Thursday, June 25, 2020

উলামায়ে ‘সূ’ ধর্মব্যবসায়ীদের মাদ্রাসায় পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়া দিলে গুনাহ হবে।

উলামায়ে ‘সূ’ ধর্মব্যবসায়ীদের মাদ্রাসায় পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়া দিলে গুনাহ হবে।
__________________________________
বর্তমানে অধিকাংশ মাদ্রাসাগুলোই হচ্ছে জামাতী, ওহাবী, খারিজী; দেওবন্দী ক্বওমী মতাদর্শের তথা সন্ত্রাসী তৈরির কেন্দ্র। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দোহাই দিয়ে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নামে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক স্বার্থ ও প্রতিপত্তি হাছিলের প্রকল্প। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নামে নির্বাচন করার ও ভোটের রাজনীতি করার পাঠশালা- যা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে সম্পূর্ণ হারাম।
কাজেই, জামাতী, খারিজী, তাবলীগী, ওহাবী সন্ত্রাসী ও মৌলবাদী তথা ধর্মব্যবসায়ীদের মাদ্রাসাতে পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়া দিলে তা কস্মিনকালেও আদায় হবে না। 
 খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা নেককাজে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদকাজে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না। আর এ বিষয়ে খালিক্ব, মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তিদাতা।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ- ২)
আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র যাকাতের পশুর একটি রশির জন্যও জিহাদ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। কাজেই পবিত্র যাকাতের একটি রশির মতোই পবিত্র কুরবানীর পশুর একটি চামড়াও যাতে ভুল উদ্দেশ্যে ও ভুল পথে পরিচালিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
কাজেই পবিত্র কুরবানীর চামড়া দিয়ে যারা ছদকায়ে জারীয়ার ছওয়াব হাছিল করতে চান, তাদের জন্য একমাত্র ও প্রকৃত স্থান হলো ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ-সুন্নতী মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’ ৫নং আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা।

পশু খামারিদের প্রশ্ন: পবিত্র কুরবানীতে সরকারী সহযোগিতা কোথায়?

পশু খামারিদের প্রশ্ন:
পবিত্র কুরবানীতে সরকারী সহযোগিতা কোথায়?
________________________________________

পবিত্র কুরবানির ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে দেশের পশু খামারিদের দুশ্চিন্তা ততই বাড়ছে। কারণ লকডাউনের প্রকোপ এখনও কমেনি, বাংলাদেশে বরং আরও দিন দিন বাড়ছে। এ অবস্থায় খামারিরা পশু বাজারে নিতে পারবেন কিনা, বাজারে নিলেও ক্রেতা মিলবে কিনা, ক্রেতা মিললেও দাম সঠিক পাবেন কিনা এসব বিষয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই আতঙ্কে রয়েছেন দেশের পশু খামারিরা।
ক্ষুব্ধ ও আতঙ্কিত খামারিদের সঙ্গে কথা বললে তারা প্রশ্ন করেন, সরকার বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা করছে, প্রণোদনা দিচ্ছে, কিন্তু পবিত্র কুরবানীর পশুর লালন-পালনকারীদের সহযোগিতা নেই কেন?
লকডাউন নিয়ে তারা এখনো দুশ্চিন্তামুক্ত হতে পারেননি। মূলত কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে সারাবছর গরু লালন-পালনে তারা বড় অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করেন। তাই এখন পশু বিক্রি করতে না পারলে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন দেশের এসব খামারিরা।
বর্তমানে দেশে লাখ লাখ গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া এমনকি কিছু উট এবং দুম্বার খামারও গড়ে উঠেছে। গ্রামের সাধারণ কৃষক থেকে শুরু করে লাখ লাখ মানুষ গরু, ছাগল, ভেড়া পালন করেন। এখন অনেক শিক্ষিত যুবক ডেইরি ফার্ম এবং গরু মোটা তাজাকরণকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। যে কারণে সারাদেশের অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলে বড় বড় গরু/ছাগলের খামার গড়ে উঠেছে। সারাবছর কসাইেদের কাছে বিক্রির পাশাপাশি কিছু কিছু স্পেশাল গরু তারা তৈরি করা হয় কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে।
কথা হয় শেরপুর জেলার খামারি তৌহিদুর রহমান পাপ্পুর সঙ্গে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা যারা খামারি সারাবছর গরু মোটাতাজাকরণ করে কুরবানির ঈদের অপেক্ষায় থাকি। বড় এবং দেখতে সুন্দর গরুগুলো কুরবানিতে ৩/৪ লাখ টাকা বিক্রির আশায় ভালো ভালো খাবার দিয়ে পালন করে যদি সেগুলো বিক্রি না হয় তাহলে আমাদের প্রচুর লস হয়।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি মূলত ডেইরি খামারি। আমার খামারে যে ষাঁড় বাচ্চাগুলো জন্ম নেয় এবং যেগুলো দেখতে সুন্দর সেগুলো আমি কুরবানির জন্য লালন-পালন করি। বাকিগুলো বিক্রি করে দেই। এবার তিনি ২৫টি গরু মোটাতাজাকরণ করেছেন বলে জানান।
এই খামারি বলেন, এত টাকা বিনিয়োগ করে যদি কুরবানির ঈদে গরুর দাম ভালো না পাই তাহলে আমাদের খামারিদের দুঃখের সীমা থাকবে না। গরু পালন করতে গিয়ে অনেকে লোন হয়েছে। ধার-দেনা করে কুরবানির আাশায় গরু পালন করেছি। লকডাউনের বর্তমান অবস্থায় এখন আতঙ্কের মধ্যে আছি।
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার খামারি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, এবার সারা বছর ৫৮টি গরু লালন-পালন করেছি কুরবানির আশায়। এখন লকডাউন নিয়ে খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি।
এক প্রশ্নের জবাবে মামুন বলেন, সারাবছর আমরা পরিশ্রম করে গরু পালন করি, কিন্তু আমরা বেশি লাভ করতে পারি না। কয়েক বছর ধরে ঢাকার বড় বড় ব্যবসায়ীরা আমাদের কাছ খেকে গরু কিনে অনলাইনে ছবি দিয়ে বিক্রি করে ফায়দা লোটে। তার মধ্যে এবার গো-খাদ্যের দাম অত্যধিক বেড়ে গেছে। এ কারণে গরু পালনে খরচও বেড়েছে। লকডাউন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে অনেকেই গরুর হাটে আসবে না। তখন বাজার ফ্লপ করবে। এ অবস্থা যদি অব্যাহত থাকে তাহলে আমার ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা লস হবে।
দুঃখ করে তিনি বলেন, এইবার যদি লস হয় আর গরুর ব্যবসাই করব না।
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার গরু খামারি বেলায়েত হোসেন বলেন, লকডাউনের কারণে দুধে এক দফা মার খেয়েছি। এখন পর্যন্ত দুধে লাভ নেই। কারণ দুধের দামের চেয়ে ভুসির দাম বেশি। এ অবস্থায় কোনো খামারি ভালো নেই। মিল্ক ভিটাও পুরো দুধ নিচ্ছে না। তারা অর্ধেক দুধ নিচ্ছে। বাকি অর্ধেক দুধ আমাদের ফেরি করে বিক্রি করতে হয়।
তিনি বলেন, দুধ দিয়ে কখনও ফার্মের লাভ আশা করা যায় না। আমরা তাকিয়ে থাকি কুরবানির দিকে। কুরবানিকে কেন্দ্র করেই আমরা ২৫/৩০টি ষাঁড় লালন-পালন করে থাকি। সেই কুরবানিতে যদি গরুর ন্যায্য দাম না পাই তাহলে খামারিদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যাবে।

