ঘাটলে পাওয়া যাবে, পূর্ববর্তী মুসলমানরা সেই রহমত গ্রহণ করার কারণেই সফলতা অর্জন করেছিলো।

আপনারা সবাই নিশ্চয়ই হযরত সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি’র নাম জানেন। তিনি একাই সকল খ্রিস্টান ক্রসেডারদের নাকানি-চুবানিয়ে দিয়েছিলেন। মহান আল্লাহ তায়ালা’র পক্ষ থেকে অবশ্যই হযরত সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি’র উপর বিশেষ রহমত এসেছিলো। কিন্তু ইতিহাস বলে, সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি’র সেই রহমতের উৎস হচ্ছে: তিনি পুরো মুসলিম সালতানাতে ঈদে মীলাদুন নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যাপকভাবে চালু করেছিলেন। সুবহানাল্লাহ।

এবং ঐ সাইয়্যিদুল আইয়াদ তথা ঈদে মীলাদুন নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার কারণে উনার প্রতি নবীজির খাস রহমত তথা গায়েবী মদদ নাজিল হতো। সুবহানাল্লাহ।

বর্তমানে সাইয়িদুল আইয়াদ তথা ঈদে মীলাদুন নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের বিরোধীতার মূল হচ্ছে সউদী ওহাবীরা। যারা বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে রহমতপ্রাপ্তির এ দিনটি বন্ধ করতে চাইছে। কিন্তু এটা তো সত্যিই এ সউদীদের সৃষ্টিকর্তা হচ্ছে ব্রিটিশ খ্রিস্টানা। আর ব্রিটিশদের পূর্ব পুরুষ সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি’র সাথে ক্রুসেড যুদ্ধে নিস্তানাবুদ হয়েছিলো, তখন তারা গবেষণা করে দেখে মুসলমানদের নৈতিক শক্তির রহস্যগুলো কি । পরবর্তীকালে সেই নৈতিক শক্তির মূলতত্ত্বগুলোই এ সউদীদের মাধ্যমে ভেঙ্গে দেয় ব্রিটিশরা।

তাই মুসলমানদের সেই সোনালী অতীত ফিরিয়ে আনতে হলে পুনরায় রহমতের দ্বার উন্মুক্ত করতে হবে তাদেরকে। সবাইকে মন-প্রাণ উজার করে সাইয়্যিদুল আইয়াদ তথা ঈদে মীলাদুন নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করতে হবে,পালন করতে। তবেই বর্তমান সঙ্কট থেকে একমাত্র পরিত্রাণ পাবে মুসলমানরা।

করোনা ভাইরাস কা‌ফির‌-মুশ‌রিক‌দের জন্য একটা ক‌ঠিন গজব। গজব আর মহামারি এক জিনিস নয়।

”করোনায় বাংলাদেশের রাজনীতিবিদগণের মতামত ও ইসলামে আবিষ্কিত মহা-ঔষধ”
---------------++++++++---------------+++++++---------------
যেখানে চীন জাপান কুরিয়া অস্ট্রেলিয়া ইতালি আমেরিকা সিঙ্গাপুরসহ অনেক রাষ্ট্রই করোনার ঔষধ আবিষ্কার করতে পারেনি।
তারা সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্মস্থান যানবাহন বন্ধ করেও বাঁচতে পারেনি। সেখানে বাংলাদেশ সরকার / রাজনীতিবিদরা কি মনে করেন?  
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা কর্মসংস্থান বন্ধ করলেই করোনা থেকে বাঁচা সম্ভব?  
কখনই সম্ভব নয়?  এসকল রাজনেতারা কি দেখেনা চীনের মুসলমানদের? 
তারাকি দেখেনা কোরআন শরীফ, হাদিস শরীফ কি বলেছে? 
তারাকি এখনও জানেনা বাংলাদেশে তথা সারা জাহানের মুসলমানদের পক্ষে মুজাদ্দিদে আজম আলাইহিস সালাম ও সম্মানিত আহলে বাইতে রসূলিল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনারা রয়েছেন? 
হে মুসলমান!!!  
👉 যদি আল্লাহর গজব থেকে বাঁচতে চাও তাহলে নাজাম কায়েম করো।
👉 যাকাত প্রদান কর।
👉 বেশী বেশী ফালইয়াফরাহু শরীফ তথা সাইয়্যিদুল আইয়্যাদ শরীফ পালন কর। 
👉 রাসূলে কারীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার উপর দুরুদ শরীফ পাঠ কর।
👉 সকাল সন্ধা মিলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ পাঠ কর।
👉 সুন্নাতি সিরকা তালবিনা নাবিজ যয়তুন খেজুর তীনসহ সুন্নাতি খাবার নিয়মিত খাও ও পান কর।
👉 রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, উম্মাহাতুল মুমিনিন আলাইহিন্নাসসালাম, ছাহাবায়ে কেরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু,  আম্বিয়ায়ে কেরাম আলাইহিমুসসালাম, আউলিয়ায়ে কেরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি,  আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম সহ সকলের প্রতি হুসনেজন পোষণ কর।
👉 মানুষের হক রক্ষা কর।
👉 কাউকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি আদায় কর।
👉 পীর মাশায়েখগণকে শ্রদ্ধা কর।
👉 ধর্ম ব্যবসা বন্ধ কর।
👉 ইসলামের হুকুম আহকাম মেনে চলো।
👉 মাজার শরীফকে তাযীম কর।
👉 ইসলামের মধ্যে চোয়াছে বলতে কোন রোগ নেই।
👉 অলক্ষুণে বলতে কোন দিন বা সময় নেই।
👉 রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি নূরের তৈরি, হাজির ও নাজির,  ইলমে গইবের অধিকারী, উনার ছায়া মুবারক ছিলোনা, তিনি ইলেমের সাগর, উনি সৃষ্টির প্রথম আর আগমনে শেষ, উনি শেষ নবী ইত্যাদি আক্বিদা পোষণ করা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতে দাখিল হও। 
✅ তাহলেই এই সকল গজব থেকে বাঁচা সম্ভব। 💯% 
✅ এটা আমার কথা নয়। বর্তমান যামানার মহান মুজাদ্দিদে আজম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত কওল শরীফ।
📛 এখন আপনিই ভাবুন কোন সিদ্ধান্ত নিবেন!!! 
হে মুসলমান এখনও সময় আছে কাফের মুশরিকদের মতবাদ ছেড়ে হাকিকি মুসলমান হয়ে যাও আর বর্তমান যামানার মহান মুজাদ্দিদে আজম আলাইহিস সালাম উনার ও উনার সম্মানিত আহলে বাইতে রসূলিল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাদের সরনাপন্ন হয়ে যাও। 
তাহলেই সকল প্রকার গজব থেকে রক্ষা পাবে ইংশায়াল্লাহ

"রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়" "সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ" পালন করলে সকল বালা-মুছীবত থেকে রক্ষা পাবে ।

"রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়" "সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ"
 পালন করলে সকল বালা-মুছীবত থেকে রক্ষা পাবে ।

বাল্য বিবাহের মাধ্যমে সমাজ থেকে সম্ভ্রমহানি, নারী টিজিং, বেহায়াপনা, বেলেল্লাপনা দূর করা সম্ভব।


▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️
ইসলাম নারী-পুরুষের বিয়ের জন্য কোন বয়স নির্ধারণ করে দেয়নি। যার যখন বিয়ে প্রয়োজন, তখনই বিয়ে করার হুকুম দিয়েছে ইসলাম। কম বয়স বা বেশি বয়স বিয়ের জন্য শর্ত নয়। বাল্যকালেও বিয়ে করা শরীয়তসম্মত তো বটেই, বরং তা খাছ সুন্নতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। 

বাল্যকালে বিয়ে করার অনেক উপকারিতা আমাদের সমাজে পরিলক্ষিত হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নারী-পুরুষ যেভাবে ব্যভিচারে লিপ্ত হচ্ছে, যার ফলে বাল্যবিবাহ অতীব প্রয়োজন হয়ে গেছে। এছাড়াও সমাজে সম্ভ্রমহানি, নারী টিজিং জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এজন্যই বাল্যবিবাহ অতি প্রয়োজন।
বাল্যবিবাহ প্রচলিত হলে সমাজ থেকে সম্ভ্রমহানি, নারী টিজিং ব্যভিচার দূর করা সম্ভব। তাই আমাদের বাল্য বিবাহের ব্যাপারে উৎসাহিত হওয়া প্রয়োজন।

কিন্তু অতি দুঃখজনক যে, রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের দেশ বাংলাদেশেই রয়েছে বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে আইন। কিন্তু এই আইন ইসলাম ধর্মের অবমাননানজক এবং সমাজের জন্যও ক্ষতিকর। তাই অবিলম্বে দেশ থেকে এই ইসলাম বিরোধী আইন বাতিল করার দাবি ৯৭ ভাগ মুসলমানের।

সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনাদের আলোকে বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভক্ত।








সম্মানিত বাল্যবিবাহ উনার উপকারিতা এবং তথাকথিত শিক্ষিত সমাজ।

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র ‘সূরা আহযাব’ শরীফ উনার ৩০ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “হে আমার হাবিব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিতা নিসা অর্থাৎ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! নিশ্চয়ই আপনারা অন্য কোনো মহিলাদের মতো নন।” সুবহানাল্লাহ!

সুমহান বেমেছাল বরকতময় ২১শে শাওয়াল শরীফ সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র আক্বদ বা নিসবাতুল আযীম মুবারক দিবস। সাইয়্যিাদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি একদিকে সাইয়িদুল মুরসালিন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাহাবীয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনাদের অন্তর্ভুক্ত। আরেকদিকে তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালিন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আহলুবাইত শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সর্বোপরি তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালিন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পূত-পবিত্রা নিসা অর্থাৎ হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহাস সালাম। 
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে- হযরত আবু মুসা আশয়ারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদাতুনা  উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার ফযীলত অন্যান্য মহিলাদের উপর এত বেশি, যেমন খাদ্যের মধ্যে সারীদের ফযীলত বা শ্রেষ্ঠত্ব।” সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা পবিত্র দ্বীনী ইলম হুমায়রা হযরত উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার কাছ থেকে গ্রহণ করবে।” অর্থাৎ ওহী মুবারক নাযিল হওয়া ব্যতীত সমস্ত প্রকার ইলম উনার অধিকারী তিনি। সুবহানাল্লাহ! তোমরা উনার কাছ থেকে সমস্ত প্রকার ইলম শিক্ষা গ্রহণ করবে। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমেই বাল্যবিবাহকে সুন্নত হিসেবে সাব্যস্ত করেন। সুবহানাল্লাহ! কারণ উনার আক্বদ বা নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্ন হয়েছে ৬ বৎসর বয়স মুবারক। তাই পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া মুতাবিক বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা, বাল্যবিবাহকে কটাক্ষ করা এবং বাল্যবিবাহ রোধে আইন করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে (সাইয়্যিদাতুনা উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম) উনার  আক্বদ বা নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্ন হয় যখন উনার বয়স মুবারক ছিল ৬ বছর। আর তিনি ৯ বছর বয়স মুবারকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হুজরা শরীফে তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেন এবং ৯ বছর উনার সাথে অবস্থান মুবারক করেন।” সুবহানাল্লাহ! (ছহীহুল বুখারী কিতাবু বাদইল ওয়াহই বাবু তাজউইজিল আবি ইবনাতাহু মিনাল ইমাম)

পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে ব্রিটিশ সরকার বেনিয়াদ ১৯২৯ সালে আইন পাস করে, মেয়ে বিয়ে বসা বা বিয়ে দেয়ার জন্য কমপক্ষে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আইন বা শর্ত করে দেয় এবং ১৮ বছর বয়সের নিচে কোন মেয়ে বিয়ে দেয়া, বিয়ে করা বা কোনো মেয়ের জন্য বিয়ে বসা দন্ডনীয় অপরাধ বলে সাব্যস্ত করে। (নাঊযুবিল্লাহ) 

আর সেই আইনকে প্রয়োগ করার জন্য দেশের সরকার ও তথাকথিত শিক্ষিত সমাজ প্রগতিবাদীরা উঠে পড়ে লেগেছে। অথচ সরকার প্রধানের পিতা-মাতার বিয়ে হয় বাল্য বয়সে। নিচে সেই ইতিহাসের কিছু অংশ বিশেষ এবং সূত্র দেয়া হলো- “১৯৩০ সালের ৮ই আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে ফজিলাতুন্নেছা জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র তিন বছর বয়সে পিতা শেখ জহুরুল হক ও পাঁচ বছর বয়সে মাতা হোসনে আরা বেগমকে হারান তিনি। ১৯৩৮ সালে চাচাত ভাই (শেখ লুৎফর রহমানের পুত্র) শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বেগম ফজিলতুন্নেছার বিবাহ হয়। তখন মুজিবুরের বয়স ১৮ আর তার ৮। এই দম্পতির ঘরে দুই কন্যা এবং তিন পুত্রের জন্ম হয়। কন্যারা হলেন, শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহেনা। আর পুত্রদের নাম শেখ কামাল, শেখ জামাল এবং শেখ রাসেল। 

তিনজন পুত্রই ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট রাতে আঁততায়ীদের হাতে নিহত হন। সেই রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করার সময় ঘাতকরা পরিবারের অপরাপর সদ্যস্যদের সঙ্গে বেগম মুজিবকে নির্মমভাবে হত্যা করে।” 
(সূত্র: http://goo.gl/WmZASQ)

উল্লেখ্য, সে সময়ে বর্তমান আইন চালু থাকলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দাদা-দাদী, নানা-নানী উনারা শাস্তি পেতেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দরদী দাবিদাররা কী তা ভালোভাবে নিতে পারবে? মূলত তা ভালোভাবে নেয়ার বিষয় ও নয়। কারণ পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের অনুযায়ী ছেলে ও মেয়েকে বিয়ের করার ও বিয়ে দেয়ার জন্য কোন নির্দিষ্ট বয়স করে দেয়া হয়নি। কাজেই পৃথিবীর কোন সরকার তা রাজতান্ত্রিক হোক অথবা সমাজতান্ত্রিক বা গণতান্ত্রিকই হোক অথবা নাস্তিকবাদী হোক অথবা অন্য কোনো মতবাদই হোক না কেন তাদের কাউকে কোন ক্ষমতা দেয়া হয় নাই যে, তারা সম্মানিত শরীয়ত উনার উপর হস্তক্ষেপ করে। আর বাংলাদেশের সরকারের জন্যও জায়িয হবে না, মহাসম্মানিত সুন্নত অর্থাৎ বাল্যবিবাহের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করা। বরং এ সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে অতিসত্বর বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন তুলে দিয়ে ‘বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নত’ এ আইন জারি করা। কেননা মুজাদ্দিদে আ’যম হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “নেক কাজ শুধুমাত্র সৌভাগ্যবান বা নেককাররাই করতে পারে।”

বাল্যবিবাহ নিয়ে কাফির মুশরিকগুলো অপপ্রচার করে সাধারণ মানুষের মনে মগজে ঢুকিয়ে দিয়েছে যে, বাল্যবিবাহ একটি অভিশাপ। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! ইহুদি-নাছারাদের নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন মিডিয়া সংবাদ প্রচার করে এভাবে যে, বাল্যবিবাহের অভিশাপ থেকে রক্ষা পেল ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী। নাঊযুবিল্লাহ! সম্প্রতি আমেরিকায় যত শিশু জন্মেছে তার ৫৯ শতাংশের মা হলো বিবাহিত অর্থাৎ কুমারী মায়ের সংখ্যা ৪১ শতাংশ। ব্রিটেনে ২০০ বছরের মধ্যে বিয়ের আগে সন্তান জন্ম দেয়া এবং লিভ টুগেদার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌছেছে। ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই বিয়ের আগে লিভ টুগেদার করছে অথবা বিয়ের চেষ্টা করছে না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে এ সংখ্যা ছিল ৩০ জনে একজন। ৩০ বছর পূর্বে বিয়ের আগের সন্তান হওয়াটা ছিল লজ্জাজনক।

