Saturday, June 27, 2020

যারা মসজিদ উচ্ছেদে জড়িত থাকবে, তারা মুনাফিক হিসেবে সাব্যস্ত হবে

যারা মসজিদ উচ্ছেদে জড়িত থাকবে, তারা মুনাফিক হিসেবে সাব্যস্ত হবে
:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
পত্র-পত্রিকায় এসেছে সম্প্রতি নৌ-মন্ত্রণালয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়েছে নদীর তীরে গড়ে উঠা মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা হবে। এই পবিত্র মসজিদগুলো ভেঙ্গে ফেলার পেছনে অজুহাত হিসেবে বলা হচ্ছে নদী দূষণ ঠেকানো। কোনো মুসলমান মসজিদ উচ্ছেদের মতো জঘন্য পাপ কাজের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পারে না। কেউ যদি মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর মসজিদ উচ্ছেদ করতে চায়, তবে সে যেন নিজেকে মুসলমান হিসেবে দাবি না করে। কেননা সে মুরতাদ হিসেবে সাব্যস্ত হবে। সে মুরতাদের শাস্তি ভোগ করার উপযুক্ত হবে। নাউযুবিল্লাহ! আর যে সকল মুসলমান প্রতিবাদ করবে না, বাধা দিবে না, তারা বোবা শয়তান হিসেবে সাব্যস্ত হবে। নাউযুবিল্লাহ!

৮ই যিলক্বদ শরীফ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’। এ দিনেই প্রথম পর্দার আয়াত নাযিল হয়।


প্রথম পর্দার বিধান জারী করা হয় ৫ম হিজরীতে। তখন হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ইবনে হযরত উম্মু সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ১৫ বৎসরের যুবক, উনার সামনে প্রথম পর্দার আয়াত নাযিল হয়।
পবিত্র সুরা আহযাব শরীফ উনার ৫৩ তম আয়াত শরীফ নায়িল হওয়ার মাধ্যমে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَدْخُلُوا بُيُوتَ النَّبِيِّ...الخ
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্রতম হুজরা শরীফে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করোনা....।
হযরত আনাস রাদিআল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "আমাদের নবী হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যয়নব বিনতে জাহাশ আলাইহাস সালাম উনার নিসবতে আযীম শরীফের ( নিকাহ মুবারক )  পর ওলীমা স্বরুপ কিছু রুটি, গোশত এবং হারিছার ব্যবস্থা করা হয়। আমাকে, লোকদেরকে খাওয়ার জন্যে ডেকে আনতে পাঠানো হয়। তারপর একদল লোক এসে খেয়ে চলে গেল। তারপর আর একদল লোক এসে খেয়ে চলে গেল। এভাবে চলতে থাকলে পুনরায় ডেকে আর কাউকে পেলামনা। 
তখন তিনি বললেন, খাবার উঠিয়ে রেখে দাও। কিন্তু তখনও তিন ব্যক্তি ঘরে বসে গল্প করছিল। তা দেখে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বের হয়ে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার হুজরা শরীফে গেলেন এবং বললেন, আসসালামু আলাইকুম ইয়া আহলাল বাইতি ওয়া রাহমাতুল্লাহ"। উত্তরে হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি বললেন" ওয়া আলাইকাস সালামু ওয়া রাহমাতুল্লাহি" আপনার নতুন (উম্মুল মু’মিনীন) কেমন পেলেন? 
এভাবে তিনি পর পর সব (উম্মুল মু’মিনীন) আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের হুজরা শরীফে গেলেন এবং হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে যা বললেন, সকলকে তাই বললেন, উনারাও একই উত্তর দিলেন, যা হযরত ছিদ্দিক্বা আলাইহাস সালাম বলেছিলেন। পুনরায় হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেই তিন ব্যাক্তিকে কথাবার্তায় রত দেখতে পেলেন তিনি খুবই লাজুক প্রকৃতির ছিলেন, তাই তিনি আবারও হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার হুজরা শরীফে ফিরে গেলেন। 
অতঃপর আমি লোকদের চলে যাওয়ার খবর হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দিলে তিনি ফিরে আসেন। দরজার চৌকাঠে এক পা এবং বাইরে এক পা রাখা অবস্থায় উনার এবং আমার মাঝখানে পর্দা টেনে দেন। আর এই সময়ই পর্দার আয়াত শরীফ নাযিল হয়। 
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَدْخُلُوا بُيُوتَ النَّبِيِّ إِلَّا أَن يُؤْذَنَ لَكُمْ إِلَىٰ طَعَامٍ غَيْرَ نَاظِرِينَ إِنَاهُ وَلَـٰكِنْ إِذَا دُعِيتُمْ فَادْخُلُوا فَإِذَا طَعِمْتُمْ فَانتَشِرُوا وَلَا مُسْتَأْنِسِينَ لِحَدِيثٍ ۚ إِنَّ ذَٰلِكُمْ كَانَ يُؤْذِي النَّبِيَّ فَيَسْتَحْيِي مِنكُمْ ۖ وَاللَّـهُ لَا يَسْتَحْيِي مِنَ الْحَقِّ ۚ وَإِذَا سَأَلْتُمُوهُنَّ مَتَاعًا فَاسْأَلُوهُنَّ مِن وَرَاءِ حِجَابٍ ۚ ذَٰلِكُمْ أَطْهَرُ لِقُلُوبِكُمْ وَقُلُوبِهِنَّ ۚوَمَا كَانَ لَكُمْ أَن تُؤْذُوا رَسُولَ اللَّـهِ وَلَا أَن تَنكِحُوا أَزْوَاجَهُ مِن بَعْدِهِ أَبَدًا ۚ إِنَّ ذَٰلِكُمْ كَانَ عِندَ اللَّـهِ عَظِيمًا
অর্থ: ওহে ঈমানদারগণ! তোমরা হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হুজরা শরীফে প্রবেশ করো না, তোমাদের খানাপিনার জন্য অনুমতি না দেওয়া হলে। রান্নাবান্না শেষ হবার অপেক্ষা না করে, বরং যখন তোমাদের ডাকা হয় তখন তোমরা প্রবেশ করো, তারপর যখন তোমরা খেয়ে নিয়েছ তখন চলে যেও, এবং গড়িমসি করো না বাক্যালাপের জন্য। নিঃসন্দেহ এইসব হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দিয়ে থাকে, অথচ তিনি সংকোচ বোধ করেন তোমাদের জন্য, কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি সত্য সন্বন্ধে সংকোচ করেন না। আর যখন তোমরা তাদের কাছে কোনো-কিছু চাও তখন পর্দার আড়াল থেকে তাদের কাছে চাইবে। এটিই অধিকতর পবিত্র তোমাদের ন্তরের জন্য এবং তাদের ন্তরের জন্যেও। এটি তোমাদের জন্য নয় যে তোমার হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উত্ত্যক্ত করবে, আর এটিও নয় যে তার পরে তোমরা কখনো হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মা ব্যাতিত অন্য কিছু ভেবে গ্রহণ করবে। নিঃসন্দেহে এটি আল্লাহর কাছে গুরুতর ব্যাপার! (সুরা আহযাব শরীফ : ৫৩)
উল্লেখ্য হযরতুল আল্লামা ইবনে কাসীর রহমাতুল্লাহি আলাইহি এবং ছাহিবে “নায়লুল আওতার” রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনারাসহ অসংখ্য ফকীহ ও আলিমগণ একমত, পঞ্চম হিজরীতে ৬২৭ খ্রিস্টাব্দে পবিত্র ৮ই যিলক্বদ শরীফ পর্দা ফরয হয়েছে। সুবহানাল্লাহ