মুসলমানদের সমৃদ্ধির একমাত্র উপায় “সম্মানিত যাকাত ব্যবস্থা” _____________

মুসলমানদের সমৃদ্ধির একমাত্র উপায় “সম্মানিত যাকাত ব্যবস্থা”
___________________________________________

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্বর্ণযুগের মুসলমানদের দুনিয়া কাঁপানো প্রভাব-প্রতিপত্তির মূল কারণ ছিল সম্মানিত যাকাত ব্যবস্থার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন। যার বদৌলতে মুসলমানরা সমৃদ্ধির চূড়ান্ত সোপানে উপনিত হয়েছিলেন। দুই একটি ঘটনা উল্লেখ করলেই সম্মানিত মুসলমান উনাদের সমৃদ্ধির মাত্রা কিঞ্চিত উপলদ্ধি করা যাবে। হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত মুবারক গ্রহনের অব্যবহতি পরেই বেশ কিছু ফেৎনা প্রকাশ পেল। এর মধ্যে একটি হলো কিছু লোক সম্মানিত যাকাত দিতে অস্বীকার করলো। হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি দীপ্তকন্ঠে ঘোষণা করলেন- যারা উটের একটি রশিও যাকাত দিতে অস্বীকার করবে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবো। উটের রশির কথা বলে তিনি সম্মানিত যাকাত উনার গুরুত্ব বুঝিয়েছেন। তখন অনেকেই বললেন- এখন আমাদের সামনে পাহাড়সম সমস্যা, এখন যদি যাকাত অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করা হয়, তাহলে কি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম দুনিয়ার যমীনে টিকে থাকবে? কিন্তু হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি উনার সিদ্ধান্তে অবিচল ছিলেন। পরবর্তীতে অনেক হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বলেছেন, হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি যদি সম্মানিত যাকাত উনার ব্যাপারে এমন কঠোর সিদ্ধান্ত না নিতেন তাহলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম দুনিয়ার যমীনে টিকে থাকতেন না। হযরত ফারুক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনিও হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার অনুসরণে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাকাত ব্যবস্থা কায়েম করলেন। হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত উনার মাঝামাঝি সময়ে মুসলমানদের আর্থিক অবস্থা এমন উন্নত হলো যে, হযরত আবূ হুরায়রা রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু- যিনি একসময় অনেক সহ্য করেছেন। তিনি নিজেই বলেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কাত্তানের কাপড় দ্বারা উনাদের নাক মুবারক পরিষ্কার করেছেন। তাহলে বাকী বিষয়গুলো কত উন্নত ছিল তা বলাই বাহুল্য। কাত্তান কাপড়ের নমুনা এখনো তুরস্কের টপকাপি মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে। উল্লেখ্য, কাত্তানের কাপড় হলো আমীর-ওমরা ও রাজা-বাদশাহদের পোশাক। কাত্তান কাপড়ের কিছু কিছু সুতা সোনার তৈরি। তাহলে বুঝুন কত দামী পোশাক! এখন চিন্তা ও ফিকিরের বিষয় মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে মুসলমানরা সমৃদ্ধির চূড়ান্ত সোপানে উপনিত হলেন। সম্মানিত যাকাত ব্যবস্থা সফলতার চূড়ান্ত রুপ পরিগ্রহ করলো। এখন আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের ৯৮% অধিবাসী মুসলমান। আর মুসলমান মাত্রই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার হুকুম-আহকামের প্রতি স্বভাবসুলভ মুহব্বত রয়েছে। আর বাংলাদেশের মুসলমানরা বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী ইসলামপ্রিয়। এখানে খুব সহজেই যাকাত ব্যবস্থা কায়েম করা যেত। কিন্তু কাফির-মুশরিকদের দ্বারা বিভ্রান্ত ও প্রতারিত গণতান্ত্রিক সরকারগুলো সম্মানিত যাকাত ব্যবস্থা কায়েমের কোশেশ না করে কাফির-মুশরিকদের দ্বারা প্রবর্তিত হাজার রকম করের বোঝা মুসলমান উনাদের উপর চাপিয়ে দিয়েছে। ফলে মানুষের তৈরী আইনে ফাঁক-ফোঁকর থাকায় মুসলমানরাও কর প্রদানে স্বতঃফূর্ত ও নিবেদিত নয়। করের পরিবর্তে সরকার যদি ৯৮% মুসলমান উনাদের সম্মানিত যাকাত প্রদানের ব্যাপারে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করতো তাহলে ইসলামপ্রিয় মুসলমানরাও তাতে স্বতঃফূর্তভাবে সাড়া দিত। সম্মানিত যাকাত খোদায়ী বিধান হওয়াতে এর সুফলও সবাই উপভোগ করতে পারতো। অর্থাৎ বাংলাদেশ বিশ্বের এক নম্বর সম্মৃদ্ধিশীল দেশ হতো। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, সরকারের পাশাপাশি নামধারী আলেম-উলামারাও মুসলমানদেরকে সম্মানিত যাকাত উনার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে। শুধুমাত্র একজন মাত্র ব্যক্তিত্ব উনাকে সম্মানিত যাকাত ব্যবস্থা কায়েমের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ দেখা যায়। তিনি হচ্ছেন ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম। তিনি আবার মুসলমানদের সমৃদ্ধির চূড়ান্ত সোপানে ওঠানোর জন্য গঠন করেছেন ‘বায়তুল মাল’। এই বায়তুল মালের টাকা দিয়েই সারা পৃথিবীব্যাপী কোটি কোটি মসজিদ, মাদরাসা, গবেষণাকেন্দ্র এবং অন্যান্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে। সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, ‘যে ব্যক্তি দুনিয়াতে একটি মসজিদ তৈরি করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে সম্মানিত জান্নাতে একটি বালাখানা হাদিয়া করবেন’। একজন মুসলমানের পক্ষে কোটি কোটি মসজিদ, মাদরাসা, গবেষণাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু যামানার সম্মানিত ইমাম ও মুজতাহিদ উনার পক্ষেই সম্ভব এমন ইতিহাসসৃষ্টিকারী ঘোষণা দেয়া এবং তা বাস্তবায়নের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা।
তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার প্রতিষ্ঠিত “বায়তুল মালে” সম্মানিত যাকাত উনার টাকা প্রদান করে বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মসজিদ, মাদরাসা, গবেষণাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার কাজে শরীক থাকা।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদাররা! তোমরা ছদিক্বীন বা সত্যবাদী অর্থাৎ আল্লাহওয়ালা উনাদের ছোহবত ইখতিয়ার করো।

প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই বাইয়াত গ্রহণ করা, তরীক্বার সবক নেয়া, তরীক্বার সবক্ব আদায় করা, ছোহবত ইখতিয়ার করা এবং এর মাধ্যমে ফয়েয তাওয়াজ্জু হাছিল করা ফরযে আইন। এর মাধ্যমে ইছলাহ বা আত্মশুদ্ধি লাভ হয়। ফলে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে নিসবত স্থাপিত হয়। সুবহানাল্লাহ!