কিন্তু এখন তা অনেকটা গা সওয়া। সেন্টার ফর সোশ্যাল জাস্টিজের (সিএসজে) গবেষণায় দেখা গেছে, ৪৬ শতাংশ শিশু জন্ম নেয় কুমারী মায়ের গর্ভে। এদিকে ব্রিটেনে ১৯৫০ সালে ৫ শতাংশ শিশু কুমারী মায়ের গর্ভে জন্ম নিতো। ১৯ শতকের শুরু থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত এ সংখ্যা কম ছিল। ১৯৭০ সালে তা বেড়ে দাড়ায় ১০ এবং ১৯৯১ সালে ৩০ শতাংম। বর্তমানে এ সংখ্যা ৪৫ শতাংশ। 
উল্লেখ্য, ব্রিটেন, আমেরিকাসহ পাশ্চাত্য দেশগুলো কুমারী মাকে ঠিকই স্বীকৃতি দিচ্ছে। এমনকি যেসব অবৈধ সন্তানকেও স্বীকৃতি দিচ্ছে। কিন্তু স্বীকৃতি দিচ্ছে না বিয়েকে। অর্থাৎ হালালকে বন্ধ করে তারা হারামের দরজাই খুলে দিয়েছে। আর এটা মূলত সাইয়্যিদুল মুরসালিন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করার জন্যই এ আইন করা হয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!
সারাবিশ্বে কাফির-মুশরিকদের দেশে কাফির-মুশরিকদের ছেলে-মেয়েরা বাল্য অবস্থায় সন্তান জন্ম দিচ্ছে। সেখানে তাদেন জন্য কোন আইন নেই। তাদের মেয়েরা অপুষ্টিতে ভোগেনা, সন্তান ধারণ করায় মৃত্যুর ঝুকি থাকে না, রোগ ব্যাধি হয় না ইত্যাদি। অথচ যখন কোন মুসলমান ছেলে-মেয়ে  সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সুন্নহ শরীফ উনাদের আলোকে বাল্যবিবাহ করছে তখনই সবসমস্যা হচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!

তথাকথিতত শিক্ষিত সমাজকে জেনে রাখতে হবে কাফির-মুশরিক গুলো তাদের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্যই তাদের ছেলে-মেয়েদের লজ্জাহীনভাবে রাস্তার পশুদের মত মেলামিশায় নামিয়ে দিয়েছে। বিজেপির সহযোগী দল শিবসেনা ঘোষণা দিয়েছে ১০টার বেশি সন্তান থাকলে পুরস্কার দেওয়া হবে। অথচ ভারতে দৈনিক অপুষ্টিতে মারা যায় ৩ হাজার শিশু, আর ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমায় ৩২ কোটি মানুষ। অথচ মুসলমান দেশে মুসলমান উনাদের সংখ্যা কমানোর জন্যই কাফির-মুশরিকগুলো বিভিন্ন আইন করে থাকে। (নাঊযুবিল্লাহ) এর পরেও সারা বিশ্বে মুসলমান উনারেদ সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। (সুবহানাল্লাহ) বর্তমান সময়ে কাফির-মুশরিকগুলো চুরাবালির উপর অবস্থান করছে। তারা যতই মুসলমান বিদ্বেষী আইন জারি করছে তারা ততই চুরাবালির সাথে মিশে যাচ্ছে। এটা মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার অন্যতম কারামত মুবারক। (সুবহানাল্লাহ)

চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকেই বাল্যবিবাহ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। বাল্যবিবাহ স্বাস্থ্যের জন্য অপকারী এ কথাটি বিজ্ঞানসম্মত নয়। মুসলমান উনাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এই দিকে বিবেচনা করেই কাফির-মুশরিকগুলো এক শ্রেণীর তথাকথিত শিক্ষিত সমাজ সৃষ্টি করেছে যেন তাদের দ্বারা এইগুলো প্রতিরোধ করা যায়। আবার এক শ্রেণীর ডাক্তারদের মাধ্যমে পয়সা দিয়ে বলাছে বাল্যবিবাহ ক্ষতিকর। (নাঊযুবিল্লাহ) একটি মেয়েকে শারীরিক বৃদ্ধি বা সন্তান ধারণের ক্ষমতা ঠিক তখনই লাভ করে, যখন তার দেহে হরমোনের ও পুষ্টির সমতা সাধন হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় প্রমাণিত যে, একজন মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকাল থেকে হরমোনের যে পরিবর্তন শুরু হয় তা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। যা ৯ বছর থেকে শুরু করে ২৫ বছর পর্যন্ত বেড়ে তা আবার কমতে শুরু করে। সুতরাং সন্তানধারণ বলেন, বাচ্চাকে দুগ্ধপান বলেন, কিংবা বাচ্চাকে নরমাল ডেলিভারি বলেন, প্রত্যেকটি বিষয়ই হরমোনের সাথে জড়িত। আর তাই সুস্থ সবল মা আর শিশু পেতে চাই। বাল্যবিবাহের কোনো বিকল্প নেই। যারা বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করে তারা নেহাৎ জোর করেই এর বিরোধিতা করে।
২৫ বছরের পর বিয়ে হওয়াতে অনেক মেয়ে যে আজ মা হতে পারছে না, বেশি বয়সে মা হতে গিয়ে যে সিজার অপরেশন ব্যতীত বাচ্চা হচ্ছে না। সিজার অপরেশনের সাহায্যে সন্তান হলে মায়ের হরমোনের পরিবর্তন ঠিকমতো না হওয়াই পরিবর্তীতে ডায়বেটিস, প্রেসার, টিউমারসহ ইত্যাদি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। সিজারের মায়েরা অনেকেই তাদের সন্তানদের ঠিকমতো বুকের দুধ পান করাতে পারেন না। যা শিশুদের পুষ্টিহীনতার কারণ। এগুলোকি কারো চোখে পড়ে না। নাকি বাল্যবিবাহ বিরোধিরা চায় না আমাদের মা-বোনেরা সুস্থ থাকুক, সুস্থ শিশু জন্ম দান করুক? যারা বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে প্রচার করে, তারা কখনোই দেশ, জাতি ও সমাজের ভাল চায় না। 

