Wednesday, November 11, 2020

আপনার সন্তানকে শিশুকাল থেকেই দ্বীন ইসলাম শিক্ষা দিন।

 আপনার সন্তানকে শিশুকাল থেকেই দ্বীন ইসলাম শিক্ষা দিন।



শিশুরা স্বভাবতই অনুকরণপ্রিয়। বড়দের মধ্যে তার অন্তর যাকে পছন্দ করে, সে তাকেই অনুকরণ করে থাকে। জন্মের পর থেকে সে তার পিতা-মাতা, ভাই-বোন এদেরকেই অত্যন্ত কাছে এবং অতি আপন করে পেয়ে থাকে। ফলত শিশুকালে একটি মেয়েকে তার মায়ের অনুকরণ করে শিশু লালন-পালন, ঘর-বাড়ি, ঝাড়া-মোছা, ছোট ছোট হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে রান্নাবান্না করতে দেখা যায়। পাশাপাশি বড়দের দুনিয়াবী গাল-গল্প শোনা, পরচর্চা, পরনিন্দা, চালাকী, দুষ্টমী করে মিথ্যা বলা এই ধরনের বদস্বভাবগুলোও তার নিজের অজান্তেই তার মধ্যে গড়ে উঠে। তাছাড়া শিশু বয়সে সে খেতে না চাইলে তাকে হারাম টিভি দেখিয়ে ভুলিয়ে খাওয়ানো হয়, বেপর্দাভাবে তাকে যে কোনো অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রতিটি শিক্ষণীয় বিষয়ে সে আগ্রহী হওয়া সত্ত্বেও সে কোথাও ধর্মীয় আলোচনা খুঁজে পায় না। ফলশ্রুতিতে হারাম, হালাল সম্পর্কে ন্যূনতম জ্ঞান সে অর্জন করতে সক্ষম হয় না। নিজেদের ধর্মের অস্তিত্ব খুঁজে না পেয়ে পরধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে এবং ঢালাওভাবে পহেলা বৈশাখ, থার্টিফার্স্ট নাইট, ভ্যালেনটাইন ডে, বাবা দিবস, মা দিবস ইত্যাদি হারাম দিবস পালনে সে উৎসাহ বোধ করে। নাঊযুবিল্লাহ! বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষণীয় যে, শিশুকালের অনেক স্মৃতিবিজড়িত ঘটনাই শিশুর কোমল অন্তরে গভীরভাবে রেখাপাত করে যা তার পরবর্তী বাস্তব জীবনে অনেকাংশে প্রভাব বিস্তারে সাহায্য করে।

যেমন ধরুন এর উল্টোটা যদি হয়, কোনো শিশু তার ছেলেবেলা থেকেই বাসায় নামায-কালামের চর্চা, ইলম চর্চাসহ পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে রোযা রাখা, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ, হারাম ছবি তোলা, রাখা, আঁকাসহ খেলাধুলা, গান-বাজনা, বেপর্দা ইত্যাদি সম্পর্কে সঠিক দ্বীন ইসলাম উনাকে অনুসরণ করতে দেখে তবে সেও সেভাবেই নিজেকে গড়ে তুলবে।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অনুযায়ী, “যে ব্যক্তি যাকে মুহব্বত করবে তার হাশর-নশর তার সাথেই হবে।” এখন কোনো ‘মা’ কি চান উনার আজকের অতি আদরের এই শিশুর হাশর হোক একজন কাফিরের সাথে? না, কখনোই না। তাহলে আসুন, আমরা সকলেই যারা আগামীতে একদিন মা হবো, দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত হই, ইসলামী আদর্শের অনুসরণ করি আগামী প্রজন্মকে করাতে শেখাই। দেশকে একটি সুস্থ, স্বাভাবিক, বিবেকবান জাতি উপহার দেই। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার “নিজের জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচ এবং পরিবার-পরিপজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও” এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মিছদাক্ব হই। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলের নেক আরজুসমূহ কবুল করুন। (আমীন)।

মুসলমানরা বিধর্মীদের সাথে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চায়, কিন্তু ইতিহাস কি বলছে?


 মুসলমানরা বিধর্মীদের সাথে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চায়, কিন্তু ইতিহাস কি বলছে?


ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসন জারি হওয়াতে সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছিল বাঙালি বিধর্মী সম্প্রদায়। মুসলমান আমলে নবাবদের দেখলে তাদেরকে সালাম দিতে হতো, আদব-কায়দা রক্ষা করতে হতো। ইংরেজ আমলে সেই সমস্যা ছিল না, কারণ ইংরেজরাও ছিল তাদের মতোই অসভ্য বর্বর বেয়াদব সম্প্রদায়। চোরে চোরে মাসতুতো ভাই যাকে বলে। বিধর্মীদের একজন প্রধানতম কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ভাষায়:

“যবনাধিকারে আমরা ধর্ম বিষয়ে স্বাধীনতা প্রাপ্ত হই নাই, সর্বদাই অত্যাচারের ঘটনা ঘটিত।...এইক্ষণে ইংরাজাধিকারে সেই মনোস্তাপ একেবারেই নিবারিত হইয়াছে, আমরা অনায়াসেই ‘চর্চ্চ’(চর্চ্চ=চার্চ বা গীর্জা) নামক খ্রীষ্টিয় ভজনামন্দিরের সম্মুখেই গভীর স্বরে ঢাক, ঢোল, কাড়া, তাসা, নহবৎ, সানাই, তুরী, ভেরী, বাদ্য করিতেছি, “ছ্যাডাং” শব্দে বলিদান করিতেছি, নৃত্য করিতেছি, গান করিতেছি, প্রজাপালক রাজা তাহাতে বিরক্ত মাত্র না হইয়া উৎসাহ প্রদান করিতেছে।... নবাবী আমলে আদব-কায়দা করিতে করিতে কর্মচারিদিগের প্রাণান্ত হইত...বর্তমান রাজ-মহাত্মারা সে বিষয়ে একেবারেই অভিমানশূন্য...কেহ যদি সেলাম না করে তাহাতে কিছুমাত্র ক্ষোভ নাই।”

(সূত্র: আধুনিক বাংলা কাব্যে বিধর্মী-মুসলমান সম্পর্ক, মুহম্মদ মনিরুজ্জামান, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ১৪০)

বিধর্মী সাম্প্রদায়িকতাবাদের একজন প্রধান তাত্ত্বিক বঙ্কিমের মেন্টর হিসেবে পরিচিত এই ঈশ্বরচন্দ্রের বক্তব্যেই বিধর্মীদের মনমানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিকে বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধা না করে, তাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সামনে ঢাকঢোল পিটিয়ে তাদের ধর্মকর্মে ব্যাঘাত ঘটিয়ে বিধর্মীরা বিকৃত আনন্দ লাভ করে। ব্রিটিশরা বিধর্মীদের এরূপ কর্মকা-ে বাধা দিতো না, যেহেতু মুসলমানদের দমাতে বিধর্মীদের সহযোগিতা তাদের দরকার ছিল। এজন্য যা খুশি তাই তাদেরকে তারা করতে দিয়েছিল, বিনিময়ে তারা পেয়েছিল ইউরোপকে ধনী করতে মুসলিম শাসিত ভারতের অঢেল ধনসম্পদ। উপনিবেশ স্থাপনকারী হিসেবে এটুকুই তাদের জন্য যথেষ্ট ছিল। 

এদেশের মুসলমানরা বিধর্মীদেরকে প্রতিবেশী মনে করতে চায়, তাদের সাথে সহাবস্থান করতে চায়। কিন্তু ইতিহাস বলছে তা কখনো সম্ভব হবার নয়। বিধর্মীরা সর্বদাই চাইবে তাদের মুসলমান প্রতিবেশীর ধর্মীয় অনুভূতিকে দলিত-মথিত করতে, সৎ প্রতিবেশীসুলভ আচরণ বিধর্মীদের কাছ থেকে আশা করা যায় না। তারা পূজার নামে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রত্যেকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাদের ম-প করতে চাইবে, চাঁদার নামে প্রত্যেক মুসলমানের নিকট গিয়ে তাকে বিব্রত করবে। স্কুল-কলেজ তো বটেই, তারা এমনকি পারলে তাদের মূর্তি নিয়ে আমাদের মসজিদেও ঢুকে পড়তে চাইবে।

বিধর্মীরা বাবরি মসজিদের মেহরাবে রামের মূর্তি স্থাপন করেই দাঙ্গার সূত্রপাত ঘটিয়েছিল। ব্রিটিশ আমলে একবার উগ্র বিধর্মী সাঁওতালরা বাংলার সুলতানি আমলে নির্মিত ‘আদিনা মসজিদে’ হামলা চালিয়েছিল, যা ছিল একদা গোটা ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় মসজিদ। সেই মসজিদে হামলা চালিয়ে সেখানে কালী মূর্তি স্থাপন করেছিল এসব উগ্র বিধর্মী সাঁওতালরা।