তাই প্রত্যেকের জন্যই ফরয- একজন হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে তরীক্বার সবক নেয়া, নিয়মিত সবক আদায় করে ছোহবত ইখতিয়ার করে এবং এর মাধ্যমে ফয়েয তাওয়াজ্জু হাছিল করে ইছলাহ ও নিসবত হাছিল করা।

ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইলম অর্জন করা ফরয। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক আমাদের ইলম বৃদ্ধি করে দিন।” আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ইলম অর্জন করা ফরয।” সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মানুষের ভুলত্রুটি থাকতে পারে। সেটা আলাদা মাসয়ালা। কিন্তু শর্ত হচ্ছে ঈমানের সাথে যেতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি করা যাবে না। ঈমানের সাথে যেতে হলে ইলম অর্জনের সাথে সাথে একজন হক্কানী-রব্বানী মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হয়ে তরীক্বা অনুযায়ী যিকির-আযকার করতে হবে। তরীক্বার প্রাথমিক যিকির, পাছ-আনফাছ এবং ইশা ও ফজর বাদ ১০০ বার করে পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করতে হবে।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র ইশা উনার নামাযের পর ১০০ বার পবিত্র দরূদ শরীফ উনার দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত পয়দা হবে এবং ফজর উনার নামাযের পর ১০০ বার পবিত্র দরূদ শরীফ উনার দ্বারা আল্লাহওয়ালা উনাদের মুহব্বত পয়দা হবে। আর পবিত্র পাছ-আনফাছ যিকির উনার দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত পয়দা হবে। সুবহানাল্লাহ! 

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করে আমরা সরল পথ চাই, নিয়ামতপ্রাপ্ত উনাদের পথ চাই। নিয়ামতপ্রাপ্ত হচ্ছেন, হযরত নবী, ছিদ্দীক, শহীদ, ছলেহীন উনারা। উনাদের পথ আমরা চেয়ে থাকি। হযরত নবী আলাইহিমুস্ সালাম উনারা হচ্ছেন এক তবক্বা, আর ছিদ্দীক, শহীদ ছলেহ উনারা হচ্ছেন হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের তবক্বা। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আমরা প্রতিদিন ১৭ রাকায়াত ফরয নামায, বিতর তিন রাকায়াত, আর সুন্নতে মুয়াক্কাদা বারো রাকায়াত নামায আদায় করি। তাহলে কমপক্ষে প্রতিদিন ৩২ রাকায়াত নামাযে ৩২ বার মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে বলি, আয় আল্লাহ পাক! আপনি আমাদের সরলপথ প্রদর্শন করুন।” অর্থাৎ হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম ও হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের পথ আমাদেরকে দান করুন। আমরা সকলেই মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে এ দোয়া করি। শুধু মুখে মুখে দোয়া করলেই চলবে না। সাথে সাথে কাজও করতে হবে। অর্থাৎ সর্বদা পাছ আনফাছ যিকির করতে হবে এবং প্রতিদিন পবিত্র ইশা ও ফজর নামাযের পর পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করতে হবে। 

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র পাছ-আনফাছ যিকির করতে সময় লাগে না। এটা চলাফেরা, ওঠা-বসা সব সময় করা যায়। শোয়ার সময় করলেও আস্তে আস্তে জারি হয়ে যায়। কাজের ফাঁকে ফাঁকে করা যেতে পারে। পড়াশুনার সাথে সাথে সব সময় করা যেতে পারে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, পবিত্র আরশে মুয়াল্লা উনার সামনে একটা নূরের স্তম্ভ বা খুঁটি আছে, যখন কেউ ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ উনার যিকির করতে থাকে তখন খুঁটিটি কাঁপতে থাকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি খুঁটিকে জিজ্ঞাসা করেন, হে খুঁটি! তুমি কাঁপো কেন? খুঁটি উত্তর দেয়, হে মহান আল্লাহ পাক! আপনার অমুক বান্দা পবিত্র কালিমা শরীফ উনার যিকির করছে সেজন্য আমি কাঁপছি। মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, হে খুঁটি! তোমার কাঁপা বন্ধ করো। খুঁটি বলে, হে মহান আল্লাহ পাক! আমি কাঁপা বন্ধ করবো তাকে ক্ষমা করলে। মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, যাও তাকে ক্ষমা করে দিলাম।” সুবহানাল্লাহ! 

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র ইশা উনার নামায বাদ পবিত্র দরূদ শরীফ পবিত্র ইশা উনার নামাযের পর হতে রাতে শোয়ার পূর্ব পর্যন্ত পড়া যেতে পারে। আর পবিত্র ফজর নামায বাদ পবিত্র দরূদ শরীফ পবিত্র জোহর নামায আদায়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পড়ে নিলে কোন অসুবিধা নেই। আর পাছ-আনফাছ অভ্যাস হয়ে গেলে পরবর্তী সবক্ব নিতে হবে।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূল কথা হলো- প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই বাইয়াত গ্রহণ করা, তরীক্বার সবক নেয়া, তরীক্বার সবক্ব আদায় করা, ছোহবত ইখতিয়ার করা এবং এর মাধ্যমে ফয়েয তাওয়াজ্জু হাছিল করা ফরযে আইন। এর দ্বারা ইছলাহ বা আত্মশুদ্ধি লাভ হয়। ফলে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে নিসবত স্থাপিত হয়। সুবহানাল্লাহ! তাই প্রত্যেকের জন্যই ফরয- একজন হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে তরীক্বার সবক নেয়া, নিয়মিত সবক আদায় করে ছোহবত ইখতিয়ার করে এবং এর মাধ্যমে ফয়েয তাওয়াজ্জু হাছিল করে ইছলাহ ও নিসবত হাছিল করা।
-০-