এছাড়া পৃথিবীর কোনো দেশেই আসলে বাল্যবিবাহকে অপরাধ হিসেবে দেখা হয় না। অমুসলিম দেশগুলোতে এর উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করে বাল্যবিবাহে উৎসাহ প্রদান করে থাকে। আর আমাদের দেশে শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষতির অজু হাত দিয়ে বাল্যবিবাহে নিরুৎসাহী করা হয়ে থাকে। 

উদাহরণস্বরূপ নিচে কয়েকটি বিস্ময়কর ঘটনা উল্লেখ করা হলো-
এক. ১৯৯৩ সালে পেরুর টিকারপো শহরে লিনা মেডিনা নামের একটি শিশু মাত্র ৫ বছর ৭ মাস ১৭ দিন বয়সে জেরারডো নামে একটি পুত্র সন্তান জন্ম দিয়েছিলো। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এই অবিশ্বাস্য ঘটনাটি চমকে দিয়েছিল সবাইকে। কাগজে-কলমে বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী মা পেরুর লিনা মেডিনা জন্ম দিয়েছিল একদম সুস্থ একটি ছেলে সন্তান। ‘ডেইলি মিরর’ নামক পত্রিকায় খবরটি প্রথম প্রকাশ করে পরে আমাদের দেশী অনেক পত্র-পত্রিকায় খবর প্রকাশ করে। 

দুই. ১২ বছরে মা আর আর ১৩ বছরে বাবা হয়ে ব্রিটেনের সব থেকে কম-বয়সী পিতা-মাতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে এক শিশু দম্পতি। মাত্র ১২ বছর ৪ মাস বয়সে মেয়েটি ১৭পাউন্ড ওজনের সুস্থ কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছে। সন্তানের বাবা ৭ম শ্রেণীর ছাত্র। মেয়েটির বাবা জানায়, আজ কালকার বাচ্চারা বড় হতে হতে বয়ফ্রেন্ড জুটিয়ে ফেলে। আর তারা যদি পিতা-মাতার অগোচরে শারীরিক সম্পর্কে স্থাপন করে মেনে নেয়া সম্ভব নয়। বরং তার আগেই বিয়ে করিয়ে দেওয়া ভাল। সে নিজেকে এখন গর্বিত নানা হিসেবে ভাবছে। এলবিসি রেডিও চ্যানেলে সে এসব কথা জানায়। (তথ্যসূত্র: জনকণ্ঠ ১৮ই এপ্রিল ২০১৪)
তিন. ব্রিটেনে ১২ বছরের কিশোরী ‘মা’ হতে চলেছে। ঐ কিশোরী ১৯ বছরের এক কিশোরের সাথে দৈহিক সম্পর্ক করে এবং এতে সে গর্ভবর্তী হয়। (সূত্র: ঢাকা টাইমস, ০৭-১০-২০১৫)

চার. বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর “বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর” এই জাদুঘরে ১৯৩০ সালে মহিপুর আলম এস্টেটের পুত্রবধু মারহুমা জেবুন্নেছার ব্যবহৃত ফ্রক রয়েছে। তার বিবাহ বাল্যবিবাহ হিসেবে সাব্যস্ত। অর্থাৎ তার ব্যবহৃত ফ্রক বাল্যবিবাহের নিদর্শন বহন করছে। (তথ্যসূত্র: বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর মুসলিম নিদর্শন গ্যালারী নং ০৯)

এরকম ঘটনার উদাহরণ দিয়ে শেষ করা যাবে না। অধিক বয়সে বিয়ে করলে ডাউন সিনড্রোম(প্রতিবন্ধী) সন্তান জন্ম হওয়ার সম্ভবনা বেশি। সুন্নতী বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ফলে দেশে প্রতিবন্ধী, অক্ষম জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পক্ষান্তরে দেশ বুদ্ধিমান ও কর্মক্ষম প্রজন্ম হারাচ্ছে। ডাউন সিনড্রোম (কাঙ্খিত মাত্রায় বেড়ে না ওঠা) শিশু বা সাধারণত প্রতিবন্ধী শিশু হিসেবে 
বেচে থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোট অনুযায়ী দেশে প্রতিবছর পাঁচ হাজার ডাউন সিনড্রোম শিশুর জন্ম হয়। কিন্তু এই ডাউন সিনড্রোম হওয়ার নেপথ্যে কি কারণ থাকে পারে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, মহিলাদের যত বেশি বয়সে বিয়ে হয় বা যত বেশি বয়সে মা হবেন তার সন্তানোরও ডাউন সিনড্রোম নিয়ে জন্মের আশঙ্কা তত বেশি। এতএব, সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া মুতাবিক বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা, বাল্যবিবাহকে কটাক্ষ করা এবং বাল্যবিবাহ রোধে আইন করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। তাই সরকারের জন্য ফরয-ওয়াজিব হল বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন বাতিল করা। আর প্রত্যেক মুসলমান বিশেষ করে মহিলাদের জন্য ফরজ হচ্ছে প্রতিক্ষেত্রে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম ও হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা। অনুরূপভাবে বর্তমানে যিনি উনাদেরকে উত্তমভাবে অনুসরণ অনুকরণ করেন হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে অনুসরণ অনুকরণ করা।

লাখো সালাম ।। হে যুননূরাইন নকশায়ে আলী হায়দার!