গায়ে পড়ে সাম্প্রদায়িক ঝামেলা পাকাতে পটু এই বিধর্মী সম্প্রদায়ের ব্যাপারে এদেশের মুসলমানরা মোটেই সচেতন নয়, যদি হতো তাহলে এদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সরস্বতী পূজা হওয়ার বিরুদ্ধে তারা প্রতিবাদ করতো। কিন্তু তারা তা না করে উল্টো ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’র নামে এই উগ্র সাম্প্রদায়িক বিধর্মীদের প্রেসক্রিপশন মুতাবিক কাজ করে এদেশের সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতিকে আরো বিষাক্ত করে তুলছে। আফসোস, মুসলমানরা কখনোই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না।

সন্তানদের কুরআন শরীফ ও আরবী ভাষা শিক্ষা দেয়া গুরুত্বপূর্ণ।

 সন্তানদের কুরআন শরীফ ও আরবী ভাষা শিক্ষা দেয়া গুরুত্বপূর্ণ



 সবাই বলে- আপনার সন্তানদের বেশি বেশি বই পড়ান, যত পড়বে তত জানবে, তত শিখবে। ভালো কথা। কিন্তু এটা কি শুধুই গল্প-উপন্যাস আর আউট নলেজের নামে এমন কিছু শিখানো, যেখানে ইসলাম নেই, মুসলমানিত্ব নেই? যদি তা নাই হয়- তাহলে সন্তানকে সবই শিখাচ্ছেন কিন্তু কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ ও ইসলামী ইতিহাস শিখাচ্ছেন না কেন? আপনার সন্তানকে সবার আগে ঘুম থেকে তুলে স্কুলে পাঠাচ্ছেন। বই ভর্তি ব্যাগ তার কাঁধে দিচ্ছেন। আবার তাকে এই-সেই বই কিনে দিচ্ছেন। এতকিছু করা হচ্ছে- অথচ এখন পর্যন্ত ইসলামের প্রাথমিক শিক্ষা- পবিত্র কুরআন শরীফখানা পড়ার জন্য ‘আরবী ভাষা’ শিখাতে পারলেন না। একজন মুসলমান হিসেবে- এরচেয়ে বড় আফসুস আর কি হতে পারে?

 অথচ হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- তোমরা ৩ কারণে আরবী ভাষা উনাকে মুহব্বত করো। ১) সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভাষা আরবী, ২) পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ভাষা আরবী, ৩) জান্নাতের ভাষা আরবী। সুবহানাল্লাহ! এক কথায় আরবী ভাষা হলো ইসলাম ও মুসলমানিত্বের শেয়ার বা নিদর্শন।

 একজন মুসলমান-ঈমানদার হিসেবে আরবী ভাষা শিক্ষা করার গুরুত্ব-তাৎপর্য অপরিসীম। আর পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষা করাতো আরো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, আমাদের সকলেরই দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- নিজে পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষা করা ও পরিবারের সকলের পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষা ও আরবী ভাষা শিক্ষা দেয়া।

সারাবিশ্বে যারা একই দিনে রোযা-ঈদসহ অন্যান্য ইবাদত পালন করার কথা বলে- তাদের ভূগোলের সামান্যতম জ্ঞানও নেই।

 সারাবিশ্বে যারা একই দিনে রোযা-ঈদসহ অন্যান্য ইবাদত পালন করার কথা বলে- তাদের ভূগোলের সামান্যতম জ্ঞানও নেই।



সারাবিশ্বে যারা একদিনে রোযা রাখা এবং একদিনে ঈদ করার কথা বলে থাকে, সামান্যতম ভৌগোলিক জ্ঞানও তাদের নেই। কেননা, পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তের সময়ের পার্থক্য হচ্ছে ১২ ঘণ্টা। পৃথিবীর এক প্রান্তে যখন দিন, তখন অন্য প্রান্তে রাত। কাজেই সেখানে তখন চাঁদ দেখার প্রশ্নই আসে না। তাহলে কি করে একদিনে সারাবিশ্বে রোযা রাখা বা ঈদ করা যেতে পারে? 

এটা মূলতঃ নেহায়েত অজ্ঞতা ও জিহালতপূর্ণ কথা। তারা হানাফী মাযহাব উনার ইমাম, ইমামে আ’যম হযরত আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার উদয়স্থলের পার্থক্য সংক্রান্ত ক্বওল শরীফ না বুঝার কারণে বিভ্রান্তিতে পতিত হয়েছে। সেটা হচ্ছে “হানাফীদের নিকট একই উদয়স্থলের পার্থক্য গ্রহণযোগ্য নয়।” 