সব বিধর্মীরাই মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু এবং মুসলমানদেরও শত্রু।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদার! তোমরা আমার শত্রু এবং তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না।”

সব বিধর্মীরাই মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু এবং মুসলমানদেরও শত্রু। এ কারণেই পৃথিবীর অনেক দেশে পবিত্র কুরবানী উনার মতো মৌলিক ও পবিত্র দ্বীন ইসলামী কাজ মুসলমানরা পালন করতে পারছে না। নাউযুবিল্লাহ! যেমন, ভারতেসহ বিধর্মীদের সব দেশেই পবিত্র কুরবানী নিষিদ্ধ করতে চাচ্ছে এবং চরমভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। নাউজুবিল্লাহ!
আর এখন খোদ ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশ বাংলাদেশেও একের পর এক পবিত্র কুরবানী বিরোধী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! অতএব, গোটা মুসলিম বিশ্বের সমস্ত মুসলমানদেরকেই এজন্য যথাযথ প্রতিবাদী হতে হবে। পবিত্র কুরবানী বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত এখনই নস্যাৎ করে দিতে হবে।

- ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম
 
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘কুরবানী’ শব্দটি এসেছে ‘কুরব’ শব্দ থেকে। যার অর্থ নৈকট্য, সান্নিধ্য ও নিকটবর্তী হওয়া। পবিত্র কুরবানীর মাধ্যমে কোনো কিছু মহান আল্লাহ পাক উনার নামে নিবেদিত করে উনার নিকটবর্তী হওয়া। সুবহানাল্লাহ! 

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরবানী উনার গুরুত্ব ও ফযীলত সম্পর্কে বহু পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে। যেমন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যারা পবিত্র কুরবানী করবেনা তারা যেন ঈদগাহের নিকটে না আসে।” নাউযুবিল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরও ইরশাদ মুবারক করেন, “আদম সন্তান পবিত্র কুরবানী উনার দিন যেসব নেকীর কাজ করে থাকে তন্মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় আমল হলো পবিত্র কুরবানী করা। ক্বিয়ামত দিবসে পবিত্র কুরবানী উনার পশু তার শিং, পশম ও খুরসহ উপস্থিত হবে।” সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরও ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র ঈদুল আযহা উনার দিনে বান্দা ও বান্দীর পবিত্র কুরবানী উনার পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার পূর্বেই মহান আল্লাহ পাক তিনি তার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেন।” সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরও ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে সমস্ত পশু দ্বারা পবিত্র কুরবানী করা হবে ক্বিয়ামতের দিন সেই পশুগুলি পবিত্র কুরবানীদাতাকে পিঠে করে বিদ্যুৎবেগে পুলছিরাত পার করে বেহেশেত পৌঁছিয়ে দিবে।” সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরবানী উনার মাধ্যমে মূলত মুসলমান শিরক এবং গাইরুল্লাহকেই যবেহ করে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার জজবা লাভ করে থাকেন। তাই পবিত্র কুরবানী মুসলমানদের কাছে যেমন প্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ বিধর্মীদের কাছে তেমনি অপ্রিয় ও অপছন্দনীয় কাজ।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সব বিধর্মীদের ধর্ম এক।” বাস্তবতা তাই প্রমাণ করে। যেমন, ভারতেসহ বিধর্মীদের সব দেশেই পবিত্র কুরবানী উনাকে নিষিদ্ধ করতে চাচ্ছে এবং চরমভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। নাউজুবিল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তাই মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদার! তোমরা আমার শত্রু এবং তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না।” তাই নিজেদের দ্বীনি অধিকার আদায়ে গোটা মুসলিম বিশ্বের সমস্ত মুসলমানদেরকেই যথাযথ প্রতিবাদী হতে হবে। পবিত্র কুরবানী বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র শক্ত হাতে নস্যাত করে দিতে হবে।
-০-

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...