▪️▫️▪️▫️▪️▫️▪️▫️▪️▫️▪️▫️▪️▫️▪️▫️▪️

মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা সীমাহীন অযোগ্যতার যাতনা বার বার তাড়িয়ে বেড়ায় তাকবীর দিতে শান-মান, আযীমত প্রকাশ করে, দিকে দিকে সারা কায়িনাতে সেই মহান ব্যক্তিত্ব, কুতুবুল আলম, শাফিউল উমাম, আওলাদে রসূল, যুননূরাইন ও নকশায়ে অলী হায়দার রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার। 
২২শে শাওয়াল মহান দিনে যিনি আমাদের কাছে প্রকাশ পেয়েছেন সীমাহীন আনন্দ ও রহমত বরকত সাকীনা নিয়ে কুল কায়িনাতের সমরাজ্ঞী, নাক্বীবাতুল উমাম হযরত শাহযাদী ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহাল আলী উনার মাধ্যমে। খোশ আমদেদ! হে শাহযাদী, খোশ আমদেদ হে শাহদামাদ গ্রহেন অন্তরের গভীর থেকে মোদের লাখো দুরূদ, লাখো সালাম।

এ মহান খুশির দিনে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার পাক দরবার-এ তাওফীক কামনা করছি- সেই মহান কুতুব, কুতুবুল আলম, শাফিউল উমাম, আওলাদে রসূল, যুননূরাইন ও নকশায়ে আলী হায়দার রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার বেমেছাল বুযূর্গী, সম্মান, কারামত থেকে মাত্র দুটি বিষয় বর্ণনা করতে, যেখানে উনার অসংখ্য উচ্চ মর্তবা সম্পন্ন লক্বব মুবারকসমূহের মধ্য থেকে মাত্র দুটি লক্বব মুবারকের কিছু ধারণা পাওয়া যাবে। যদিও এ লক্বব মুবারক দুটির ব্যাখ্যা অত্যন্ত গভীর, তাৎপর্যপূর্ণ ও ব্যাপক। তবে ততটুকুই প্রকাশ করা হলো যা কিনা সাধারণভাবে বোধগম্য।

যুননূরাইন, নকশায়ে আলী হায়দার:
যুননূরাইন অর্থ দুটি সুমহান নূর মুবারক-এর অধিকারী। মূলত, মাহে শাবান শরীফ-এ তিনি মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন, উনার প্রিয়তম হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং যামানার মহান ইমাম মুজাদ্দিদে আযম হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনাদের পক্ষ থেকে দুজন মহান মেহমান, মহান নূর মুবারক হযরত শাহনাওয়াসী ক্বিবলাতাইন মুদ্দা জিল্লুহুমুল আলী উনাদের সম্মানিত পিতারূপে আমাদের সামনে প্রকাশ লাভ করেন।

এ মহান মাসে আসাদুল্লাহিল গালিব হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ও ইমামুল হুমাম হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম এবং ইমামুল হুমাম হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনাদের সম্মানিত পিতারূপে প্রকাশ লাভ করেছিলেন।

মূলত, মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন এবং উনার প্রিয়তম হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা উনাদের মাধ্যম দিয়ে তত অধিক পরিমাণ সুন্নত আদায় করান যাঁদের উনারা সর্বাধিক মুহব্বত করে থাকেন।

মহান ২২শে শাওওয়াল শরীফ-এ আমরা যেমন খুশিতে উদ্বেলিত, আত্মহারা ঠিক একই সাথে পিপাসার্ত। এ পিপাসা সীমাহীন অযোগ্যতার, দুর্বলতার। এ মহান দিনে, খুশির দিনে, ঈদের দিনে, যামানার মহান ইমাম, কুতুবুল আলম, গওসুল আযম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আযম, ছহিবে কুন ফাইয়া কুন, ছহিবে ক্বাসিম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী উনার ক্বদম মুবারকে আরজি-

ইয়া মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী!
আমাদের অযোগ্যতা দূর করে দিন,
আমাদের ক্ষমা করুন, 
রেযার উপর ইস্তিক্বামত দান করুন,
আপনাদের হাক্বীক্বী নিসবত, মুহব্বত, মারিফাত, ফায়েজ তাওয়াজ্জুহ দান করুন,
আপনাদের মতে মত, পথে পথ করে দিন
আপনি যেমনটি চান তেমনটিই দান করুন। (আমীন)

"মানুষের অন্তর যখন কঠিন হয়ে যায় তখন তার যিকির- ফিকিরে মন বসে না।”

💕উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম💕

আসুন, সবাই মিলে পালন করি সুমহান ২২শে শাওওয়াল শরীফ।

🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀

পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
اذكروا نعمة الله علبكم .
অর্থা: “খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে যে নিয়ামত দিয়েছেন তা স্মরণ করো।”

সুমহান পবিত্র ২২শে শাওওয়াল শরীফ খালিক্ব  মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে নিয়ামত প্রাপ্তির একটি অন্যতম স্মরণীয় দিন। যেদিন এ ধরার বুকে সংঘটিত হয় কুতুবুল আলম, বাবুল ইলম, শাফীউল উমাম, আওলাদে রসূল হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার আযীমুশ শান নিকাহ মুবারক বা নিসবাতুল আযীম শরীফ।

যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের কর্তৃক মনোনীত এবং উনাদের থেকে সর্বপ্রকার নিয়ামত পেয়ে পূর্ণতাপ্রাপ্ত।

হবেন না-ই বা কেন? খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব উনারা যে উনাকে মনোনীত করেছেন মুজাদ্দিদে আ’যম, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, আওলাদে রসূল, রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার লখতে জিগার সাইয়্যিদাতুন নিসা, নাক্বীবাতুল উমাম, আওলাদে রসূল, হযরত শাহযাদী ঊলা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত যাওজুল মুকাররম হিসেবে। সুবহানাল্লাহ!

মূলত, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার আহাল পাক উনাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে তিনি আরো বেমেছালভাবে পূর্ণতায় পৌঁছেছেন। সুবহানাল্লাহ! 