একই উদয়স্থলের সীমা রেখা হচ্ছে ৫৪০ মাইলের মধ্যে। এর মধ্যে যারা চাঁদ দেখবে তাদের রোযা রাখতে হবে। আর যারা এর বাইরে থাকবে কিন্তু চাঁদ দেখবে না, তাদেরকে রোযা রাখতে হবে না। এটাই হচ্ছে উদয়স্থলের পার্থক্যের মূল কথা। একই উদয়স্থলের মধ্যে যারা চাঁদ দেখবে তাদের সকলের জন্যে একই হুকুম হবে। কিন্তু শাফিয়ী মাযহাব মতে প্রত্যেক শহরে আলাদা আলাদা চাঁদ দেখতে হবে। এটা আমাদের হানাফী মাযহাবে গ্রহণযোগ্য নয়। 

এমন যদি হয় যে, আলাদা উদয়স্থলে একদিনে এক দেশের পর আরেক দেশ পর্যায়ক্রমে চাঁদ দেখতে থাকে তাহলে সে সব দেশে একদিনে রোযা এবং ঈদ করতে পারবে। কিন্তু যেহেতু ভৌগোলিক কারণে পৃথিবীর এক প্রান্তের সাথে আরেক প্রান্তের ১২-ঘণ্টা সময়ের পার্থক্য রয়েছে, সেহেতু সারাবিশ্বে একদিনে রোযা এবং ঈদ পালন করা আদৌ সম্ভব নয়। হাদীছ শরীফ-এ রোযা ও ঈদের অনেক ফযীলতের কথা উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু ইহুদী-নাছারাদের যোগসাজশে একটি মহল মুসলমানদের রমযান শরীফ এবং ঈদের ফযীলত থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এটা মুসলমানদের ঈমান, আমল ও নিয়ামত থেকে বঞ্চিত করার এক আন্তর্জাতিক চক্রান্ত। এ থেকে সকলকে সাবধান থাকতে হবে।


Writer_ Abm Ruhul Hassan

যে যামানার ইমাম উনাকে চিনলো না তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াত যুগের ন্যায়।

 যে যামানার ইমাম উনাকে চিনলো না তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াত যুগের ন্যায়।



পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি হিজরী শতকের শুরুতে একজন মুজাদ্দিদ প্রেরণ করেন যিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সংস্কার করে থাকেন।” সুবহানাল্লাহ! ঠিক তদ্রƒপ বর্তমান যামানার মুজাদ্দিদ হলেন গওসুল আ’যম, হাবীবে আ’যম, আওলাদে রসূল, আস সাফফাহ মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি। যিনি এই যামানায় তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করে কায়িনাত থেকে সমস্ত বিদয়াত দূর করে দিয়ে সম্মানিত পবিত্র সুন্নত উনাকে জারি করছেন এবং বেশরাকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত শিখাচ্ছেন, বেদ্বীনদের দ্বীন দিচ্ছেন। পাশাপাশি হালাল হারাম, সত্য মিথ্যা পার্থক্য করে দিয়ে সকলের পবিত্র ঈমান-আক্বীদাকে নবায়ন করে পরিপূর্ণ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর দায়িম-ক্বায়িম রাখছেন। সুবহানাল্লাহ!

মূলত, যারা উনার পবিত্র ছোহবত মুবারকে গেছেন এবং উনার মুবারক আদেশ-নিষেধ উনার উপর দৃঢ় রয়েছেন উনারাই কেবল পবিত্র ঈমান উনার উপর থাকতে পারছেন। আর যারা উনাকে হাক্বীক্বীভাবে চিনেন না, জানে না, উনার মুবারক ছোহবত উনার মধ্যে আসেন না- তারা পবিত্র ঈমান উনার উপর দ্বীন ইসলাম উনার বিধি-বিধানের উপর দৃঢ় থাকতে পারবেন না অর্থাৎ তারা মুসলমানিত্বের উপর থাকতে পারবেন না। 

 মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি যামানার ইমাম উনাকে চিনলো না, তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াতির উপর।”

অন্ধকার যুগে যেমন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আলো ছিল না যার কারণে সে যুগের মানুষেরা বিভিন্ন কুফরী, শিরকী, নিফাকী, মুনাফেকী বিদয়াত, বেশরাতে ডুবে ছিল। ঠিক তদ্রুপ যারা আজ এই পনের শতকের মহান মুজাদ্দিদ উনাকে চিনবে না, জানবে না, মানবে না, উনার মুবারক ছোহবত উনার মধ্যে আসবে না। উনার মুবারক আদেশ-নিষেধ মুতাবিক চলবে না, তাদের অবস্থাও সেই জাহিলিয়া যুগের ন্যায়। অর্থাৎ তারাও ঈমানহারা হয়ে মৃত্যুবরণ করবে। নাঊযুবিল্লাহ! আর তার জায় ঠিকানা একমাত্র জাহান্নাম। কাজেই সকলের উচিত হায়াত থাকতে উনার সম্মানিত ক্বদম মুবারকে এসে নিজের পবিত্র ঈমান-আক্বীদা আমলকে শুদ্ধ করা। 

