Monday, September 21, 2020

 মুত্তাক্বি হতে পারলেই মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত পাওয়া সহজ হয়।



প্রত্যেক বান্দা-বান্দির উচিত, তাকওয়া অবলম্বন করা। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করে গুনাহর কাজ হতে বিরত থাকা। তাহলেই মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকওয়া অবলম্বনকারীকে অর্থাৎ মুত্তাক্বিকে এমন নিয়ামত দান করবেন, যে সকল নিয়ামত প্রয়োজন বান্দারা অর্থাৎ বান্দা চায় বা আশা করে। আর এ সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন। সাতটি জিনিসের জন্যে অধিকাংশ মানুষ বা চায়; কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি মুত্তাক্বি ব্যতীত অন্য কাউকে দান করেন না। যেমন: 

(১) প্রত্যেক ব্যক্তি স্বীয় গুনাহর কাফফারা কামনা করে কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি তা মুত্তাক্বির জন্যে তা ওয়াদা করেছেন। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। (পবিত্র সূরা তলাক শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৫) 

(২) জাহান্নাম থেকে মুক্তি বা নাজাত সবাই কামনা করে, মহান আল্লাহ পাক তিনি মুত্তাক্বির জন্য ওয়াদা করেছেন। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “যারা তাকওয়া অবলম্বন করল, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের সকলকে মুক্তি দিবেন। (পবিত্র সূরা যুমার শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৬১) 

(৩) প্রত্যেকেই উত্তম জীবন চায়; কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি মুত্তাক্বিকেই তা দান করেন। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “মুত্তাক্বি উনাদের জন্যেই তো উত্তম পরিণাম।” 

(৪) সবাই জান্নাতবাসী হতে চায়; কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি মুত্তাক্বিকে তথা উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নতের অনুসারীকেই তা দান করেন। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “এ জান্নাতের উত্তরাধিকারী আমি আমার (হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নতের অনুসরণকারী আশিক) মুত্তাক্বি বান্দাকেই দান করি। (পবিত্র সূরা মরিয়ম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৩৩) 

(৫) সবাই মহান আল্লাহ পাক উনার সান্নিধ্য ও সাহায্য চায়; কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি মুত্তাক্বিকে তা দান করেন, এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদের সাথেই আছেন, যারা পরহেযগার ও নেককার। (পবিত্র সূরা নহল শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১২৮) 

(৬) সবাই মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত চায়; কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি তা মুত্তাকির জন্যে ওয়াদা করেছেন। “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক মুত্তাক্বিদের মুহব্বত করেন।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৪) 

(৭) প্রত্যেকেই স্বীয় আনুগত্য, মকবুল হওয়া চায়; কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি মুত্তাক্বিদের থেকে গ্রহণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি শুধু মুত্তাকিদের নিকট হতে তা গ্রহণ করেন।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২৭) 

মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদের সবাইকে হাক্বীক্বী মুত্তাক্বি হওয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামতসমূহ হাছিল করার তাওফীক দান করেন। আমীন!

প্রত্যেকের এটা মনে রাখতে হবে- মসজিদ প্রতিষ্ঠা করা ঈমানদারের বৈশিষ্ট্য; আর মসজিদ ভাঙ্গা কাফিরদের বৈশিষ্ট্য

 প্রত্যেকের এটা মনে রাখতে হবে- মসজিদ প্রতিষ্ঠা করা ঈমানদারের বৈশিষ্ট্য; আর মসজিদ ভাঙ্গা কাফিরদের বৈশিষ্ট্য


_________________________________________________


মসজিদ যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত ঘর। মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান মসজিদ। মহান আল্লাহ পাক তিনি মসজিদ নির্মাণ ও আবাদ করার জন্য নির্দেশ মুবারক করেছেন।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

مَا كَانَ لِلْمُشْرِكِينَ أَنْ يَعْمُرُوا مَسَاجِدَ اللّهِ شَاهِدِينَ عَلٰى أَنْفُسِهِمْ بِالْكُفْرِ ۚ أُولٰئِكَ حَبِطَتْ أَعْمَالُهُمْ وَفِي النَّارِ هُمْ خَالِدُونَ . إِنَّمَا يَعْمُرُ مَسَاجِدَ اللّٰهِ مَنْ آمَنَ بِاللَّـهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَأَقَامَ الصَّلَاةَ وَآتَى الزَّكَاةَ وَلَمْ يَخْشَ إِلَّا اللّٰـهَ ۖ فَعَسَىٰ أُولٰئِكَ أَنْ يَكُونُوا مِنَ الْمُهْتَدِينَ

অর্থ: “মুশরিকদের এই যোগ্যতা বা অধিকার নেই যে, মহান আল্লাহ পাক উনার মসজিদসমূহকে তারা আবাদ করে, যে অবস্থায় তারা নিজেদের কুফরীর স্বীকারোক্তি করছে। তাদের সমস্ত আমল বরবাদ হবে এবং তারা অনন্তকাল জাহান্নামে থাকবে। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার মসজিদসমূহ আবাদ করা উনাদেরই কাজ যারা মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি এবং ক্বিয়ামত দিবসের প্রতি ঈমান আনেন এবং নামায ক্বায়িম করেন এবং যাকাত প্রদান করেন এবং মহান আল্লাহ পাক উনাকে ব্যতীত কাউকে ভয় করেন না। বস্তুতঃ উনারাই হিদায়েত প্রাপ্তগণের মধ্যে শামিল।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৭, ১৮)

মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন-

وَأَنَّ الْمَسَاجِدَ لِلّـهِ فَلَا تَدْعُوا مَعَ اللّٰـهِ أَحَدًا

অর্থ: “নিশ্চয়ই মসজিদসমূহ মহান আল্লাহ পাক উনারই জন্য অর্থাৎ মসজিদে সমস্ত ইবাদত মহান আল্লাহ পাক উনার জন্যেই করতে হবে। মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে অন্য কাউকে ডেকো না বা অন্য কারো ইবাদত করো না বা শরীক করো না।” (পবিত্র সূরা জিন শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৮)

প্রতিভাত হলো যে, মসজিদের সম্পর্ক মু’মিন মুসলমান উনাদের সাথে। কাফির-মুশরিকদের সাথে মসজিদের কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের সাথে সম্পর্ক হচ্ছে গীর্জা ও মন্দিরের। যেখানে তারা পূজা করে ও কুফরী কাজ করে। নাউযুবিল্লাহ!

কাফির মুশরিকরা সম্মানিত মুসলমানগণের শত্রু। তাই তারা মুসলমানগণের প্রতি বিদ্বেষবশতঃ যলুম-নির্যাতন করার পাশাপাশি মুসলমানগণের ইবাদত বন্দিগীর স্থান মসজিদ ভেঙ্গে ফেলার ষড়যন্ত্র করে মসজিদ ভেঙ্গে ফেলে। নাউযুবিল্লাহ!

কাজেই, যারা মসজিদ ভাঙ্গে তারা কেউই মুসলমান নয়, তারা কাফির-মুশরিক অথবা তাদের ঘনিষ্ঠ এজেন্ট মুনাফিক। এদেরকে প্রতিহত করা সমস্ত মু’মিন মুসলমানগণের উপর ফরয।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...