Sunday, February 13, 2022

সাবধানহোন, অন্যকে সাবধান করুন। এটা ফিতনার যুগ।



এটা ফিতনার যুগ! ট্রোজান হর্সের 

মত মুসলিম সমাজে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে 

ঢুকে যাচ্ছে পশ্চিমা আদর্শ ও মূল্যবোধ! 

সাবধানহোন, অন্যকে সাবধান করুন...

..........................................

জনৈক বুজুর্গ বলেন...

যদি কোনো জাতিকে ধংস করতে চাও..

তাহলে তাদের মাঝে অশ্লীলতা চরিয়ে দাও..

বর্তমান কাফের মুশরিকদের ৩০০ 

বছরের প্লান অনুযায়ী,

মুসলমানদের ধংস করার 

প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে.

অশ্লীলতা,,,

..........................

বেপর্দা বেহায়াপনা, ছবি মূর্তির কারণে, 

চারিদিকে এতোবেশি যহমত যে, 

মানুষ আলাদা করে তা অনুভব করেনা,,,,,

......................................

মৃত্যু মানে জীবনের শেষ নয়,,,,,,,

মৃত্যু মানে অন্তহীন জীবনের শুরু.......

মানা বা মুহব্বত করাটাও একটা আমল, 

তবে সেটা হতে হবে হক্বের প্রতি।

বেহায়াপনা উসকে দেয়া এবং ঈমান কেড়ে নেয়াই ভ্যালেন্টাইন দিবসের উদ্দেশ্য।

 বেহায়াপনা উসকে দেয়া এবং ঈমান কেড়ে নেয়াই ভ্যালেন্টাইন দিবসের উদ্দেশ্য।



এক যুদ্ধাপরাধী, দুর্নীতিবাজ, ইহুদী-নাছারাদের একান্ত ফরমাবরদার, মুসলমান নামধারী মুনাফিক ১৯৯৩ সালে সাপ্তাহিক যায়যায়দিন পবিত্রকার মাধ্যমে ভ্যালেন্টাইন ডে নামক এক বেহায়াপনা দিবস বিদেশ থেকে আমদানি করে চালু করে দেয় শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশে। ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের মাধ্যমে মুসলমান একদিক পবিত্রক কুরআন শরীফ উনার নির্দেশ অমান্য করছে, বেপর্দা হচ্ছে এবং কাফির-মুশরিকদের রছম-রেওয়াজ পালনের দ্বারা ঈমান হারাচ্ছে। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে- যদি কেউ কোনো মেয়েকে করার ইচ্ছা পোষণ করে থাকে, তাহলে তাকে তার অভিভাবকদের মাধ্যমে প্রস্তাব পাঠাতে হবে। সরাসরি কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু ভ্যালেন্টাইন ডে-তে ছেলে-মেয়েকে কিংবা মেয়ে-ছেলেকে সরাসরি ভালোবাসার কথাটা প্রস্তাব করে থাকে। নাঊযুবিল্লাহ! চলে বেপর্দা-বেহায়াপনার নির্লজ্জ উৎসব; যাতে ইবলিস শয়তানের ওয়াসওয়াসা থাকে ও নফস বা প্রবৃত্তির উদ্দামতা যুক্ত হয়। নাঊযুবিল্লাহ! তাই পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ মুতাবিক ভ্যালেন্টাইন দিবস পালন শক্ত কবীরাহ গুনাহ এবং পরকালে এসব কাজের জন্য কঠিন শাস্তি পেতে হবে। এ প্রসঙ্গে সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে, তার হাশর-নশর, তাদের সাথেই হবে।” এর অর্থ যারা কথিত ভালোবাসা দিবস পালন করবে তাদের হাশর-নশর, ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের সাথেই হবে। নাঊযুবিল্লাহ!

যাদের কাছে পবিত্র ঈমান উনার মূল্য নেই, এই পার্থিব ক্ষণস্থায়ী জীবনকেই সবকিছু মনে করে থাকে, তাদের কাছে এটা এমন আর কি বলে মনে হতে পারে। তবে প্রত্যেককে কবরে যেতে হবে এবং সম্পাদিত কাজ-কর্ম, আমলের হিসাব কড়ায়-গ-ায় দিতে হবে। এ কথা যদি কেউ বিশ্বাস করে থাকেন তাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হলো এই সমস্ত কাফির-মুশরিকদের রছম-রেওয়াজ পালন করা থেকে বিরত থাকা এবং মুসলমানদের জন্য বরকতময় দিন-রাত্রিগুলো যথাযথ তা’যীম-তাকরীমের সাথে পালন করা।

দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু

  দীর্ঘদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে বারো বাজারে পর্যটন নগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে আসছে মুহম্মদ আলী রেজা রাজু  ভাই তোমার জন্য শুভ...