বেপর্দা, বেহায়া ও পাপিষ্ঠ মহিলাদের জাহান্নামে ভয়াবহ শাস্তির বর্ণনা

সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মেয়েরা হচ্ছে শয়তানের ফাঁদ।” (শিহাব)
হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, একদা আমি এবং খাতুনে জান্নাত হযরত আন নূরুর রবি’য়াহ যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দরবার শরীফে গেলাম। আমরা দেখলাম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কাঁদছেন। আমরা সবিনয়ে আরয করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি এভাবে কেন কাঁদছেন? তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, আমি সম্মানিত মি’রাজ শরীফ উনার রাত্রিতে মহিলাদেরকে কঠিন আযাবে গ্রেফতার দেখেছিলাম। আজ হঠাৎ সেই ভয়াবহ আযাবের দৃশ্য মনে পড়ায় আমার সম্মানিত চোখ মুবারক থেকে নূরুল মুহব্বত (অশ্রু) মুবারক ঝরছে। হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি সবিনয়ে আরজ করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সম্মানিত মি’রাজ শরীফ উনার রজনীতে আপনি কি কি ভয়াবহ দৃশ্য দেখেছেন? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, 
(১) আমি জনৈকা মহিলাকে তার চুলে বেঁধে লটকিয়ে রাখতে দেখেছি। এসময় তার মাথা থেকে মগজ বের হচ্ছিলো। নাউযুবিল্লাহ!
(২) অপর এক মহিলাকে দেখলাম, তার বক্ষের বিশেষ স্থান বেঁধে তাকে লটকিয়ে রাখা হয়েছে এবং তার হস্তদ্বয়কেও পিছনের দিকে নিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। আর এ সময় বিষাক্ত ‘যাক্কম’ (এক প্রকার কাঁটাযুক্ত ফলদার ফলের রস নিংড়িয়ে তা ফোঁটা ফোঁটা করে তার গলায় দেয়া হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
(৩) অপর এক মহিলাকে দেখলাম, তার জিহবা বেঁধে তাকে লটকিয়ে রাখা হয়েছে এবং তার হাত দুটি পিছনের দিকে বেরিয়ে রয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
(৪) আরেকজন মহিলাকে দেখলাম, তার হাত, পা, ও কপাল বরাবর বেঁধে তাকে লটকিয়ে রাখা হয়েছে এবং তার প্রতি বিষাক্ত সাপ বিচ্ছুকে লেলিয়ে দেয়া হয়েছে। সেগুলো তাকে দংশন করছে। নাউযুবিল্লাহ!
(৫) অপর এক মহিলাকে দেখলাম, সে নিজেই নিজের দেহ ছিঁড়ে ফেঁড়ে ভক্ষণ করছে এবং তার নিচে আগুন প্রজ্জ্বলিত রয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
(৬) অপর এক মহিলাকে দেখলাম, তার দেহকে আগুনের কাঁচি দ্বারা কেটে টুকরো টুকরো করা হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
(৭) কালো চেহারাধারী আরেক মহিলাকে দেখলাম, সে তখন স্বীয় নাড়ি-ভূড়ি খাচ্ছিল। নাউযুবিল্লাহ!
(৮) আমি একজন বোবা অন্ধ ও বধির মহিলাকে দেখলাম, তাকে আগুনের সিন্দুকের মাঝে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তার মাথা থেকে মগজ গলে গলে বের হচ্ছিল। আর তার দূর্গন্ধ শ্বেত এবং কুষ্ঠ রোগীর চেয়েও উৎকট ছিল। নাউযুবিল্লাহ!
(৯) অপর মহিলাকে দেখলাম, শূকরের ন্যায় মাথা বিশিষ্ট এবং গাধার ন্যায় দেহ বিশিষ্ট, তাকে হাজারো রকমের আযাব গযব প্রদান করা হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
(১০) কুকুরের মত দেহ বিশিষ্ট জনৈকা মহিলাকে দেখলাম, তার মুখ দিয়ে বিষাক্ত সাপ-বিচ্ছু প্রবেশ করে তা তার লজ্জাস্থান কিংবা পিছনের রাস্তা দিয়ে বের হচ্ছে। আর আযাবের ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা তখন আগুনের গুর্জ দ্বারা তাকে বেদমভাবে প্রহার করছে। নাউযুবিল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত জবান মুবারকে মহিলাদের ভয়াবহ আযাবের ঘটনা শুনে হযরত আন নূরুর রবি’য়াহ যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন এবং সবিনয়ে আরয করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এই মহিলাদেরকে কোন বদ আমলের কারণে কঠিন শাস্তি দেয়া হচ্ছিল? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
“প্রথম যে মহিলাকে আযাব দেয়া হচ্ছিল তার কারণ হচ্ছে, সেই মহিলা পরপুরুষদের সামনে নিজের মাথার চুলকে খুলে রাখতো। ফলে তা পরপুরুষদের দৃষ্টিগোচর হতো।
দ্বিতীয় মহিলা হচ্ছে: স্বামীর অনুমতি ছাড়া অন্যের শিশু বাচ্চাকে নিজের বুকের দুধ পান করাতো।
তৃতীয় মহিলা হচ্ছে: সেই মহিলা যে স্বীয় জিহবা বা বাকযন্ত্রের সাহায্যে নিজের স্বামীকে কষ্টদায়ক কথা বার্তা বলতো।
চতুর্থ মহিলা হচ্ছে: স্বামীর বিনা অনুমতিতে ঘরের বাইরে চলে যেত এবং স্বাভাবিক মাজুর ও সন্তান হওয়ার কারণে মাজুর অবস্থায় গোসল করতো না।
পঞ্চম মহিলা হচ্ছে: পরপুরুষকে দেখাবার জন্যে নিজেকে সুসজ্জিত করতো এবং মানুষের কাছে পরনিন্দা করে বেড়াতো।
ষষ্ঠ মহিলা হচ্ছে: পরপুরুষকে নিজের সৌন্দর্য ও অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দেখিয়ে বেড়াতো।
সপ্তম মহিলা হচ্ছে: শক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও রীতিমত ওযূ ও গোসল করতো না এবং নামাযও পড়তো না। 
অষ্টম মহিলা হচ্ছে: মিথ্যা কথা বলতো এবং অন্যের দোষ বলে বেড়াতো।
নবম মহিলা হচ্ছে: স্বীয় স্বামীর প্রতি হিংসা বিদ্বেষ পোষণ করতো।
দশম যে মহিলার শাস্তি হচ্ছিল তা হচ্ছে: বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও পরপুরুষের সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হতো।
মহান আল্লাহ পাক ও উনার প্রিয়তম হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যেন আমাদেরকে হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করে খালিছ আল্লাহওয়ালী হওয়ার তাওফীক দান করেন। আমীন!

