বর্তমানে হারাম, বিদআত ও বদরছম এত অধিক মাত্রায় চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যা বলে শেষ করার মতো নয়।
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নামে বেদ্বীনি কাজ, ছওয়াবের নামে গুনাহর কাজ, জান্নাত লাভের নামে জাহান্নামী হওয়ার কাজ, মহান আল্লাহ পাক উনার উদ্দেশ্যে শয়তানের কাজ করে লোকেরা দ্রুতগতিতে গোমরাহীর পথে ধাবিত হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! ফলে তাদের জন্য জাহান্নামে যাওয়ার পথ পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। হেলায়-দোলায় গুনাহর কাজে লিপ্ত হয়ে তারা অনন্ত সুখের স্থান জান্নাত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! যেমন হামদ শরীফ, না’ত শরীফ, ক্বাছীদা শরীফ উনার পরিবর্তে হারাম গান-বাজনার আসর করছে, গান-বাজনা, কাওয়ালী শ্রবণ করছে, বেপর্দা বেহায়াপনায় মেতে চলছে, কাফিরদের পূজা-পার্বণে যোগ দিচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! কাফিরদের প্রবর্তিত ও পালিত বিভিন্ন দিবস পালন করছে। বিভিন্ন নেশা জাতীয় বস্তু- যেমন গাঁজা, আফিম, ভাং, বিড়ি, সিগারেট, হুক্কা ইত্যাদি সেবন করছে। বিজাতীয়দের পোশাক যেমন- শার্ট, প্যান্ট, সুট, কোট, টাই ইত্যাদি পরিধান করছে। দাড়ি মু-ন বা ছেটে রাখছে আর মোচ লম্বা বা বড় করছে। জুয়া, লটারী, জীবন বীমা, বিবাহ বীমা, জন্ম বীমা ইত্যাদি হারাম কাজের মধ্যে সম্পৃক্ত হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
কাজেই, উক্ত সব হারাম, বিদআত, বেশরা ও বদ রসম কাজ থেকে বিরত থাকা প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলার জন্য ফরযে আইন।