অতএব, মহান আল্লাহ পাক তিনি সবাইকে সেই তাওফীক দান করুন। আমীন।

দ্বীন ইসলামবিদ্বেষী হওয়ায় ফ্রান্সের পাশে ভারত।

 দ্বীন ইসলামবিদ্বেষী হওয়ায় ফ্রান্সের পাশে ভারত।



দ্বীন ইসলাম নিয়ে ফরাসি কট্টর ইসলামবিদ্বেষী প্রেসিডেন্টের কটূক্তির জেরে ক্ষোভে ফুসছে মুসলিম বিশ্ব। ফরাসি পণ্য বয়কটের দাবি উঠেছে তুরস্ক, বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ আরবের বেশিরভাগ দেশে। প্রায় প্রতিদিনই এ নিয়ে চলছে বিক্ষোভ-সমাবেশ। তবে এতকিছুর মধ্যেও ফ্রান্সের পাশে দাঁড়াচ্ছে ভারতীয়রা। কারণ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মুসলিম ও দ্বীন ইসলামের বিরোধীতা করছে। যা ভারতীয় নাগরিক ও ভারতীয় প্রশাসনের প্রধান নীতি। এছাড়া, দ্বীন ইসলাম নিয়ে কটূক্তি করায় ফরাসি প্রেসিন্ডেকে তারা হিরো হিরো হিসেবেও আখ্যায়িত করছে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, গত সোম ও মঙ্গলবার ভারতের টুইটারে শীর্ষ ট্রেন্ডিং হ্যাশট্যাগ ছিল ‘আই স্ট্যান্ড উইথ ফ্রান্স’ ও ‘উই স্ট্যান্ড উইথ ফ্রান্স’। এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে গত দু’দিনে হাজার হাজার ভারতীয় ফ্রান্সের প্রতি সংহতি জানিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের এই আচরণ অস্বাভাবিক নয়। কারণ কারণ ভারত ও ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসবাদী জনগন সবসময়ই দ্বীন ইসলামের পক্ষে। এজন্য তারা কিছুদিন পর পর ভারতের অভ্যন্তরে দাঙ্গার সুত্রপাত করে হাজার হাজার মুসলমানকে নির্মমভাবে হত্যা করছে। সেইসাথে ভারতের মুসলিম জনগোষ্ঠীকে দেশছাড়া করার হুমকি দিচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে যদি পুরো মুসলিম বিশ্ব ফ্রান্সের পাশাপাশি ভারতীয় পণ্যও বর্জন করে তাহলে ফ্রান্সের মতো কট্টর সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্রটিও বিপাকে পড়তে বাধ্য হবে বলে তারা মনে করছেন।

আমরা প্রাণীর ছবিমুক্ত দেশ চাই

 আমরা প্রাণীর ছবিমুক্ত দেশ চাই



পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রবেশ করেন না।” অথচ এরপরও ৯৮ ভাগ মুসলমানদের জনবেষ্টিত। এই দেশের আনাচে-কানাচে কোথাও কোনো এতটুকু জায়গা নেই, এমন কোনো পণ্য-দ্রব্যাদি নেই যেখানে ছবি নেই, যা মুসলমান উনাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখের বিষয়। কেননা, আমাদের বহির্ভূত দেশ তথা কাফির-মুশরিকদের যে সমস্ত দেশ রয়েছে সেখানে তেমন কোনো ছবি পরিলক্ষিত হয় না। কিন্তু আমাদের এই দেশ বিশ্বের মধ্যে অন্যতম মুসলিম দেশ হয়েও এই দেশের রাষ্ট্রীয় দ্বীন মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম হওয়া সত্ত্বেও এই দেশে হারাম ছবির ছড়াছড়ি। যার কারণে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় মুসলমানরা রহমত থেকে বঞ্চিত হয়ে লা’নতগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। নাউযুবিল্লাহ!

অপরদিকে ইবাদত-বন্দেগী, নামায-কালাম পড়ার ক্ষেত্রে এই ছবি বিরাট প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই আমরা এই দেশের মুসলিম সরকারের কাছে এই মুসলিম দেশের সম্মান রক্ষাপূর্বক, এটাই কামনা করি আমাদের দেশটা যেন ছবি মুক্ত হয়।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...