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইশরাদ মুবারক করেন, তোমরা পরস্পর পরস্পরকে নেকী ও পরহেযগারীর মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করো, পাপ ও নাফরমানীর মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করো না। তাই ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মুসলমানদের ওয়াজিব ইবাদত পবিত্র কুরবানী করার সুবিধার্থে সারাদেশে কমপক্ষে ১০ দিন পূর্ব থেকেই পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট বসানোর ঘোষণা দেয়া। আর রাজধানীর দুই সিটিতে কমপক্ষে ২০০টি হাটসহ সারাদেশের প্রত্যেক গ্রামে ও মহল্লায় পশুর হাটের ব্যবস্থা করা।

পাশাপাশি পবিত্র কুরবানী বিরোধী সমস্ত সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নেয়ার ও ভবিষ্যতে পবিত্র কুরবানী বিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়ার ঘোষণা দেয়া। স্মরণীয় যে, ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম উনার দেশের মুসলমানরা পবিত্র কুরবানী বিরোধী কোনো প্রকার ষড়যন্ত্র কখনোই বরদাশত করেনি ও করবেও না।

ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম


যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরবানী একটি ওয়াজিব ইবাদত। আর পবিত্র কুরবানীর পশু মহান আল্লাহ পাক উনার শিয়া’র বা নিদর্শন মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মুসলমানদের ওয়াজিব ইবাদত পবিত্র কুরবানী করার সুবিধার্থে সারাদেশে কমপক্ষে ১০ দিন পূর্ব থেকেই পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট বসানোর ঘোষণা দেয়া। আর রাজধানীর দুই সিটিতে কমপক্ষে ২০০টি হাটসহ সারাদেশের প্রত্যেক গ্রামে ও মহল্লায় পশুর হাটের ব্যবস্থা করা। অর্থাৎ পর্যাপ্ত হাটের ব্যবস্থা করা।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরবানী বিরোধী সমস্ত সিদ্ধান্ত- যেমন নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই করা, ১৮ বছরের নিচে জবাই করতে না পারা ইত্যাদি হঠকারী সিদ্ধান্তগুলো অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নেয়ার ঘোষণা দিতে হবে। কেননা ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম উনার দেশের মুসলমানরা পবিত্র কুরবানী বিরোধী কোনো প্রকার ষড়যন্ত্র কখনোই বরদাশত করেনি এবং করবেও না।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন- দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সরকারের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে একটি মহল রয়েছে যারা হিন্দুভাবাপন্ন ও হিন্দু তোষণকারী। তাদের প্রশ্রয় আস্কারা ও উস্কানীতে হিন্দুরা মাত্র ১.৫% হয়েও এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের উপর আধিপত্য বিরাজ করতে চাইছে। সরকারি চাকরিতে ও সংস্কৃতিতে তাদের আগ্রাসন চালাচ্ছে। এরাই মূলত পবিত্র কুরবানী উনার বিরুদ্ধে একেক সময় একেক ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে। এতে করে যেকোনো সময় মুসলমান জনসাধারণের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরবানী হলো ‘শিয়ারে ইসলাম’। এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানরা উনাদের জীবনের চাইতে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে বেশি ভালোবাসেন, প্রাধান্য দেন। কাজেই পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর আঘাত, পবিত্র কুরবানী বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমান শহীদ হয়েও রুখে দিবেই দিবে। ইনশাআল্লাহ! 

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন- অতএব, সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মুসলমানদের ওয়াজিব ইবাদত পবিত্র কুরবানী করার সুবিধার্থে সারাদেশে কমপক্ষে ১০ দিন পূর্ব থেকেই¬ পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট বসানোর ঘোষণা দেয়া। আর রাজধানীর দুই সিটিতে কমপক্ষে ২০০টি হাটসহ সারাদেশের প্রত্যেক গ্রামে ও মহল্লায় পশুর হাটের ব্যবস্থা করা এবং সম্মানিত কুরবানী বিরোধী সর্বপ্রকার পরিকল্পনা বাতিল করা। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবরক করেন, “তোমরা পরস্পর পরস্পরকে নেকী ও পরহেযগারীর মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করো। পাপ ও নাফরমানীর মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করো না।”  
-০-

সরকারি আমলারা চুরি করবে আর জনগণ তার মূল্য দিবে, এরই নাম গণতন্ত্র ॥

রাষ্ট্রীয় খাতের বন্ধ হওয়া বিদ্যুৎ কারখানা মেরামত, নবায়ন ও সম্প্রসারণ না করে তেলভিত্তিক কুইক রেন্টালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে ব্যয় বেড়েছে। এই ব্যয়ের বোঝা সরকার টানতে না পেরে জনগণের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে। বর্তমান সরকার এর আগেও ৬ বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছিল। 
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও পাওয়ার সেলের সাবেক মহাপরিচালক প্রকৌশলী বিডি রহমত উল্লাহ এ ব্যাপারে বলেছেন, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে সব উৎপাদনশীল খাতে ৪৫ শতাংশ উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে। সহজ বিষয়গুলো কঠিন করে দেখিয়ে সরকার বিদ্যুতে দাম বাড়িয়েছে। এ দাম বাড়ানো চুরি করার নতুন ফন্দি ছাড়া আর কিছু নয়। আর এ চুরিকে ঢাকতেই সরকার ইনডেমনিটি বিল (দায়মুক্তি বিল) পাস করেছে, যাতে করে কেউ আর এ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে না পারে। 
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ রহমত উল্লাহ বলেন, রেন্টাল বিদ্যুতের ক্ষেত্রে দাম নির্ধারণেও সরকার ছলচাতুরির আশ্রয় নিয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে বেশ কয়েকটি কোম্পানি বিদেশ থেকে পুরাতন যন্ত্রপাতি এনে নতুন বলে চালিয়ে দিয়েছে। আর দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে দেখানো হয়েছে নতুন যন্ত্রপাতি। কোনো কাজ ছাড়াই সংগঠনটির কর্মকর্তাদের কোটি কোটি টাকা খরচ করে বেতন ও গাড়ি-বাড়ি দেয়া হচ্ছে।
এটি হচ্ছে কথিত গণতন্ত্র। জনগণ বারবার ভোট দিয়ে সরকার নির্বাচিত করবে আর ক্ষমতা পেয়ে সরকার জনগণের মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে খাবে। 