তাই আসুন, আমরা সকলেই উনার পবিত্র নিকাহ মুবারক উনার দিনকে স্মরণ করে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করি, উনার ছানা-ছিফত বর্ণনায় মশগুল থাকি। যা আমাদের জন্য ইহকাল ও পরকালে বিশাল কামিয়াবীর কারণ হবে।

শরীয়তসম্মত বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ নিয়ে যত সমালোচনা; অথচ অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে কোনো কথা নেই!

মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাছারা, কাফির, মুশরিকরা কি করে মুসলমানদের ক্ষতি করবে এবং মিথ্যা কল্পকাহিনী রটাবে- এই চিন্তায় মগ্ন থাকে সারাক্ষণ।
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন; অন্য সকল ধর্মই বাতিল। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম একটি পরিপূর্ণ, নিয়ামতপূর্ণ এবং সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত দ্বীন। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা। হিংসা ও শত্রুতার কারণে বিধর্মীরা এ সত্য বুঝতে পেরেও নানা অযৌক্তিক মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে থাকে। 

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সম্মত বহুবিবাহ এবং বাল্যবিবাহ নিয়ে ওদের কত না প্রচারণা। কিন্তু আজ সময়ের বাস্তবতায় এই বহুবিবাহ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলে প্রতীয়মান হয়েছে। যে বিষয়টি কাফির, মুশরিকরা বুঝে না- তাহলো এই প্রথাদ্বয় নিয়মিত ব্যবস্থা নয়; যেমন বিবাহ বিচ্ছেদ। শুধু বিশেষ প্রয়োজনেই একজন মুসলমানকে মহান আল্লাহ পাক তিনি চারটা পর্যন্ত বিবাহের বিধান দিয়েছেন। যে কারণে আজ দেখা যাচ্ছে, হিন্দুরা মুসলমান উনাদের চেয়ে বেশি বহুবিবাবহ করে থাকে যদিও হিন্দু ধর্ম মতে বহুবিবাহ নিষিদ্ধ। আর ইহুদী-নাছারাদের কথা স্বতন্ত্র- ওদের সমাজ থেকে বৈধ বিবাহ প্রথাই উঠে যাচ্ছে। একাধিক অবৈধ সম্পর্ক রাখতে ওরা বেশি পছন্দ করে। নাঊযুবিল্লাহ!

বাল্যবিবাহও এমনই একটি প্রথা। শুধু অতি প্রয়োজনেই এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় কাফির-মুশরিকদের অবৈধ কিশোরী মাতা হতে কেনো বাধা নেই! বাধা শুধু মুসলমান উনাদের বৈধ সম্পর্কের সময়। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কোনো বাড়াবাড়ি নেই- এটা বুঝার মানসিকতা বিধর্মীদের নেই। চিন্তা-চেতনার ত্রুটির পাশাপাশি হিংসা ও বিদ্বেষবশতই এই সমালোচনা।

পর্দানশীন থাকার মাঝেই সম্মান-মর্যাদা, বেপর্দা হওয়া নাজায়িয ও অসম্মানজনক।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহিলারা ঘরে অবস্থান করবে, জাহিলিয়াত যুগের মেয়েদের মতো সৌন্দর্য প্রদর্শন ঘুরে বেড়িও না”।

এই সম্মানিত আয়াত শরীফ থেকে আমরা সহজেই বুঝতে পারি মেয়েদেরকে পর্দার সাথে ঘরে অবস্থান করতে হবে। প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে হলে সমস্ত শরীর ঢেকে বের হতে হবে। জাহিলিয়াত যুগ বা মূর্খতার যুগ হচ্ছে দ্বীন ইসলাম নাযিল হওয়ার পূর্বের যুগ। সেই যুগে মেয়েরা সৌন্দর্য প্রদর্শন করে ঘুরে বেড়াতো। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম হচ্ছেন সবচেয়ে আধুনিক। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি এরপর আর কোন ধর্ম নাযিল করেননি। পর্দা করা হচ্ছে আধুনিকতা। সম্মানিত দ্বীনে মেয়েদের অনেক মর্যাদা দেয়া হয়েছে। এজন্য মেয়েদের পর্দা করার সম্মানিত আদেশ মুবারক করা হয়েছে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যুগে স্বাধীনা, সম্ভ্রান্ত মহিলারা পর্দা করতেন। যারা দাসী, বান্দী ছিল তারা মুখ খুলে বের হতো। 

যারা সমস্ত শরীর ঢেকে অর্থাৎ পর্দা করে বের হবেন তাদেরকে কেউ উত্ত্যক্ত করবে না এবং তারা যে ভদ্র জ্ঞানী সেটাও চিনা সহজ হবে। কোনো জ্ঞানী বা ভদ্র মহিলা কখনো নিজের সৌন্দর্য পর পুরুষকে দেখায় না। আর যে দেখায় সে আসলে ভদ্র হতে পারে না।

সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে (পুরুষ) দেখে এবং যে (মেয়ে) দেখায়, উভয়ের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।”
 লা’নত মানে অভিশাপ। লা’নতগ্রস্থ মানুষ জ্ঞানী হতে পারে না।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “দাইউছ বেহেস্তে প্রবেশ করবে না।” 

দাইউছ হলো ঐ ব্যক্তি যে নিজে পর্দা করেনা এবং অধীনস্তদের পর্দা করায় না। তাহলে বুঝা গেলো পুরুষ মহিলা উভয়কেই পর্দা করতে হবে।

নতুবা লা’নতগ্রস্ত হয়ে জাহান্নামী হতে হবে। পুরুষরা পর মেয়েকে দেখা থেকে চোখকে হিফাযত করবে। দুনিয়াতে যত ফিৎনা ফাসাদ রয়েছে তার বেশির ভাগ হয় বেপর্দার কারণে। এজন্য প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলার জন্য ফরয হচ্ছে পর্দা করা। যারা পর্দা করতে পারতেছি আলহামদুলিল্লাহ। আর যারা পর্দা করতে পারছি না তারা ইস্তেগফার ও তওবা করে ফিরে আসতে হবে, পর্দা করার চেষ্টা করতে হবে। সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা ও সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানার্থে আমরা হাক্বীক্বী পর্দা করার তাওফীক চাই। আমীন!

