মুরিদ থাকা অবস্থায় শায়েখ উনার দায়িত্ব পালন করতেন
শায়েখ ইরশাদ মুবারক করেন:
১০ বছরে যা হাছিল হবে না, দশদিনেই তা হাছিল হবে
আলহামদুলি মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম
মুরিদ হওয়া সত্বেও তাসাউফের প্রত্যেকটি বিষয় সমস্ত দিক থেকেই অতুলনীয়, যা সৃষ্টির শুরু থেকেই উনাকে দেওয়া হয়েছে
যেমন, মুরিদ থাকা অবস্থায়
তিনি সুমহান মহাপবিত্র, কাদেরিয়া, চিশতিয়া, নকশবন্দিয়া মোজাদ্দেদিয়া অজিফা শরীফ
কিতাব নিজ হাত মুবারকে লিখেছিলেন
প্রকাশিত, ১৮ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪০৬ হিজরী, সোম বার শরীফ, আজ থেকে ৩৭ বছর আগে
যাক কিতাব মুবারক গুলো পাড়ার সৌভাগ্য অর্জন করলাম
কেমন,,, মুরিদ ছিলেন ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা মামদুহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম , শায়েখ উনার জবানে ক্বওল শরীফ
যাত্রাবাড়ী দরবার শরীফের মহাসম্মানিত হযরত দাদা পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট অসংখ্য লোক ক্বলবী যিকির জারী করে দেয়ার জন্য আরজী করতো। তাদের মধ্যে অনেককে তিনি সুলত্বানুন নাছীর রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুরশিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট পাঠিয়ে দিতেন। তিনি প্রায়ই বলতেন, আমার ছোহবত ইখতিয়ার করে যে নিয়ামত দশ বছরে হাছিল হবেনা, তার চেয়েও অনেক বেশি নিয়ামত সুলত্বানুন নাছীর, রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুরশিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দশ দিনের ছোহবতে হাছিল হবে। সুবহানাল্লাহ!
ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ জিন্দাবাদ