নেক সঙ্গ মানুষকে আল্লাহওয়ালা করে দেয়

নেক সঙ্গ মানুষকে আল্লাহওয়ালা করে দেয়

মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আর সত্যবাদী বা আল্লাহওয়ালা উনাদের ছোহ্বত  ইখতিয়ার কর।” (পবিত্র সূরা তাওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১১৯)
কারণ ছোহ্বত বা সঙ্গ বিষয়ে বলা হয়-
الصحبة متوثرة
অর্থ: “সঙ্গ ক্রিয়া করে।”
আর তাই কোনো কবি বলেন-
صحبت صالح ترا صالح کند
صحبت طالح ترا طالح کند
অর্থ: “সৎসঙ্গ তোমাকে আল্লাহওয়ালা করে দিবে, আর অসৎ সঙ্গ করে দিবে তোমাকে অসৎ।”
এ প্রসঙ্গে কবি হযরত শায়েখ সা’দী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার গোলেস্তাঁ কিতাবে লিখেন-
“আমার এক বন্ধু হাম্মামখানায় আমাকে একটি সুঘ্রাণযুক্ত মাটির টুকরা দিলো, আমি সেই মাটির টুকরোকে জিজ্ঞাসা করলাম- তুমি কি মেশকে আম্বর, না আবেরী? কেননা তোমার সুঘ্রাণে আমি মাতওয়ারা হয়ে গিয়েছি। মাটি জবাব দেয়- আমি যে মাটি সেই মাটিই ছিলাম। কিন্তু আমি কিছু দিন গোলাপ ফুল গাছের সঙ্গে বা ছোহ্বতে ছিলাম, যখন গোলাপ ফুলের পাপড়ীগুলো আমার মধ্যে ঝরে পড়তো, আর তাই আমি মাটি উক্ত ফুলের ছোহ্বতে থাকার কারণে ফুলের ন্যায় সুঘ্রাণযুক্ত হয়ে যাই। নতুবা আমি মাটিই ছিলাম।” (সুবহানাল্লাহ্)
কাজেই একটি মাটির টুকরো যদি গোলাপ ফুলের ছোহ্বতে থেকে ফুলের ন্যায় সুঘ্রাণ হয়ে যেতে পারে, তবে আল্লাহওয়ালা উনাদের মুবারক ছোহ্বতে থাকলে কেন আল্লাহওয়ালা হওয়া যাবে না? অবশ্যই আল্লাহওয়ালা হওয়া যাবে।     
আর আল্লাহওয়ালা উনাদের মুবারক ছোহ্বত লাভের ফযীলত সম্পর্কে হযরত জালালুদ্দীন রুমী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইরশাদ মুবারক  করেন
یک ز مانہ صحبت با اولیاء بہتر از صد سال طاعت بے ریا 
অর্থ: “কিছু সময় আল্লাহওয়ালা উনাদের মুবারক ছোহ্বতে থাকা, একশত বৎসরের রিয়াহীন পবিত্র নফল ইবাদতের চেয়েও উত্তম।”
আর আল্লাহওয়ালা হওয়া যাবে বলেই মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন
ياايها الذين امنوا اتقو الله وكونوا مع الصادقين.
অর্থ হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আর সত্যবাদী বা আল্লাহওয়ালা উনাদের মুবারক ছোহ্বত লাভ করো। (পবিত্র সূরা তাওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১১৯)
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্য ছদিক্বীনগণের মুবারক ছোহ্বত অর্জন করতে বলার কারণ হলো- ছদিক্বীনগণ উনারা হলেন সর্বোচ্চ স্তরের আল্লাহওয়ালা। অর্থাৎ যিনি ছাদিক্ব, তিনি সর্বগুণে গুণান্বিত, তিনিই হাক্বীক্বী আলিম, ফক্বীহ্ ও আল্লাহওয়ালা উনাদের অন্তর্ভূক্ত। সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি যেনো আমাদের সকলকে আল্লাহওয়ালা উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ারের মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক অর্জন করার তাওফীক্ব দান করেন। আমীন।

নখ ও চুল কাটার শরয়ী পদ্ধতি জানুন……………….

হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “শনি, ও বুধবার নখ ও চুল কাটা যাবে না। নিশ্চয়ই তা শ্বেত কুষ্ঠ হওয়ার কারণ।” আর নখ কাটা বা চুল কাটা অথবা ছোট করা সুন্নত। তবে নখ কাটা কয়েকটি দিনে নিষেধ করা হয়েছে। আর সেই দিনগুলো হল: শনিবার ও বুধবার। যেটা উক্ত হাদীছ শরীফ দ্বারাই প্রমাণিত। আর নখ কাটার সুন্নতী নিয়ম হল: ডান হাতের শাহাদাত আঙ্গুল থেকে কনিষ্ঠ আঙ্গুল পর্যন্ত। তারপর বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুল থেকে শুরু করে বৃদ্ধা আঙ্গুল পর্যন্ত। সবশেষে ডান হাতের বৃদ্ধা আঙ্গুলের নখ কাটতে হবে। আর পায়ের নখ কাটার নিয়ম হল ডান পায়ের কনিষ্ঠ আঙ্গুল থেকে শুরু করে বাম পায়ের কনিষ্ঠ আঙ্গুল পর্যন্ত। আর মেয়েদের চুল কাটার নিময় হল, যদি কারো চুলের আগা নষ্ট হয় বা ফেটে যায় তাহলে তা কাটা যাবে, তবে কোনো মতেই মেয়েদের চুল কেটে কাঁধের ওপরে উঠানো যাবে না। এটাই হচ্ছে নখ ও চুল কাটার সুন্নতী নিয়ম বা পদ্ধতি!!!!

সাবধান হে মুসলিম! সরকারী আমলাদের মাধ্যমে পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে বহুমুখী চক্রান্ত করা হচ্ছে


____________________________________

এ দেশের মুসলমানগণ গৌড় গোবিন্দের ইতিহাসের আর কখনো পুনরাবৃত্তি হবে এমনটি ধারণাও করেননি। কিন্তু আজ আবারো সেই গৌর গোবিন্দের ভাবশিষ্যদের আস্ফালন দেখা যাচ্ছে। কুরবানী বিরোধীদের কূটকৌশল ও অপপ্রচারের কারনে সরকারী আমলারাও নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে ও পশুর হাটের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
সরকারী আমলাদের কুরবানীবিরোধী পদক্ষেপ:
-নির্দিষ্টস্থান ব্যতীত কুরবানী নিষিদ্ধ করেছে।
-কুরবানী পশুর হাটের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে।
-যানজটের মিথ্যা অজুহাতে কুরবানীর হাট ছোট করে দিয়েছে।
-কুরবানীর গরু-ছাগল বেচাকেনা নির্দিষ্ট কয়েক দিনে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে।
-কুরবানীর হাটে গরু-ছাগলের কথিত বিষাক্ত গরু-ছাগলের রক্ত পরীক্ষার নামে হয়রানির চেষ্টা করছে।
সরকারের এ সকল অযৌক্তিক ও ভুল সিদ্ধান্তে দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানগণ যে কত বেশি পেরেশান, হয়রানি ও ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হবেন, তা বলার অপেক্ষাই রাখে না।
প্রতিবছর ২ কোটিরও বেশি কুরবানী হয়ে থাকে দেশে। এত বিপুল সংখ্যক গরু-ছাগল মাত্র নির্দিষ্ট কয়েকটি হাটের মাধ্যমে বেচাকেনা করতে গেলে কত বিশৃঙ্খলা হবে সেটা কি সরকার ভেবে দেখেছে?
তাছাড়া নির্দিষ্টস্থানে কুরবানী করতে গেলেও যে কি হয়রানি হতে হবে কুরবানীদাতাদের- তার বাস্তবতা উপলব্ধি করার জন্য একটু সুস্থ মাথায় সরকারী আমলাদের সুস্থ হয়ে চিন্তা করা উচিত।
সরকারের দায়িত্ব:
সরকারের উচিত নির্বিঘ্নে সুশৃঙ্খলভাবে কুরবানীর সমস্ত কাজ যেন করা সহজ ও সম্ভব হয় তার সকল ব্যবস্থা করা। পবিত্র কুরবানীর সুবিধার জন্য সরকারের নিকট দাবি-
* কমপক্ষে ১ মাস আগ থেকেই কুরবানীর হাট বসানোর সু-ব্যবস্থা করতে হবে।
* প্রতিটি মহল্লায় কমপক্ষে একটি করে কুরবানীর হাট বসার ব্যবস্থা করতে হবে।
* প্রত্যেকে যেনো যার যার সুবিধাজনক স্থানে জবাই করতে পারে তার সু-ব্যবস্থা করা। নির্দিষ্টস্থানে কুরবানী করার বাধ্যবাধকতা তুলে নেয়া।
* দেশে যাতে আরো গরু-ছাগলের খামার গড়ে উঠে তার সু-ব্যবস্থা করতে হবে। 
* যাতে কেউ নতুন করে কুরবানী বিরোধী কোনো ধরনের অপপ্রচার না চালাতে পারে তার জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করতে হবে।
দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমান তথা মূল জনগোষ্ঠীর অন্যতম ইবাদত কুরবানী সংশ্লিষ্ট কাজে কোনো ধরনের হয়রানি ও বিড়ম্বনা যাতে না হয়, সে ব্যবস্থা করাই সরকারের প্রধান ও ফরয কাজ।