কাঠের তৈরী সুন্নতি প্লেট, বাটি, পেয়ালা, নিমকদানী ও চামড়ার তৈরী দস্তরখানা ব্যবহার করা খাস সুন্নত।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আমার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। (সূরা আহযাব)
আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ করেন, হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলেদিন, যদি তারা আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত লাভ করতে চায় তাহলে তারা যেনো আপনার অনুসরণ করে, তাহলে আমি আল্লাহ পাক স্বয়ং তাদেরকে মুহব্বত করবো, তাদেরকে ক্ষমা করবো, তাদের প্রতি দয়ালু হবো; নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক ক্ষমাশীল ও দয়ালু। (সুরা আল ইমরান/৩১)

সুন্নতের ফযীলত সম্পর্কে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি আমার সুন্নতকে মুহব্বত করলো, সে মূলতঃ আমাকেই মুহব্বত করলো। আর যে আমাকে মুহব্বত করবে, সে আমার সাথে জান্নাতে থাকবে।” (তিরমিযী শরীফ)

২৫শে শাওওয়াল শরীফ

সুমহান ২৫শে শাওওয়াল শরীফ: হাবীবাতুল্লাহ মাশুকাহ, মাহবুবাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনাদের নিকটে।” 

অর্থাৎ মুহসিনীন বান্দা-বান্দীর নিকট। তাই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার কোনো খাছ মাহবুব ওলী উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক বা পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ উভয়ই বান্দা-বান্দীদের জন্য রহমতস্বরূপ। সুবহানাল্লাহ!

উল্লেখ্য, পবিত্র ২৫শে শাওওয়াল শরীফ ১৪৩২ হিজরী হাবীবাতুল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনাকে অসংখ্য অগণিত নিয়ামত দান করেছেন। অসংখ্য অগণিত নিয়ামতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ নিয়ামত হচ্ছেন আমাদের প্রাণের আক্বা, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!

যমীনে এমনি একজন মহান মুজাদ্দিদ তিনি রেখে গেছেন যে, উনার মুবারক উসীলায় সারা বিশ্বের মানুষ পবিত্র দ্বীন ইসলাম সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হচ্ছে। সুবহানাল্লাহ!

হাবীবাতুল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবাকর প্রকাশ দিবস যমীনবাসীর জন্য একটি নিয়ামতপূর্ণ, বরকতপূর্ণ, সাকীনাপূর্ণ দিন। কাজেই এই দিনটি অত্যন্ত মর্যাদার সাথে পালন করা সকলেরই দায়িত্ব-কর্তব্য। এই দিনটি উপলক্ষে পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার আয়োজন করা, উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস উনার উসীলায় দোয়া-মুনাজাত মাহফিলের ইন্তেজাম করা উচিত।

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন যেন হাবীবাতুল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ উনার মুবারক উসীলায় অসংখ্য অগণিত নিয়ামত, বরকত, সাকীনা, রহমত আমাদের সকলকে দান করেন। আমীন!

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক নির্দেশনা:

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক নির্দেশনা:

সকল প্রকার আযাব-গযব, বালা-মুছীবত থেকে বাঁচতে- বেশি বেশি পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করুন এবং সুন্নতী খাদ্য গ্রহণ করুন

করোনা ভাইরাস নিয়ে অনেকেই নানা ধরণের তথ্য প্রচার করছে। যা নিয়ে অনেকেই অহেতুক আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের কি করণীয়, সে সম্পর্কে বিশেষ নির্দেশনা মুবারক দান করেছেন রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীই মুসলমান। মহান আল্লাহপাক উনার খাছ রহমত মুবারক মূলত মুসলমানদের জন্যই। তাই মুসলমানদের উচিত- বেশি বেশি পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা এবং নিয়মিত সুন্নতী খাদ্যসমূহ গ্রহণ করা।

তিনি বলেন, পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠকারীর প্রতি এবং যে স্থানে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা হয়, সেখানে মহান আল্লাহপাক উনার খাছ রহমত মুবারক নাযিল হয়ে থাকে। আর যেখানে মহান আল্লাহপাক উনার রহমত মুবারক নাযিল হয় সেখানে কোন ধরণের আযাব-গযব আসতে পারে না। তাই সকল মুসলমানদের উচিত, বেশি বেশি পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা।

রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি নিয়মিত সুন্নতী খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ করারও নির্দেশনা মুবারক দিয়েছেন। কারণ সুন্নতী খাদ্যসমূহে আছে বেমেছাল রহমত ও বরকত, যা শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার থেকে জানা যায়, সিরকা, কালোজিরা, মধু, ত্বীন, যয়তুন ইত্যাদি সুন্নতী খাদ্যসমূহ বিভিন্ন ধরণের অসুখ-বিসুখ, রোগ-বালাইকে প্রতিরোধ করে, ধ্বংস করে দেয়।

তাই সকল মুসলমানদের উচিত- সুন্নতী খাদ্যসমূহ সংগ্রহ করতে ‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’-এ যোগাযোগ করা।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...