পবিত্র হজ্জ, পবিত্র উমরাহ ও পবিত্র যিয়ারত উনাদের জন্য ছবি তুলতে বাধ্য করা এবং পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফসহ পবিত্র হারামাইন শারীফাইন উনাদের মধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা- সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার কর্তৃক মুসলমান উনাদের পবিত্র হজ্জ নষ্ট করার আরেকটি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র। নাউযুবিল্লাহ! সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারকে বারবার সতর্ক করার পরও তারা ছবি ও সিসি ক্যামেরা বন্ধ করছে না। নাউযুবিল্লাহ!

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘প্রত্যেক ছবি তুলনেওয়ালা ও তোলানেওয়ালা জাহান্নামী।’ নাউযুবিল্লাহ!

পবিত্র হজ্জ, পবিত্র উমরাহ ও পবিত্র যিয়ারত উনাদের জন্য ছবি তুলতে বাধ্য করা এবং পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফসহ পবিত্র হারামাইন শারীফাইন উনাদের মধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা- সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার কর্তৃক মুসলমান উনাদের পবিত্র হজ্জ নষ্ট করার আরেকটি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র। নাউযুবিল্লাহ! সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারকে বারবার সতর্ক করার পরও তারা ছবি ও সিসি ক্যামেরা বন্ধ করছে না। নাউযুবিল্লাহ!

তাদেরকে আবারো সতর্ক করা হচ্ছে, তারা যেন অতিসত্বর পবিত্র হজ্জ উনার ক্ষেত্রে ছবি নিষিদ্ধ করে এবং সিসি ক্যামেরাগুলো সরিয়ে নেয়। নচেৎ তাদেরকে কঠিন কাফফারা আদায় করতে হবে।

- ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, প্রাণীর ছবি হারাম হওয়ার ব্যাপারে সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের মধ্যে কোনো প্রকার ইখতিলাফ (মতভেদ) নেই। কেননা, প্রাণীর ছবি হারাম হওয়ার ব্যাপারে একাধিক পবিত্র আয়াত শরীফ ছহীহ পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের শরাহ, সমস্ত মশহুর পবিত্র ফিক্বাহ ও পবিত্র ফতওয়া উনাদের কিতাবে সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন, ‘ছহীহ মুসলিম শরীফ’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “প্রত্যেক ছবি তুলনেওয়ালা ও তোলানেওয়ালা জাহান্নামী।” নাউযুবিল্লাহ!  

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হজ্জ, পবিত্র উমরাহ ও পবিত্র যিয়ারত করার জন্য ছবি তুলতে বাধ্য করা এবং পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফসহ পবিত্র হারামাইন শরীফাইন উনাদের মধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার কর্তৃক মুসলমান উনাদের পবিত্র হজ্জ নষ্ট করার আরেকটি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আহলে কিতাবদের (ইহুদী-খ্রিস্টানদের) অধিকাংশ চায়- মুসলমান উনাদের পবিত্র ঈমান আনার পর কী করে আবার কাফিরে পরিণত করা যায়।” নাউযুবিল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ব্রিটিশ গুপ্তচর হেমপারের স্বীকারোক্তিমূলক গ্রন্থ ঈড়হভবংংরড়হ ড়ভ ইৎরঃরংয ঝঢ়ু ধহফ ইৎরঃরংয বহসরঃু ধমধরহংঃ ওংষধস-এ উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটেন তাদের উপনিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতিসাধনের লক্ষ্যে ওহাবী মতবাদ প্রতিষ্ঠার সূচনা লগ্নে যে কর্মসূচি তৈরি করে, তার ২য় বিষয়টি ছিল: “এই কর্মসূচির মাধ্যমে কোনো আতঙ্ক সৃষ্টি করা যাবে না। কারণ আমাদের কর্তব্য হচ্ছে পবিত্র দ্বীন ইসলাম ধ্বংস করে দেয়ার বীজ বপন করা। পরবর্তী প্রজন্ম এসে বাকি কাজ শেষ করবে। ব্রিটিশ সরকার ধাপে ধাপে এগুতে চায়।” নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলত তাদের ধাপে ধাপে এগুতে থাকা ঐ কুটকৌশলের ধারাবাহিক প্রতিফলন হচ্ছে নিরাপত্তার অজুহাতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন। নাউযুবিল্লাহ! তারা পবিত্র হেরেম শরীফ, পবিত্র মক্কা শরীফ, পবিত্র মিনা, পবিত্র আরাফাহ, পবিত্র মুযদালিফা প্রভৃতি স্থানে হাজার হাজার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ও সিসিটিভি স্থাপন করেছে। একটি সিসি ক্যামেরা দ্বারা সেকেন্ডে কমপক্ষে ৪০০টি ছবি উঠে থাকে। তাহলে হাজার হাজার সিসি ক্যামেরা দ্বারা এক সেকেন্ডে একজন লোকের কতগুলো ছবি উঠবে তা ভাববার বিষয়। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, “প্রাণীর ছবি থাকলে রহমতের ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা থাকেন না।” ইহুদীরা পবিত্র হজ্জ উনার পুরো ময়দানকে রহমতশূন্য এবং কোটি কোটি মুসলমানগণের এ ফরয ইবাদত নষ্ট করার জন্য এই ষড়যন্ত্র করেছে। নাউযুবিল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি ‘পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ’ উনার ১৯৭ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উল্লেখ করে বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তির প্রতি পবিত্র হজ্জ ফরয সে যেন পবিত্র হজ্জ পালন করতে গিয়ে অশ্লীল-অশালীন ও তার সংশ্লিষ্ট কোনো কাজ না করে এবং কোনো প্রকার ফাসিকী বা নাফরমানীমূলক কাজ না করে এবং ঝগড়া-বিবাদ না করে।” 

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে স্পষ্ট বলা আছে যে, পবিত্র হজ্জ করতে গিয়ে যদি পবিত্র ঈমান ও আমলের নিরাপত্তা না থাকে অর্থাৎ পবিত্র হজ্জ করতে গিয়ে যদি কাউকে হারাম ও কুফরী কাজ করতে হয়; যেমন ছবি তোলা ও বেপর্দা হওয়া, তাহলে তার উপর পবিত্র হজ্জ ফরয থাকে না অর্থাৎ হজ্জের ফরযিয়াত সাকিত হয়ে যায়। ছবি তোলা ও তোলানো, ছবি দেখা ও দেখানো, পর্দা লঙ্ঘন করা সবগুলো শক্ত হারাম ও কবীরাহ গুনাহ এবং চরম ফাসিকী ও নাফরমানীমূলক কাজ। অর্থাৎ ফাসিকী ও নাফরমানীমূলক কাজ করে হজ্জ করলে তা কশ্মিনকালেও হজ্জে মাবরূর হবে না। আর এজন্যই সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার হজ্জের জন্য হারাম ছবিকে বাধ্যতামূলক করেছে এবং পবিত্র হজ্জের পবিত্র স্থানসমূহে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে যাতে করে মুসলমানদের হজ্জ কবুল না হয়। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারকে বারবার সতর্ক করার পরও তারা ছবি ও সিসি ক্যামেরা বন্ধ করছে না। তাদেরকে আবারো সতর্ক করা হচ্ছে, তারা যেন অতিসত্বর পবিত্র হজ্জ, পবিত্র উমরাহ ও পবিত্র যিয়ারত উনার ক্ষেত্রে ছবি নিষিদ্ধ করে এবং সিসি ক্যামেরাগুলো সরিয়ে নেয়। নচেৎ তাদেরকে কঠিন কাফফারা আদায় করতে হবে। অর্থাৎ গুমরাহীর কারণে গযবে পড়ে ক্ষমতাহীন হয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া ব্যতীত কোনো ব্যবস্থা থাকবে না।
-০-

হে আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক আমল করার তাওফিক দান করুন

☆তিনকাজে বিলম্ব করিও নাঃ
(১) নামাজ এর ওয়াক্ত হলে।
(২) মেয়ে বিয়ের উপযুক্ত হলে। ও
(৩) লাশ এর জানাযা হয়ে গেলে।
.
★তিনটি জিনিস একবার আসেঃ
(১) মাতা-পিতা
(২) সৌন্দর্য্য
(৩) যৌবন।
.
★তিনটি জিনিস ফিরিয়ে আনা যায়নাঃ
(১) বন্দুকের গুলি
(২) মুখের কথা
(৩) শরীরের রূহ।
.
★তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসেঃ
(১) সু-সন্তান
(২) সদকা
(৩) ইলম।
.
★তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করেঃ
(১) চুরি
(২) চোগলখোরী
(৩) মিথ্যা।
.
★তিনটি জিনিস পেরেশানিতে রাখেঃ
(১) হিংসা
(২) অভাব
(৩) সন্দেহ।
.
★তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রেখঃ
(১) উপদেশ
(২) উপকার
(৩) মৃত্যু।
.
★তিনটি জিনিসকে আয়ত্বে রেখঃ
(১) রাগ
(২) জিহবা
(৩) অন্তর।
.
★তিনটি জিনিস অভ্যাস করঃ
(১) নামাজ
(২) সত্য বলা
(৩) হালাল রিযিক।
.
★তিনটি জিনিস থেকে দূরে থেকঃ
(১) মিথ্যা
(২) অহংকার
(৩) অভিশাপ।
.
★তিনটি জিনিসের জন্য যুদ্ধ করঃ
(১) দেশ
(২) জাতিসত্তা
(৩) সত্য।
.
★তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার
করঃ
(১) কলম
(২) কসম
(৩) কদম
.
★তিনটি জিনিস ধ্বংস হয়ে যায়ঃ
(১)হিংসা
(২) লোভ
(৩) অহঙ্কার
হে আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক আমল করার তাওফিক দান করুন

সুওয়ালঃ ঘুমানো ও জাগরণের আদবসমূহ কি? পানাহারের আদবসমূহ কি?


জওয়াবঃ- ঘুমানোর আদবসমূহঃ-
* ওযুর সাথে ঘুমানো।
* ডান কাত হয়ে ঘুমানো।
* জিকির করতে করতে ঘুমানো।

ঘুম থেকে উঠার পরের আদবসমূহঃ
* ওযু করা। 
* পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ তিলাওয়াত করা।
* দু রাকাত নামাজ আদায় করা।
(এতে শয়তানের তিনটি গেরো ছুটে যায়)

পানাহারের আদবসমূহঃ-
* দস্তরখানা বিছিয়ে পানাহার করা।
   (খয়েরি রং এর,চামড়ার)।
* মেঝেতে বা চৌকিতে বসে পানাহার করা। (চেয়ার-টেবিলে পানাহার করা বিদ'আত)।
* খাবার ডান দিক থেকে খাওয়া শুরু করা।
* তিন আঙ্গুল দিয়ে খেতে পারলে ভালো পাঁচ আঙ্গুল ও ব্যবহার করা যাবে।
* লোকমা গুলো মাঝারি হবে।
* একস্থানে বসে ডান হাতে খেতে হবে। 
(হেঁটে হেঁটে খাদ্য খাওয়া হারাম)।
* অত্যন্ত আদব ও মুহাব্বতের সাথে খেতে হবে। 

নছীহতে হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক নির্দেশনা:

সকল প্রকার আযাব-গযব, বালা-মুছীবত থেকে বাঁচতে- বেশি বেশি পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করুন এবং সুন্নতী খাদ্য গ্রহণ করুন
করোনা ভাইরাস নিয়ে অনেকেই নানা ধরণের তথ্য প্রচার করছে। যা নিয়ে অনেকেই অহেতুক আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের কি করণীয়, সে সম্পর্কে বিশেষ নির্দেশনা মুবারক দান করেছেন রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীই মুসলমান। মহান আল্লাহপাক উনার খাছ রহমত মুবারক মূলত মুসলমানদের জন্যই। তাই মুসলমানদের উচিত- বেশি বেশি পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা এবং নিয়মিত সুন্নতী খাদ্যসমূহ গ্রহণ করা।
তিনি বলেন, পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠকারীর প্রতি এবং যে স্থানে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা হয়, সেখানে মহান আল্লাহপাক উনার খাছ রহমত মুবারক নাযিল হয়ে থাকে। আর যেখানে মহান আল্লাহপাক উনার রহমত মুবারক নাযিল হয় সেখানে কোন ধরণের আযাব-গযব আসতে পারে না। তাই সকল মুসলমানদের উচিত, বেশি বেশি পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা।
রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি নিয়মিত সুন্নতী খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ করারও নির্দেশনা মুবারক দিয়েছেন। কারণ সুন্নতী খাদ্যসমূহে আছে বেমেছাল রহমত ও বরকত, যা শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার থেকে জানা যায়, সিরকা, কালোজিরা, মধু, ত্বীন, যয়তুন ইত্যাদি সুন্নতী খাদ্যসমূহ বিভিন্ন ধরণের অসুখ-বিসুখ, রোগ-বালাইকে প্রতিরোধ করে, ধ্বংস করে দেয়।
তাই সকল মুসলমানদের উচিত- সুন্নতী খাদ্যসমূহ সংগ্রহ করতে ‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’-এ যোগাযোগ করা।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...